ওরা ইরাক আক্রমণ করেছিল, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আছে এই দাবি করে। সেখানে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধবৃদ্ধা কাউকে ছাড়েনি। নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে। এই একই পথে সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন সর্বত্র মৃত্যুযজ্ঞ চালিয়ে গেছে, শেষ তিন চারটে দশক ধরে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
পশ্চিমাশক্তি ভরা গ্যাস বেলুন
ওরা ইরাক আক্রমণ করেছিল, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আছে এই দাবি করে। সেখানে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধবৃদ্ধা কাউকে ছাড়েনি। নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে। এই একই পথে সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন সর্বত্র মৃত্যুযজ্ঞ চালিয়ে গেছে, শেষ তিন চারটে দশক ধরে।
ইরাণ ইজরায়েল যুদ্ধ
যে কাঁদে কাঁদুক, তবু লিখি ফুটনোট,
ফুল তুই তেল আবিবে বোমা হয়ে ফোট।
–কবি ইমতিয়াজ মাহমুদ
দখলদার হিজরায়েলে ধ্বংসের যা মারাত্মক চিত্র, হিজরায়েল এখন লোটাকম্বল নিয়ে আমেরিকার পা জড়িয়ে বসে পরেছে বাঁচাও। মার্কিন পন্থীরা গত পরশুদিন অবধি যেরকম উল্লাস আনন্দে মেতে উঠেছিল একতরফাভাবে ইরানে আক্রমণ করার পর, গত রাত্রি থেকে ‘কোন ভয় নেই কোন ভয় নেই’ মার্কা বক্তব্য দিচ্ছে।
গতরাতে আক্রমণের ফলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে ন্যাটো একটা বিবৃতি পর্যন্ত দিতে পারেনি। হিজরাইলের পক্ষে বলা এখনও দূর অস্ত। ইব্রাহিম ট্রাওরে একাই আফ্রিকা থেকে যাওয়া ইউরোপের সাপ্লাই লাইনে নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।
শোনা যাচ্ছে কুত্তানিয়াহু পালিয়ে গেছে, না পালালেও ইঁদুরের মত কোনো বাঙ্কারে লুকিয়ে রয়েছে, এমন বীরপুরুষ। আরেক হিজরায়েলী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নাফতলি বেনেট ইরানী জনগণের উদ্দেশ্যে লিখছে- শিজ্ঞিরি তোমরা বিদ্রোহ করে তোমাদের ডিক্টেটর সরকার পতন ঘটাও, ওরা সভ্যতার শত্রু। নিজেরা প্যান্টে হেগেমুতে এখন ইরানি জনগণের পায়ে ধরছে একপ্রকার।
আজ যুদ্ধবাজের ঘরে যুদ্ধ ঢুকেছে, এতোদিন নির্বিচারে যারা নিরীহ মানুষের উপরে হত্যালীলা চালিয়েছে, আজ তারা বিশ্বের দরবারে শিশু ও নারী হত্যার বিচার চাইছে। নিজেদের দেশের নাগরিকদের মানব ঢাল বানিয়ে যুদ্ধবাজ খুনির দল গর্তে লুকিয়েছে।
ইহুদিবাদী মিডিয়ার অধীনে তথাকা উইকিপিডিয়া বা চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করে দেকখুন, তারা স্বীকার করেছে গত পাঁচ মাসের মধ্যে ষাট হাজার যায়নবাদী সেটলার তথা হিজরায়েলী দেশ ছেড়ে ইউরোপ-আমেরিকায় পালিয়ে গেছে। পরিস্থিতি এরকম চলতে থাকবে অন্তত দু লক্ষ সেটলার পালিয়ে যাবে, যারা ঠিক এই মুহুর্তে আছে, তারা যে বিভীষিকার মধ্যে রয়েছে, একবার পালাতে পারলে ফেরার সম্ভাবনা নেই। এই পরিস্থিতিতে মৃত্যুহার বেড়ে যাবে আর জন্মহার আরো কমে যাবে। সব মিলিয়ে মাত্র ২ রাত্রে যায়নবাদীদের উলঙ্গ করে দিয়েছে ইরাণ।
আমাদের মতো বোকাচোদা নয় আর ভুঁড়িওয়ালা ও নয় প্রত্যেকটি লোকের দু'বছর পাক্কা মিলিটারি ট্রেনিং আছে
রীতিমতো গৃহযুদ্ধ লেগে গেছে তেল আভিভ সহ নানা এলাকাতে, পুলিশের সাথে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যাচ্ছে। হিজরায়েলের সেটলারেরা আমাদের মত পেট মোটা, ভুঁড়িওয়ালা আমাশার রোগী নয়। প্রত্যেকের অন্তত দু'বছর মিলিটারি ট্রেনিং নেয়া রয়েছে। তারপরও তারা কিন্তু মানুষ, কানের গোড়ায় মিসাইল ফাটলে সকলেরই পেছন ফেটে যায়, আতঙ্ক গ্রাস করে। যদিও এদের প্রতি কোনো সহানুভূতি নেই, গাজাকে শিশুশ্যূন্য করার টিশার্ট পরে এরাই মিছিল করে প্রতিটি বোমাকে উদযাপন করত। সুযোগ পেলে আবার এরা নিরীহদের খুন করবে গাজায়।
আমার অনুমান কুত্তানিয়াহু খুব বেশি দিন গদি আঁকড়ে বসে থাকতে পারবেনা। ওদেশে রাষ্ট্র তথা পুলিশের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ ঘোষণা হয়েছে সেখানে হিজরাইলের বামপন্থীদের রীতিমতো মদত আছে।
হিজরায়েল দেশটা ঠিক কতবড়? মাত্র ২২ হাজার বর্গকিমি। মানে আমাদের দুটো চব্বিশ পরগনা, হাওড়া , কোলকাতা, হুগলী আর নদীয়া মিলে যতটা এলাকা হয়, ঠিক ততটা সামান্য কমবেশী। বেশী নয়, আর ৪-৫ দিন এই হারে যদি আক্রমণ ইরাণ আক্রমণ চালায়, হিজরায়েলের মার খাওয়ার মত ভূমি অবশিষ্ট থাকবেনা।
পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমরা দেখেছিলাম আমাদের ইন্ডিয়ান প্রপাগান্ডা মেশিনারি ভয়ংকর ভাবে ফেল করেছিল আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানি প্রোপ্যাগান্ডা মেসিনারি ও বাংলাদেশী মিতথ্যুকদের কাছে। কুত্তার উপরে হলদে কালো ডোরাকাটা দাগ কেটে বাঘ সাজা ‘মোসাদ’ নামের "ভিরাট ক্ষমতাবান" গোয়েন্দা সংস্থাকে চায়ের দোকান লেভেলে এনে ফেলেছে। তাদের দেশের সদর দপ্তরটিকেই উড়িয়ে দিয়েছে ইরাণ। সমস্ত আন্তর্জাতিক মিডিয়া ইহুদিদের মালিকানাধীন, আমেরিকা এখানে একচ্ছত্র রাজত্ব করে।
ফেসবুক টুইটার ইউটিউব সব তাদের সম্পত্তি। তারপরেও সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে যায়নবাদীদের প্রোপাগান্ডা মেশিনারিকে চেকমেট করে দিয়েছে- গোটা মধ্যপ্রাচ্য, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার একটা অংশের জনগন তথা নেটিজেন। ইউরো-আমেরিকান প্রোপাগান্ডা মেশিনারিকে নকআউট করে দিতেই সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ইরানীয়ান অফিসিয়াল বেশ কিছু সোস্যাল্মিডিয়া চ্যানেল ব্যান বা সাসপেন্ড করে দিয়েছে। এই যথেচ্ছ ভাবে একতরফা ব্লক রার মাধ্যমে এদের বুকের ভিতরের কাঁপুনি টের পাওয়া যাচ্ছে, কতটা ভয়ে থাকলে এমনটা করে! এতে লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না, হই হই করে নতুন আরেকটা অ্যাকাউন্ট জেগে উঠছে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধের বাজারে বা সক্ষমতায় আমেরিকা চিরকালীন ফেকলু মাল, সবসময় তারা শুয়োরের মত দলবেঁধে আক্রমণ করে। ইতিহাস বলছে আজ অবধি তারা কোনো যুদ্ধ জেতেনি। তারপরেও পূর্ববর্তী বহু প্রেসিডেন্ট অন্তত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছিল। ট্রাম্প সেখানে মহা উন্মাদ, মেগেলোম্যানিয়াক বুড়ো ষাঁড়, বিশ্বজুড়ে সে হাসির পাত্র। এর মতো ব্যর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাদের ইতিহাসে কম এসেছে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঘোষণা করেছে, যে দেশের আমেরিকান ঘাঁটি থেকে মার্কিনিরা ইরানের ভূমিতে আঘাত হানবে, ইরাণ সেই দেশে সরাসরি আক্রমণ চালাবে। মদ, জুয়া, হারেমে শত সহস্র নারী আর বিলাসিতায় ডুবে তথাকা মধ্যপ্রাচ্যের মোল্লা রাজারা সব ভেড়ার পাল। এরা শক্তিশালী ক্ষমতাবানেদের পশ্চাদলেহন করে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত, মিশর, তুরষ্ক সহ মুসলমান দেশগুলি সমেত ৫৭ দেশের জোট হিজরাইলের বিপক্ষে সরাসরি ইরানের পক্ষে দাঁড়াবে কিনা এখনও সেটা পরিষ্কার নয়। এরা যদি বেইমানি না করে সত্যি সত্যি জায়নবাদী দখলদারদের বিরুদ্ধে একজোট হয়, সেক্ষেত্রে আলজেরিয়া, লিবিয়া সহ আফ্রিকার জনগণ আর শাসক উল্টো দিকে থাকলেও- ইরাক, জর্ডন, লেবানন, সিরিয়া সমেত নিকটবর্তী দেশের জনগণ চুপ করে বসে থাকবে না। রাজাগুলো পুতুল হলেও জনগণ কিন্তু চুপ করে বসে থাকবে না। ইব্রাহিম ট্রাউরে শুধু একা ফ্রান্স নয় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভিতে কম্পন ধরিয়ে দিয়েছে আর ট্রাম্প নিজের দেশেই নিজে বিপর্যস্ত। এটাই তাই সুবর্ণ সুযোগ জমি উদ্ধার করে প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র পুনঃ প্রতিষ্ঠার।
শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক দেশের জনগণ নয়, ওই জাতির যেসব জনগণ প্রথম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ন্যাটোর অন্তর্গত দেশগুলিতে বাস করে, সেখানেও বিশাল বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বার করেছে। ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, মরক্কো, গ্রীস, তুরস্ক, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বিশাল বিশাল মিছিল বার হয়েছে স্বাধীন ফিলিস্থিনের সমর্থনে ফিলিস্থিনি পতাকা হাতে কিংবা গায়ে জড়িয়ে।
পারস্য উপসাগরকে সোজা করে দিয়ে ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, তুরস্ক আর ইয়েমেন সঙ্গে সোমালিয়াকে দিয়ে সুয়েজ ক্যানেলের ঢোকা বেরোনো বন্ধ করে দিয়ে এবং একই সাথে আরব সাগরকে ঘেঁটে ঘ করে দেবার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। গত রাত্রের ফাইফা সহ জবরদকখলকারীদের দেশ হিজরায়েলে ইরাণের পারফরমেন্স দেখে বেশিরভাগ দেশ হতবাক হয়ে যাবার পরে তবে মিশরের মত মুনাফেক মোল্লা দেশগুলো এক এক করে লাইনে আসতে শুরু করেছে। সামগ্রিকভাবে ইসলামিক জোট কী করে সেই দিকেই কিন্তু আমরা তাকিয়ে আছি। ওরা যদি একবার একটা সর্বসম্মত বিবৃতি দেয় তবে কিন্তু ইসরাইলের বাপ, আমেরিকার হাতে হ্যারিকেন ঝুলে যাবে ।
আমাদের মত ভারতীয়দের
আর কী! শুধুমাত্র একটি দুর্নীতিগ্রস্ত লোকের ব্যবসায়িক স্বার্থ
দেখতে গিয়ে ১৪০ কোটি লোকের বিদেশ নীতি প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। এতবড় একটা বৈশ্বিক ঘটনাতে বিশ্বের সবচেয়ে
বড় জনবহুল রাষ্ট্রের নপুংসক অমেরুদন্ডী নেতা- মুখে গোবর গুঁজে বসে আছে। ছিঃ
শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
গাজা নয়, তেল আবিব।
বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
সে অনেক আগেই অন্যের নৌকায় সাওয়ার হয়েছে
মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫
মাননীয়া চোরেদের জন্য শিক্ষকদের বলি দিয়েছেন
আসলে তোলা যারা তুলেছে, চাকরি যারা বিক্রি করেছে, বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে যারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছে সরকারী চাকরির- তারা প্রত্যেকে "সততার প্রতীকের" দলের সম্পদ। সেই কারনেই ইনি নিয়মিত সময় অন্তর "কিছু একটা" বলে নিয়মিত সময় নষ্ট করে যাচ্ছেন। নতুবা যারা তোলামূলকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তাদের পোঁ'দের চামড়া কপালে তুলে দেবে কেলিয়ে- যারা টাকা দিয়েছে। পুলিশ বা সিভিক দিয়ে এদের বাঁচানো যাবেনা।
রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
শখের পুরুষকে বিয়ে
শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
ফুটফুটে চুতিয়া
ইয়ে, মিডিয়া আপনাকে চুতিয়া বানায়নি।
আপনি চুতিয়াই ছিলেন, গতকাল একজন
ভেরিফায়েড চুতিয়া হিসাবে প্রমানিত হলেন মাত্র।
৯ই মে সকাল ৮টার সময় করা ভারতীয় আর্মির টুইট অনুযায়ী সত্যটা হচ্ছে- ইন্ডিয়া পাকিস্তান আক্রমণ করেনি, তেমন কোনো পরিকল্পনাও নেই। বেছে বেছে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি উড়িয়েছে, উড়াচ্ছে ও আগামীতে এটা চালু থাকবে নির্মূল না হওয়া অবধি।
গোদী মিডিয়া নাম এমনি এমনি হয়নি, একদিনেও হয়নি।
যাকে ভক্তেরা ১০১% বিশ্বাস করে। আপনি হয়তবা
বাম সমর্থক, তেনার মাঝে লেনিন দেখা অরাজনৈতিক, রাজনীতি বোঝেননা কিন্তু মোদীকে ভালো লাগে তাই বিজেপিকে ভোট দেন, অথবা নির্বিবাদী মানুষ কিম্বা শিক্ষক। তবে, কোথাও একটা বিশ্বাস তো ছিলো এই মিডিয়ার উপরে- যারা সরকারকে প্রশ্ন না করে গত ১২ বছর ধরে হিন্দু-মুসলমান, us vs them এর
মাধ্যমে, বিজেপির যাতে রাজনৈতিক লাভ হয় সেই প্রোপাগান্ডা চালায়।
গতকাল ভারতীয় মূলধারার
সব মিডিয়া ভুয়ো খবর দেখিয়েছে, এটা আজ প্রমানিত। কিন্তু এর উৎস কোথায়? স্বাভাবিক ভাবেই
খোঁজেননি। নুন্যতম ফ্যাক্ট চেকের দিকেও নজর রাখেননি এমনই জোশ উঠে গিয়েছিল। একটু কষ্ট
করে খুঁজে দেখলেই পেয়ে যাবেন। india.com, PMO India, Ajit Doval, Indian Military
Fan Page, Sanatani Hindu- এই জাতীয় মাত্র খান দশেক পেজ থেকে ফেসবুক, এক্সহ্যান্ডল
ও ইউটিউবে মূল পোষ্টার বা ফেক ভিডিও গুলো ছাড়া হয়ে ছিল।
সকলেই জানে এগুলো বিজেপির IT সেলের কাজ, যারা গ্রেটার দিল্লির নয়ডার একটা অফিস থেকে করেছে, অন্তত গত রাত্রের IP Address Traking এর হিসাব অনুযায়ী। এটা সরকার জানেনা? অবশ্যই জানে, সরকার মানে তো এই বিজেপি নেতাদেরই নিয়ন্ত্রনে রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যাদের নিয়ন্ত্রণে আঁটি সেল নিশ্চিন্তে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালায়। অনেকটা সেম সাইড হয়ে যাচ্ছে দেখে ‘ডিফেন্স মিনিস্ট্রি’কে দিয়ে একটা লিখিত ঘোষণা করে দায় সেরেছে সরকার, আজ সকালে। যারা মিথ্যাচারের অপরাধ করলো তাদের একজনের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। বুঝেই গেলেন ১৮২ দেশের মাঝে কেন গোদী মিডিয়া ১৫১ তম স্থানে। গোয়েবলস অবধি লজ্জা পেতো এদের পেশাদারিত্ব দেখতে পেলে।
IPL ম্যাচ পরিত্যক্ত হতেই
"নেট পাব্লিক" খোরাক চাইলো। মিডিয়া সাথে সাথে বলিউডি স্টাইলে পাকিস্তান
এনে দিলো। কিছু জন উন্মাদনায় ফেটে পড়ল যুদ্ধ লেগেছে বলে, কেউ কেউ উচ্চমার্গীয় ছেনালি শুরু করল যুদ্ধ বন্ধের আর্জি জানিয়ে।
দেখুন, ক্যান্সার সারাতে গেলে কেমো থেরাপির ইঞ্জেকশন, সেলাইন সইতে হবে। এই চিকিৎসাতে শরীর মুটিয়ে যাবেই, শরীরের লোম ঝরে যাবে, দেহে কালো কালো স্পট আসবে, সাথে অসহ্য যন্ত্রনা। তবেই ক্যান্সারের যন্ত্রনামুক্তি সম্ভব। পাকিস্তান রাষ্ট্র হলো সেই ক্যান্সার, এই রোগ সারাতে আমাদের কিছু ক্ষয়ক্ষতি সইতেই হবে, এটাই প্রাক্টিক্যাল ঘটনা। কিন্তু সেটা over the Night হয়না, সব কিছুর একটা প্রসেস আছে। যেমন বাংলাদেশের ভারত বিরোধী সমাজ, সেটাও রোগ, তবে গুপ্তরোগ, বড় জোর দাদ, হাজা বা অর্শ কিম্বা ঐ জাতীয়ই। মৃত্যুভয় নেই, কিন্তু সর্বক্ষণ ক্রনিক চুলকানি হতেই থাকবে।
আবেগ যখন বুদ্ধিকে গ্রাস করে তখন হিসাব-নিকেশ-অঙ্ক ইজেরে চলে যায়। মাত্র ৩৬৫ বর্গ কিলোমিটারের গাজাকে- ইজরায়েল, ন্যাটো এবং গোটা মার্কিন সেনা বহর তাদের যুদ্ধ সরঞ্জাম ও অস্ত্র দিয়ে সম্পূর্ণ নিকেশ করতে পারেনি ৭০ বছরে। সেখানে ৮৮১৯১৩ বর্গ কিলোমিটারের ‘ক্যান্সার’ পাকিস্তানকে ২৪ ঘন্টায় সাফাই করে ‘গাজা বানিয়ে’ দেবে এটা বিশ্বাস করা আপনার মত গান্ডুকেই মানায়। সময় লাগবে, ধীরে ধীরে মারবে, আর সেই অঙ্ক জানে যারা দেশ সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোনো দায় নেই আপনাকে অর্গাজম দেওয়ার জন্য T-20 মোডে বেহিসাবে কাজ করবে। রাজনৈতিক ফাঁসের চাপে সেনারা অনেক সময় চেয়ে পালটা দিতে পারেনা এটাকে মাথায় রেখেই লিখছি।
কিছু বাংলাদেশী ফেসবুক পেজ অকারনে ইন্ডিয়াকে গালাগালি করে, আমরাও আবেগ নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে হুলিয়ে কমেন্ট শেয়ার করি। এতে পেজের ভিউজ বাড়ে, মানিটাইজেশন করা থাকলে পেজ মালিকের রোজগার হয়। পাতি বাংলাতে খিস্তি খেয়ে যদি ডলার আসে, খিস্তিই সই। ওটাই রুটি রুজি। আমার পরিচিত এক ‘ডিজিটাল ক্রিয়েটর’ যুবতী- গত রাত্রে ২ ঘন্টায় ৩টে পোষ্ট করে বসে ছিল উত্তেজনায় “আজ সারারাত উদ্বিগ্নতার... জয় আমাদের হবেই”। যারা নিজের বাড়ির পুরো ম্যাপটাও সঠিকভাবে জানেনা তারাই মূলত গোদী মিডিয়া ভাইরাসে বেশী আক্রান্ত হয়েছে।
মিডিয়া হাউজ গুলোর কোনোটাই রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত নয়, বড় বড় পুঁজির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন যাদের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। পুঁজি রাষ্ট্র বোঝেনা, নেতা মানেনা, তার জাত ধর্ম কিচ্ছু নেই। সে কেবল মুনাফা বোঝে। পাকিস্তান নিয়ে জনমানসে রাগ আছে, হতাশা আছে, সর্বোপরি বদলা নেওয়া চাহিদা আছে। মিডিয়া সেটাকেই নিজেদের আনুকূল্যে এনে ক্রিকেট/ফু্টবল ধারাভাষ্যের মত সমানে নব নব শিহরণ দিয়ে গেছে প্রতি মুহুর্তে। হামলে পরে মানুষ দেখেছে, অনংশগ্রহন করেছে, এতে চ্যানেলের ভিউ বেড়েছে, বিজ্ঞাপনের আয় বেড়েছে।
অতএব আপনি ফুটফুটে ‘ওলে বাবালে’ লেভেলের চুতিয়া ছিলেনই, গতরাত্রে শুধু স্নাতক পর্যায়ের সার্টিফায়েড ‘উদগান্ডু
চুতিয়া’ হলেন মাত্র।
সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
এক ফোনেই ফুস.........
এক ফোনেই ফুস.........
শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
সার্টিফায়েড ‘উদগান্ডু
ইয়ে, মিডিয়া আপনাকে চুতি'য়া বানায়নি। আপনি চুতি'য়াই ছিলেন, গতকাল একজন ভেরিফায়েড চু'তিয়া হিসাবে প্রমানিত হলেন মাত্র।
বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
কাশ্মীরিদের ভারতীয় ভাবেন?
পুঞ্চ, রাজৌরি সহ POK বরাবর কাশ্মীরে অন্তত ১০ জন নিহত আর অগুন্তি গুরুতর আহত হয়েছে। এর বাইরে অন্যান্য পাক সীমান্তবর্তী জেলার এলাকাতেও বেশ কিছু সাধারন নিরপরাধ মানুষ না-পাক আর্মির দ্বারা খুন হয়েছে।
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...