বাঙালির উপর অত্যাচার আজকে নতুন কিছু নয়। মুম্বাইতে বিহারি খেদাও অভিযান, এটাও খুব পুরানো নয়। আসল কথা গরিবের উপর অত্যাচার। কোন বড়লোকের উপর আজ অব্দি কখনো কোন রাজ্যে, কোন দেশে অত্যাচার হয়নি।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
বাঙালী খেদাও ও বাস্তবতা
ভাইপো ও চুরি
হ্যাঁ, ভাইপো, চুরি কখনও একতরফা হতে পারেনা। হয়ও নি-
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
মমতার ভুয়ো ভোটার শিল্প
আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, পশ্চিমবঙ্গেও এমন লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার তৈরি করে রেখেছে তোলামূল। প্রতিটি বুথে, প্রতিটি পঞ্চায়েতে, প্রতিটা ভোটার লিস্টে।
বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
মূর্খ মোদী ও ট্রাম্পের ট্যারিফ
মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।
বামেদের প্যাক মানি
রাজনীতিতে বিরোধী দলের কাজটা কী? আপদ স্থলে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া-
মধ্য বাংলাতে কংগ্রেসের শুধু সাইনবোর্ড বেঁচে আছে, দক্ষিন বাংলাতে সেটাও তোলামূল কিনে নিয়েছে। বিজেপি আর তৃণমূলে প্রভেদ নেই। আমাদের রাজ্যে প্রকৃত বিরোধী বলতে তো শুধু বামেরা, বা আরো স্পষ্ট করে বললে সিপিএম।
অথচ, ঘাটালের বন্যায় গত ৩ দিন ধরে মমতা ব্যানার্জি ফুটেজ খাচ্ছে তোতলা অধিকারীকে পাশে নিয়ে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ভাইপো সমানে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। গতকাল আরামবাগে রীতিমত খিচুড়ি বিলির ফটোশ্যুট করেছে মাননীয়া। সেখানে বামেদের তরফে উল্লেখযোগ্য কেউ নেই। কি আফসোস আমাদের…
মহঃ সেলিম সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক হতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো তাকে শোনেনা, শুনতেও চায়না। চালচোর বাদে গোটা রাজ্য যাকে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকে সেই ‘মীনাক্ষী মুখার্জীর’ পায়ে বেড়ি পরারাবার জন্য কী সাদাচুল ওয়ালা রাজ্য নেতৃত্ব কালীঘাট থেকে ‘প্যাক-মানি’ নিয়ে কী তাদের হয়ে খেপ খাটছে?
মমতাকে হারাতে গেলে আগে তার ইমেজ খেতে হবে। যুব বামেদের উৎসাহ বা সাহসের তো ঘাটতি নেই। তাদের কেন আঁটকে দেওয়া হচ্ছে? মমতার চেয়ে ২ মিনিট আগে যেখানে ভেবে ফেলতে হবে, আর উপদ্রুত অঞ্চলে ১ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে; সেখানে ময়দান প্রায় ফাঁকা।
বাঁকুড়াতে না খেতে পেয়ে লোক মরে গেছে, আরো পাঁচজন নাকি লাইনে আছে। আমরা কেউ বলছি না, এটা গণশক্তি নিজেই ছাপিয়েছে। সেখানে কোন রাজ্য নেতারা গিয়ে পরে আছে? এত বছরে তাদের কেন আধার কার্ড হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুঁজতে গেছে? বেঁচে থাকা লোকেদের আধার কার্ড করিয়ে পঞ্চায়েত থেকে একটা কিছু ব্যবস্থা করবার চেষ্টা কেউ করতে গেছে? টিভি খেঁউড়ে দেবাংশুকে হারিয়ে রাজা উজির মারা সোস্যালমিডিয়া মিম বানাতে বানাতে আসলে এরা নিজেরাই দেবাংশুর লেভেলে নেমে গেছে।
কোনো ফেবু আতেল সাজা বাম্বাচ্চা প্রশ্ন করতেই পারে, সেখানে কী স্থানীয় কমরেডরা নেই! আরে ভাই যে স্থানীয়েরা পোলিং এজেন্ট বসাতে পারেনা, তারা করবে ডাইরেক্ট মমতার ইমেজের মোকাবিলা? যেটুকু ক্যামেরা জোটে মীনাক্ষী গেলেই তবেই, নতুবা ক্যামেবা বা মাইক্রোফোনের বুম ফাঁকা। এই কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নেতারা প্রায় মীনাক্ষীকে বগলদাবা করে নিয়ে যায়। জনগণ সব বোঝে, পার্টিকর্মীরাও।
মমতার প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মানুষ যাবে বরণ করে নিয়েছে, সেই মীনাক্ষীকে কে বা কারা আঁটকে দিচ্ছে বারে বারে? এর উত্তর তোলামুল বিরোধী মানুষ তো চাইছে, চোর মমতার বিকল্প তো চাইছে। পার্টি সেলিম সাহেবকে সেনাপতি বানালেও বাংলার মানুষ স্বতস্ফুর্ত তাদের সেনাপতি বেছে নিয়েছে মীনাক্ষীকে, কাকে বাঁচাবার জন্য এই লুকোচুরি হে মহান আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধতন্ত্র?
করোনার সময় রাজ্যের মাত্র দুটো এলাকা দিয়ে পরিযায়ীরা ঘরে ফিরেছিল। পশ্চিম মেদনীপুর আর পশ্চিম বর্ধমান, সেদিন শ্রমিকদের ফ্রন্টে সামনে থেকে গোটা বিষয়টা নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে সকলে আজকে আছে? কেউ নাকি সম্মেলনের নাম করে যে যার মত চেয়ার গুছিয়ে নিয়েছে বাকিদের ল্যাঙ মেরে দিয়েছে। ইতিহাস আমরাও পড়েছি, কমরেড হরেকৃষ্ণ কোঙারক এর মত ব্যাক্তিকেও পলিটব্যুরোতে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্তঃ পার্টি সংগ্রামের নামে ল্যাঙ মারামারির খেলার বাইরে আরো কোনো উত্তর আছে কী আজকের কোনো নেতৃত্বে কাছেও?।
অথচ মমতার সাজানো পরিযায়ী অত্যাচার বা বাঙালী বিদ্বেষে- সেই শ্রমিক নেতাদের নাম শোনা গেছে কোথাও! অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলুমিদ্দিনে বসে একটা বিবৃতি দিয়ে দায় সেরে ফেলা নেতারা শুধু ফুটেজ খাবে যদি ক্যামেরা পায়। কোথায় মুর্সিদাবাদের ডোমকল বা কান্দির রাস্তা জ্যাম করে দেবে, গাজোল, সূজাপুরে র্যালি করবে, ইসলামপুরে হত্যে দিয়ে বসে থাকবে একটা দল~ তা না করে কোলকাতার রাস্তায় ধাষ্টামো মিছিল করছে। এরা মানসিক ভাবেও দেউলিয়া হয়ে আছে, এদের রাজনৈতিক মৃত্যু না হলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি স্থবিরতার কলঙ্কমুক্ত হবেনা।
আগামী ৮-৯ মাসের মাথায় ভোট, টিকিট পেতে ১০৮টা গণসংগঠন আর শরিকদের নামে- ১৮০টা এঁটোখেকো আরসোলার দল, নানান ফাঁকফোঁকর থেকে বেরিয়ে আসবে ভোটে দাড়াতে। আজকে এই সময় আন্ডুপান্ডুর দল কোথায় আছে! যারা রাস্তায় ৎথাকবে সারাবছর তারা ধুহুল চুষবে, আর ভোটে দাঁড়াবে আতরমাখা বাবুবিবির দল- মানুষকে চার অক্ষরের বোকা ভেবেই আজ শূন্য। বন্যার জল আঁটকানো যায়না বালির বাঁধ দিয়ে, আবার ১৬৬৪ সালের মত আরেকটা নতুন বামদল জন্ম নিলে এই অকর্মা বৃদ্ধতন্ত্রই দায়ী থাকবে।।
বাম দলের জনপ্রিয় স্লোগান- ‘জাতের নয় ভাতের লড়াই’, সেখানে ভাত বিলির মত স্থানে যদি মীনাক্ষীরা স্বদলবলে না থাকে সময়ের দাবী মেনে এবং মমতার ফুটেজ খাওয়ার আগে; সম্মেলনের ফাঁসে আঁটকে পরা একটা শহুরে বাবুদের ‘বামনামধারী’ দল- আগামী ২৬এর নির্বাচনেও আর্যভট্ট আবিষ্কার হয়েই ইতিহাসের পাতা থেকে ৩৪ বছরের ঢেকুর তুলতে থাকবে, মিলিয়ে নেবেন।
ওহ, আপনাদের তো আবার একটা পিঠ বাঁচানো বুলি আছে- ‘অতি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী’
বলে বিরুদ্ধ আওয়াজকে ধামাচাপা দেওয়ার। এমনটা চলতে থাকলে তোলামুল বিরোধী সাধারণ জনগনেরও
একটা ভাষা আছে- দালাল।
বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
নকিবদ্দিন সেখ
১৯৫২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবার দাদুর নাম খুঁজে রেখে দেওয়া হলো। নকিবদ্দিন সেখ, পিতা বাবুলাল।
মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
দেশদ্রোহী এ্যান্টি সেমেটিক
ভক্তদের কে প্রশ্ন করুন,বেছে বেছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন কেন হচ্ছে!
ওহে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?
"নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কখনও কোনো সাহায্যকারী পাবে না।’ (সুরা নিসাঃ- আয়াত ১৪৫)
- খলিলুর রহমান
- আবু তাহের খান
- সাজদা আহমেদ
- নাদিমূল হক
- সামিরুল ইসলাম
- মৌসম নূর
➤হামিদুর রহমান➤আব্দুল করিম চৌধুরী➤মহঃ গোলাম রব্বানি➤মিনহাজুল আফরিন আজাদ➤মোসারফ হোসেন➤তোরাফ হোসেন মণ্ডল➤তাজমূল হোসেন➤আব্দুল রহিম বক্স➤সাবিনা ইয়াসমিন➤মুহাম্মদ আব্দুল গনি➤মনিরুল ইসলাম➤আমিরুল ইসলাম➤ঈমানী বিশ্বাস➤জাকির হোসেন➤এস কে আখতারুজ্জামান➤আলি মোহাম্মদ➤রিয়াত হোসেন সরকার➤আব্দুল সৌমিক হোসেন➤হুমায়ুন কবির➤রবিউল আলম চৌধুরী➤হাসানুজ্জামান সেখ➤নিয়ামত সেখ➤সাহিনা মুমতাজ বেগম➤জাফিকুল ইসলাম➤আব্দুর রাজ্জাক➤আলিফা আহমেদ➤রুকবানুর রহমাম➤আব্দুর রহিম কাজী➤রফিকুর রহমান➤রহিমা মন্ডল➤সেখ রবিউল ইসলাম➤রফিকুল ইসলাম মণ্ডল➤শওকত মোল্লা➤গিয়াসউদ্দিন মোল্লা➤জাভেদ খান➤ফেরদৌসী বেগম➤আব্দুল খালেক মোল্লা➤ফিরহাদ হাকিম➤গুলশন মল্লিক➤স্বাতী খন্দোকার➤ফিরোজা বিবি➤হুমায়ূন কবীর ডেবর➤সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী➤শেখ সাহনাওয়াজ➤মোসাররফ হোসেন মুরারই
মার্কিন পণ্য বয়কট!
সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
সিদ্দিকুল্লাহ ও আসানসোলের গোরক্ষকের দল
সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...