শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

তোলামুল ও আমরা যারা পরিযায়ী শ্রমিক



আসলে তোলা যারা তুলেছে, চাকরি যারা বিক্রি করেছে, বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে যারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছে সরকারী চাকরির- তারা প্রত্যেকে "সততার প্রতীকের" দলের সম্পদ। সেই কারনেই ইনি নিয়মিত সময় অন্তর "কিছু একটা" বলে নিয়মিত সময় নষ্ট করে যাচ্ছেন। নতুবা যারা তোলামূলকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তাদের পোঁ'দের চামড়া কপালে তুলে দেবে কেলিয়ে- যারা টাকা দিয়েছে। পুলিশ বা সিভিক দিয়ে এদের বাঁচানো যাবেনা।

একবার ধোলাই শুরু হলে- আবাস যোজনার কাটমানি, ফসলের ন্যায্য মূল্যের কাটমানি সহ যে যে যাকে যাকে যেখানে ঘুষ দিয়েছে, তাকেই ফেলে ক্যালাবে। আর গণধোলাই বড় ছোঁয়াচে রোগ, দাবানলের মত ছড়ায়। কেউ অযোগ্যতার কারনে স্বেচ্ছায় ঘুষ দিয়ে চাকরি চুরি করেছে, কেউ ভয়ে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছে- কিন্তু ঘুষ যে দিয়েছে এটাই সত্য। উন্নয়নের প্রতীক একবারও অস্বীকার করেনি যে তার দলের সম্পদগুলোর উন্নতি তোলার টাকায় হয়নি।
এবারে সেই এজেন্টরা ক্যালানি খেলেই, একপর্যায়ে বলে দেবে যে, তারা তো মাত্র ৩০% এর মালিক, আসল ৭০ % কালীঘাটে গেছে।
সততার প্রতীক আসলে বাঁচাবার চেষ্টা করছে- দলের চোরগুলো ও নিজেকে। পাব্লিকে চুতিয়া বানাচ্ছে, প্রচারখানা এমন যেন উনি চাকরিহারাদের জন্য এতো পরিকল্পনা করছে। মাঝেমধ্যেই নানান পরিকল্পনা আর ঘোষণা নিয়ে আসছেন।
অহেতুক সময় নষ্ট করছে। প্রতিটা অসৎ ষড়যন্ত্রকারী যেকোনো মূল্যে সময় নষ্ট করার হরেক বাহানা খোঁজে, যুগে যুগে প্রতিটা সমস্যায় তোলামূলের মত 'দাগী' অপরাধীপক্ষ এটাই করে। মমতা ব্যানার্জী নতুন কিছু করছেনা, দলের চোরগুলোকে যতটা দিন সম্ভব রক্ষা করছে ভাঁট বকে।
খোঁজা বিরোধীরা যদি তিথিনক্ষত্র দেখে আন্দোলন করে, মমতা ব্যানার্জী আজীবন মুখ্যমন্ত্রী থাকবে। মুর্সিদাবাদ দাঙ্গা যে রাজ্য সরকারেরই কীর্তি - এটার কেন্দ্রীয় রিপোর্ট থাকা সত্বেও তথাকথিত বিরোধী পক্ষের মুখে এক্সট্রা ডটেড কণ্ডোম লাগানো রয়েছে। নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, এক ফোঁটা আন্দোলনের বীর্য ফেসবুকের বাইরে চোঁয়ানোর জো নেই। কে যে কার ডাবল এজেন্ট সেটা বোঝার জন্য ফেলুদা বা ব্যোমকেশ বক্সী হওয়ার দরকার নেই। সিধু জ্যাঠার মত তথ্য আর পরবর্তী গতিপ্রকৃতি- একটু স্থির ও সুস্থ মস্তিষ্কে নজর রাখলেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, বিজেপি এরাজ্যের বিরোধী নয়। তারা সরকারের শরিক। বস্তুত বিজেপি আর তৃণমূলের ৫০% নেতাকাঁথার দল নিয়মিত এদল ওদলে যাতায়াত করে- এরা কমন ও সেম। বিজেপি দাঙ্গা বাঁধায়, তৃণমূল দুধেল গাইদের ভোটের ৯৫% নিশ্চিত করে, বিনিময়ে RSS তার কর্মকাণ্ডের জন্য উপযুক্ত ভূমি পায় তৃণমূল সরকারের তরফে।
আগামী বছরের ভোট আসতে আসতে ছোট বড় কয়েকটা দাঙ্গা বা দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি হবে, মুর্সিদাবাদ দাঙ্গা দিয়ে তার ফিতে কাটা হয়েছে। "বিজেপি চলে আসবে" অতএব দুধেল গাইদের ভোট কনসলিডেট করতেই পারলেই আগামী ৫ বছর আবার চোরগুলো রাজত্ব করবে, সহজ ও সরল গণতান্ত্রিক উপায়- অন্ন বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসা নয়, জুজু দেখাও ক্ষমতায় থাকো।
ফলে মান্নীয়া এমন প্রকাশ্য মিথ্যাচার করেই যাবে, আপনি আমি সহ্যই করব। ফেসবুকে বিপ্লব করব ভিনরাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে।

অযত্নের তাল



তপ্ত রৌদ্রে পুড়তে পুড়তে ব্যাঙ্ক থেকে ফেরার পথে পথের ধারে বাইক থামাতে এনাকে পেলাম। তালশাঁস। একটা সময় অন্তত আমাদের মত যারা গ্রামে বেড়ে উঠা, তাদের ছেলেবেলায় কিনে খেতে হতোনা ফল-ফুলুড়ি। ঘরে সারাবছরের বাঁধা কাজ করা কির্ষেন-রাখাল থাকত, তারাই গাছে চড়ে আম-জাম-কাঁঠাল-বেল-তাল পেড়ে আনত। একসময় কচি তাল কালের নিয়মে পেকে গেলে তার আঁটি গুলো বাঁশ বাগানে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হত কলআঁটি জন্মাবার জন্য। সেই কল আঁটির স্বাদ আবার আরেক স্বর্গীয় বিষয়।

তালশাঁস বিক্রেতা আজ ১০টাকায় ৪ পিস করে দিতে দিতে তার নিজের আক্ষেপের কথা জানাচ্ছিলো। দক্ষিণে গুপ্তিপাড়া, পশ্চিমে সাতগাছিয়া- কুসুমগ্রাম, পূর্বে কৃষ্ণনগর আর উত্তরে কাটোয়ার আগে অবধি ছিল এনার বাবার এরিয়া, বাবার হাতেই এনার হাতেখড়ি থুড়ি গাছে-দড়ি। এই বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এনারা তালগাছ/খেজুরগাছ ঝুড়তেন। এঁড়ে তালগাছ বাদে, মাদি গাছই ছিল নাকি লাখ দশেক, অন্তত ১০০০ মানুষ এই গাছ কাটার সাথে জুড়ে থাকত, সাথে তাদের রুজিরোজগার।
গরমে তাল, শীতে খেজুর- আর গেরস্তের বাড়ির নারকেল গাছ ঝুড়ে দিয়ে কিছু জুটিয়ে নেওয়া, এই ছিল এনাদের বারোমাস্যা। বর্তমানে রাস্তা চওড়ার নামে রাজ্যজুড়ে সমস্ত পাকারাস্তার ধার ন্যাড়া। মাঠের মাঝে নতুন গাছ সেই অর্থে জন্মাতে দেওয়া হয়না, তার উপরে প্রাকৃতিকভাবে বজ্রপাতের কবলে পরা তালগাছের একটা অভিশাপ। বসত বাড়ির আশেপাশে তালগাছ থাকা নাকি অমঙ্গলের নিশান, স্বভাবতই তাল তমাল কেটে ফেলাই দস্তুর। বিল বা নদীর ধারে যে সকল গাছ ছিল, ঢোঙা নৌকা বানাবার জন্য সেসব কাটা পরে যায়। তালগাছ কেউই প্রায় স্বযত্নে লাগায়না, নিজে থেকেই অযত্নে অবহেলায় বেড়ে উঠার নাম তাল। গাছে উঠে তালের কাঁদি পারা- এ এক শিল্প। তাল গাছের গা- পুরো করাতের মত ধার, নতুন প্রজন্মের কেউ আগ্রহীই নয় এই পেশাতে আসতে। সব মিলিয়ে গোটা বিষয়টাই সঙ্কটে।
কে জানে আগামী ২০ বছর পর সাহেবদের সাধের ‘আইস আপেল’ এর অস্তিত্ব আর থাকবে কতটুকু।


ভালো থাকাটা জরুরী



শান্ত হও, মেনে নাও। যে যেতে বাধ্য করেছে, সে অনেক আগেই অন্যের নৌকায় সাওয়ার হয়েছে। চলে যাওয়াটা ফল, বিষ গাছের জন্ম অনেক অনেক আগে। তুমি বিষকে চিনতে পারোনি বা উপেক্ষা করে গেছো সেটা তোমার ব্যর্থতা। সে ভালো থাকতে চেয়ে তোমাকে তাড়িয়েছে, তার অধিকারে হস্তক্ষেপ কোরোনা। জোর করতে নেই। ভালোবাসার আগে ভালো থাকাটা জরুরী। শুধু সম্পর্ক রাখতে হবে বলেই জোর করতে নেই। লোক দেখানো ভালো থেকে তোমার কী লাভ? বাস্তবকে মেনে নাও।

সে তার স্বার্থে তোমাকে ব্যবহার করে ওয়াক থুঃ করে দিয়েছে, যখন তুমি সবথেকে অসহায়। যে পাখি কখনও তোমার ছিলোনা, তাকে ভালোবাসার শিকলে বাঁধতে চাওয়া- তোমার অন্য কোনো পাপের সাজা। সরল হবার আগে সহজ হওয়া জরুরী। মেনে নেওয়া কঠিন, কিন্ত শক্তি রাখা জরুরী। তোমাকেই আগলাতে হবে নিজেকে। যে মুহুর্তে সে সামাজিকভাবে যৌনতার স্বীকৃতি পেয়ে গিয়েছিল, তোমার সাথে আনুষ্ঠানিক দাম্পত্যের মধ্য দিয়ে- সেখানেই তার উদ্দেশ্য সাধন হয়ে গিয়েছিল। এই চালাকিটা হাসিলের জন্য এতো প্রেম ভালবাসার অভিনয় ছিলো, স্বীকৃতি.....
তুমি যে মূল্যহীন- তা বুঝতে সময় লেগেছে বলেই কষ্ট পাচ্ছো, মনে হচ্ছে ঠকে গিয়েছো। শুরু থেকেই তুমি বোঝা হয়ে গিয়েছিলে, মানুষ অনিচ্ছা সত্বেও তেতো অষুধ খায়- তোমাকেও তেমনই সহ্য করেছে সে, শুরুর দিন থেকে- নিঃশ্বাস বন্ধ রেখে। আজকের দিনটা কোনো ব্যতিক্রমী নয়, ব্যতিক্রমী সেদিন ছিল যেদিন তুমি বিবেক বিসর্জন দিয়ে আবেগের বসে তাকে সৎ ভেবে বসেছিলে। এটা পাপ ছিল। পাপের সাজা ভুগতেই হবে।
তুমি ধোকা খাওনি, সে দিয়েছে। সাদাচোখে মনে হচ্ছে সে জিতে গেছে, বিশ্বাস করো- এটা তাৎক্ষণিক। যত সময় যাবে সামাজিক সুরক্ষার পর্দা সরে গিয়ে কামের লোলুপ দৃষ্টি বিষে যখন প্রতিনিয়ত দংশন জ্বালা অনুভব করবে, সেদিন সেই যাতনার কথা বলার মত কাউকে পাবেনা পাশে। বিশ্বাস করো, এমন দিন আসবেই।
ধোকা ততক্ষণ রোমান্টিক যতক্ষন নিজে না খাচ্ছো। সে যেদিন ধোকা খাবে- লুকানোর জাইগা পাবেনা এতোবড় পৃথিবীতে

"I am going to tell Allah everything before I die"



 وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ

"I am going to tell Allah everything before I die".মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে সিরিয়ান ছোট্ট শিশুটি এই কথা বলেছিল। কে জানে নিরপরাধ সেই ফুলের মত শিশুটির কথা 'আল্লাহ' শুনেছেন কিনা। তবে তাদের উপরে দখলদার জ'ঙ্গীরা ঠিক যেমন অতর্কিত মৃত্যু নামিয়ে এনেছিল, আজ ইরানী মিসাইল দখলদার জ'ঙ্গীদের একই অষুধ গেলাচ্ছে।
সোরোকা হাসপাতাল, যোয়োনিষ্ট দখলকৃত ফিলিস্তিনের জাফাতে অবস্তিত। দখলদারদের দেওয়া নাম তেল-আবিব। সেখানে ইরানী মিশাইল পরেছে।
দখলদারদের নেতা তথা আমেরিকার "কালেকশন এজেন্ট" নেতানিয়াহু কঁকিয়ে কঁকিয়ে মিডিয়াতে মানবতা, শিশু হত্যার কী আবেগঘন অশ্রুসজল বর্ণনা দিচ্ছিলো। গোটা শেতাঙ্গ মিডিয়া আজ সারা দিন এই নিয়েই লীলাকীর্তন চালাচ্ছে, ব্যাকগ্রাউন্ডে বেদনাতুর ভায়োলিনের সুর সহ।
UN, UNICEF, বিশ্ব মানবতার সমস্ত স্বঘোষিত ধ্বজাধারীদের সে কী নিন্দা। আহা....ঠিক ১ দিন আগে হিজরায়েল ইরাণের হাসপাতালে বোমা মেরে ৩০ জনের উপরে মেরে ফেলেছে। কেউ দেখেনি, কেউ শোনেনি....
ব্যাক ট্যু দ্য স্টোরি-
গত ৪ বছরে এই "আমেরিকার কালেকশন এজেন্ট" নেতানিয়াহুর পোষা কুত্তারা ৩৫টা হাসপাতাল গুড়িয়ে দিয়েছে।

তালিকা-
১.আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্স
২.নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স
৩.আবু ইউসুফ আল-নাজ্জার হাসপাতাল
৪.ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতাল
৫.কামাল আদওয়ান হাসপাতাল
৬.আল-আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতাল
৭.বাইত হানুন হাসপাতাল
৮.আল-আওদা হাসপাতাল (উত্তর গাজা)
৯.আল-কুদস হাসপাতাল
১০.আবাসান (আলজেরিয়ান) হাসপাতাল
১১.আল-হায়াত হাসপাতাল
১২.আল-হিলাল হাসপাতাল
১৩.মানসিক হাসপাতাল
১৪.আল-রান্তিসি হাসপাতাল
১৫.আল-নাসর শিশু হাসপাতাল
১৬.আল-দুররা হাসপাতাল
১৭.তুর্কি-ফিলিস্তিনি বন্ধুত্ব হাসপাতাল
১৮.চোখের হাসপাতাল
১৯.আল-কারমা হাসপাতাল
২০.রোগী বন্ধু সমিতি হাসপাতাল
২১.জনসেবা হাসপাতাল
২২.দার আল-সালাম হাসপাতাল
২৩.ইয়াফা হাসপাতাল
২৪.সেন্ট জন চক্ষু হাসপাতাল
২৫.আল-সাহাবা হাসপাতাল
২৬.বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল
২৭.আমিরাতি হাসপাতাল
২৮.হাইফা চ্যারিটি হাসপাতাল
২৯.আল-ওয়াফা হাসপাতাল
৩০.আল-মাহদি মাতৃত্ব হাসপাতাল
৩১.জর্ডান ফিল্ড হাসপাতাল
৩২.ইয়েমেন আল-সাঈদ হাসপাতাল
৩৩.ইসলামিক বিশেষায়িত হাসপাতাল
৩৪.আল-আমাল হাসপাতাল
৩৫.হামাদ হাসপাতাল
কারা যেন মানবিকতা খুঁজছিলেন যেন!! হালকা করে মুতে শুয়ে পরুন আবার। ওদের তৈরি ওষুধই ওদের গেলানো হচ্ছে।

উত্তরকাশী ধ্বস


 

মেঘ ফাটে, বৃষ্টি নামে কিন্তু সরকার ঘাবড়ায়না, কারণ বন্যায় শব ভেসে যায়, উৎসব নয়, ভোটের উৎসব

মাত্র ৩ বছর আগে উত্তরাখণ্ডের এই ধরালিতে মাত্র ২০টি বাড়ি ছিল, যেমনটা পাহাড়িদের হয়। শেষ ৩ বছরে পর্যটনের নামে ২০০টির বেশী বড় বড় বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। নিয়ম হচ্ছে নদী তীর থেকে কমপক্ষে থেকে ২০০ মিটার দূরে হোটেল-রিসর্ট তৈরি করা। কিন্তু, কিন্তু- এই বিল্ডিং গুলো পরিবেশের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একদম প্রায় নদী গহ্বরেই তৈরি করা হয়েছিল।

কেন্দ্র সরকার, রাজ্যসরকার, স্থানীয় MP, স্থানীয় MLA, স্থানীয় জিলা পরিষদ, স্থানীয় পঞ্চায়েত সব বিজেপির। আরতি অরুণ সাঠে, যে ২০২৩ সালেও মহারাষ্ট্র বিজেপির রাজনৈতিক মুখপাত্র ছিল, আজ থেকে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হয়ে গেছে। এদের রাজত্বে কেউ কীভাবে সুরক্ষিত থাকতে পারে?

কংগ্রেস বা অন্য কেউ থাকলে যে পরিস্থিতি বদলে যেত সেটা নয়, আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থাটাই আসলে এমন, ভিতর থেকে ভঙ্গুর ফাঁপা। নির্দিষ্ট পরিমানের একটা ঘুষের বিনিময়ে আইনের মা-মাসি করা জলভাত। সেই টাকার ভাগ দিল্লির আমলা-মন্ত্রী মহলেও ঠিক পৌঁছে যায় শতাংশ হিসাব করে। এই হোয়াইট কলার চোরেরা সুরক্ষিত থাকে, মারা যায় লোভী লগ্নিকারীর অর্থ আর কিছু পর্যটকের সাথে পেটের দায়ে কাজ করতে আসা গরীব পরিযায়ী কর্মচারীর দল।

এই ধরনের অঞ্চলে কোনো ধরনের কনস্ট্রাক্সন করা পরিবেশ মন্ত্রকের গাইডলাইন মতে সম্পূর্ণ অবৈধ। তাহলে এটাকে কী শুধু মাত্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে দায় এড়িয়ে দেওয়া যাবে? এটা কী মানবসৃষ্ট দুর্যোগ নয়? রাষ্ট্রব্যবস্থার ব্যর্থতা নয়? শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, হিমাচলে, কাশ্মীরে, কালিম্পং, সিকিমে, অরুণাচলে, মেঘালয়ে- সর্বত্র সাংবিধানিক আইনকে উল্লঙ্ঘন করার উৎসব চলছে, সাথে দেদার লুঠ। হারামের কামাই দিয়ে বিদেশী ব্যাঙ্কে জমছে সম্পদের রাশি।

আগামীকাল, হিমালয়ের আবার কোনো একটা অঞ্চলে এমন ‘বিকাশ’ হবে, আরেকটি ধরালিকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলবে প্রকৃতির রোষ। এবং, তারপর- নির্বাচনী ফানুসে চড়ে কোনো বিশ্বগুরু আসবেন উন্নয়নের ফেরিওয়ালা হয়ে। চারটে গালফোলানো বুলি আউড়িয়ে উড়ে যাবে ঘুষের ভাগা নিতে। আমি আপনি এই গণতান্ত্রিক অশ্বমেধের যজ্ঞে বলিদানের ঘোড়া হয়ে আত্মতৃপ্তি লাভ করব “ভোগের সমিধ হয়ে।

শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

ডোলান্ড ট্রাম্প ও মাই ফ্রেন্ড মোদী



মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।

নির্বোধ শ্রেষ্ঠ মোদী আর তার তড়িপার স্যাঙাৎ - নির্লজ্জতার অপর নাম, নতুবা সামান্যতম আত্মসম্মানবোধ যদি থাকতো, তারা জবাব দিত।
২০১৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত তৎকালীন একজন ভারতীয় কূটনীতিক- দেবযানী খোবরাগাড়ের সাথে দুর্ব্যবহার করেছিল মার্কিন প্রশাসনের কিছু লোকজন।
এর পদক্ষেপ অনুসারে, সেই সময়ের ভারতবর্ষের শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, মার্কিন কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে নিরাপত্তা ব্যারিকেড অপসারণ করে প্রতিক্রিয়া জানান। ভিডিওতে দেখুন-
ফলশ্রুতিতে দ্রুত মার্কিন প্রশাসনের হুশ ফেরে এবং শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হাঁটু গেড়ে বসে ক্ষমা স্বীকার করে।
রাষ্ট্রের একটা বিদেশ নীতি থাকতে হয় আর নীতি তৈরি করতে গেলে সঠিক শিক্ষা সহ নৈতিকতার বোধ থাকতে হয়। মোদি সরকারের বিদেশ নীতি তৈরি করে রিলায়েন্সের তথা আম্বানির ORF আর আদানি ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ CRF (Chintan Research Foundation) এবং APSE এর মত সংস্থাগুলো - অজিত ডোভালের ছেলে বা জয়শঙ্করের ছেলেদের ফ্রন্ট লাইনে রেখে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী কর্পোরেট ধান্দাবাজি করে- আপনি আমি ভাবি মোদী-শাহ এর মন্ত্রী সভাই বোধহয় দেশের বিদেশনীতি ঠিক করছে।
আসলে গুজ্জু কার্টেলের দুই সর্বোচ্চ ক্রিমিনাল- শুধু দেশের সম্পত্তি লুট করছে তাই নয়, দেশের রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা, সাংবিধানিক সংস্থা ও আমলা তন্ত্রকে সম্পূর্ণ হজম করে ফেলেছে। না হলে ভাবা যায় - দেশের বিদেশ নীতি তৈরি করছে দুটো পুঁজিবাদী কর্পোরেট সংস্থা। কোন লুকোচাপা করে নয় প্রকাশ্য এবং অফিসিয়ালি।
এরা ভাববে দেশের মানুষের স্বার্থ?
বিদেশে গিয়ে চারটে ভাড়াটে নাচিয়ে গিয়ে রুঁদালি গেয়ে "ডায়াস্ফোরা" বানিয়ে আর পমেরিয়ান মিডিয়াকে দিয়ে সর্বক্ষণ ঘেউ ঘেউ করিয়ে কাউকে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী বানানো যায়না৷ চুরি করে হওয়া প্রধানমন্ত্রী - তার কোন দায়বদ্ধ থাকে?
বর্তমানে মোদী উদ্বোধন মিনিস্টার হয়ে গেছে। রেলের উদ্বোধন রেলমন্ত্রী করে না, রাস্তার উদ্বোধন রাস্তা মন্ত্রী করে না, এয়ারপোর্টের উদ্বোধন বিমান মন্ত্রী করে না। যাবতীয় উদ্বোধন এবং তার কৃতিত্ব শুধুমাত্র মোদির; আর যখন সেগুলো ফেটেফুটে যায় বা যখন দায় নেওয়ার প্রশ্ন আসে তখন মোদি মিউট মোডে চলে যায়।
নিরক্ষর মিথ্যাবাদী প্রচারসর্বস্ব একটা ক্লীব- ক্যামেরা খুঁজে খুঁজে নিয়ে অভিনয় টুকু করে। আপনি আমি রোজকার এই ডেইলি টেলি সিরিয়াল দেখে হিন্দু-মুসলমান, গরু-শুয়োর, মন্দির-মসজিদ নিয়ে মেতে থাকি।
আমাদের ঘরের যুবকেরা থাকে রাস্তায় বসে রোজগার চেয়ে, বিচার চেয়ে। বিনা বিচারে ৫ বছর ধরে উমর খালিদ বন্দী থাকে জেলে, দিল্লি পুলিশ এই একটা কাজ নিশ্চিত করেছে। এটাই গোয়ালঘরের গণতন্ত্র।
ওদের লজ্জা হবে না কারণ ওরা চুরি করতেই এসেছে, আপনার কি লজ্জা হয়?

মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

সিদ্দিকুল্লাহ~ আসানসোলে গোরক্ষার তান্ডব



সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।

আরেকটা মর্কট আছে, ত্বোহা সিদ্দিকি, যার পেশাই হলো ধর্ম ব্যবসা- তাবিজ কবজ। এর বাইরে অনেক এঁটোকাঁটা খোর জীবজন্তু আছে, যারা নিজেদের ভাগায় কম পরলে ফোঁস করে উঠে।
এরাই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বোঝায়- তৃণমূলকে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে বিজেপির প্রয়োজনটা কী?
মুসলমান সম্প্রদায় কী বুঝতে পারছে যে এই সব আলেম সাজা চুতিয়া গুলো আসলে RSS এর দালাল। ধর্মকে সামনে রেখে, হাদিস-কোরানকে সামনে রেখে গোটা বাঙালি মুসলমান সমাজকে বোকাদোচা বানাচ্ছে।
এরা চুরির ভাগা তথা হারামের টাকার জন্য দ্বীন-দুনিয়া-আখেরাত সব বেচে দিয়েছে। জোব্বার আড়ালে। সবকটা শয়তান-এ-আজম, মুনাফেক। ইহুদীরা প্রকাশ্য শত্রু, এই আলেম সাজা মালগুলো তার চেয়েও ভয়ানক।
ভাই মুসলমানেরা, জেগে উঠো। এই শয়তানদের দোজোখে পাঠাবার সময় এসেছে। জিহাদ যদি করতে হয়, আগে এদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জিহাদ করুন। এটাও ফরজ, এটাও সুন্নত ইবাদত এখন। শয়তানকে বর্জন করা। নুতুবা কিয়ামতের ময়দানে জবাব দিতে পারবেন তো এই কবিরা গুনাহের?

রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

দুবলাগুড়ি


 

Dublagadi Sea Beach দুবলাগাড়ি সমুদ্র সৈকত

বাঙালীর ভ্রমণ এখন আর শুধু দীপুদাতে আঁটকে নেই। পাহাড় ব্যতিরেকে সমুদ্র বলতেই দীঘা আর পুরী দুচোখের মনিতে ভাসে আম বাঙালীর, তার বাইরে মন্দারমনি, তাজপুর মোটামুটি এই বৃত্তেই ঘোরাঘুরি করে গন্তব্য গুলো। এবারে যদি স্বাদ বদলাতে চান, তাহলে হাওড়া থেকে ট্রেন যোগে মাত্র ঘন্টা চারেকের দুরত্বে পড়শি রাজ্যের একটা সমুদ্র সৈকত থেকে নাহয় টুক করে একটু ঘুরে আসুন। ঘুড়ে দেখুন দুবলাগারি সমুদ্রসৈকত। ধু ধু বালিয়ারি, ঝাউবনকে সঙ্গী করে যারা নির্জনতাকে উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য ‘পারফেক্ট ডেস্টিনেশন’। কোলাহল মুক্ত দুষণহীন পরিবেশে খানিক লাল কাঁকড়ার সাথে লুকোচুরি নেহাত মন্দ লাগবেনা

দুদিনের ছুটিতে হাওড়া থেকে টুক করে বালাসোর স্টেশনে নেমে পরুন। সিজেন টাইমে গেলে হোটেল বুক করে রাখা উত্তম, সেক্ষেত্রে হোটেলে বলে রাখলেই তারা স্টেশনে গাড়ি পাঠিয়ে দেবেদুবলাগাড়ি নির্জন মানে জনহীন এমনটা নয়, সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনগুলোতে অল্পবিস্তর পর্যটক সমাগম হয় বৈকি, তবে সেটা দীঘা বা পুরীর তুলনাই নেহাতই নগণ্য, তাই প্রশান্তি খুঁজলে এই গন্তব্যের বিকল্প কম। ছোট বড় নানা মানের ক্যাম্প, রিসর্ট, হোমস্টে বা হোটেল পেয়ে যাবেন সুলভে, আবার রুমেরও নানান মান আছে- স্ট্যান্ডার্ড-ডিলাক্স এসি বা নন এসি সবই আছে।

খাবার দাবার সাধারনত রিসর্ট/ক্যাম্পেই পেয়ে যাবেন। ডাবের জল দিয়ে খানিকটা নিজেকে রিফ্রেস করে মধ্যাহ্নভোজন আর তারপর ক্লান্তি জুড়িয়ে নিতে একটা ছোট্ট করে ভাতঘুম। বাঙালী ঘাবারদাবারের কোনো কমতি পাবেননা এখানে। কাছেই পাঁচুপাড়া-বারাদিয়া নদীর মোহনা ও সেই সংলগ্ন একটা মাছ বাজার থাকাতে সি-ফুডের বিপুল সম্ভার পেয়ে যাবেন। ইলিশ, ভেটকি, পাবদা, পারসে, আমুদি, চিঙড়ি, কাঁকড়া, পমফ্রেট কোন মাছ চাই আপনার, রসনা তৃপ্তির সমস্ত উপাদান পেয়ে যাবেন। সন্ধ্যায় বন্ধু বা পরিবারের সাথে বসে জমাটি আড্ডার সময় বারবিকিউ’ এর স্বাদ নিতেই পারেন এমন অবসরে। রাত্রে কব্জি ডুবিয়ে খাসির মাংস খেয়ে সদলবলে নৈশ ঝাউবন অভিসারে যাওয়াটা বেশ এডভেঞ্চারাস অভিজ্ঞতা।

এখানকার এই ঘন ঝাউবন বরাবর তিনটে সৈকত পরে, দুবলাগারি, বাগদা আর পারিখি, একটাই লম্বা সমুদ্রতট- আলাদা আলাদা নাম। এখানে সমুদ্রের জল জোয়ার ভাঁটার সাথে বেশ খানিকটা এগিয়ে পিছিয়ে যায়। ভাঁটা পরলে সৈকত জুড়ে অসংখ্য রংবেরংয়ের বিভিন্ন সাইজের ঝিনুক, শামুক, শঙ্খ দেখে মন পুলকিত হবেনা এমন মানুষ পাওয়া ভার

এখানে ঘুরতে এসে খুব বেশী লম্ফঝম্প, সাইটিসিয়িং এর নামে গলদঘর্ম হওয়ার মাঝে তেমন সার্থকতা নেই। তবে ঐতিহাসিক বুড়িবালাম নদীর পাশে গিয়ে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা অর্পন করাটা নাগরিক কর্তব্য। অন্যথায় চুপটি করে বন্ধুদের সাথে বা প্রেয়সীর সাথে নির্জন দুপুরের ঝাউবনে নাম না জানা পাখিদের সাথে নাহয় একটু নিভৃত যাপন করলেন। মন চাইলে একটু সমুদ্র স্নান, আর বাকি সময় নিখাদ ল্যাদ খেয়েই কাটিয়ে দিন। তবে হ্যাঁ, স্থানীয় বাজার খানিকটা দূরে। ধূমপায়ী ও সুরাপায়ীরা অবশ্যই তাদের পাথেয় আগাম মজুদ করেই নিয়ে আসবেন, চা বা কফিপ্রেমীরা তাদের যাবতীয় উপাদান হোটেলেই পেয়ে যাবেন।

ভাপা ইলিশ, সরষে ইলিশ, ডাব চিঙড়ি বা চিঙড়ির মালাইকারি, ভেটকির পাতুরি, পমফ্রেটের রোষ্ট, পাবদার ঝাল, গন্ধরাজ কাঁকড়া, পারশে মাছের তেল ঝোল, কুড়কুড়ে আমুদে, চিকেন বার্বিকিউ কিম্বা মাটন কষা- এই নিরিবিলির রাজ্যে দুদিনের রাজা হতে আর কিইবা চায়! রাজকীয় খাওয়াদাওয়া, আন্তরিক আপ্যায়ন, প্রকৃতির সাথে তার মত করে দুটো দিনের এই অবসর যাপনের অভিজ্ঞতাকে সহজে ভোলা যাবেনা। তাহলে প্ল্যান বানান, আর উপভোগ করুন একটা দুর্দান্ত উইকএন্ড।

 

 

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

দ্য এন্টায়ার পলিটিক্যাল সায়েন্স



আগে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় নাকি এমন একটা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি দিতো। এখন এই সাবজেক্ট পড়ানো বন্ধ করে দিলেও সাবজেক্টের অধ্যয়গুলো পরিষ্কার হয়েছে গত ১১ বছরের অধ্যয়নে

ভয়ানকভাবে উগ্র দেশপ্রেমের সংকীর্তন করো, যাতে অতীতে ব্রিটিশের দালালি ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে থাকা জনসঙ্ঘ বা RSS এর ঘৃণ্য ইতিহাস চাপা দেওয়া যায়

ভীতু মধ্যবিত্ত ও লোভী বে-রোজগার যুব সমাজকে টার্গেট করো, হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের মদ গেলাও। এরাই আগামীর অন্ধ ভক্ত শ্রেনী সাপ্লাই দেবে, এদের ভোটই ক্ষমতার গদিতে টিকে থাকার অন্যতম উৎস

নিজেরা এলোপাথাড়ি চুরি করো। আদানি আম্বানির মত পুঁজিপতিদের আরো নতুন নতুন চুরির ক্ষেত্র রেডি করে দাও। রামদেবের মত চোর লঞ্চ করো বাজারে। আপদে বিপদে এই পুঁজিপতিরাই দলীয় তহবিলে টাকা দেবে ইলেকটোরাল বন্ডের নামে, যেগুলো ভোট, বোমা, বারুদ, অস্ত্র সহ- মিডিয়া ও দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারী কিনতে অর্থ যোগান দেবে

চুরি করে ধরা খাওয়া জনিত বিপদে পরলে, প্রথমে রামের নামে অস্বীকার করো। এরপর হনুমানের দিব্যি খাও

রোজ সন্ধ্যায় পুষে রাখা ‘পমেরিয়ান কুত্তা’ গোদী মিডিয়াকে লেলিয়ে দাও

আঁটিসেল নামের ট্রোল ব্রিগেডকে ছেড়ে দাও মিথ্যার বাজার বসাতে

বলিউডকে দিয়ে নতুন ইতিহাস বানাও

পাকিস্তানকে দিয়ে উত্তেজক ডায়লোগবাজি করাও। দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করো, কিছু জওয়ানকে শহীদ করে দিয়ে যেকোনো ইসলামিক জঙ্গীগোষ্ঠীর নামে বিল ফেরে দাও- পুলওয়ামার মত

এরপর সেনাবাহিনীর কর্তাদের নিয়ে এসে বিবৃতি দেওয়া করাও। সেনার আবেগকে কাজে লাগাও ভোটের ময়দানে

দেশে দাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধিয়ে দাও। মসজিদ বা কবরের নিচে মন্দির চাপা আছে বলে, লাঠিসোঁটা বন্দুক তরোয়াল নিয়ে লেগে পরো রামের নামে মুসলমান নিধনে।

প্রকাশ্য মঞ্চে রামদেবের মত গেরুয়া পোষাকধারীদের দিয়ে বলাও- হিন্দু খতরে মে হ্যাঁয়

ব্যাস- সব পাপ ধুয়ে গেলে, আবার পুরাতন সাইকেলের পুনরাবৃত্তি করো


এটাই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সায়েন্সের মূল সিলেবাস। নাগপুরের গোয়ালঘর থেকে এখন এই বিষয়ে শুধু ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়। ইষ্ট জর্জিয়া থেকে যারা পাশ করে এসেছে, তারাই একমাত্র ডিগ্রি কোর্সের জন্য আবেদন করতে পারে

সাহেব যেহেতু এন্ট্যায়ার পলিটিক্স, ফলত শুরুতেই ED CBI এর মত সহজ অধ্যয় গুলোকে চাড্ডির নেই-পকেটের লোমশ অঞ্চলে রেখে দিয়েছিলেন। কঠিন সাবজেক্ট ছিলো সুপ্রিম কোর্ট নামের অধ্যয়টা, বড় কঠিন ও জটিল সব ইকুয়েশন। কিন্তু সাহেব এক্সট্রা 2ab খুঁজে পেয়ে গেলেন রঞ্জন গগৈ আর চন্দ্রচুড় নামের দুই বরাহ অবতারের স্বরূপ হিসাবে। এক্সট্রা 2ab মানেই এক্সট্রা এনার্জি। বাকিটা অত্যন্ত সহজ ছিলো। এর পর যখন উনি নন বায়োলজিক্যাল হিসাবে আবিষ্কৃত হলেন- সেই মায়াতে ভেসে আসা সুনীল আরোরা ও রাজীব কুমারের মত IAS অফিসারদের সাহেবে তার বগলের তলায় লোমে আশ্রয় দিলেন।

এমন চাটুকার আইনব্যবস্থা আর সরকারি কর্মচারী পেয়ে গেলে, অরাজকতা নিও-নর্মালাইজড হয়ে যায় সমাজে। গোটা গুজরাত জুড়ে মোদী-শাহ একটা আতঙ্কের নাম ২০০২ থেকেই, শুধু যে কংগ্রেস সেই রাজ্য থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে এমনটা নয়, বিজেপির মধ্যেও সকল বিরুদ্ধ মত ভ্যানিস হয়ে গিয়েছিল। হারিন পান্ডিয়া বা বিচারপতি লোয়া কান্ড ঘটিয়ে ‘ডর কা মাহল’ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল, বাকীটা গোপিনাথ মুন্ডের মার্ডার সেই আতঙ্কককে 'হল অফ ফেমে' পৌঁছে দেয়। দীপক মিশ্র ও চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চই লোয়া হত্যার তদন্ত খারিজ করে দেয়, পুরো রাজযোটক যুগলবন্দি।

স্বভাবতই সাহেব উপলব্ধি করলেন ‘আমি’ ইশ্বরের প্রতিরূপ। ব্যাস, নোটবন্দি নিয়ে মানুষের হয়রানি হোক বা GST নিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস, ২ বছর ধরে চলা আন্দোলনে ৭০০ কৃষকের শাহাদাত বা CAA- ছোট বড় কোনো ঘটনাতেই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সাইন্স আর ভয়ভীত হলোনা, কারন ক্ষমতার গদিতে অমরত্ব পাওয়ার টোটকা তার করায়ত্ব- ভোটারলিষ্ট ম্যানিপুলেশন তথা ভোট চুরির মহাবিদ্যা। তাতেও শেষ রক্ষা হলোনা, আবকি বার চারশো পার- হাঁক দেওয়া বিশ্বগুরু ২৪০শে আঁটকে যেতেই ক্ষীর খেকো নিতিশ আর চন্দ্রবাবুর বরাত খুলে গেলো।

কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। ব্যাপার হলো, মাঝেমাঝে সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নও চলে আসে। যদিও আমাদের মত নিম্নমানের ছাত্রদের সামনে প্রতিটা প্রশ্নপত্র সিলেবাসের বাইরেই থাকে। অতএব, স্বঘোষিত বিশ্বগুরুকে রোজ দুবেলা পায়ুপথে পরিরম্ভন করতে লাগলো ‘গোমাতার নাথ’ দোলান্ড ভাই। বিশ্বগুরুর প্রাণভোমরা আদানি শেঠ- শেঠের অণ্ডকোষ ‘ট্রু ফ্রেন্ড এ্যাট হোয়াইট হাউজের’ হাতে। সেই রেশ ফুরাবার আগেই ফাঁস হয়ে গেলো এক্সট্রা 2ab এর জটিল অঙ্কের সমাধান- ভোট চুরি।

বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধানে সাধারণ মানুষকে একটি ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছিলেন, মোদী তার ভক্তদের চারটি-পাঁচটা ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে। ভাবটা এমন- রামের নাম নিয়ে আগামীতে মোদী নিজেই ১৫০ কোটি ভোট একাই দেওয়ার অধিকার দাবী করতে পারে। কারন- প্রাক্তন আইয়াইটিয়ান ও হার্ভার্ডিয়ান জ্ঞানেশ কুমার।

বর্তমান এই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অমিত শাহ এর উচ্ছিষ্ট ভোগী সারমেয় মাত্র। এর আগে কো-অপারেশন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তারও আগে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল প্রণয়ন এবং বাতিল-পরবর্তী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন, তিন তালাক বিল, এবং অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণ তত্ত্বাবধানে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠায় এই জ্ঞানেশ কুমার সরকারের OSD হিসাবে প্রতিটা ঘটনাতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এর লিঁয়াজো হিসাবে। কে জানে ইনি আগামীতে দেশে থাকবেন নাকি তার পূর্বসূরির মত ‘মাল্টা’তে পালিয়ে যাবেন

যাই হোক, বিপদ আসতেই সায়েব উপরের সিলেবাস মতই খেলা শুরু করে দিলেন। কিন্তু-

👉পমেরিয়ান মিডিয়ার ভৌ ভৌ ব্যার্থ হলো, আঁটিসেলের এঁটুলি বাহিনী ছন্নছাড়া।

👉 ED-CBI খাঁচায় বন্দি, ফাঁপা মিথ্যা ভাষণ ‘লোম কি বাত’ আর খাচ্ছেনা, এমনকি ভক্তেরাও চার অক্ষরের সম্বোধন করছে রাঙ্গা-বিল্লাকে।

👉 বায়ুসেনা কর্তার ৪ আগষ্টের ভাষনের ক্লিপ ১০ তারিখে দেখিয়েও বাজার গরম করা যায়নি, তাই তিন মহিলা সেনা আধিকারিককে KBC তে পাঠিয়েছে- মরিয়া চেষ্টা; সেনার বর্মের আড়ালে লুকাবার।

👉 পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও তাদের কয়েকটা রাজনৈতিক জোকারকে দিয়ে পাকিস্তান দেশের ওজনের চেয়ে বড় বড় বুলি-ধমকি দেওয়া করিয়েছে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে, পাবলিক খায়নি।

👉 নেহেরুকে আনা যায়নি।


🔥 অতএব দাঙ্গা বাঁধাও –🔥


হ্যাঁ, উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরের একটি মাজার, মানে আব্দুল সামাদ নামের কোনো এক গুণী ব্যক্তির সমাধিস্থল আসলে নাকি শিব/কৃষ্ণ মন্দির বিজেপির হিসাবে। বিজেপির জেলা সভাপতি মাজার ঘেরাও এর ডাক দিলো। যথারীতি প্ল্যানমাফিক RSS এর গ্যাংব্যাং এ জন্মানো বালবাচ্চারা তথা বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরঙ দল ও আরো এই জাতীয় ‘হিন্দু’ জঙ্গী সংগঠনের উন্মাদেরা- যোগীর পুলিশের নিশ্চিন্ত ঘেরাটোপে উল্লেখিত মাজারে ধ্বংসলীলা চালিয়ে দিলো

কিন্তু, কিন্তু, এতে ধর্মের নামে হাইপ তোলা তো দূরস্থান, বরং জাতিধর্ম নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি সুস্থ মানুষের খিস্তি খেয়ে RSS গর্ভবতী হয়ে গেলো। সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ এসেছে দেশের ‘গণতান্ত্রিক ও সেকুলার’ হিন্দুদের তরফ থেকেই আর এতেই ফেল মেরে গেছে BJP-RSS এই দাঙ্গার রাজনীতি। ভোট চুরি ধরা পরতে, RSS তাদের সকল ধরনের অস্ত্র তুণীর থেকে বের করে ফেলেছে। গোটা বিজেপি দল এখন নির্বাচন কমিশনের স্বঘোষিত উকিল সেজে বসে আছে

এই ‘চোর’ সরকার আগামী ৬ মাস গড়ালে আশ্চর্য হবো। হয়তোবা অকাল লোকসভা নির্বাচনের দেশগোড়ায় দেশ, সৌজন্যে মোদীর ‘ভোট চুরি’। কিন্তু RSS আর গুজ্জু কার্টেল কী এত সহজে উৎখাত হবে? ১৫ই আগষ্ট লালকেল্লা থেকে সারেন্ডার মোদী নতুন গল্প শোনাবে। চক্রান্তের গল্প। ১১ বছর ধরে নিজের ‘মনকি বাত’ শোনানো এ্যান্টায়ার পলেটিক্যাল সায়েন্স এখন জনগণের কথা শোনাতে চাইবে

🟧 কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতি আর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কেঁদে বুক ভাসাবে। এদের আড়ালে নিজেকে আর চুরি লুকাবে লালকেল্লার ভাষনে। জাতির সামনে নাম নেওয়ার মুরোদ নেই ‘মাই ফ্রেন্ড দোলান্দ’ এর, তথাপি আমেরিকান প্রভুকে তুষ্ট রেখে, ভক্তদের বোঝাবার চেষ্টা করবে- ‘ম্যা ঝুঁকেগা নেহি শালা’। ‘ঝোলা উঠাকে চলে যায়েঙ্গে’ গানের আগে নতুন চক্রান্তের গল্প ফাঁদবে।


বলবে- আমেরিকার CIA রাহুল গান্ধীকে ফান্ডিং করে দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী স্টেবল সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্তে সামিল হয়েছে। বিরোধীদের দেশদ্রোহী প্রমানের অপচেষ্টা করবে। এটাই শেষ হাতিয়ার বিহার ভোটের আগে। ডিসেম্বরের আগে দেশ প্রথম কোনো নন-বায়োলজিক্যাল রাষ্ট্রপতি পেলেও পেতে পারে, জেলযাত্রা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা কিছু তো করবেই। এন্টায়ার পলিটিকাল সায়েন্স বিষয়টাই এমন যে

😃 ইলেকশন কমিশন দুর্দান্ত মুডে আছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের মতই বলছে- “মায়ের দিব্যি কেটে বল, আমার গা ছুঁয়ে বল সত্যি বলছিস”। মা কালীর দিব্যি না কাটলে- আমি তোকে দলে নেব না। “Manufacture of voteএর ভুরি ভুরি প্রমাণ সত্বেও পক্ষাঘাতগ্রস্থ সুপ্রিম কোর্টের এতটুকু মুরোদ বেঁচে নেই যে, একটা সুয়োমোটো মামলা করে ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধে, জনগণের স্বার্থে। যে আদালতে এতদিন দীপক মিশ্র, রঞ্জন গগৈ এবং চন্দ্রচূড়ের মতো বিজেপির পদলেহনকারী দালালেরা রাজত্ব করে গেছে, সেই বিচারব্যবস্থার বেঁচে থাকা নিয়ে সন্দেহ করা প্রতিটি ভারতবাসীর কর্তব্য

সিটবেল্ট কষে বসে পরুন, মোদী ম্যাজিক আর RSS এর ‘হিন্দুত্ব-দেশপ্রেম’ এর আবেগ ফেরির রাজনীতির খাণ্ডবদাহন পর্ব চলছে। এরপর মৌষলপর্ব, ও মহাপ্রস্থানিকপর্ব এর বদলে জেলগমনপর্ব আসবে ক্রমান্বয়ে। জাষ্ট ক্রনোলজি সামঝিয়ে

পাশাপাশি আমাদের রাজ্যের রাজনৈতিক বেশ্যা তোলামুলকেও দেখবেন কেমন ক্ষ্যাপা কুত্তার মত এর তার পায়ে পরে- পেছন চাঁটা শুরু করবে। ইষ্ট জর্জিয়ার সিলেবাস আরেকদিন লিখব

🟥 আমাদের রাজ্যে স্যাডিস্টিক বাম বাচ্চাগুলো রাহুল গান্ধীকে পাপ্পু ডেকে, খানিকটা শুভঙ্কর সরকারের উপরে ঝাল ঝেড়ে- অর্গাজম নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিশন নিশ্চুপ, তার কারণ আছে। কমিশন নিজেরা বিজেপির Crime partnerরাজ্য সিপিএম ঠিক কোন কারণে মৌনতা নিয়ে রয়েছে- এ বিষয়ে জানতে গেলে আপনাকে টাইম ট্রাভেল করে ২০২৮ সালে যেতে হবে। এই সামান্যটুকু টাইম তো লাগবে সম্মেলন/প্লেনাম করে- অনেকক্ষণ বিচি চুলকে দুটো লোম ছিঁড়ে- “কী বলা যায়” সেই সিদ্ধান্ত নিতে। বাম্বাচ্চা গুলো তাদের নেতাদের শুধাচ্ছেনা, তাদের প্রশ্ন- রাহুল গান্ধী কেন মমতা আর ভাইপোর বিরুদ্ধে বলছেনা?

সারাদিন সেটিং সেটিং করে কসে ফেনা তুলে ফেলা আবালগুলো, নিজেদের অন্ধত্ব-ব্যর্থতা- অপদার্থতা ঢাকার জন্য এই সেটিং এর ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে। আলিমুদ্দিনের পক্ককেশ জঞ্জালগুলো বিগত ছয় দিনে ‘গোপনে হ্যান্ডেল মারা’ ছাড়া কোনো কিচ্ছু করেনি ভোট চুরি ঈশ্যুতে। সুতরাং, বাম্বাচ্চারা যদি নিজেদের নেতাদের প্রতি ক্ষোভ ঘরে নিয়ে গিয়ে বউয়ের সামনে জানায়- না থালায় ভাত জুটবে, না রাতে বিছানায় জায়গ। ফলত রাহুল গান্ধীই এখন এদের ক্ষোভ নিরসনের এর জায়গা

☢️ ও হ্যাঁ, অখিলেশ ফতেপুর নিয়ে মুখ খুললেও, রাহুল গান্ধী এই ঘটনা বিষয়ে নিরবই রয়েছে। যদিও পথ কুকুর নিয়ে ভিডিও বা টুইট করতে ভোলেননি। তাকে আগামীতে দিল্লির মসনদ পেতে হবে, কী লাভ বেকার RSS কে চটিয়ে! আসলে অপদার্থ শয়তান বাপের জিন যে কথা বলবেই, বাবরি মসজিদের তালা খুলে আজকের দিনের ‘উগ্র হিন্দুত্ব রাজনীতির’ আহ্বান যে তার হাতেই হয়েছিল। তাই রাহুলকে মসিহা ভাবার কোনো কারন নেই মুসলমানের। গু, তবে শুকনো- জুতোয় লেগে ঘরে ঢুকনেনা, এটুকুই স্বস্তি

ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন

  ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...