কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০
রাজনীতি বিমুখ একটা ইতর সমাজ ও আসন্ন পরিণতি
রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
মরবিড জেলাসি বা ওথেলো সিনড্রোম
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
নোট বন্দি খেলা- রহস্যটা কোথায়?
‘ব্ল্যাক মানি’র গল্প শুনিয়ে তথা অসদুপায়ে উপার্জিত অর্থকে
নিয়ন্ত্রণ করার নামে ২০১৬ সালে ভক্ত সম্রাট মোদীজি নোট
বন্দি করেছিলেন। সে সময় কোটি কোটি টন নিউজ প্রিন্ট সহ, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া হোক বা সোস্যাল
মিডিয়া- সর্বত্র হাহাকার পরে যাওয়া বিভিন্ন
ধরনের বিষয়গুলো সামনে এসেছিল পক্ষে বা বিপক্ষে। অবশ্য এমন অবিবেচকের মত কোন
উদ্দেশ্যে কিছু (মোট জন সংখ্যার ১-২% বড়জোর) অসাধু ব্যবসায়ী-আমলা- রাজনীতিবিদদের জন্য
দেশের আমজনতা কেন এই চরম নারকীয় ভোগান্তির শিকার হবে!
প্রশ্ন করতে গেলেই “হামারে জাওয়ান সিয়াচেন মে লড় রাহা হ্যায়” জাতীয় কথাবার্তা সামনে আনা হয়েছিল বিজেপির প্রোপাগান্ডা মেসিনারি দ্বারা, এবং নাগপুর নিয়ন্ত্রিত দিল্লি কেন্দ্রিক টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা। সেই সময়ে আমি বহুবার বলার চেষ্টা করেছিলাম- এখানে একটা দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র রয়েছে। জানিনা সে সময় কতজনের মাথায় ঢুকেছিল, আমাকে পাগল ছাগল ভাবেনি এমন মানুষের সংখ্যাই বেশি ছিল।
গোটা বিশ্বজুড়ে ওয়াল্ড অর্ডার নামে যে বিষয়টা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে তার অন্যতম কান্ডারী বিল গেটস তা আজ প্রমানিত সত্য, গত করোনাকালে সময়ে আমরা না ভাবে এই বিল গেটসকে দেখেছি চিকিৎসা ব্যবসায়ী কিভাবে পয়সা লাগিয়েছে। আপনার আশ্চর্য হয়ে যাবেন যদি একটু নিজেরাই গবেষণা করেন তাহলে দেখতে পাবেন আশি খানা দেশের সরকার যারা এই এক বিশ্ব শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তাদের মূল ফাইন্যান্স স্যার হচ্ছে বিল গেটস। এদের উদ্দেশ্য কি উদ্দেশ্য একটাই মানুষের সম্পদকে নিয়ন্ত্রণ করা? ২০১৬ এর আগে UPI কোন বিষয় আমাদের কোথাও ছিল না অথচ আজকে দিনে দাঁড়িয়ে ইউপিআই ছাড়া google pay ফোন-পে ইত্যাদি বাদ দিলে জীবনটাই যেন অন্ধ হয়ে যায়. এটা করে আমাদের সুবিধা হয়েছে বিস্তর কিন্তু তলে তলে ক্ষতির পরিমাণটাও কম কিছু নয়।
আগে আপনার হাতে সম্পদ থাকলে আপনি সেটা দেখতে পেতেন, আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকতো। আজকে এই 500 টাকা আর হাজার টাকা ডি-মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আপনার কাছে আপনার মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে ক্যাশ টাকা রাখা দেবে যাবে না। শিকারি সেটারই সিকুয়েল হিসেবে আজ ২০০০ টাকার নোটও ব্যান করে দেয়া হলো। এতে করে মানুষ আরো ডিজিটাল কারেন্সির দিকে ঝুঁকে যাবে। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন সরকার চাইলেই আপনার একাউন্ট ব্লক করে দেবে। রাতারাতি ফকির হয়ে যাবেন। কয়েক মুহূর্তে হ্যাকিং এর নাম করে যেকোনো দাদাগিরি কোন সংস্থা আপনার অ্যাকাউন্ট জিরো করে দিতে পারে, কারণ আপনার কাছে সম্পদ বলতে খাওয়া দাওয়া সামান্য টাকা আর একটা বাড়ি গাড়ি।
সম্পত্তি হিসেবে স্থাবর কিছু, যদি না সেগুলো লোনে
থাকে বাকি সবকিছুই কিন্তু অ্যাকাউন্টে ছিল। এবার আপনাকে
দিয়ে যা খুশি কুড়িয়ে নেওয়া যাবে, কারণ আপনার সমস্ত সম্পদ
স্বীকৃত সরকার দাড়া কোন একটা বিশেষ গোষ্ঠী আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে বা করবে। সেই দিনটা খুব বেশি দূরে নয় হয়তো আগামী
১০ বছর, ততদিনে যাবে কিনা সন্দেহ।
আজকের এই কথাগুলো সেদিন চোখের সামনে ফলতে দেখবেন। তাই অনুরোধ
করব অর্থ যদি আপনার থেকে থাকে সেটাকে স্থাবর সম্পত্তিতে
কনভার্ট করে ইনভেস্ট করুন। জমিতে ইনভেস্ট করা সবথেকে ও সহজ
কিন্তু এর বাইরেও একটা সত্য আছে যেটা লাগতে পারে ফানি কিন্তু সোনা মজুদ করার চেয়ে
ভালো অপশন আর কিচ্ছু নেই কিচ্ছু নেই।
আগামী দিনে বিশ্বপ্রভুদের একটা গোষ্ঠী সরকারকে কেন্দ্র করে
শ্রমজীবী মানুষের উপরে কি পরিমান যে যথেচ্ছাচার চালাবে সেটা আজকের দিনে স্পষ্ট। এরা পেপার কারেন্সির মাধ্যমে সর্ব প্রথমে নিজেরা সোনা মুদ্রা হস্তগত করে
নিয়ে আপনার হাতে কাগজ ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপরে প্লাস্টিক
মানি তারপরে বুলি বা বন্ড আর এখন সংখ্যা। এরপর সংখ্যা তো যে
কোন মুহূর্তে জিরো হয়ে যেতে পারে। তাই এর পিছনের কন্সপিরেসি
খুব ঠান্ডা মাথায় না বুঝলে আপনার আগামী প্রজন্মের জন্য আপনি
হাহাকার ছাড়া কিছু রেখে যাবেন না।
হয়তো বলবেন সকলের যা হবে আমারও তাই হবে, কিন্তু না গরিব খেটে
খাওয়া মানুষ তারা যারা দিন আনে দিন খায় তাদের খুব একটা অসুবিধা হবে না। কেননা তাদের মজুদ সঞ্চয় বলে কিছু নেই, কিন্তু আপনি
আজকে গোটা জীবন ধরে যেটা সঞ্চয় করলেন কালকে সরকারকে শিখন্ডী বানিয়ে
বিশ্বপ্রভুদের একটা অংশ আপনার সেই কষ্টার্জিত অর্থ ভোগ করবে
অথবা আপনাকে দিয়ে এমন কাজ করাতে বাধ্য হবে যা আপনি কখনো চান না। আর এই ফাঁদ থেকে বাঁচার কোন
অপশন নেই, আপনাকে ডিজিটাল কারেন্সিতে ঢুকতেই হবে, সে আপনি চান না চান।
আমি আপনাকে প্রেসক্রাইব করব ব্যাংকে ততটুকু টাকায় রাখুন, যতটুকু না রাখলে নয়। বাকিটা সোনা বা ওই জাতীয় সম্পদ এবং স্থাবর
সম্পত্তিতে কনভার্ট করে ফেলুন। বাকিটা আপনার মর্জি। আমাদের স্মরণকালের মধ্যেই কিন্তু ২০০০ নোট এর জন্ম হয়েছিল, পরবর্তী ইউপিআই এর প্রচলন, সেটার ব্যাপকভাবে
প্রসারের জন্য করোনা নাম দিয়ে প্রোপাগান্ডা এবং আজ ২০০০ নোট। সুতরাং সময় খুব দ্রুত গতিতে চলছে, এই গতি রোজ আরো
ত্বরান্বিত হবে। আপনি নিজেই দেখে যাবেন এদের চক্রান্তটা, কিভাবে আপনাকে সর্বস্বান্ত করার জন্য করা ছিল
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০
২১শে বামফ্রন্টঃ নিয়মাবলী
২১শে বামফ্রন্ট
ফ্যাসিবাদী, সাম্রাজ্যবাদী রাজনৈতিক শক্তিগুলো বর্তমানে রাজ্য ও দেশের ক্ষমতাতে, সাম্প্রদায়িক বিষ দ্বারা সমাজের বুকে বিভাজন ঘটিয়ে সংসদীয় রাজনীতির ‘ভোটব্যাঙ্ক’ রাজনীতির দ্বারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে- শাসনে টিকে থাকার ঘৃণ্য প্রয়াসের দরুন আজ প্রকাশ্যে উলঙ্গ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে শাসক। আইনশৃঙ্খলা অবনতি দেখে CCTV ক্যামেরাও মুখ লুকাচ্ছে, প্রশাসন যন্ত্র অসহায়, কিছু স্বার্থপর ধান্দাবাজকে বুদ্ধিজীবী বানিয়ে তাদের দিয়ে ভণ্ডামির বলয় তৈরি করে রাষ্ট্রের বুকে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। চতুর্দিকে হাহাকার, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, শিল্পের কফিনে পেরেক ঠোঁকা সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিষেবা সহ প্রতিটি দপ্তরের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।
সুশাসন দুরঅস্ত, সরকারি কোষাগারের অর্থ বিভিন্ন বাহানাতে লুঠে নেওয়ার জন্যই যেন এদের জনপ্রতিনিধি হয়ে আসা, যেকোনো দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারের বদলে শাসকদলের নেতার ‘উন্নয়ন’ আজ স্বীকৃত সত্য; অবশ্য যারা বুকে ‘আমরা সবাই চোর’ লিখে প্রকাশ্য শহরের রাজপথে মিছিল করতে পারে তাদের জন্য চুরি ও তার ৭০:৩০ হারের সুষম বখরার মাঝেই টিকে আছে ‘চটি’ সরকার। ফাঁপাবুলি সর্বস্ব ভাঁওতাবাজি দিয়ে সমাজের গরীব জনগণকে ধোঁকা দেওয়া লুটে খাওয়া সরকারের আমলে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ সীমা ছুঁয়েছে। নীতিহীন তাই দিশাহীন জনবিরোধী ‘পরিকল্পিত’ প্রোপ্যাগান্ডা, বামেদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ইত্যাদিকে প্রতিহত করে- এই গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য বামপন্থা ও তৎসংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সমাজে প্রচার করা।
সুতরাং, বামপন্থী মানসিকতা ব্যাতিরেকে
এই গ্রুপের সাথে যুক্ত না হবেননা; কারন এখানে নিয়মিত বাম সমর্থকদের মাঝে আপসে ভাবের
তথা মতের আদানপ্রদান, পার্টি নেতাদের সাক্ষাৎকার প্রচার ও রাজ্য তথা দেশজুড়ে ছিটিয়ে
ছড়িয়ে থাকা কমরেডদের মানসিকভাবে উদ্বুদ্ধ করাই এই গ্রুপের এক ও অদ্বিতীয় লক্ষ্য; যাতে
করে ২১শে বামফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়।
নিয়মাবলী
4. প্রাকৃতিক বা সামাজিক বিপর্যয় হেতু ব্যাতিক্রমী সময়ে জনসেবার প্রয়োজনে কোনও আবেদন হলে তা কখনই গোপনে কিছু সংগঠিত হবেনা, সঞ্চালকমণ্ডলীর বরিষ্ঠ সদস্যের দ্বারা- গ্রুপে ‘সাহায্য’ সংক্রান্ত প্রকাশ্য পোষ্ট এলে, তার ‘কমেন্ট সেকশনে’ মন্তব্য প্রতিমন্তব্যের প্রতি খেয়াল রেখে তবেই এ সম্বন্ধে নিশ্চয়তা গ্রহণ করবেন।
11. ব্যাতিক্রমী ক্ষেত্র ছাড়া ‘শেয়ার্ড পোষ্ট’ এপ্রুভ হবেনা। নির্দিষ্ট কিছু ব্যাতিক্রম যেমন, পার্টির ওয়েবসাইট, পার্টির ফেসবুক পেজ, টুইটার হ্যান্ডেল, রাজ্য বা কেন্দ্রীয় স্তরের নেতার ভাষণ ইত্যাদির মত ক্ষেত্রে সঞ্চালক মণ্ডলীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেয়ার্ড পোষ্ট এপ্রুভ হবে। তবে নিজের টাইমলাইনের শেয়ার কখনই এপ্রুভ হবেনা।
12. ভিডিও পোষ্টের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সদস্যই শেয়ার করে থাকেন, এক্ষেত্রেও ‘অতি গুরুত্বপুর্ণ’ পর্যায়ের পোষ্ট না হলে তা এপ্রুভ হবেনা।
13. এটা কোনো মনোরঞ্জনধর্মী গ্রুপ নয়। টু’লাইনার জাতীয় পোষ্ট গুলোকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা হবে, নতুবা বিশ্লেষণ মূলক ও গুরুত্বপূর্ন বার্তা সম্বলিত পোষ্ট গুলো গ্রুপ টাইমলাইনের অন্ধকূপে হারিয়ে যায়। এছাড়া গল্প, উপন্যাস, চুটকি, কবিতা, সুপ্রভাত-শুভরাত্রির বার্তা, নীল ঘাস, সবুজ পাখী, গোলাপি আকাশ ইত্যাদি বিষয়ে পোষ্ট করার জন্য ফেসবুকে অন্য লক্ষ গ্রুপ আছে, ‘২১শে বামফ্রন্ট’ শুধুমাত্র বাম রাজনীতি বিষয়ক আলোচনার মঞ্চ, অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়।
15. নিজে ‘যা খুশি একটা পোষ্ট’ করার চেয়ে, ইতিমধ্যে গ্রুপে থাকা পোষ্ট গুলো পড়ে তার কমেন্টে মন্তব্য করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যান্য কমরেডদের মাঝে আলাপচারিতার বিকল্প নেই। বহু কমরেড বাম মতাদর্শের উপরে প্রবন্ধ লেখেন, বা সাম্প্রতিক সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-প্রশাসনিক সমস্যার কথা সুন্দর করে তুলে ধরেন, সেগুলোর বিতর্কসভাতে অংশ নিয়ে কমেন্ট বক্সে, ভাব ও যুক্তির আদানপ্রদান করে নিজেকে এমন ভাবে গড়ে তুলুন যাতে আপনার পাশে ঘটা কোনও কুকর্ম বা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারেন, জনগণকে ভরষা দিতে পারেন পার্টির পক্ষ থেকে।
16. নিতান্ত ব্যাতিক্রমী পরিস্থিতি ছাড়া এপ্রুভ হওয়া কোনো পোষ্ট ‘ডিলিট’ হবেনা; যেকোনো জটিল পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট পোষ্টটির কমেন্টিং বন্ধ করে দেওয়া হবে, কারন তাতে পোষ্ট ও কমেন্টের নথি তথ্য ইত্যাদিও ডিলিট হয়ে যায়। ইনেক্টিভিটির দরুন অচিরেই পোষ্টটি গ্রুপ টাইমলাইনের অন্ধকূপে হারিয়ে যাবে।
17. একই লেখা বার বার পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন, পোষ্ট করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে এই লেখাটিই অন্য কেউ গ্রুপে ইতিমধ্যে পোষ্ট করেছেন কিনা। আলাদা আলাদা সঞ্চালক দ্বারা একই পোষ্ট আলাদা আলাদা কমরেডদের দ্বারা পোষ্ট হয়ে গেলে তা নজরে আসা মাত্র দ্বিতীয় পোষ্টটির কমেন্টিং বন্ধ করে দেওয়া হবে।
18. একটি লেখা অ্যাপ্রুভ হবার অন্তত চার ঘন্টা পর অন্য লেখা পোস্ট করুন। গ্রুপের কোন লেখাই না পড়ে অ্যাপ্রুভ করা হয় না, সুতরাং পোস্ট অ্যাপ্রুভ হতে সময় বেশি লাগলে অনুগ্রহপূর্বক অপেক্ষা করুন।
19. নির্দিষ্ট ইভেন্ট ব্যাতিরেকে নিজের ছবি গ্রুপে পোস্ট করা নিষেধ।
20. কোনো রকমের ধর্মীয় প্রচার মূলক পোস্ট করা নিষেধ, তা সপক্ষে হোক বা বিপক্ষে।
21. আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য এই গ্রুপ নয়, তাই পোষ্ট করার মুহুর্তে বিষয়টি মাথায় রাখবেন।
22. বাজারী যেকোনো সংবাদমাধ্যমের কোনো রকম ভোটাভুটির পোস্ট পরিহার করুন, এতে পার্টির আখেরে কোনও লাভ হয়না।
23. গ্রুপের লোগো গ্রুপের সঞ্চালক ছাড়া ব্যবহার করা অবৈধ।
24. সরকারের নীতির সমালোচনা করুন, ব্যাক্তির নয়; কারন বাম ঘরানার রাজনীতিতে ব্যাক্তির চেয়ে নীতি ও সমষ্টির মূল্য সকলসময়ই বেশি।
25. কুরুচিপূর্ণ অন্ধ বিরোধিতা মার্কা কোনও পোষ্ট না করে, যুক্তিগ্রাহ্য পার্টির প্রচারনামূলক ও দৈনন্দিন হরেক সমস্যার বিষয়কে তুলে ধরুন।
26. গ্রুপের যেকোনো ধরনের গঠনমূলক সমালোচনা আমরা সাদরে আহ্বান করছি, কিন্তু সকল শুভাকাঙ্ক্ষীগণের কাছে আবেদন- সেটা প্রকাশ্য পোস্ট বা কমেন্ট করে প্রকাশ করা নিষেধ। ২১শে বামফ্রন্ট পেজের ইনবক্সে আপনার অভিযোগ বা পরামর্শ লিখুন, সঞ্চালক মণ্ডলীতে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা দ্রুত আপনাকে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দেব।
27. ছদ্মনাম ব্যবহারে গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনো বিধিনিষেধ নেই, শুধু গ্রুপের নিয়ম ভঙ্গ না করলেই হল।
28. নিয়মিতভাবে উপরোক্ত নিয়মমালা ভঙ্গ করলে তাকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর বিনা নোটিশে গ্রুপ থেকে মুক্ত করে দেওয়া হবে।
29. সঞ্চালকেরা কেউ নির্ভুল যন্ত্র নয়, তাই ভুলবশত কোনো অসংলগ্ন পোষ্ট-কমেন্ট কোনও সঞ্চালক দ্বারা এপ্রুভ হয়ে গেলে কমেন্টে কেউ জবাব না দিয়ে সরাসরি “রিপোর্ট টু এডমিন” করবেন; কিছুক্ষনের মধ্যেই সঞ্চালক মণ্ডলী ব্যবস্থা নেবে। অনুগ্রহকরে মাথায় রাখবেন, সঞ্চালকেরা কেউ বেতনভুক কর্মচারী নয় যে, কেউ ডাকা মাত্রই তিনি হাজির হতে বাধ্য; ব্যাক্তি ও বন্তু জীবনের কর্ম সম্পাদন করার ফাঁকে সময় বের করে তিনি এখানে স্বেচ্ছাশ্রম প্রদান করে, বাম আদর্শে ব্রতী হয়ে। তাই অপেক্ষা করবেন।
30. উত্তেজনা, আবেগ বা প্ররোচনার কারনবসত কোনো কমরেড ভুল করে ফেললে, তা সঞ্চালকদের নজরে আসা মাত্র তাকে সতর্ক করে দেওয়া হবে, কিন্তু পরবর্তীতে সংশোধন না হলে গ্রুপে থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিকে মুক্ত করে দিতে বাধ্য হবে আমাদের ‘সঞ্চালক পরিষদ’।
** মনোযোগ সহকারে পুরোটা পড়ার জন্য
আপনাকে ধন্যবাদ **
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
ভূমিকম্প, বজ্রপাতঃ বর্তমান সময় ও সোলার মিনিমাম
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
এর চেয়ে মুন্নাভাই MBBS এর সেট বেশী বিশ্বাসযোগ্য ছিল
দেখুন, ধাপ্পাবাজ মোদি কিভাবে ভক্তদের বোকা বানাচ্ছে। ভালো করে পড়ে, পার্থক্য বুঝুন।
মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী
আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...