কৃষি বিল প্রত্যাহারের প্রতিবাদ, অজয় সিং বিস্তের অন্ধকার-রাজ্যে দলিত কন্যা ধর্ষণ-মৃত্যু ও প্রমান লোপের জন্য প্রতিবাদ, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রসহন ও হাস্যকর রায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজের পাশাপাশি যে আওয়াজটা সরকার চেপে দিতে চেইবে সেটার দিকেও একটু নজর দিন। আম্বাদানির দালাল মাঙ্কি-বাত ও পোষ্য মিডিয়া দিয়ে পাব্লিককে লোমের গল্প শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টার ত্রুটি রাখবেনা, কিন্তু দেশের অর্থনীতির সাথে আমাদের প্রত্যেকের রুটিরুজি, দেশের অখন্ডতা ও বাকি সকল কিছু নির্ভরশীল।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
কৃষি বিল প্রত্যাহার
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
কাউসার বাই
কাউসার বাই, ২০০৫ সালে, রাতের গভীরে তাকেও নদীর তীরে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। আপনি নিশ্চই ভুলে গেছেন তাকে কে জ্বালিয়েছে এবং কেন? কি দোষ ছিল কাউসার বাই এর? কেউ অভিযুক্ত হয়নি সেদিন, কেউ শাস্তি পায়নি।
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
তৃণমূলী মুসলমান
বিজেপিকে আঁটকাতে তৃণমূলকে ভোটটি দেবেন, নতুবা "বিজেপি চলে আসবে"। এটাই তিনু নেতাদের ভাষণ- বিজেপিকে আঁটকানোর দায় কেবল মুসলমানেদের, বাকিরা বিজেপিতে যাতায়াত করবে ফুটবল মাঠের উইঙ্গারের মতো।
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
বলিউড
এই ছবিটি বলিউডের পাশাপাশি প্রতিটি শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের জন্য একটি শিক্ষা বিশেষ। কোনও ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার সামনে যখনই মাথা ঝুঁকিয়ে ফেলবে, এর পর আর কোনো সাফল্য অর্জনই আপনাকে সম্মানের সাথে বাঁচাতে দেবেনা।
মোদিজী ও তার প্রচারযন্ত্র
এই ছবিটি বলিউডের পাশাপাশি প্রতিটি শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের জন্য একটি শিক্ষা বিশেষ। কোনও ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার সামনে যখনই মাথা ঝুঁকিয়ে ফেলবে, এর পর আর কোনো সাফল্য অর্জনই আপনাকে সম্মানের সাথে বাঁচাতে দেবেনা।
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
মূর্খ নির্লজ্জ হলে সাংবাদিক হয়
এটা একটা জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল এর খবর।
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
কেন্দ্র সরকারের ঋণ
জুন ২০১৪ এ ভারতের মোট ঋণ ছিলো-
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
রাজু বিস্ত ও বাংলা ভাগের প্রস্তাব
বাংলাভাগ মানছিনা মানবো না। একজন বাঙালি হয়ে এ অপমানের আঁচ যদি আপনার গায়ে না লাগে তাহলে আপনি আপনার বাঙালিয়ানা জন্ম নিয়ে জিন পরিক্ষা করান, কারন অবৈধ বীর্যে গুজরাতিরা শীর্ষে আছে- কে বলতে পারে আপনি সেই বীর্যে বলিয়ান কিনা।
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
খোলাচিঠিঃ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শিক্ষিকাগণ
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
অনলাইন শিক্ষা
- অনলাইন ক্লাস পরিচালনার জন্য যে পরিকাঠামোর দরকার হয় আমাদের দেশের তার ন্যূনতম অবকাঠামো নেই। দেশের ৪২% মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যার মধ্যে ৮৪ শতাংশ আর্বান নাগরিক। তাছাড়া ১৩৯ কোটি জনসংখ্যার ১০৫ কোটি মানুষ জানেইনা স্মার্টফোনটা খায় না গায়ে মাখে। যে দেশে প্রায় ৪০ শতাংশের কাছাকাছি মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বা আশেপাশে বসবাস করে সেখানে অনলাইন শিক্ষা সোনার পাথরবাটির বাইরে কিছু নয়।
- অনলাইন ক্লাস ক্যাম্পাস ক্লাসের চেয়ে বেশি সময় নেয়। প্রথাগত শিক্ষার সময়সীমার মতো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। উদাহরণস্বরূপ কোনো এক ইংলিশ মিডিয়ামের ছোট বাচ্চাকে সন্ধ্যে সাতটাতেও অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছে।
- অনলাইন শিক্ষাতে যেহেতু শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে শারীরিক দূরত্ব থাকে, তাই প্রথাগত শিক্ষার মতো তাদের মাঝে আত্মিক যোগাযোগ গড়ে উঠে না। প্রত্যক্ষ সংযোগের অভাব পঠনপাঠনে একটা সময়ের পর অমনোযোগিতা দেখা দেয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে টেকনোলজির অপব্যবহারে শুধুমাত্র উপস্থিতি জানান দিয়ে ক্লাসে মানসিক ভাবে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বাচ্চারা ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে, সারাক্ষণ ইউটিউব সহ নানান মাধ্যমে বুঁদ হয়ে থাকছে, বস্তু জগতের সাথে একপ্রকার কোনও সম্পর্কই থাকছেনা।
- প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিজেদের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে৷ একসাথে পাশাপাশি বসে ছোট থেকে তারা বড় হয়। তাদের মধ্যে গড়ে ওঠা আত্মিক সম্পর্ক শিশুর বিকাশে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীরা মানবিক গুণাবলী রপ্ত করে প্রাকৃতিক ভাবেই। এসব যান্ত্রিক অনলাইন শিক্ষায় সম্ভব হয় না।
- শিক্ষার্থীদের বেড়ে ওঠার বয়সে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য। অনলাইন ক্লাসের বিপুল চাপে খেলার অবসর হারিয়ে যাচ্ছে। মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে।
- অনলাইন ক্লাস বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি তৈরি করে, কারণ এখানে পেশাদারিত্বই শিক্ষকের কাছে শেষ কথা।
- অনলাইন ক্লাস মাত্রাছাড়া বেয়াড়া স্বাধীনতা দেয়, অধিকাংশ সময়েই যা ছাত্রের চরিত্র গঠনের পরিপন্থী।
- অনলাইন ক্লাসে জন্য আপনাকে একজন সক্রিয় শিক্ষার্থী হতেই হবে। কিছু এড়িয়ে গেলে তা ছাত্রেরই যাবে, রিপিটের তেমন সুযোগ নেই। এটা কিছুটা কলেজের প্রফেসরদের লেকচারের মত।
- অনলাইন কোর্সে কোন প্রশিক্ষক থাকে না যিনি নির্দিষ্ট ছাত্রের জন্যই লেগে থাকে।
- অনলাইন ক্লাস একটি ছাত্রকে অনেক বেশি চাপ প্রদান করে যতটা সে সামলাতে পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি!
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
মুসলমানঃ দেশের বিচারব্যবস্থা
যদিও আমি নিজে মহরমের শোকের নামে "তাজিয়া" অসভ্যতামির তীব্র বিরুদ্ধে, কারন শোকের সময় কে অমন নেচে গেয়ে লোক জড়ো করে জুলুস করে ভাই? ইসলামে ধর্ম পালন আল্লাহর জন্য, যেখানে লোক দেখানো উপাসনার নামে ভন্ডামির কোনো স্থান নেই।
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...

