কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৪
পাগলী
শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৪
মামলার চাপ
রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩
বই বিলাস
উন্মাদীয় বানানবিধিতে দুষ্ট
রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩
মহান একুশে জুলাই
মহান ২১ শে জুলাই, ঠিক কি কারনে শহীদ হয়েছিলেন, সেটা জানা না থাকিলেও এই শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসে কিছু শিখি।
২০১৫ সালে কৃতি ছাত্ররা মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে কথাঞ্জলী পুরষ্কার পেয়ে ও পড়ে শিক্ষক হয়ে, গ্রামের পাঠশালায় তারা শিক্ষাদান করতে গেছেন।
গ্রামের একটি পাঠশালায় ক্লাস শুরু হওয়ার আগে ছাত্ররা হইচই করছে (প্রশঙ্গত:- এখানে কোন হজবরল নেই, সকলেই দামাল)। এমন সময় পন্ডিত মশাই প্রবেশ করলেন।
পন্ডিত : ওরে কেষ্ট, বেচা, দেবু, সোমু, রুদ্র, নির্মল, কানন, মধু, গোবরা, গণশা ।
ছাত্ররা : (সমস্বরে) পেজেন সার।
পন্ডিত : সে তো চোখেই দেখতে পাচ্চি। বলচি গোলমাল করচিস কেন? এখানেও কি সিন্ডিকেট বানিয়েচিস নাকি?
ছাত্ররা : (সমস্বরে) এই গোলমাল করচিস কেন?
পন্ডিত : থাম, থাম, হতভাগার দল। ওরে দেবু, কাল ইস্কুলে আসিসনি কেনে রে?
দেবু: আজ্ঞে, কাল আমার মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরোচ্ছিল।
পন্ডিত : ওটা তো একটা ছোট্ট ঘটনা। বিড়ি টেনেছিলি বুঝি? না কি তাজা পেটো খেয়েছিলি??
দেবু: আজ্ঞে, না স্যার। সে তো আপনার কাঠ ক্যালানি খেয়ে কবেই ছেড়ে দিয়েছি। মা বললেন, তোর পেটে কি আগুন লেগেছে? ওতো খাই খাই করছিস কেন? তাই...
পন্ডিত : বটে। হ্যাঁ রে কেষ্টা। তুই কাল আসিসনি কেন রে?
কেষ্টা : কাল তো আপনার সঙ্গে হাটতলায় দেখা হয়েছে। আমি ঢিল মারা পেকটিস করছিলাম। প্যাক্টিক্যাল কেলাস স্যার।
পন্ডিত : ও, তুমি শুধু দেখা করতে আসো। পড়তে আসো না? কিরে বেচা কিছু বলবি? ওই চারসোর ঘরের নামতা টা মুখস্ত হয়েছে??
বেচা: পৃথিবীর আকার কিরূপ, স্যার?
পন্ডিত : ব্যাটা বড় হয়ে বেচবি তো মাছ, কোশ্চেনের ছিরি দেকো! তবে ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন, টুকে নে। এটাই আমি কথাঞ্জলী তে পড়েছিলাম। মহর্ষি সুদীপ্ত একবার পিসিঠাম্মা কে এই একই প্রশ্নই করেছিলেন। পিসি তাকে নিরাস করেন নি, বিশ্বলোক দর্শন করিয়েছিলেন। পৃথিবীর আকার চতুষ্কেকাণ।
যথা−ঈশান, অগ্নি, নৈর্ঋত ও বায়ু। যদিও কুচুটে লোকে অনেক কিছুই বলে জানবি, সে সকলই কুৎসা মাত্র।
ছাত্রী : পন্ডিত মশাই। একটা ট্রান্সেলেশন বলে দিন না?
পন্ডিত : কী ট্রান্সেলেশন, দিদি?
(পুরাকালে এখানে অনেকে ছাত্র ছাত্রী দের, বাবা বা মা নামে স্নেহের ডাক ডাকতেন, এখন "দিদি" ডাকই সার্বজনীন। দেবী দূর্গাকেও অনেনেকে দেবী দূর্গার বদলে দিদি দুর্গা নামে ডেকে থাকেন।)?
ছাত্রী : আজকাল হাতিবাগান বাজারে ছয় আনা সের কুচো চিংড়ি দিয়ে একটা বড় পরিবার ভালোভাবে চলে যায়।
পন্ডিত : ওরে বাবা, টুকে নে। ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন। ব্রাত্যকে ব্রাত্য করা হয়েছিল এই প্রশ্নের জবাব না দিতে পারার জন্য। "টুডে, টুমরো এলিফ্যান্ট গার্ডেন মার্কেটে সিক্স এনাস সের স্নল লবস্টার, এ বিগ ওয়াইফ গোজ ওয়েল"।
নির্মল : আচ্ছা পন্ডিত মশাই, তার বংশে বাতি দিতে কেউ নেই, এর ইংরেজি কী?
পন্ডিত : এসব ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন কোত্থেকে খুঁজে বার করছিস? বিরোধীদের চক্রান্ত নেই তো?? পিসিঠাম্মার বানী অনুসারে যদিও ওটা সিপিয়েন। নে টুকে নে। দেয়ার ইজ নো ওয়ান গিভ ক্যান্ডেল ইন হিজ ব্যাম্বু।
এই কানন, ইংরেজিতে চিমনি বানান কর? নির্মল- ব্যাম্বু ব্যাপার টার উপরে ইসস্পেসাল ধ্যান দাও। এটি পিসিঠাম্মা মাতার অন্যতম প্রিয় শব্দ ছিল।
কানন : সি এইচ আর এমনি−চিমনি।
পন্ডিত : মার গেঁড়েচে। সি এইচ আর এমনি−চিমনি। ওকে নীল ডাউন করে দাও। তোদের যে প্রথন দু মাসেই ৯৯% শেখানো কমপ্লিট করালাম তার এই অবস্থা??
চলো এবার আমরা লবান্নে পড়তে বসবো। কারন পিসিঠাম্মা দেবি কখনো এক স্থানে বসা পছন্দ করতেন না।
ছাত্র : ডিম্ব কোন লিঙ্গ, স্যার?
পন্ডিত : কি কি লিঙ্গ?? তুই ও শেষে চক্রান্তকারী দের পাল্লায় পড়লি নাকি?? যাই হোক ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন। ডিমের ভেতর মেল হবে কি ফিমেল হবে, কে জানে রে, বাবা। নে টুকে নে। উভয় লিঙ্গ।
ছাত্র : পন্ডিত মশাই। ঘুড়িতে লাট খাচ্ছে, ইংরেজি কী?
পন্ডিত : ও, খুব ঘুড়ি ওড়ানো হয় বুঝি? টুকে নে। ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন। দি কাইট ইজ ইটিং গভর্নর। এই তুই বানান কর, ফটকে।
ছাত্র : ফটকে? ফ আর পা গেছে আটকে−ফটকে।
পন্ডিত : বটে। আচ্ছা বানান কর, রুক্সিণী।
ছাত্র : রুক্সিণী? স্বরে আ।
পন্ডিত : রুক্সিণীতে স্বরে আ কোত্থেকে পেলি? নাহ তোদের দেখছি শ্রী তাপসশাস্ত্রীর মাল শাস্ত্র পড়াতে হবে।
ছাত্র : গোড়া থেকে আউড়িয়ে নিচ্ছি।
পন্ডিত : আউড়িয়ে নেওয়াচ্ছি। হরিদাস পাল। ওকে ঠ্যাং তুলে হ্যান্ড আপ অন দি বেঞ্চ করে দাও। এই তোরা একটা খবর শোন। তোরা সবাই কাল ফরসা জামা-কাপড় পরে ফিটফাট হয়ে আসবি। কাল ইন্সপেক্টর সাহেব আসছেন।
ছাত্র : আচ্ছা স্যার, সাহেব ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে আমরা কী করব?
পন্ডিত : আমি সব ম্যানেজ করে নেব। সে তোদের ভাবতে হবে না। দিদির কথাঞ্জলী আর একুশে আইন মর্মোদ্ধার করে, ৩৪ বছরের ঘাপলা সরবত সম্বচ্ছর খেয়ে তবেই ইংরেজিতে দখল হয়েছি। আমায় ঠেকায় কোন ব্যাটা। যা, এখন ছুটি। সবাই বাড়িতে যা, বাড়ি যা।
(পরের দিন সকালে পাঠশালায় ছাত্ররা উচ্চ স্বরে ইংরেজি পড়ছে)
পন্ডিত : এই, চুপ, চুপ। ইন্সপেক্টর সাহেব এসে গেছেন। গুড মর্নিং, স্যার।
ইন্সপেক্টর: গুড মর্নিং। এত কম ছাত্র কেন?
পন্ডিত : হতভাগা ছেলেরা জেলায় জেলায় শিক্ষা লাভ করতে গেছে, তাই সব আসেনি। আর কন্যাশ্রী রা সবুজসাথী চালাচ্ছে। কিছুজন তো যুবশ্রী, তাই তারা উৎসব করছে। বাকি সব চাকরি পেয়ে গেছে।
স্যার, ইয়েস্টারডে ইঙ্কপূজা ছিল কি না। তারই উৎসব স্যার।
ইন্সপেক্টর: ইঙ্কপূজা?
পন্ডিত : হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভেরি ভেরি ব্ল্যাক ওমেন। সোর্ড হ্যান্ড।
ইন্সপেক্টর: আই সি। ইউ মিন খালিপূজা?
পন্ডিত : খালিপূজা নয়। তাহলে তো এমটি পূজা বলতুম। কালিপুজো, কালিপুজো।
ইন্সপেক্টর: আচ্ছা, পন্ডিত। টুমি বাংলা বলো। হামি বাংলা বুঝতে পারি। আমি ঈষ্ট জর্জিয়া।
পন্ডিত : বাট স্যার, মাই ইংলিশ কামস মোর। অর্থাৎ আমার ইংরেজিটাই বেশি আসে। ফাদার্স নিয়ার টুয়েন্টি ওয়ান ইয়ার্স ইংলিশ লার্ন কি না। এন্ড আই লার্ণ কথাঞ্জলী অলসো।
ইন্সপেক্টর: ইউ আর এ বিগ ফুল। বাট মি অলসো কথাঞ্জলী।
পন্ডিত : সলালি, সলালি টেল, স্যার। ছেলেরা না শুনে ফেলে। আপনি ডেলো কায়দায় বলুন স্যার।
ইন্সপেক্টর: আপনি কী রকম পড়াচ্ছেন, আমাকে শোনান।
পন্ডিত : অল রাইট, স্যার। বাবা গণেশ, বলো তো ছাপ্পান্ন কড়ায় কত গন্ডা?
গণেশ : পন্ডিত মশাই, ঝালাই করা না পেটা করা?
পন্ডিত : দাঁড়া। সাহেব চলে যাক। তোকে মেরে আরও ধোলাই করে ছাড়ব। পুরো মদন বানিয়ে ছারবো।
ইন্সপেক্টর: ধোলাই কেয়া হায়?
পন্ডিত : ও মানে, ইয়ে মানে, কী বলি রে বাবা, মানে ইয়ে, ক্লথ ওয়াশিংয়ের কথা হচ্ছে, স্যার। আচ্ছা ভ্যাবলা, বলো তো ভুতপূর্ব হেড মাস্টার মানে কী? তাছারা আপনি একবার বলুন যে আপনি হজরলব দলের সমর্থক, দেখবেন এই দুষ্টু দামালের দল আপনাকে যেমন ভাবে আদর করে দেবে,ওটাকেই ধোলাই বলা হয়।
ছাত্র : পারব না তো, স্যার।
পন্ডিত : টুকে নাও। যে হেড মাস্টার পূর্বে ভুত ছিলেন।
ইন্সপেক্টর: ননসেন্স।
পন্ডিত : এই মরেছে। ভ্যাবলা, তুমি বলো, বাবা। আমি তোমায় হাড়ে হাড়ে চিনি, ইংরেজি কী?
ছাত্র : হাড়ে হাড়ের ইংরেজি কী, স্যার?
পন্ডিত : বোন টু বোন।
ছাত্র : আর চিনি?
পন্ডিত : চিনির ইংরেজি জানো না? সুগার। টুকে নাও। আই সুগার ইউ বোন টু বোন।
ইন্সপেক্টর: হা হা হা। আচ্ছা পন্ডিত, গুড বাই।
পন্ডিত : গুড বাই। দেখলেন তো স্যার, আমার লার্নিংয়ের রান, মানে বিদ্যের দৌড়। টুয়েন্টি ওয়ান ইয়ার্স ইংলিশ লার্নিং ফাদার…
ইন্সপেক্টর: শাট, শাট আপ।
পন্ডিত : ও বা…বা (ইন্সপেক্টর চলে যায়)
ছাত্র : স্যার, একটা কথা বলব?
পন্ডিত : এক শ বার বলবে।
ছাত্র : আপনাকে বিগ ফুল বললেন কেন?
পন্ডিত : বিগ ফুল মানে বড় ফুল। ওই জোড়া ফুলের একটা। বিলেতে গিয়েই সাহেব নিজের বাগান থেকে যেটি সবচেয়ে বড় ফুল সেটি আমার জন্য উপহার পাঠাবেন। আমার পড়ানোর কায়দা শুনে সাহেবের তাক লেগে গেছে।
ছাত্র : স্যার।
পন্ডিত : কী?
ছাত্র : স্যার, দশহরা (নবান্নর সেই কালীন সংস্করণ) কী একটা চিঠি নিয়ে আসছে।
পন্ডিত : ও কিছু নয়। সার্টিফিকেট এসে গেল। সাহেবদের কাজই ঝটপট।
দপ্তরি : না, পন্ডিত মশাই। আপনি কিষেনজী হয়ে গেছেন। সাহেব আপনাকে বরখাস্ত করেছেন। পড়ে দেখুন।
পন্ডিত : সে আমি আগেই বুঝতে পেরেছি রে। এর পরও যদি ডিসমিস না করে তো ব্যাটার নিজের চাকরি নিয়েই টানাটানি পড়ে যেতো। এমনিতেই যা বেকায়দায় ফেলে দিয়েছি বাছাধনকে, ডিসমিস না করে যায় কোথায়?
............................................
(নির্বিষ ভাবে ফেসবুক থেকে আংশিক সংগ্রহীত ও উন্মাদীয় মসলাসহযোগে পরিবেশত, উন্মাদীয় বানানবিধি অনুসৃত)
ছবিঃ ইন্টারনেট
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৩
চন্দ্রাহতের মন্ত্রনা- ৬
বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩
চোরের কোরবানি
এক প্রসিদ্ধ চোর জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে , মসজিদের ইমাম সাহেবের মুখে
কোরবানীর ফযিলত সম্পর্কে বয়ান শুনে অন্তরটা খুব নরম হয়ে গেলো। বাড়ি ফিরে যে প্রতিজ্ঞা করলো- যা হয় হবে, এমন ফযিলত পূর্ণ কোরবানী এবারে বাদ
দেওয়া যাবে না। যেমন ভাবা তেমন কাজ, রাতেই পাশের গ্রাম
থেকে একটি গরু চুরি করেতে বের হয়ে গেলো কোরবানীর নিয়তে।
পরদিন, ইমাম সাহেব ফজরের নামাজ পড়তে উঠে দেখেন, সেই চোর একটা গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছে। ইমাম সাহেব শুধালেন- তুমি তো গরীব, রাতারাতি গরু কোথায় পেলে? চুরি করে আনলে নাকি?
চোর বললো-- হুজুর আপনি জুমার খুৎবাতে কোরবানীর ফযিলত সম্পর্কে যে বয়ান করেছেন তাতে আমার অন্তরটা নরম হয়ে গেছে। তাই গরুটি কোরবানী দিতে নিয়ে যাচ্ছি। আপনি কোরবানির অংশেই ফোকাস করুন আমার মত, গরু কোথা থেকে কীভাবে এলো সে সব জানা- সময়ের বাজে খর্চা, সবই উপওয়ালার তরফে…
ইমাম সাহেব বললেন, চুরি করে
কোরবানী দিলে সেটা কোরবানী তো
হবেই না বরং গুনাহ হবে৷
চোর বলল, হুজুর এ নিয়ে আপনি টেনশন করবেন না৷ আমি এর হিসেবও মিলিয়ে রেখেছি, চুরি করলে যে গুনাহ হবে তা কোরবানীর সাওয়াব দিয়ে কাটাকাটি হয়ে যাবে৷ মাঝখানে গোস্তটা ফাও খাওয়া যাবে।
উপসংহারঃ গল্পটি রূপক। আমাদের
দেশে গরু/ছাগল চুরি করে কেউ
কোরবানী না দিলেও- সুদের টাকা, ঘুষের টাকা, শ্রমিকের হকের মারা টাকা, তোলার টাকা, চিটারি বাটপারির টাকা, গরীবের জন্য বরাদ্দ সরকারী প্রকল্পের টাকা, এমন হরেক চুরির টাকা দিয়ে কিন্তু ঠিকই অহরহ কোরবানী দিচ্ছে একশ্রেনীর মুসলমান।
তাই ঐ চোর আর এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
আল্লাহ্র নাবী (সাঃ) বলেছেন- খিয়ানাতের সম্পদ থেকে সদাকাহ কবুল হয় না। সহিহ
মুসলিম ১ম খন্ড, হাদিস নং- ৪২৩
শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৩
উন্মাদ নামা - ১
বৈশাখী দ্বিপ্রহরে চাঁদি ফাটা রোদ্দুর, হন্তদন্ত হয়ে অফিস থেকে ফিরলাম (উন্মাদেরও অফিস থাকে), বেলা সাড়ে বারোটার সময়। রাস্তার পিচ গলে যাবার উপক্রম, হেলমেট পরিহিত অবস্থায় মোটর বাইক চালানোর সময় গ্রীষ্মের লু...
কামাতুর প্রেয়সীর থেকেও ঊষ্ণ চুম্বনের অত্যাচারে জর্জরিত হতে হতে ঘরে আসিবা মাত্রই দেখি আমার শ্রীমতি, স্বপারিসদ বহু আত্মীয় স্বজন লইয়া সংক্রান্তির মেলা বসিয়ে রেখেছেন, মাতাশ্রী, জ্যাঠা- জ্যেঠিমা, বোন- বোন জামাই , সহ আরো অনেকের শুভাগমন হয়েছে। গুটি গুটি পায়ে নিজের ঘরে এসে, স্নান সেরে আসতেই , শ্রীমতি পরম মমতায় মধ্যাহ্নভজনের আসর বসালেন আমার একারই জন্য, যথারীতি আমি খেতে বসলাম।
আর........................... ইলিশ.........
আহা হা হা হা হা হা ...........................
কত দিন পর নাকে এ সুখ শুঁকলাম, খাবার আগেই অর্ধেক ভোজন পরিপূর্ন হলো। তেলে ভাজা ১ পিস, পেয়াজ দিয়ে হরহরে ইলিশের ঝোল, আর সরষে ইলিশ, একপিস পাতুরি। বাড়িতে জামাই এসেছে, সুতরাং আয়োজনে কমতি নেই। সকলের পছন্দের ফরমায়েস মতই পদ বানানো হয়েছে দেখলাম।
ওহ চর্ব্য, চোষ্য, লেহ্য, পেয় ও ধৌম্য সকল প্রকার ভক্ষন রীতি অনুসারেই আহারাদি শেষ করলাম। মাতৃদিবস বলে কথা।
“ইল” মানে জলের মধ্যে বা জলস্থিত, ‘ইশ’ মানে রাজা বা শাসক বা অধিকর্তা। তো সেই জলের রাজাকে উদরে চালান করে , পাখাটা চালাতে না চালাতেই একটা রেডিমেড কবিতা পেল, ...
ইলিশ এর জলিশ, উফ...
চনচনে খিদে্
মোক্ষম মালিশ...
স্নান তো করায় ছিলো,
এবার বুকে বালিশ...
সামনে ল্যাপটপ,
গৃহকর্তীর নালিশ...
উচ্চস্বরে পালিশ...
আমি আবদ্ধ কবিগিরিতে তে...
ঈশ............
(উন্মাদীয় বাবানবিধী)
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩
বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৩
উন্মাদ নামা ~ ১১
শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৩
উন্মাদ নামা ~ ১০
নিঃস্বার্থ- যে গুনটার জন্যে আপনাকে বারবার ঘা খেতে হয়
ঘা- যেটা অসুখ হওয়া সত্ত্বেও প্রেমিকাকে বলে বেশি আদর খাওয়ার সুযোগ থাকেনা
প্রেমিকা- যে স্বেচ্ছায় প্রাক্তন হলে সবচাইতে বেশি ভালোবাসা পায়
প্রাক্তন- জয় গোস্বামীর অন্যতম সেরা কবিতা
কবিতা- ইয়ে নাম্বার ওয়ানের প্রতিযোগীরা যেটা বলার মত করে গান গেয়ে থাকেন
গান- যেটার আদান প্রদান দিয়ে শতকরা নিরেনব্বুই ভাগ সম্পর্কের সুচনা ঘটে
সম্পর্ক- যেটা মেয়ে বন্ধুদের সামনে আপনার এখনও হয়নি আর ছেলে বন্ধুদের সামনে ইচ্ছেমত হারে বেড়ে চলেছে
ইচ্ছেমত- সিনেমার নায়করা মাধ্যকর্ষন নিয়ে যেভাবে খেলাধুলো করে থাকেন
খেলাধুলো- যেটায় আপনি চিরকাল ভালো
চিরকাল- যেই সময়টাই সেই শেষে আপনাকেই সবটা সামাল দিতে হয়
শেষে- যখন আপনার কথাই সত্যি বলে প্রমানিত হয়
প্রমানিত- নিজের বাড়ির পায়েস আর সিন্নির স্বাদই যে সবচাইতে বেশি ভালো
সিন্নি- যে খাবার জিভের আগে মাথায় ঠেকাতে হয়
মাথা- যেটা আপনার অকারনে কোনোদিনও গরম হয়নি
গরম- যেটা এবারের মত আর কোনোবার নাজেহাল করেনি
নাজেহাল- শুধু একটু ভালো থাকতে চেয়ে আপনাকে যা রোজ্ হতে হয়
ভালো- নিজের যেটা আপনি ছাড়া আর সবাই বোঝে
নিজের- যার পায়ের ওপর দাঁড়াতেই এত্ত স্ট্রাগল
স্ট্রাগল - যেটা করতে আপনি কক্ষনও ঘাবড়ে যান না
ঘাবড়ে- কল্পনায় মাস্তানদের আপনি যা দিয়ে থাকেন
মাস্তান- কলেজের যেটা ছিলাম বলে বউয়ের কাছে গল্প করতে হয়
গল্প- যেটার ছোট ফর্মের প্রতি আমি ভয়ংকর ভাবে বায়াসড
বায়াসড- নবনীতা দেবসেনের ব্যাপারে আমার মনের অবস্থান
মন- যেটা আছে বলেই কাদার থেকে বৃষ্টি টা আলাদা করে নেওয়া যায়
বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৩
উন্মাদোভিভাষন
(জন্মাষ্টমীর তালের বড়া খেতে খেতে)
উন্মাদীয় ভাষাতে দুষ্ট
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...




