ক্রিকেটার অতীতে অনেক এসেছে, অনেক আসছে, আগামীতে অনেক আসবে, বহু জন গ্রেট হবে। কিন্তু কতজন ক্যারেক্টার হয়ে উঠতে পারবে! Sourav Ganguly গ্রেট ক্রিকেটার, তার ক্রিকেট দর্শন অনেক ঋদ্ধ, অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া আছে তার ক্রিকেট জীবনে, কিন্তু সেই অর্থে ক্যারেক্টার হয়ে উঠতে পারেনি। ক্রিকেটীয় রাজনীতির পাঁকে জড়িয়ে গিয়ে কেরিয়ার ছোট হয়ে গেছে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
রো কো
ক্রিকেটার অতীতে অনেক এসেছে, অনেক আসছে, আগামীতে অনেক আসবে, বহু জন গ্রেট হবে। কিন্তু কতজন ক্যারেক্টার হয়ে উঠতে পারবে! Sourav Ganguly গ্রেট ক্রিকেটার, তার ক্রিকেট দর্শন অনেক ঋদ্ধ, অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া আছে তার ক্রিকেট জীবনে, কিন্তু সেই অর্থে ক্যারেক্টার হয়ে উঠতে পারেনি। ক্রিকেটীয় রাজনীতির পাঁকে জড়িয়ে গিয়ে কেরিয়ার ছোট হয়ে গেছে।
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নেপো কিড ও ক্রিকেটে
আমার মত বহু মানুষ ক্রিকেটে বেঁচে থাকি, ক্রিকেট খায়, ক্রিকেটে শ্বাস নিই। কিন্তু ছেলেবেলার অন্ধ আবেগ আর আজকের বাস্তবতা এক নয়। আজও ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা বা প্রেমের ঘাটতি নেই, আমৃত্যু সেটা একই রয়ে যাবে অভ্যাসের কারনে। কিন্তু বর্তমান তথ্য উপাত্ত গুলো মগজে ধাক্কা দেয়, অন্ধ আবেগকে প্রশ্ন করে। বর্তমান ক্রিকেটটা আসলে কয়েকটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তি মিলে চালাচ্ছে, একান্তই নিজেদের প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।
আমাদের ক্রিকেট বোর্ড তথা BCCI আবার একটি সমবায় সমিতি, ১৯৭৫ সালে ‘তামিলনাড়ু সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন’ আইনের অধীনে নিবন্ধিত। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলও (ACC) মালয়েশিয়াতেও একটি কোম্পানি হিসাবে রেজিস্টার্ড। যেমন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা ইত্যাদি গভর্নিং বডি গুলো ‘কোম্পানি’ হিসাবে রেজিস্টার্ড রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল লিমিটেড (ICC), কর ফাঁকির স্বর্গ ‘ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস’ (BVI)এ ‘কোম্পানি বডি’ হিসাবে রেজিস্টার্ড রয়েছে। অথচ সমজাতীয় অন্যান্য স্পোর্টসের বৈশ্বিক নিয়ামক সংস্থা গুলো যেমন FIFA, International Hockey Federation (FIH), International Olympic Committee (IOC) ইত্যাদি গুলো NPO/NGO হিসাবে রেজিস্টার্ড রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংস্থা FIFA যেখানে তাদের আইন-কানুন সবটা উন্মুক্ত স্বচ্ছ করে রেখেছে, সেখানে ICC এর অধিকাংশ নিয়ম কানুন যথেষ্ট ধোঁয়াসা যুক্ত। FIFA সুইজারল্যান্ডে নিবন্ধিত একটি নন প্রফিটেবল অর্গানাইজেশন, তাই রোজগারের উপরে TAX তাদেরও দিতে হয়না। কিন্তু টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে সেই দেশের নিয়ম অনুসারে ফিফা’কে হিসাব কষেই TAX দিতে হয়
জয় শাহ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে আইসিসির নেতৃত্বে রয়েছে, বোর্ডের সুবাদে ২০১৯ সাল থেকে আইসিসির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। কংগ্রেসের বড় নেতা রাজীব শুক্লা আবার বোর্ডের বড় নেতা, ACC-এর নির্বাহী সদস্য। এখানে সেই অর্থে রাজনৈতিক দলাদলি ততটা নেই, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিনিধি বেশী থাকে, এটুকুই। তার পরেও সকলে মিলেমিশে ক্ষমতা ভোগ করে এখানে।
২০২২ সালে ৪৮,৩৯০ টাকায় আইপিএল মিডিয়া স্বত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল BCCI। শুধুমাত্র আইপিএল থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫,৭৬১ কোটি টাকা আয় করেছে বোর্ড, যার গোটাটা করমুক্ত। বর্তমান আর্থিক বর্ষে BCCI-এর রোজগারের উপরে ট্যাক্সের পরিমান দাঁড়াবে ৭,৩৬২ কোটি টাকা, কিন্তু BCCI আদালতে গিয়েছে এই ট্যাক্স থেকে তাদের অব্যাহতির দেবার জন্য। সরকার সেটা দিয়েও দেবে। বিসিসিআইকে শুধু প্রফিট এর উপরে ইনকাম ট্যাক্স দিলে হবে না, প্রতিটি ম্যাচের টিকিটের উপরে অ্যামিউসমেন্ট ট্যাক্স দিতে কেন বাধ্য করা হবেনা, যেখানে ভারতীয় ফুটবল লীগ তথা ISL কে গুণেগুণে TAX দিতে হয়।
অর্থাৎ ICC, ACC এমনকি BCCI দ্বারা আয়োজিত এই সকল বাণিজ্যিক টুর্নামেন্ট একান্তই ব্যক্তিগত কোম্পানি ভিত্তিক আয়োজন। কোনো মিউজিক্যাল শো, সার্কাস, কিম্বা থিয়েটারের সাথে এর ফারাক কোথায়? তবু তো এরা রোজগারের উপরে সরকারকে TAX দেয়, BCCI সেটাও দেয়না। ক্রিকেট বোর্ডে রাষ্ট্রের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই, দেশের ক্রীড়া আইন এদের উপরে লাগু হয়না, এদের আয় ব্যায়ের হিসাব একান্তই এদের নিজশ্ব, জনগণ চাইলেও তা জানার অধিকার রাখেনা। মোদ্দাকথা এই ক্রিকেটের সাথে ‘দেশ’ ভারতের তথা জাতির কোনো সম্পর্ক নেই, না সরকারের সাথে কোনও সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং কিসের জাতীয় সম্মান এবং আর কীভাবে জাতির গর্ব হতে পারে ক্রিকেট?
আসলে পৃথিবী জুড়ে সমস্যা হচ্ছে নেপো-কিড। কোন যোগ্যোতার বলে এই নেপো কিড গুলো ক্ষমতার চেয়ারে বসে তার পৃষ্ঠপোষকতা করছে কেউ জানেনা। BCCI এর পদে থাকা ‘সিদ্ধান্ত নেওয়া’ ব্যক্তিদের অধিকাংশই ক্রিকেটের সাথে কখনও জড়িত ছিলোনা। বাকি যারা রয়েছে তাদের প্রশাসনিক দক্ষতাও পরীক্ষীত নয়, আর এমন সব অযোগ্য ব্যাক্তিদের খুঁজে খুঁজে এনে চেয়ারে বসানো হচ্ছে পুতুল হিসাবে, যাতে অবৈধ ভাবে পর্দার পিছন থেকে তৃতীয় কেউ ছড়ি ঘোরাতে পারে।
বাংলাতে একটা প্রবাদ রয়েছে- নেপোয় মারে দই। বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সেই নেপো অর্থাৎ নেপো-কিড দের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। অনুরাগ ঠাকুর, বিজেপি নেতা প্রেম মুকার ধুমলের ছেলে। অনুরাগের ছোট ভাই অরুন ঠাকুর, হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। তার চেয়েও বড় পরিচয় সে IPL এর চেয়ারম্যান। মধ্যপ্রদেশে মহানারায়ণ রাও সিন্ধিয়া জ্যোতিরাদিত্যের ছেলে, অরুন জেটলির ছেলে রোহন জেটলি দিল্লি বোর্ডের মাথায়।
প্রাক্তন সচিব নিরঞ্জন শাহের ছেলে জয়দেব সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। চেন্নাই এর শ্রীনিবাসনের মেয়ে ‘রূপা গুরুনাথ’ তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। গোয়াতে বিনোদ ফাড়কের ছেলে বিপুল ফাড়কে চেয়ারে বসে পরেছে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। চিরায়ু আমিনের ছেলে প্রণব আমিন বরোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিল। প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি রণবীর সিং মহেন্দ্রের ছেলে, অনিরুদ্ধ চৌধুরী বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ ছিল। বাংলাতে অভিষেক ও বৈশাখী ডালমিয়ারাও ক্ষমতায় বসেছিলো। আসলে সবটাই বিজেপির স্বজনপ্রীতি।
এই নেপো গুলো শুধু পদে বসে ক্ষমতার ওম নিচ্ছেনা, চেয়ারকে ব্যবহার করে, হোল্ড করা পজিশনের অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল হারামের অর্থ উপার্জন করেছে প্রত্যেকে। নতুবা এতো লালায়িত হতোনা পদে বসার জন্য। উদাহরণ হিসাবে জয় শাহ’কে দেখুন, গত পাঁচ বছরে এর ১৪০০ শতাংশ সম্পদ বৃদ্ধি হয়েছে এই পাপ্পুর। আজ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তির মালিক। এর বাইরে বিদেশে কতটা আছে কে জানে! পৃথিবীর কোনো চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কোনও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল, কোনো ব্যবসায় এই অগ্রগতি দেখাতে পারবেনা। এর মত গুণীজনকে ICC এর চেয়ারম্যানের মত নগণ্য পদে আঁটকে রাখা কী ‘ভারতের মেধা’ বিনষ্ট করা হচ্ছেনা? দেশের অর্থমন্ত্রকের উপদেষ্টা কিম্বা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর, নিদেনপক্ষে সকল IIM এর মুখ্য পদ সৃষ্টি করে সেখানে একে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছেনা কেন!
এশিয়া কাপের এই ভারত পাকিস্তান ম্যাচের আয়োজন থেকে রোজগারকৃত অর্থ দ্বারা আমাদের দেশ ‘ভারত’ কীভাবে উপকৃত হবে? যারা রোজগার করবে, তারা তো TAX দেবেনা। বর্তমানে ACC এর চেয়ারম্যান পাকিস্তানের বর্তমান স্বরাষ্ট্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রী মোহসিন নকভি। জয় শাহ ও মোহেন নকভি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত- BCCI, ACC এবং ICC দ্বারা পরিচালিত ‘ভারত পাকিস্তান’ ম্যাচ না হওয়ার দরুন সত্যিই যদি বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়- রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের জনগণের বা ভারত সরকারের কী যায় আসে?
মোদী সরকারের কোন দায় ছিল BCCI এই বানিজ্যিক ধান্দাবাজিতে- দেশের
মানুষের আবেগ, সেনার আত্মবলিদান, এতো গুলো লাশ ডিঙিয়ে খেলার অনুমতি দেওয়ার? আসলে ম্যাচ
বন্ধ হলে বিজেপির ‘নেপো কিডস’ এর দলের পেশাদার জীবন ঝুঁকির মুখে পরত। তাদের মুনাফা কমে যেতো। তাই
রাষ্ট্রের স্বার্থের আগে নেপোকিডদের স্বার্থকে অগ্রাধিকারের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে।
পাকিস্তানের সাথে একই সাথে রক্ত ও বল গড়াচ্ছে।
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নিষিদ্ধ পত্র- একটি গদ্য কাব্য
প্রিয় প্রাক্তন,
পত্রের শুরুতেই আমার ভালোবাসা নিও। অন্তরের অন্তরস্থল থেকে পাঠানো একগুচ্ছ গন্ধরাজের শুভেচ্ছা গ্রহণ করলে আনন্দিত হবো। আজ তোমাকে
লিখতে বসেছি, তুমি ভাবতেই পারো- আজ হঠাৎ কি এমন হলো! জানিনা কি হলো, তবে আমার
বিচিত্র খেয়ালের কথা তো তুমি জানো, তবে আজ তোমাকেই লিখতে বসেছি। বিলাপী বৃষ্টি তান
ধরছে জানালার বাইরে, বর্ষার সাথে অকৃত্রিম যুগলবন্দি। এই মুর্চ্ছনাতে আমি আজ তোমায় বিষাদের গল্প শোনাবোনা, তোমার উদ্দেশ্য কিছু
কথা বলতে চেয়ে আমার এই লেখা।
আচ্ছা, আজকাল তুমি কি প্রেম কর কারো
সাথে?
সে করতেই পার, তবে যুগ-জামানা ভালো নয়, একটু বুঝে শুনে, একটু সাবধানী…। এখন আবার কমপক্ষে খান দু’চার খানা ছাড়া নাকি চলেনা ‘আধুনিক’ সমাজে। শুধুই কী প্রেম করো? ভালোবাসোনা তাকে? ভালোবাসা ছাড়া প্রেম হয়?
তার চোখের দিকে তাকাতে লজ্জা পাওয়া, চুম্বনে কঠোর নিষিদ্ধতা, আজও কী তোমার কাছে শুরুর
প্রেমের এমনই মানে! তার সাথে নিয়মিত দেখা করো? কেমন লাগে তার আলিঙ্গণে নিজেকে সঁপে দিতে! তুমি নির্জনতা উপভোগ করো,
নাকি তাকে? মগজে উত্তেজনা, হৃদয়ে কম্পন আর শরীরে শীতলতার সেই অসাধারণ সম্মেলন নিয়ে আসতে পারো আজকাল?
তাকে অনুভব করো প্রতিটা মুহুর্তে, প্রতিটা নিশ্বাসে। তার হাসির মিষ্টতা তোমার দৃষ্টিতে মিশে মায়াবী চাহনি তৈরি করে? সেই পুড়িয়ে দেওয়া দৃষ্টি দিয়ে শরীর জুড়ে
ভালোবাসার উষ্ণতা ছিটিয়ে পারো? লক্ষ কোটি বছর ধরে পলকহীন চেয়ে আজও কী হৃদয়ের সবচেয়ে শীতলতম স্থানটিতে ভালোবাসার চাষাবাদ হয়। আজও কি তার
চোখের দিকে তাকিয়ে দিগন্ত জোড়া সোহাগের ময়দানে অবুঝ শিশুর মত ছুটে বেড়াও! আহ্লাদের স্পর্শরা কি সকল বাঁধ ধ্বসিয়ে
দিয়ে
লজ্জায় মুখ নীল করে চোখ বন্ধ করে দেয়?
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
মোদির জন্মদিন ও Adandia
এই ধরণের জনদিন পালন ইতিহাসে দুর্লভ হলেও নজিরবিহীন নয়।
বিজেপি RSS
কাদের অনুশরন করছে সেটা অতীতের
দিকে তাকালেই পরিষ্কার হয়ে যায়। চলুন দেখি ওই ধরনের কিছু উদাহরণ-
আডলফ হিটলার। ২০ এপ্রিল “Hitler’s
Birthday” ছিল নাৎসি
ক্যালেন্ডারের সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর একটি। জার্মানির সব স্কুল, অফিস, দোকানপাটে ছুটি থাকত। বার্লিনে
বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ, শিল্পকলা প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান হতো। হিটলারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশে যুব সংগঠন (Hitler Youth) বিশেষ মিছিল করত। ১৯৪৪ সালে
হিটলারের শেষ জন্মদিনেও গোটা জার্মান রেডিওতে তাকে উদ্দেশ্য করে শুভেচ্ছা প্রচারিত
হয়েছিল।
বেনিতো মুসোলিনি। ২৯ জুলাই “Duce Day” নামে পরিচিত ছিল। ফ্যাসিস্ট দলের
নেতারা ও নাগরিক সংগঠনগুলো বিশাল জনসমাবেশ করত। স্কুল ও সরকারি দপ্তরে বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি, নাটক ইত্যাদি আয়োজন হতো।
মুসোলিনিকে “রোমের পুনর্জন্মকারী” হিসেবে উপস্থাপন করা হতো। শিশু ও কিশোর সংগঠন (Opera Nazionale
Balilla) বিশেষ
কুচকাওয়াজ করত।
ইরান যুদ্ধঃ একটা অশ্লীল পোষ্ট
Disclaimer: অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা লেখা আছে এখানে, প্লিজ কেউ পড়বেন না। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যারা ঘৃণা করেন, তারা কিন্তু এটা পড়ল...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...


