শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। হারিয়ে ফেরা ।।

হারিয়ে ফেরার মাঝেও একটা আলাদা সুখানুভুতি থাকে, আর সেটা যদি আপনজনেদের মাঝে হয় তাহলে তার মাধুর্য বর্ননা লিখি তার সাধ্যি কি। আমি জানি আমি আছি, কিন্তু আমার প্রিয়জনেরা আমার জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্থ, এতটুকু বিচ্ছেদ তাদের মনে শুন্যতার সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ জনে জানেইনা যে ছিলামনা, তবে যারা জানেন, তাঁরা কেও নিজেকে দোষারোপ করতে ব্যাস্ত। কেও আনন্দিত, কেও সফলতা উদযাপন করছেন, গোপনে সফল খুনের আনন্দে। আমি কিন্তু দেখছি, সবই দেখছি, বলতে পারছিনা। কারন আমার পরিচিতি সবটাই এই দেহ দ্বারা, বাকিটা দেহটা থেকেও যেন অস্তিত্বহীন।
একটা সম্পূর্ন অন্যরকম অনুভূতি।
আত্মা নাকি অবিনিশ্বর। আমরা ঘুমিয়ে যে সকল স্বপ্ন দেখি, তার সুখ দুঃখ সহ নানা অনুভুতিগুলো আমাদের নশ্বর শরীরে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনা সাধারনত, সকলটাই আমাদের অবচেতন মনের ফসল, ও যাবতীয় ক্রিয়া বিক্রিয়া আত্মার উপরে ফলিত হয়। ভয় পেলে চমকে, বা আনন্দের বহিঃপ্রকাশ মাত্রাতিরিক্ত হলে তবেই হঠাৎ করে জেগে উঠি।
আচ্ছা মৃত্যুর পরেও কি আমাদের আত্মা এমনটাই সবকিছু দেখতে পাবে? আমাদের দ্বারা কৃতকর্মের জন্য প্রলাপ- বিলাপ- সুনাম- বদনাম -সমালোচনা- আলোচনা ইত্যাদি সকল কিছুই। কিন্তু আমাদের যাদের মৃত্যু ঘটল, তারা শুধু দেখতেই পাবো, যেহেতু সেই দেহটা নেই যেটা দিয়ে আমার আমি কে মানুষ চিনত, তাই আমি যে রুপেই থাকিনা কেন, কেও দেখতেই পাবেনা আমাকে। তখন যে কি কষ্টটাই হবে সেটা খানিক টের পেলাম। কারন এখানে হারিয়ে ফিরতে পারলেও, ওখান থেকে তো ফেরা যায়না।
কি জানি কেমন হবে সেই দিনটা, সবটাই তো ধারনা মাত্র। মৃত্যুর ওপারের জীবনকে আর কে দেখেছে!!


বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আসম্পূর্ন আমি



হারিয়ে ফেরার মাঝেও একটা আলাদা সুখানুভুতি থাকে, আর সেটা যদি আপনজনেদের মাঝে হয় তাহলে তার মাধুর্য বর্ননা লিখি তার সাধ্যি কি। আমি জানি আমি আছি, কিন্তু আমার প্রিয়জনেরা আমার জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্থ, এতটুকু বিচ্ছেদ তাদের মনে শুন্যতার সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ জনে জানেইনা যে ছিলামনা, তবে যারা জানেন, তাঁরা কেও নিজেকে দোষারোপ করতে ব্যাস্ত। কেও আনন্দিত, কেও সফলতা উদযাপন করছেন, গোপনে সফল খুনের আনন্দে। আমি কিন্তু দেখছি, সবই দেখছি, বলতে পারছিনা। কারন আমার পরিচিতি সবটাই এই দেহ দ্বারা, বাকিটা দেহটা থেকেও যেন অস্তিত্বহীন।

একটা সম্পূর্ন অন্যরকম অনুভূতি।
আত্মা নাকি অবিনিশ্বর। আমরা ঘুমিয়ে যে সকল স্বপ্ন দেখি, তার সুখ দুঃখ সহ নানা অনুভুতিগুলো আমাদের নশ্বর শরীরে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনা সাধারনত, সকলটাই আমাদের অবচেতন মনের ফসল, ও যাবতীয় ক্রিয়া বিক্রিয়া আত্মার উপরে ফলিত হয়। ভয় পেলে চমকে, বা আনন্দের বহিঃপ্রকাশ মাত্রাতিরিক্ত হলে তবেই হঠাৎ করে জেগে উঠি।
আচ্ছা মৃত্যুর পরেও কি আমাদের আত্মা এমনটাই সবকিছু দেখতে পাবে? আমাদের দ্বারা কৃতকর্মের জন্য প্রলাপ- বিলাপ- সুনাম- বদনাম -সমালোচনা- আলোচনা ইত্যাদি সকল কিছুই। কিন্তু আমাদের যাদের মৃত্যু ঘটল, তারা শুধু দেখতেই পাবো, যেহেতু সেই দেহটা নেই যেটা দিয়ে আমার আমি কে মানুষ চিনত, তাই আমি যে রুপেই থাকিনা কেন, কেও দেখতেই পাবেনা আমাকে। তখন যে কি কষ্টটাই হবে সেটা খানিক টের পেলাম। কারন এখানে হারিয়ে ফিরতে পারলেও, ওখান থেকে তো ফেরা যায়না।
কি জানি কেমন হবে সেই দিনটা, সবটাই তো ধারনা মাত্র। মৃত্যুর ওপারের জীবনকে আর কে দেখেছে!!

হুবহু প্রাক্তন

কয়েক বছর আগে লোকাল ট্রেনে আমার এক প্রাক্তনের সাথে আলাপ হয়েছিল। ঘটনাক্রমে আমি জাইগা পাইনি বসতে। দরজার রডটা ধরে হাওয়া খেতে খেতে যাচ্ছি। গ্যালপিং ট্রেন। ভাল ভীর। হঠাত পায়ে হাত...
দেখে প্রথমটা চিনতে পারিনি। ক্লাস এইট নাইনের কিশোর বেলার প্রেম। হাত থেকে রুমালটা ফেলে সেটা কুড়ানোর ওছিলাতে টুক করে পা টা ছুঁয়ে নেওয়া।
সেই কালে গ্রক পরা একটা রোগা পাতলা কিশোরী। এখন শাড়ি পরিহিতা, সুন্দরী। কপালে টকটকে সিঁদুরের আলপথ। হাসিটা দেখে চিনলাম। অবিকল একই আছে, শরীরটা নারীসুলভ। আমার চেহারাতেও ১৮০ ডিগ্রি পরিবর্তন হয়েছে।
চোখের ইশারাতে ভিতর দিকে ডাকল। কেন জানিনা মন্ত্র মুগ্ধের মত গেলাম। সিটে বসে, শ্বাশুরিমা, এক পুত্র, ৫ বছরের। স্বামী ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাঙ্গালোরের পার্মানেন্ট বাসিন্দা।
আমার মাসির দেশের লোক, মা। অতনু এই সে... সে যার কথা তোমাকে বলেছিলাম।
~ঠিকানাটা লিখে নাও... 
স্বামীকে দেখিয়ে বলল- ও খুব ভাল মানুষ। আমার সব কিছু।
আমি মনে মনে বললাম সে তো প্রায় ১৫ বছর বা তারও বেশি সময় আগের ঘটনা। তখনও ভালবাসা কাকে বলে জানতামই না। শুধু চোখাচোখি। ব্যাস...
প্রেমের দই জমার আগেই আমি কোলকাতায় , আর সে আসানসোলে।
বাচ্চাটার নাম শুধালাম, 
-
কি নাম তোমার বাবা?
আমার পিতৃদত্ত মানটা শুনে বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল। কি আর করি, কপালে একটা চুমু দিলাম।
বাচ্চার মা বাচ্চাকে দিয়ে আমায় প্রণাম করিয়ে তবে ছারলেন। 
হাওড়াতে নেমে বাচ্চার বাবা বাচ্চাকে বলল, বাবু মামাকে টাটা করে দাও। ওমনি বাচ্চার মা চোখ লাল করে বলে উঠল- আঙকেলকে একটা হামি দিয়ে দাও।
ক্রমে ভীরটা পুরো ঘটনাকে গ্রাস করে নিল।
এটাই জীবন। ভাগ্যিস ঠিকানা বা ফোননাম্বার দেওয়া নেওয়া হয়নি।কোন গল্পই আসলে গল্প নয়, কারন গল্পেরও একটা গল্প থাকে। এটা তার পরেই বাড়িতে মাকে, বোনকে জানিয়েছিলা অবশ্য।


বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। তোর জন্য ।।

তোর আবেশে মোহাবিষ্ট 
ব্রণ ওঠা যৌবন
কামগন্ধি কল্পনাদল
খোয়াবনামার ধন।
কিরূপে হেরিব তোমায় সখী
পুষ্পিত আঁখি পল্লব 
চুম্বন আঁকি ললাটে যতনে
শিহরিত ওষ্ঠরব
কলঙ্ককে আপন করে
সাজলি অলঙ্কারে
লাজ হারাবি অলক্ষ্যেতে
মন দিয়েছিস যারে।
যদি অঞ্জলী দিই তোর পায়েতে
খুব কি হবে ক্ষতি!
তোর মাঝে দেখি দূর্গা কালী
লক্ষ্মী সরস্বতী।
ভালোবাসি আমি ভালোবাসো তুমি
সাক্ষী প্রতিটা রাত
গাঢ় প্রেম দিয়ে বাঁধি আশ্লেষে 
অধরেতে থাক সাথ
এই তো আমার অহঙ্কার 
হার না মানা হার 
তোর গলেতে পরাবো আমি
এটাই জীবন সার
কিছু সম্পর্ক এমনতর
ছুঁয়ে দিলে পোড়ে হাত
মিলনঅনলে পুড়ুক হৃদয়
দুই কুলে এক সাথ
তোর বুকে রাখা গোপন ব্যাথা
যদি আমায় ছুঁতে দিস
যতটুকু বিষ আমার অধরে
সবটুকু তুই নিস
মোর কামনাতে অমৃত ঢেলে
আগুন জ্বালিয়ে দিলি
আমার বিষেতে ছারখার হতে
কোথায় লুকিয়ে ছিলি!
যতটুকু মোর বাকি আছে প্রান
তোর জন্যই পন
সুখের সাগরে ভেষে যেতে হলে
থাকিস সারাক্ষণ
নাকে নাক রেখে উষ্ণতা নিবি!
চোখে চোখ রেখে ডুব
যদি মিশে যাস আমার বুকেতে
আদরে ভেজাবো খুব।

মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৭

উন্মাদনামা- ২৮

কিছু যন্ত্রনাতে সোহাগ থাকে, আর কিছু সোহাগে যন্ত্রনা।

প্রথমটা উপভোগ্য হলেও দ্বিতীয়টা বিভীষিকা।

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৭

।। অনর্থের ছড়া ।।

যতই লুকাস সলাজ আঁখি
ঢেকে কালো কাঁচে
এটা জানিস, তোর বুকেতেই
উন্মাদটা বাঁচে।

হতভাগ্যের বন্ধু অনেক,
আরোপিতে উপদেশ
তেমন মানুষ দুষ্প্রাপ্য,
যিনি শুনবে শুরু-শেষ

অল্প অল্প ভালবেসেছি,
বাকি সবটাই নেশা
প্রেমের খেলায় ডিগ্রিধারী,
মন লেনদেন পেশা।

সাগরে মিশলে সঙ্গম হয়,
নাকি সঙ্গমস্থলে সাগর
পলি জমে জমে দ্বীপ হয়?
নাকি দ্বীপ ক্ষয় হয়ে চর

কান্না যখন দলা পাকিয়ে
গলার কাছে রয়
না বলাদের ট্রাফিকজ্যামে,
রুধির ধারা বয়

একটি শ্বাসে তুফান হানে
এক চাহনিতে ঘোর
শরীর জুড়ে বিজলি খেলে
একটি ছোঁয়ায় তোর।

গোলাপ ঠোঁটের বাঁকা হাসি
ভ্রু পল্লবে অসি
ঢেউতোলা ওই কালো চুলে
ললাট অর্ধশশী।

তোর মনেরই বদ্ধ ঘরে 
ঢুকিয়ে আমায় নিলি
রুদ্ধ করে রাখলি তব
সোহাগ ভরে দিলি

তোর অনাবিষ্কৃত হৃদয় খনি
প্রেমটা বড়ই বন্য
লালন করে রেখেছিলি কি
উন্মাদেরই জন্য!

লকেট হয়ে বুকের মাঝে 
থাকব বিভাজিকায়
নিজের মত আকাশটাকে
সাজাস নীহারিকায়।

তোর প্রেমেতে মত্ত পাগল
হৃদয় মাঝে খাদ
সোহাগ দিয়ে পূর্ন রাখিস
তোর লাগি উন্মাদ।

চলনা আজ মন্দ হয়ে
মন্দ মন্দ খেলি
ভাল সেজে জীবনটিভর,
বলনা কি তুই পেলি?

প্রেমের ঋনে ডুবতে রাজি
দেউলিয়া আজ প্রান
সুদের সুদে রাঙাবো তোকে
রইল বাজি জান

সারাটা দিনে রুজির টানে
যন্ত্র শরীর, শব
তোর বুকেতে রাখলে মাথা
রোমে রোমে বিপ্লব

রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৭

।। হিসাব ।।

আমি রয়েছি তোমার
প্রতিটি অনুভবে।
আর তুমি রয়েছো গোটা
আমাকে জুড়ে

কিসের তরে রাত্রিবিলাস
কোন সে সুখের খোঁজ?
হিসেব কষে মিলবে কভু
কি পেয়েছি রোজ?

কিছুটা স্বপ্ন তুমি বোনো,
কিছুটা দিই আমি
শূন্য চোখে ঘুম আনাটা
ভীষন রকম দামি।

শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৭

।। কম্পাস ।।

তখন এমনই এক শীতের শুরু
হন্যেহয়ে খুঁজে ফেরা আশ
একটি কুকুর, রাত্রি দুপুর, নিখুঁত অঙ্ক
ফুরফুরানো একটি কম্পাস।
জীবন খাতার জ্যামিতিক আঁক
তবুও চিত্রনাট্যে ভুল
একটি মরা বাগানের মালিনী সে
সাথী একটি সতেজ ফুল।
সরল রেখা কম্পাসেতে? আমোলো যা-
তাও কখনও হয়কি!
গোল গোল করে বৃত্ত আঁকে
গোলক সরল নয়কি?
অবাধ হাঁসি বাঁধ মানেনা
হৃদয় ভর্তি কষ্ট
হাসির মুখোশ ভেদ করলে
যায় যে দেখা স্পষ্ট।

ভনভনানো ব্যাথার মাছি
তবু, কল্পনারই চাষ
সঙ সেজেছে সংসারেতে
সেই জীবন্ত কম্পাস।

কবিগুরু ও নাটক

নাটক কাহাকে বলে?

একটা কাহিনীকে যখন অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে ফুটিয়ে তোলা হয় তখন তাকে নাটক বলে। যার মধ্যে মুলত চারধরনের উপাদান থাকতেই হয়, যথা- একটা গল্প বা কাহিনী, একটা মঞ্চ, মঞ্চ ও তার পিছনের কুশীলবগন, আর দর্শক।
এখন প্রশ্ন আসবে নাটক ঠিক কত ধরনের হয়! হাস্যরসাত্বক, ঐতিহাসিক, বিয়োগান্তক , এবং প্রহসন কৌতুক আঙ্গিকে, নাটক পরিবেশিত হয়ে থাকে। অভিনেতারা শারীরিক ও সংলাপ দিয়ে যখন কোন গল্পের চরিত্র গুলোকে দর্শকদের সামনে বিশ্বাসযোগ্য আকারে ফুটিতে তোলেন তখন তাকে অভিনয় বলা হয়। আর নাট্য অভিনয়ে যে ধারা গুলো দেখা যায়, সেগুলি মুলত মূকাভিনয়, ফলিত নাটক, বিনোদন মূলক, কৃষ্টি মূলক প্রমুখ ধরনের নাটকের পাশাপাশি গীতিনাট্যও একটি নাটকের ধারা, যার অভিনয়ে আঙ্গিক, সাত্বিক, বাচিক ও আহার্য সহ সকল বিষয়গুলিই উপস্থিত থাকে।
আজকে এই মঞ্চে বিশ্বকবি রবিঠাকুরকে আলাদা করে ভণিতা সহকারে প্রজ্ঞাপন করার ধৃষ্টতা আমার নেই। তবুও কিছু কথা, পূনঃ রোমন্থন করার ভঙ্গিতে বলি- 
তাঁর কবিতা ও গান, হাস্যকৌতুক, ব্যঙ্গকৌতুকসহ, ছোটগল্প, উপন্যাস ইত্যাদি বিভিন্ন সাহিত্য সৃষ্টি নিয়ে কিছু বলার অবকাশ নেই, তবে এগুলোর পাশাপাশি তিনি একাধারে ছিলেন অভিনেতা ও নাট্যকার। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির পারিবারিক নাট্যমঞ্চে মাত্র ষোলো বছর বয়সে তিনি নাটকে অভিনয় করেছিলেন। অগ্রজ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, মলিয়ের লা বুর্জোয়ার জাঁতিরোমঅবলম্বনে রচনা করেছিলেন নাটক হঠাৎ নবাব। নাটকের এক বিশেষ চরিত্রে রবীন্দ্রনাথ অভিনয় করে সাড়া জাগিয়ে ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথের অভিনয় প্রতিভা ছিল অসাধারণ। ঠাকুরবাড়ির নিজস্ব নাটকের প্রায় সবগুলোতেই তিনি অভিনয় করেছেন। নিজের লেখা বাল্মীকিপ্রতিভা’, ‘বিসর্জন’, ‘রাজা-রানী’, ‘চিরকুমার সভায় যেমন অভিনয় করেছেন, তেমনি অভিনয় করেছেন স্বর্ণকুমারী দেবী ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথের লেখা নাটকেও। রবীন্দ্রনাথের প্রথম গীতিকাব্য বাল্মিকী প্রতিভামঞ্চস্থ হয় ১৮৮১ সালে। রামায়ণের মূলপ্রণেতা আদিকবি বাল্মিকীর জীবনের অংশ নিয়ে এই গীতিনাট্য। এতে বাল্মিকীর ভূমিকায় স্বয়ং নিজে অভিনয় করেছিলেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটক হলো শারদোৎসব’ (১৯০৮), ‘রাজা ’(১৯১০), ‘ডাকঘর’ (১৯১২), ‘অচলায়তন’ (১৯১২), ‘ফাল্গুনী’ (১৯১৬), ‘মুক্তধারা’ (১৯২২), ‘রক্তকরবী’ (১৯২৬), ‘তাসের দেশ ’(১৯৩৩), ‘কালের যাত্রা’ (১৯৩২) ইত্যাদি।
রামায়ন আমরা কমবেশি সকলেই পড়েছি। তারই একটা অংশ এইরূপ- অন্ধমুনির কিশোর ছেলে নদীতে গেছে জল আনতে। কলসীতে জলভরার শব্দ শুনে অরণ্যে শিকাররত রাজা দশরথ ভাবলেন বুঝি বুনো জন্তু জলপান করছে। শব্দ শুনে লক্ষ্যভেদ করার ক্ষমতা ছিল রাজা দশরথের। তিনি তীর ছুড়লেন। কিশোর ছেলেটির বুকে বিদ্ধ হলো মরণবাণ। এদিকে দৃষ্টিহীন মুনি অপেক্ষা করছেন পাতার কুটিরে কখন তার একমাত্র সন্তান জল নিয়ে আসবে। রামায়ণের এই করুণ উপাখ্যান নিয়ে ১৮৮২ সালে রবীন্দ্রনাথ লেখেন নাটক কালমৃগয়া। স্বয়ং গুরুদেবও এই নাটকে অন্ধ বৃদ্ধ মুনির চরিত্রে অভিনয় করেছিলে।


তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...