সবাই সকলের ছেঁদো যুক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে ব্যাস্ত। কেও কাজের
কথাটি বলছেনা। সরকার বলছে ঠিকিই, কিন্তু সরকারের কথা আর শোনে কে, অর্ডার না করা পর্যন্ত।
অবশ্য জনগনেরই বা দোষ কি! সরকার আজকাল পরিসেবা কম ধাপ্পা বেশি দেয়। আর এতে কোন
রাজ্য কেন্দ্র ভেদাভেদ নেই।
দ্রুত
পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিন, চোখ কান খোলা রেখে পরিস্থিতির উপরে নজর রাখুন। হুজুগ নয়, বিচার বুদ্ধি
দিয়ে বিবেচনা করো। হাতের গচ্ছিত খরচাযোগ্য সঞ্চয় বুদ্ধিমত্তার সাথে খরচা করুন, ইত্যাদি।
নাহ......
কোন
আঁতেল-দাঁতাল বুদ্ধিবীচিকে বলতে
শুনলাম না। তবে যেগুলো শুনলাম-দেখলাম সেগুলোর কটা নমুনা দিলাম।
************-*
মুখ ফুটলেও বুক ফাটছে। যারা ব্যাপারটা বেশ খানিকটা বুঝেছে, মান যাবতীয় নেগেটিভ
- পজেটিভ দিকগুলো, তারা মোটামুটি চেপে
গেছে। এমন ভাবে মাথা নারছে, দেখে বোঝার উপায়
নাই, হ্যাঁ সুচক না নাসূচক।
আর যেগুলোর মগজে কার্ফু, তাদের নাচনের শেষ
নাই। অর্থনীতি খায় না গায়ে মাখে- জীবনেও শোনেনি। তারাও স্ট্যাটাস লিখছে "
সাহষী সিদ্ধান্ত, স্বাগত
জানাই"। একজনকে আমিই সাহষ করে শুধালাম- দাদা সাহষটা ঠিক কোন বিষয়টা একটু
বোঝাবে!! তা তিনি এমন খিস্তি মারলেন, যে এখনও আমার কানে তালা ধরে আছে। বুঝলাম বাজারে যাদের এমন ক্যাডার ছাড়া
আছে, তারা সাহষী হবেনা
তো কারা হবে। যদিও আমার প্রশ্নটা বেশ নিরীহই ছিল। তাদেরও বলি ও কত্তা, দুটোদিন রোসো। সবে
তো কলির সন্ধ্যে। এখনও পুরো পালাটাই যে বাকি। এখনি নেচে আলা হয়ে গেলে, পরে যে আর দম
থাকবেনা। আমার আবার নিয়মিত বিরতিতে গালিগালাজ না খেলে শ্রীঘ্রপতন হয়।
দ্বিতীয়দল, দেশ উচ্ছুন্নে গেছে
বলে এ ডাল থেকে ওডালে ঝপাঝপ ঝাঁপ মারছে। সব আগুনখেকো বিপ্লবী। ওরে বাবা তোরাও এই
মাঝরাত্রি থেকেই মোরগের মত বাঙ দেওয়া সুরু করলি কেন। এগারো ক্লাসে ভর্তির সময় তো
দায়িত্ব নিয়ে ইকোনোমিকস এড়িয়ে পলসায়েন্স নিয়েছিলে আর সাথে ফিলোজলি। ওতে নাম্বার
উঠবে। BA পাস না বললে, বাপে যে মেয়ের
বাপের কাছে দড় পাবেনা।
তোরাও দুটো দিন গড়াতে দে। তখন নাহয় জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস লিখবি। পলসায়েন্স
আর ফিলোজপির টুকে পাস করা জ্ঞান নিয়ে, ভাবটা এমন যেন এটা ক্লাবের চাঁদা কালেকসন এর বিষয়। বছরে দুচারবার করার
অভ্যেস তো আছেই। বিপ্লবের তেলে ভাজা বিদ্রোহী বাছা আমার, এমনটা সারা বিশ্বেই
বিরলতম, মোদীজির মতই।
সুতরাং তুমিও রোসো। দুটো দিন যে না গেলেই নয়। আপাতত বেবাক জ্ঞ্যান ইজেরের বুক
পকেটেই রেখে দাও।
শেষের দলের ভারী ফুর্তি। যারা পেলে-পাব্বনে কাজ করে। তাদের রসের সীমা
নাই। একজন তো বলেই দিল " দেখ শালারা, কাজ করে আর টাকা জমাবি!! " ওই ২০ টাকা রোজের মুটে আর কি, অথবা কোন দাদার ৬০
টাকার চামচা। তাদের আনন্দের সীমা নাই।
বাকিরা বিচ্ছন্নতাবাদী দলের। খোঁজই রাখেনা, কোথায় কি ঘটছে। যেমন কিছুজন, কবিতা লিখতেই দারুন ব্যাস্ত।
একটা প্রবাদ আছেনা......
"বাপ বলেছে ড্যাসের
ভাই, আনন্দের আর সীমা
নাই"
আর যাদের বাঁশ, মানে টাকা মাটি
মাটি টাকা হতে বসেছে, তাদের ফাটছে চড়চড়
করে নি:শব্দে। তাদের অবশ্য এতো কিছু ভাবার সময়ই নাই। বে খেয়ালে কেঁদে উঠছে, উন্মাদের মত হাত পা
ছুরছে। মুখে মোদীর বাপান্ত করতে করতে গভীর চিন্তনে ডুবে......
"আমায়
ভাষাইলিরে..... আমায় ডুবাইলি রে....."
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন