শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০

উন্মাদের শংসাপত্র

#কে_তুমি_উন্মাদ ??? 
~~~~~~~~

আমাদের গুড্ডুদেব #উন্মাদ_হার্মাদ কে নিয়ে অনেকের অনেক জিজ্ঞাস্য --- ব্যাটা, উন্মাদ_হার্মাদ কে ??? কোথায় থাকে, কি খায় ??? --- প্রথমেই বলে রাখি, "কে এই #উন্মাদ ?" এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে যাওয়া বৃথা, কেননা আমাদের #উন্মাদ কে কোন concrete সত্ত্বা হিসাবে ভাবলে চলবে না, বরং abstract noun হিসাবে ভাবতে হবে   

অনেকেই নিজের অজান্তেই উন্মাদের উপর Hindu ধর্মীয় পরিচিতি superimpose করে দিয়েছেন, কিন্তু কথা হচ্ছে religious identity তো নয়ই #উন্মাদের কোন National, Political, Cultural বা Gender identity ও নেই  -- কি করেই বা থাকবে #উন্মাদ নিজেই যে identity crisis এ ভোগে -- মাঝে মধ্যেই "Who am I, Who am I ??" করে চেচায়   , but #উন্মাদ "can THINK, therefore he is"  
 শুধুমাত্র নিজের ভাবপরিচিতি নিয়ে এভাবেই বেচে আছে #উন্মাদ -- ভাব জগতের এই ভার্চুয়াল ভবঘুরে নিজের উন্মাদীয় ভাবনা ও হার্মাদীয় কর্মকান্ড কে সম্বল করে টিকে থাকা ফেবুর ইথারীয় জগতের বিমূর্ত প্রতীক  

১৪ই অক্টোবর ২০১৫ 

**************************************



এখন আর ফেসবুকে আমাকে নূতন বলা যাবে না | ফলে Confession বছরের অন্তিম প্রান্তে করে নেওয়াই ভালো | লেখাটি অকপটে লিখলাম কেন না আমার মোট ফেসবুক সময়ের 60% এই গ্রুপটিই খেয়ে নেয় | আদপে এই এই গ্রুপের কোন সদস্যই আমার Friend List এ ছিল না | বর্তমানে অনেকেই আছেন | গ্রুপ Concept টিই আমার ছিল না | উন্মাদ হার্মাদ ই এই গ্রুপের শ্রষ্ঠা ও আমার কোন permission ছাড়াই অকপটে যোগ করে দেয় | প্রথম দিকের সব লেখায় উন্মাদের লেখা বলে পড়তাম কিন্তু সব লেখা উন্মাদের মানে হোত না | 

তার উপর আবার নিচে অন্য কি সব নাম লেখা থাকত | বাধ্য হয়ে উন্মাদ কে ধরলাম যে ব্যাপার টা কি ? কিন্তু তার উত্তর এল যে অন্যের লেখা নিচ্ছি নাম লিখব না | সত্যিই আমি জানতাম না কৃতজ্জতা স্বীকার ব্যাপার টি | তারপর একদিন হঠাৎ খুলে গেল গ্রুপ রহস্য তার সাথেই বুঝে গেলাম আরও অনেকেই Already ঢুকিয়ে রেখেছে অন্য এক গাদা গ্রুপে | একদিন এক ঘন্টাতে সব পরিষ্কার করে নিলাম | আরও অনেক কিছু বললে অনেকে ক্ষুব্ধ হতে পারেন এমন কি সম্মান হানিকর ও মনে হতে পারে তাই সে সব প্রসঙ্গ সযত্নে এড়ালাম |
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি উন্মাদ হার্মাদ এর প্রতি এত গুলি গুনী মানুষের মাঝে থাকার কয়েক মাস সুযোগ করে দেবার জন্য | 

২৩শে ডিসেম্বর, ২০১৫
*************************

তোমার চরণে তো সঁপেছি নিজেকে
আজ তোমার চরণও নেই ছোঁয়ার 
চরণে নাই ঠাঁই পাই
চরণ ধূলি একমুঠো দাও
তুলে নিই এই অভাগী কপালে

তোমার বক্ষে উজার হয়েছিলাম
আজ বক্ষ করে উপেক্ষা
বক্ষে না ধরো
সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে দাও
ভরে নিই এই অতৃপ্ত নিঃশ্বাসে

তোমার চোখে দেখেছিলাম সুখ
আজ চক্ষু গেছে সরে
চেয়ে না দেখো
মুখ তোমার ফিরাও না
ও মুখেই তো পাই সুখের ঠিকানা


25-08-2015
**********************

সিক্ত আঁখি আজ বেপরোয়া 
নেই কোনো বাঁধ 
নির্বাক হয়ে দেখ শুধু 
কেমনে হই বরবাদ 

এ শাস্তিই দিলাম তোমায়
থাকো অসহায়তার জালে
জ্বলবো আমি অগ্নিগর্ভে
তৃষ্ণা থাকবে তোমারও গলে

নষ্ট আমি আজ নষ্টা হলাম
তোমারি প্রেম সিঞ্চনে
রাতের ঘুম দিলাম বলি
তুমিও থাকো জাগরণে

কণ্ঠ তোমার রুদ্ধ হলো
ভাঙলো না মনের দ্বার
অতৃপ্ত আত্মা দোহাই দেয়
বইবে তার ভার

24-08-15
********************




শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০

দুর্গাপুজো


ছেঁড়া গেঞ্জিটাকে সেলাই করে, তার ওপর ঢলঢলে ফতুয়া পরে সবাইকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে যাওয়া লোকটাকে- বাবা বলেএক কৌটো গোবিন্দভোগ চাল আর সামান্য ঘি বাঁচিয়ে রেখে পুজোর মধ্যে একদিন পোলাও রান্না করা মহিলাকে- মা বলে

বন্ধুর জন্মদিনে পাওয়া চকোলেট টাকে লুকিয়ে সালোয়ার কামিজের ওড়নায় ভাই এর জন্য বেঁধে আনা মেয়েটাকে দিদি বলেকাঠি আইসক্রিমটা অর্ধেক গলিয়ে ফেলে হাতে নিয়ে দিদির জন্য এক ছুটে মাঠ পেরিয়ে ছুটতে থাকা ছেলেটাকে ভাই বলেফুলে ওঠা নতুন তাঁতের শাড়ি পরে দুটো ছোট ছেলে মেয়ের হাত ধরে বেরোনো বাতে পঙ্গু বৃদ্ধাকে ঠাকুমা বলে

ডিজাইনার পাঞ্জাবি পরে অঞ্জলি দিতে দিতে পাশের বাড়ির নতুন শাড়ি পরা মেয়েটাকে কলেজ পড়ুয়া ছেলেটির আড়চোখে দেখাটাকে ভালোলাগা বলেটরন্টো দুবাই থেকে ফিরে অষ্টমীর রাতে সবাই মিলে একজোট হয়ে হুইস্কির আসরে পাড়ার ইলেকট্রিশিয়ান হাবুকে নিমন্ত্রণ করাকে ছোটবেলার বন্ধুত্ব বলেশিল্পীর হাতে ছমাসের মেহনতে বানানো দুর্গাঠাকুর টিকে নাড়ি ছিন্ন করে বিক্রি করে সেই টাকায় অনাথ অসহায় পথ শিশুদের জন্য  জামাকাপড় কেনাটাকে মানবিকতা বলে

সপ্তমীর সকালে বউছেলে নিয়ে টানা গাড়ি করে গ্রামের বাড়ির পুজোতে হাজির হয়ে কাকা জ্যাঠাদের প্রণাম করে আশির্বাদ নেওয়া মানুষগুলোকে পরিবার বলেপুজোর জন্য ছুটি বাঁচিয়ে রেখেও, ছুটি না পেয়ে বাড়ি ফিরতে না পারা কর্তব্যনিষ্ঠ কর্মরত মানুষ গুলোকে ফৌজী বলেবিশ্বের সবথেকে মনোরম আরামদায়ক জায়গা ছেড়ে এ কদিন বিবাহিত মহিলারা যে বাড়িটাতে স্বর্গ মনে করে সেই বাড়িটাকে বাপের বাড়ি বলে

আর এই চিত্রকল্প গুলোকে একসঙ্গে সাজিয়ে নিলে যেটা তৈরি হয়, বাঙালিরা তাকে এককথায় দুর্গাপুজো বলে

 

 

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...