ঢামালি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঢামালি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

পরিনয় সুত্র



সামনেই পরিনয় মরসুম, অনেক বন্ধুই ভীষন অনিয়মিত সোশ্যালমিডিয়াতে। আমরা জানি ওরা যুদ্ধপ্রস্তুতিতে নিমগ্ন। আমরা যেমন সং সেজে নাচছি সার ভেবে, হয়ত কিছুটা তেমনই। তাই ওদের জন্য কিছু বর্ষা সেলের ফ্রি টিপস রইল।

সে যাই হোক আশু, তোমাদের সামনে কুরুক্ষেত্র, সেপ্টোপাসের খিদে বলেও অত্যুক্তি হয়না। ডাইনে বাঁয়ে অগুন্তি পোড়খাওয়া যোদ্ধা, সশস্ত্র; কিন্তু এ যুদ্ধে তুমিই একমাত্র বর্মধারী সৈনিক। শিরোস্ত্রান পরিধান করে ক্ষুধার্ত বিড়ালের মত চুপিসারে লেজ ফুলিয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দাও। এ যুদ্ধে হুঙ্কার চলেনা, তাই ওটার চেষ্টা কোরোনা। যানবাহন ব্যাবহার কোরোনা যুদ্ধস্থলে। যদিও স্থলে যুদ্ধ, তবে জলের উপস্থিতিও আছে যদিও তাতে ডিঙি ভাসবেনা। আকাশ থেকেও আক্রমন করতে পারো তবে সেটা ‘রকেট’ নিয়ে নয়। বরং, ইন্দ্রজিতের মত মেঘের আড়ালে, ‘ঘোমটা সরিয়ে’।

জানো বন্ধুরা, যুদ্ধ ময়দানে কবিতা লেখা হয়না, কিন্তু যুদ্ধ কবিতার জন্ম দেয়। ফুল যুদ্ধ চেনেনা, উর্বর মাটি আর যোগ্য আবহাওয়া পেলেই ফুল ফুটে যায়; তাই আগে দেখে নিও, নাহলে যুদ্ধে হারজিৎ তো আছেই, মাঝখান থেকে তোমার অজান্তেই হয়ত ফুলের বাগানটা তছনছ হয়ে যাবে। দেখা যাবে ভরন্ত বাগানে যখন ফুলের গন্ধে নিজেকে হারাবার সময়, তুমি যুদ্ধ শুরু করলে। বিশ্রী কান্ড, তখন শুধুই মাটি পরে থাকবে। তাই শুরুতেই বোমা মেরোনা, প্রথমে হাতাহাতিই শ্রেয়। তারপর নাহয় অস্ত্র।

বন্ধুরা, পেটে খেলে পিঠে সয়, কিন্তু পিঠে সইলেই পেট ভরেনা। বরং পিঠে ভরসার হাত রাখলে পেটের কথা ভুলে থাকা যায়। কসরৎ অতি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য, কিন্তু ওতে অযথা শক্তি ক্ষয় করে ময়দানে ফুলোফেঁউটি বনে গেলে- আমিই লজ্জাই মরে যাবো। 

এর পর সময় করে পরিকল্পনা করে নিও। মহুল বনের সেরেঙদের কাছে পাওয়া পাকা খবর, মধুকরেরা প্রস্তুত। শশীরঞ্জনকে সাথে করে নিয়ে দখিনা বাতাসের বাড়ি যেতে ভুলোনা। যুদ্ধে রক্তপাত অবসম্ভাবি বহিঃরঙ্গে বা অন্তরে। কারন রক্তের চরিত্র অশ্রুর মতই- খুশিতেও বের হয়, দুঃখেও। তোমরা সৈনিক, সেতুবন্ধন যে তোমাদেরই দায়িত্ব। তাই কেউ চেনেনার দেশে নিজেকে নিয়ে যেতে ভুলো না।

তোমরা এখন সুত্র মুখস্ত করো বরং। যেমন আর্কিমিডিস, কেসি নাগ ইত্যাদি। ‘কাম’-কাজে আজকাল সুত্র ভীষন জরুরী। প্রয়োজনে রেখাপাত অনুশীলন করো। রবি ঠাকুরকে (আক্ষরিক অর্থে ইংরাজী তর্জামা নিজেই করে নিও) জপ করো। গান করো ও প্রস্তুত রাখো। তেল মেরোনা কাওকে, পারলে ‘একসপ্তাহে তিনবার’ মন্ত্রটা ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিবিষ্ট চিত্তে গোঁঙানি সহ রেওয়াজ করো। ভীষন জরুরী।

পুনশ্চ:: মন অশান্ত হলে ফুলছাপ অন্তর্বাসে ডিও স্প্রে কোরো। এমন জ্বলবে যে মন খারাপের কথা নিশ্চিত ভুলে যাবে। এর চেয়ে সহজ আরো একটা উপায়- মদনবালা দেবীর কামনাপরাগ, সরবিট্রেটের মত জিভের নিচে এক ডোজ রেখে দিও, মনে পুলক জাগবেই।

উপরক্ত সকল কর্মকাণ্ড গুলি নিজশ্ব পরিক্ষাগারে পরিক্ষিত। নাবালকেরা প্রশিক্ষক ছাড়া চেষ্টা করিবে না।


                                                                                                   তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী।

ইতি-

তোমার ভাই


তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...