ছড়া - ছরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া - ছরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯

খেয়ালপত্র



খেয়ালপত্র

আতু তোমারে-

সেদিন বিষ্যুধবার বারবেলা, আকাশ জুড়ে চোখধাঁধানো রঙধনুরই মেলা। পেঁজা তুলো বারিদবরণে গোটা নীলাকাশ ছাওয়া, গুণগুণ সুরে তোমারে দেখিয়া হঠাৎ দুকলি গাওয়া। অনেক দিনের জমানো ব্যাথা হৃদিমাঝে অভিঘাত, শুষ্ক আঁখি শুকায়ে রুধির হারায়েছে যেন খাত।

প্রতীক্ষা আতু.... প্রতীক্ষা... আজও, অনাদি অনন্ত; সেদিন কি আর জানতেম আমি, স্থগনেতে এলি পান্থ।

আসিয়া দাঁড়ালে ভীরু ভীরু চাহি কম্পিত তনুকায়া, আলতা রাঙানো মুখেতে সহষা তমসা ঘনের ছায়া। চন্দ্র ললাটে স্বেদবিন্দু, শাসনের ভ্রূকুটি; মনের অতলে প্রেমঅধিকার, দ্বন্দ্ব উঠিছে ফুটি। আলতো করিয়া ঠোঁটের স্পর্শ, অতল জলের আহ্বান, ভরাট সমাজে লোকলাজ সব টুটিয়া খানখান। জড়তা মাখানো কন্ঠে তখন সোহাগের আখ্যান, এমনই দিবসে ছ-সন পূর্বে মিলিছিল দুই প্রাণ। কালের নিয়মে নিয়তির কোপে- ঘেরে বিচ্ছেদ সুর, স্বদেশ ছাড়ায়ে আপনা ভুলিতে পাড়ি দেওয়া বহুদূর। চিরঋণী করে কিভাবে নাজানি রহিয়াছো ধীরলয়ে, এতদিনে কি একটিবারও যায়নি চিত্ত বয়ে? আমাপানে!

কখনও যদি ভালোবাসা পায়, জেনে রেখো আমি আছি; উন্মাদ মাঝি- প্রেমের নোঙর, স্বপ্ন ডিঙার কাছি।

বেহায়ার মত জিতিয়াই গেলে, আমিও হারিনি নিত্য; তোমার বিজয়ে আমারও কুলায়, জেনো এ চির সত্য। অনুরক্তির চাদরে মুড়িয়া রাখিছিলে তুমি সদা, বাদল দিনের নির্জনতায় তুমিই প্রিয়ম্বদা। বন্ধু হইয়া আসিছিলে, সাজায়ে গেছো জীবন; ঠোঁটের কোনের লাজুক হাসি, স্বপ্নে সারাক্ষণ। বুকফাটানো আর্তনাদে কাঁদিতে চাই যে খুব, লক্ষ সংস্রবের ভিড়ে, তোমাতেই দেব ডুব। দূর আকাশে তোমার ডানায় ভাসব দেশান্তরে, তোমার রাজপুত্র হব পক্ষিরাজে চড়ে। আমার সকল কবিতাতে ছন্দ হয়ো তুমি; বৃষ্টি হয়ে ঝরার ছলে, আমায় যেও চুমি।

মনের অবচেতন জুড়িয়া ‘তুই’ ই যত্রতত্র; লুকায়ে খোঁজা সত্তা’রে মোর, তাইতো রচি পত্র।

~ইতি

-তোমার প্রেম

।অবসর বাটিকা, দেওঘর। ২৮শে বৈশাখ ১৪২৫ সন। অপ্রকাশিত 'হা-ঘরে' কাব্যগ্রন্থ হইতে। ২৩৫ শব্দ।

বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০১৯

।। তোলপারিয়ে উঠল উন্মাদ ।।



চেয়ার মোছা কবিঃ- অনশনেতে মরছে ওরা
তবু পিসি দেন না সাড়া! জাগুন শিগ্‌গির জাগুন্‌।
ফ্রেঞ্চ কুমড়োঃ- বিরোধী দলগুলো যে
চুপ রয়েছে, কই সে বাজে--
বুদ্ধি GB- বিরোধী বাজবে পরে, এখন রাজ্যে লাগল আগুন।
পিসিঃ- অনশনে গেলে পরে
হাজার কোটি আসবে ঘরে?
স্থবির কুমনঃ- সোশ্যালমিডিয়া উঠল জ্বলে, ঊর্ধ্বশ্বাসে ভাগুন।
পিসিঃ- বড্ড জ্বালায় ঘেউ ঘেউ রব
জনগণঃ- জ্বলবে আগুন চুরি গেছে JOB
ফুটপাথে ঐ ‘PM স্বপ্ন’ কবর দিতে লাগুন।

মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯

।। বউদির ছড়া ।।



ও বৌদি, বৌদি মনি
দুষ্টু এয়ারপোর্ট
বামাল সমেত পরলে ধরা
এবার চলো কোর্ট।
রাজ্য জুড়ে পিসশ্বাশুড়ি
বিছিয়ে উন্নয়ন,
'লাফানো ঠোঁটে' মরদ তোমায়
লুটেছে গরীব ধন।
এসকেলেটর, সাতটি তলা
রাণীর হালে আছো,
রাজ্য জুড়ে তোলার টাকা
ধিচিং ধিচিং নাচো।
রাস্তা রোখে সিভিক বেকার
তোমার মরদ গেলে
অনশনে গর্ভপাত হয়
জেনো সময় পেলে।
তুমিতো জানো অনশন মানে
লুকিয়ে ক্যাডবেরি
ঢপেশ্বরী সারদামাতা
সততা করেন ফেরি।
নীলসাদা রঙ রাজ্য জুড়ে
বেচেন তোমার স্বামী
জানোকি তুমি দুকেজি সোনা
ঠিক কতটা দামি?
পিসশ্বাশুরির ভাইগুলো সব
তোমার বাড়ির ভৃত্য
ফুরালে সময় টেরটি পাবে
সর্বহারার নৃত্য।
ষোলোকলা পূর্ণ হলেই
বরটি যাবে জেলে
গণধোলাইয়ে ছেঁচাও হবে
পাবলিক হাতে পেলে।
পারলে বোলো, "পিসশ্বাশুড়ি,
হও যে মানবিক,
অন্ধ তুমি, মিথ্যে জগৎ
চামচা'রা চারিদিক"।
চটি শ্বাশুড়ি ডুববে যেদিন
তোমার হবে কি!
লুঠের ধনে সওদাগরী
পান্তাভাতে ঘি...
লক্ষ বেকার রাজ্যজুড়ে
হাহাকারে উৎসবে,
বরটি তোমার দুকাঠি সরেস
ধরাকে সরা ভাবে।
কেড়ে নেবে সব, সব সম্পদ
লুট হয়েছে যারা
গুঁড়িয়ে দেবে Z plus, ত্রাণ
আসছে সর্বহারা।
উন্মাদ হার্মাদ
(জেলে পাঠাবেননা প্লিজ)

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

।। অসৎ পাত্র ।।




জানতে পেলুম টুইটারেতে-
চৌকিদারে সবাই মেতে ?
নির্বাচনে প্রার্থী পেলে ?
খুঁজছে মুকুল দিলু মিলে।

"চোর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত
সারদা পিসির উন্নয়ন তুতো ;
হালকা করে বাটপারিটা
জানলে দাঙ্গা, জমবে মিঠা।
বিদ্যে বুদ্ধি ? প্রয়োজনই নেই-
ভরষা কেবল গো-শাবকেই "!

পাঁচটি বছর চুরাশি দেশে
ভোট আসতে থাম্‌ল শেষে ।
বিষয় আশয় ? গরীব বেজায়-
দশলাখী সুট্যে সেলফি খিঁচায় ।
মানুষ ত নয় দল জুড়ে তার-
বাঁদর, বেবুন, গরুর খোঁয়াড় ;

ভক্তরা সব তৈরি ছেলে,
নোটবাতিল খায় রাফাল ঢেলে।
পাত্র ষাঁড়টি খিস্তি বাজায়
রিপাবলিকে অর্ণবকে পায়।
জেটলিটা তো কেবল ভোগে
পাকিস্থান আর নেহেরু রোগে ।
কিন্তু তারা উচ্চ ঘর 
চৌকিদারের বংশধর !

নীরব, অনিল, আদানি, বিজয়, 
চৌকিদারের কি যেন হয়।-
যাহোক্‌, এবার EVM পেলে!
চৌকিদারকে পাঠাও জেলে।
উন্মাদ হার্মাদ
(জেলে পাঠাবেননা প্লিজ)

শনিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৮

।। উন্মাদনামা ৩৩ ।।

হাড়ভাঙা ব্যাথা দারুন কষ্ট
উপশম তবু মেলে;
তার চেয়ে বড় আঘাত লাগে
পেট্রোল পাম্পে গেলে।
যখন দেখি ফ্লেক্সে ছাপা
গায়েতে জহর কোট,
মিত্রোঁ আছেন দাঁতক্যেলিয়ে
গুজরাতি মর্কট।।

সোমবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৮

।। একটি শীতকালীন ছ্যাঁচোড় ।।

হিম পরেছে উঠোন জুড়ে
শীতল আবেশ ছেয়ে,
ছুঁয়ে দেখ আমি আজও বেঁচে
তোর প্রেমে, ও মেয়ে।
তোর বক্ষ মাঝের উপত্যকায়
ছিল, অনুভুতির চাষ;
ও মেয়ে তুই নিড়েন দিলি
হল আমার সর্বনাশ।
কোমর বেয়ে নাভিপদ্ম,
যেথা সুখের বসবাস;
সেখানে আজ অনুপ্রবেশ
জবরদখল, খাস।
নিঃশ্বাস জুড়ে ছিলাম আমি
তোর শিক্ত ঠোঁটের খাঁজে;
অনিঃশেষ জিহ্বা বিলাস
বিনি সুতোর সাজে।
কাম রসেতে সাঁতার কেটে
রাত সাগরে পাড়ি,
সোহাগপুরের সাকিন ভুলে
কেমনে দিলি আড়ি?
ও মেয়ে তুই কই হারালি
কোন সে অন্ধ বাঁকে!
আলিঙ্গনে বাঁধব কারে
দুইটি বাহুর ফাঁকে?
কঠিন শৈত্য, আপন হারা
মৃত্যুময় এ বাঁচা,
গচ্চা যাবে বসন্তদিন
শূণ্য হৃদয় খাঁচা।
তোর, চোখের শাসন ফিরুক আবার
প্রখর গ্রীষ্ম বেয়ে!
চেনা ঘামের গন্ধ মেখে.....
শুনলি কি! ও মেয়ে?
________________
মিস্ত্রিঃ উন্মাদ হার্মাদ

বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৮

।। ...ও মেয়ে ।।

তোর সুখেতে মাতাল সুখী,
দুঃখে পাগলপারা;
তোর পিপাসায় চাতক আমি,
উন্মাদ তোকে ছাড়া।
প্রতীক্ষাতে ক্ষণযাপন, কখন-
প্রেমের ভেলা ভাসবে!
ও মেয়ে বল আমার মত
তোকে আর কে ভালবাসবে!
কে ভাঙাবে তোর অনুরাগ
কার ছোঁয়াতে জাগবি
ও মেয়ে তুই জীবনটা ভর
আমার সাথে থাকবি?
টক ঝাল মিঠে ঝগড়া মাখা
আদর পাবি সারাক্ষণ;
ও মেয়ে তুই খুঁজে পাবিনে
আমার মত আপনজন!
বন্ধু হয়ে থাকবি পাশে?
মানিয়ে নিবি সব ধারে?
ও মেয়ে তুই সব ভুলবি
যদি, আঁকড়ে ধরিস আমারে।

রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

।।দুনিয়াদারি ।।

নিষিদ্ধতা জাঁকিয়ে বসে
পরকিয়াতে গুনী;
বদনামি আর মন্দকথা
চুপটি করে শুনি।
প্রেমের ঘরে কানা গোঁসাই
হাঁতড়ে খোঁজে মন
নষ্টামিতে স্বাধ মেটানো
তেষ্টা সারাক্ষণ।
আপদ বড় বিপদ যে নেই
শত্রু বড় মিত্র
ঠুনকো সবই আত্মীয়তা
দুনিয়াদারি চিত্র।
কার কথা তুই শুনবি ক্ষ্যাপা
কে সাধু কে খল
মত্ত পাগল রূপ আসলে
অসুখ ঢাকার ছল।


সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭

।। প্রাণের অকপট ।।

মনখারাপের রাতে, জোনাকপোকার সাথে
যখন স্বপ্ন পাকায় জট;
হাট্টিমাটিম রবে, ঝাঁপিয়ে পরে সবে
তার, নামটি অকপট।
প্রেমের গলি কানা, তাই প্রশ্ন করা মানা
হৃদয় করছে যে ছটপট;
আরাম পাবে মনে, স্বেচ্ছা বা আনমনে
লীলার ক্ষেত্র অকপট।
পদ্য আসে খাসা? মনে জমাট বাঁধা আশা!
প্রসব করো ঝটাপট;
যদি উৎরিয়ে যায় মানে, প্রাণ জুড়ায় শুনে কানে
জেনো ছাপবে অকপট।
একলা ঘরে কোনে, মোটেই শান্তিটা নেই মনে
নি:সঙ্গ জীবন তট,
নতুন বন্ধুরাযে ঠাঁই, আছে তোমার অপেক্ষায়
জেনো সাকিন অকপট।
কূটকচালের ভিড়ে, যখন ক্লান্তি ধরে ঘিরে
ডোবে মানবতার ঘট;
মুক্ত বাতাস চাই? ভুলে ক্লান্তির সব দায়!
সদা উন্মুক্ত অকপট।
তমাল তরুর মাঝে, কৌলিণ্যের সাজে
পলাশ, ছাতিম, বট;
গুল্ম কিম্বা লতা, যখন জাত চেনানো কথা
ঔষধি অকপট।
আর্ত অসহায়, হাতে হাত রাখে ভাই
দেখায় সংহতি দাপট;
সকলের ছোট্ট প্রচেষ্টা, মেটায় দু:স্থের তেষ্টা
নবরূপে অকপট।
বন্ধু হয়ে দেখো, মননের নরম পৃষ্ঠে রাখো
মঞ্চে কেউ নটী বা নট
ফকির হোকবা রাজা, ভাবেভিজে তরতাজা
এ সাম্রাজ্য অকপট।
উৎসবেতে দড়, সবাই আপন নেইযে পর
ঈদ, দেওয়ালি ছট;
বড় দিনের কেকে, ফাগের রঙে মেখে
মিলন মঞ্চ অকপট।
হরেক মতের কুম্ভমেলা, সবাই গুরু সবাই চ্যেলা
সাওয়ারি দ্বন্দের সকট;
হিংসা বিভেদ ভুলে, অহং পোষাক খুলে
মেলায় অকপট।

শনিবার, ২৪ জুন, ২০১৭

।। তৃষিত যোগী ।।


আজি সাত্ত্বিক মতে প্রেমজর্জর
বরষা আইল সমীপে;
মানসী, তব দেখা দাও সখী,
যৌবনমদ নীপে।
আকুলিত প্রাণে দুইচোখে হেরি
কোন সে অন্তরাল
অন্তর মম সঁপেছি তোমাতে
বেহায়া সুরের তাল।
প্রণয়আশে নয়নের ভ্রমে
বিলম্বিত লয় নৃত্য,
 
মলয়বায়ু বিষাদসিন্ধু
 
উন্মাদ সম চিত্ত।
আলোঁনীল চাঁদে লাগিছে গ্রহণ
হরষ চিতকাননে
মহলাতে আসি বাজাও গো বীণা
কুসুমিত যৌবনে।
আঁখিপটে লেপি স্বপন সুরভি 
মোহিনী প্রিয়ার তরে,
নিজহতে তুমি আসিয়া সমুখে
নাওগো আপন করে।

।। পরকীয়া ।।

চেনা পরিসরে অজানা আপদ
ভালনাম যার বিয়া,
অচেনা পথের চেনা যন্ত্রনা
লোকে বলে পরকিয়া।

মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭

।। স্বরচিত "রোবিন্দ-কাব্বো" ।।

দিদিগো, এবার ছুটি নিতে চল্‌,
কবিতার নামে ছড়িয়েছো যে মেলা।
এখন আমি ভগার কাছে বসে
সহ্য করছি আজব-ছড়ার জ্বালা।
তুমি লিখেছে কথাঞ্জলী সবে,
ভুলেও যেন আর না লিখো ভাই,
একবারও কি পুরী মন্দির দেখে
সুভদ্রা রূপী মনে করতে নাই?
তুমি তো বেশ ভাবতে পার মনে
কবি, লেখক, চিত্রকরের বেশে
এদিকে, চাওয়ালা ফকির ৫৬ ইঞ্চি নিয়ে
উন্নয়ন পাঁকে পদ্ম লাগায় এসে।
আধার পেল গো- মাদারের গলা
ভুবনডাঙায় গজায় শপিংমল
আসাম থেকে ব্রাত্য করল মোরে।
উল্লাসেতে দেশপ্রেমীর দল।
মনে কোরোনা ডুববে চুরির সাজা,
মনে কোরোনা সেটিং বাঁচাবে যেন।
গর্মেন্ট যদি চোরের দলের হয়
তোমায় নিয়ে খিল্লি হবে না কেন।

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ছড়া কাব্য - ফুলটাইম স্ট্রাগলার


  

প্ল্যানহীন এই জন্মকথা, অভাগার আখ্যান;

পরিবারের জ্যেষ্ঠ পুত্র, আকাঙ্ক্ষার মাচান

ডাক্তার উকিল না হলে যে জীবন ছাখার;

তাই- পার্টটাইমে মানুষ হলাম, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


প্রাইমারিতে ভর্তি হলেম, দারুণ মজার থান;

অ আ ক খ, নামতার সাথে জুটল হিন্দি গান

পড়াশোনায় অশ্বডিম্ব, জুটতো উদোম মার,

পার্টটাইমের সাক্ষরতায়, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


হাই স্কুলে প্রেমও এলো, গোঁফ গজানোর সাথে;

উত্তেজনার স্বপ্ন যাপন, নিশুত রঙিন রাতে

জুটলো না কেউ চেষ্টা করেও, একতরফাই সার;

পার্টটাইমে প্রেমিক হলাম, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


চাষ গুটালো পড়াশোনার, ভাবলাম গেল দায়;

সর্বক্ষণ আড্ডা খেলা, আমাকে কে পায়!

ঘাড় ধরে বাপ দিল বিয়ে, রাজ্য পগারপার;

পার্টটাইমে টোপর পড়ে, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


বছর যেতেই মেয়ের বাবা, শ্রীময়ী গার্জেন;

রৌদ্ররসের তানপুরাতে বিষাদী তানসেন

পাঁচবছরে তিনটি জাতক, ভরপুর সংসার;

পার্টটাইমের বাবা হলাম, ফুল টাইম স্ট্রাগলার


ব্যবসা পেলা উত্তরাধিকার, রমরমে ব্যাপার;

কাজের চেয়ে কাব্য আসে, ভীষণ চমৎকার

হিসাব খাতার পাতা জুড়ে রূপকথা বাহার;

পার্টটাইমের বণিক সেজে, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


প্রেমও এলো অসময়ে, পরকীয়ার বেশে;

ভাসিয়ে নিল আবেগ বিবেক, নিষিদ্ধতার দেশে

মাঝ নদীতে হাবুডুবু দুই দিকে দুই পাড়-

পার্টটাইমের ডুয়েল জিতে, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


রাত্রি জেগে কলম ভাঙি, নতুনত্বের খোঁজে;

ভাবনারা সব জট পাকালো, নেই বিদ্যার গোঁজে

ছন্দ মিলে গদ্য লিখি, পদ্যে হাহাকার-

পার্টটাইমের কবিও হলাম, ফুলটাইম স্ট্রাগলার


না পারলাম মানুষ হতে, না হলেম যে ব্যবসায়ী;

না পারলাম কবি হতে, স্বত্তা ধরাশায়ী

পার্টটাইমের চক্করেতে মুশকিলের কাহার;

অনটনের উদ্যোগপতি, ফুলটাইম স্ট্রাগলার

 


সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। ফেরিওয়ালা মন ।।

ইচ্ছে ছিল কবি হবো
গালিব তোর জন্য
সুখ বেচে তাই শান্তি কিনি
জীবনটা আজ পন্য
অন্ধ আবেগ গ্রাস করেছে
হিতাহিত জ্ঞান শূন্য
ষড়রিপু ঘেরা জীবন খাতায়
অশ্লীল পাপপুণ্য
এক শরীরে কত শত মন
শত মনে শুধু শরীর
মন খুঁজে চলা শরীরে শরীরে
শরীরি শবের ভীর
আমি প্রেম ফেরি করি ফিরি
লাশেদের ভীরে
সুখ লুন্ঠন সুলভ মুল্যে
মন লেনদেন ঘিরে

বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। তোর জন্য ।।

তোর আবেশে মোহাবিষ্ট 
ব্রণ ওঠা যৌবন
কামগন্ধি কল্পনাদল
খোয়াবনামার ধন।
কিরূপে হেরিব তোমায় সখী
পুষ্পিত আঁখি পল্লব 
চুম্বন আঁকি ললাটে যতনে
শিহরিত ওষ্ঠরব
কলঙ্ককে আপন করে
সাজলি অলঙ্কারে
লাজ হারাবি অলক্ষ্যেতে
মন দিয়েছিস যারে।
যদি অঞ্জলী দিই তোর পায়েতে
খুব কি হবে ক্ষতি!
তোর মাঝে দেখি দূর্গা কালী
লক্ষ্মী সরস্বতী।
ভালোবাসি আমি ভালোবাসো তুমি
সাক্ষী প্রতিটা রাত
গাঢ় প্রেম দিয়ে বাঁধি আশ্লেষে 
অধরেতে থাক সাথ
এই তো আমার অহঙ্কার 
হার না মানা হার 
তোর গলেতে পরাবো আমি
এটাই জীবন সার
কিছু সম্পর্ক এমনতর
ছুঁয়ে দিলে পোড়ে হাত
মিলনঅনলে পুড়ুক হৃদয়
দুই কুলে এক সাথ
তোর বুকে রাখা গোপন ব্যাথা
যদি আমায় ছুঁতে দিস
যতটুকু বিষ আমার অধরে
সবটুকু তুই নিস
মোর কামনাতে অমৃত ঢেলে
আগুন জ্বালিয়ে দিলি
আমার বিষেতে ছারখার হতে
কোথায় লুকিয়ে ছিলি!
যতটুকু মোর বাকি আছে প্রান
তোর জন্যই পন
সুখের সাগরে ভেষে যেতে হলে
থাকিস সারাক্ষণ
নাকে নাক রেখে উষ্ণতা নিবি!
চোখে চোখ রেখে ডুব
যদি মিশে যাস আমার বুকেতে
আদরে ভেজাবো খুব।

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৭

।। অনর্থের ছড়া ।।

যতই লুকাস সলাজ আঁখি
ঢেকে কালো কাঁচে
এটা জানিস, তোর বুকেতেই
উন্মাদটা বাঁচে।

হতভাগ্যের বন্ধু অনেক,
আরোপিতে উপদেশ
তেমন মানুষ দুষ্প্রাপ্য,
যিনি শুনবে শুরু-শেষ

অল্প অল্প ভালবেসেছি,
বাকি সবটাই নেশা
প্রেমের খেলায় ডিগ্রিধারী,
মন লেনদেন পেশা।

সাগরে মিশলে সঙ্গম হয়,
নাকি সঙ্গমস্থলে সাগর
পলি জমে জমে দ্বীপ হয়?
নাকি দ্বীপ ক্ষয় হয়ে চর

কান্না যখন দলা পাকিয়ে
গলার কাছে রয়
না বলাদের ট্রাফিকজ্যামে,
রুধির ধারা বয়

একটি শ্বাসে তুফান হানে
এক চাহনিতে ঘোর
শরীর জুড়ে বিজলি খেলে
একটি ছোঁয়ায় তোর।

গোলাপ ঠোঁটের বাঁকা হাসি
ভ্রু পল্লবে অসি
ঢেউতোলা ওই কালো চুলে
ললাট অর্ধশশী।

তোর মনেরই বদ্ধ ঘরে 
ঢুকিয়ে আমায় নিলি
রুদ্ধ করে রাখলি তব
সোহাগ ভরে দিলি

তোর অনাবিষ্কৃত হৃদয় খনি
প্রেমটা বড়ই বন্য
লালন করে রেখেছিলি কি
উন্মাদেরই জন্য!

লকেট হয়ে বুকের মাঝে 
থাকব বিভাজিকায়
নিজের মত আকাশটাকে
সাজাস নীহারিকায়।

তোর প্রেমেতে মত্ত পাগল
হৃদয় মাঝে খাদ
সোহাগ দিয়ে পূর্ন রাখিস
তোর লাগি উন্মাদ।

চলনা আজ মন্দ হয়ে
মন্দ মন্দ খেলি
ভাল সেজে জীবনটিভর,
বলনা কি তুই পেলি?

প্রেমের ঋনে ডুবতে রাজি
দেউলিয়া আজ প্রান
সুদের সুদে রাঙাবো তোকে
রইল বাজি জান

সারাটা দিনে রুজির টানে
যন্ত্র শরীর, শব
তোর বুকেতে রাখলে মাথা
রোমে রোমে বিপ্লব

মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৭

।। আপন ।।

হৃদয়ে উঠে ফেনিল তুফাল
বোবা মুখে আজ তালা
কি জানি তব কিসের তরে 
চির অপেক্ষা পালা
বিরহ বেদনে আতুর আঁখি
কিসের কামনা অতি
এমনি সুখেতে হৃদয় ভরিলে
কিসেরই বা তাহাতে ক্ষতি
শরীর বাজারে খরিদ যোগ্য
অমুল্য তাই হৃদয়
অদেখাতেও লেনদেন চলে
অনুভবে কথা কয়
কতটা পাইলে আপন হয়
কতটা ছারিলে পর !
চির আপন সে ই রে পাগল
অন্তরে যার ঘর


তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...