ইচ্ছে তো হয় তোমাকে নিয়ে পাড়ি জমায় সেই তেপান্তরের নির্জনে। যেখানে শুধু তুমি আর আমি, থাকব গোটা সীমানা জুড়ে। নীল সমুদ্র আমাদের হাতিছানি দিয়ে ডাকবে, যেখানে নিষিদ্ধরা নিষিদ্ধ। কেউ জবাব চাইবেনা ভালমন্দর, আলাদা করে সুখ দুঃখ থাকবেনা। অনুভবের স্বর্গীয় সুধা পান করে শুধু চেয়ে থাকব তোমার এই সরলতা মাখা স্নিগ্ধতায়। তোমার অতল চাহনির মায়াতে প্রেম গরল পান করে অমরক্ষয় হব। মারাকাটারি সৌন্দর্য নাই বা রইল, যা আছে সেটাকে গোটাটা শুষে নিতে পারলে তার চেয়ে বড় শান্তি আর কিসে! কবিতার খাতায় তোমারই বর্ণনা লেখা হবে প্রতিটি ছত্রে। তুমি লজ্জা পেলে সূর্য মেঘের আড়ালে মুখ লুকিয়ে হাসবে, তোমার আনমনা বিহ্বলিত ভাব আকাশে মেঘের সঞ্চার ঘটাবে। বৃষ্টি হবে, তাতে আমরা দুজনে ভিজব একান্তে। প্রকৃতি লিখবে নতুন প্রেম গাথা। যাবে সেই হারিয়ে যাবার দেশে?
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
অদলবদল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অদলবদল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০১৯
রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮
।। ব্যতিক্রমী শারদ শুভেচ্ছা ।।
নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে এই পোষ্ট নয়। ছ্যাকা খাওয়ার পর হতভম্বতা কাটিয়ে উঠে খানিক বার্ণল লাগালাম নিজের ক্ষতস্থানে। বলা ভাল এটা ডিসক্লেইমার টাইপ। সকল বন্ধুদের জন্য।
আমি আপনাদের কাছে বিনীত আবেদন/অনুরোধ করছি, আমার কোনো পোষ্টে, আমার কমেন্টের প্রত্তুতরে, আমার সাথে একসাথে মেনসন করে কাউকে ডাকার আগে, তাঁর থেকে অনুমতি নিয়ে নেবেন। তাঁর সাথে আপনার কোনো ক্ষার থাকলে বা বিশেষ সম্পর্ক (ঝগড়া বা ভালোবাসা যা ই হোকনা কেন) আমার পোষ্টে কাউকে 'মেনসন' করে কোনো পোষ্ট বা মন্তব্য করবেননা। কে কোথায় কার সাথে কি করে রেখেছেন সেটা আমি জানিনা, জানার আগ্রহও নেই (তর্কে গেলে জেনে নেবার সম্পূর্ণ অপশন খোলা রয়েছে)। কিন্তু সেটার দায় নিয়ে হলে খুব কষ্ট হয় বৈকি।
আমি চাইনা আমার জন্য কেউ অপ্রস্তুতে পড়ুক। কারন কারোর চার পয়সা উপকার করতে পারিনি, অহেতুক ক্ষতিই বা কেন করব?
ফেসবুকে একই সাথে আমি সকলের কাছে ভালো থাকতে পারবনা, তাই বিগত ১০ বছরে আমার ঘোষিত শত্রুর সংখ্যা অনেকের বন্ধু চেয়ে বেশি। যাদের সাথে আপনাদের অনেকেরই যথেষ্ট দহরম মহরম, এতে আমার কোনো গাত্রদাহ নেই। কারন আমি যাকে ছুড়ে ফেলেছি জীবন থেকে, সেটা জেনে ছুঁড়েছি। লোম যতক্ষন শরীরে আছে, ততক্ষণই তাঁর পরিচর্যা, তাই ছুঁড়ে ফেলা মালগুলো অবাছিত লোক। কারোর থেকে ১ পয়সার হেল্প নিইনি, বা কে আমার কাছে বকেয়া কিছু রেখে যায়নি। আপনাদের কখনো কাউকে আমি কোনোদিনও মানা করিনি, যে ওর সাথে আমার এতো ঝামেলা- আপনি দয়াকরে মিসবেননা, - নাহ একটিবারও বলিনি। বলবও না। কারন আমার ঝগড়ার দায় আমার, আপনার নয়।
প্রত্যেকের নিজস্ব স্পেস, ভাবধারা, ও মতামত আছে। যেটা আমি অত্যন্ত সম্মান করি।
আমি ফেসবুককে যথেষ্ট সিরিয়াসলিই নিই, এখানে বন্ধু পেয়েছি, প্রেম করেছি, ঝগড়া করেছি, ব্যাবসা পেয়েছি, ইনভেষ্টর পেয়েছি, সব সব সব পেয়েছি। মজা আর আড্ডাই হচ্ছে এর ধারক, মজা বা হালকা চটুলতা গুলো বাদ দিলে জীবন পানশে এটা আমি মানি ও জানি। বন্ধুদের কাছে আমার সকল কিছু ওপেন। নিজের মত চাপিয়েও দিইনা, অন্যের মতকেও গিলে নিইনা।
এরও পর যদি কেউ কিছু কমেন্ট , পোষ্ট করেন তার দায় সম্পূর্ণ যিনি যিনি লিখছেন তাঁর। আমার মেনশন কৃত সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির নয়। তারও পরে যদি কিছু অসঙ্গতি হয়- তখন পুরাতন ফর্মে ফিরে BAD BOY হয়ে "তুমি আমি এক দেহে লীন' ভেবে নিয়ে চোখ বুজে 'তুমি' সেজে যাওয়া কিছুক্ষণের জন্য। তারপর? ব্রহ্মা জানে গোপন কম্মটি।
যারা ২০১৫ সাল ও তার আগের উন্মাদকে দেখেননি, তারা দয়া করে এই পোষ্ট পড়বেননা। এটা আপনার কমেন্টের উপযোগী নয়, এবং আপনি মিসিং লিঙ্ক গুলোর সন্ধান জানেননা। জাষ্ট এটাকে ইগনোর করুন। এই পোষ্ট যিনি সিরিয়াসলি নেবেন, তাঁর জন্য সিরিয়াস, মজা ভাবলে মজা। কারন স্পষ্ট কথাতে আমার কোনো কষ্ট নেই।
আমি পৃথিবীতে সকলের কাছে ভাল হতে পারবনা, ইচ্ছা ও ক্ষমতা কোনোটাই নেই। যার কাছে আমি ঋণী তাঁর/ তাঁদের ছাড়া বাকিদের নিয়ে আমার এতটুকু আগ্রহ নেই, এক্সট্রা মান ইজ্জতেরও স্টক নেই। 'বন্ধু'দের কাছে আমার জীবন উতসর্গীত, এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত জ্ঞানত জুতোজোড়া বয়ে দেব, এমন মানসিকতা যুক্ত। যেটা কখনই বদলাবেনা, মস্তিষ্কে আঘাত পেয়ে স্মৃতি (ইরানি নয়) না হারালে।
প্রসঙ্গ অকপটঃ এখানে কেউ যখন থাকেন, সেটা সম্পূর্ণ তাঁর ইচ্ছাতেই থাকেন। এখানেও কোনো জোর নেই। অকপটে থাকাটা আমার দুর্বলতাও নয়, শক্তিও নয়। এটা আমার প্যাশনের জাইগা, এখানে টাকা ও সময় উভয়ই খরচা করি অকাতরে। এর পরেও অকপট পার্ট অফ লাইফ ভায়া ফেসবুক, হার্ট অফ লাইফ নয়। কাল অকপট না থাকলেও আমি ও আপনি থাকব। সুস্থ সম্পর্কটা টিকে যাবে আজীবন।
ছোট পরামর্শঃ মজা ততটাই করুন, যতটা আপনি নিজে নিতে সক্ষম।
উপসংহারঃ আমার যাবতীয় সকল ভাল কিছুর দায় বা কৃতিত্ব যেমন আমার, তেমনই আমার খিস্তি, দুর্ব্যবহার, অসামাজিকতা, মাগিবাজি, এক্সট্রা গাড়পেয়াজি, ক্যালোয়াতি, সবজান্তা গেঞ্জিওয়ালাভাব, অন্যের পিছনে কাঠিবাজি, ফাঁপা ডায়লোগবাজি, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, সহ যাবতীয় খারাপ কিছুরও সমস্ত দায়ভার আমার একান্ত নিজস্ব। কেউ এর জন্য দায়ী নেই, বা দায় নিয়ে হয়না। বিগত দিকে কাউকে নিতে হয়নি, আগামীতেও কাউকে নিতে হবেনা।
ধন্যবাদ।শারদীয়ার শুভেচ্ছা।
শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৮
।। রাশিভ্রম ।।
“এই যে আপনি, শুনিতেছেন; আপনার সহিত আমার যাবতীয় সম্পর্ক এই
অবধিই সমাপ্ত হইল। আজি হইতে আমা সহিত কোনো প্রকারের যোগাযোগ করিবার প্রচেষ্টা
করিবেননা, আশা রাখি। দুরাভাষ যন্ত্র যোগে ক্রমপীড়ন সহ সর্বপ্রকার সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমেও আমাকে নিষ্কৃতি প্রদান করিবেন কামনা করি। প্রসঙ্গত, সমুদায় এ সকল
আখ্যায়িকার অবতারনের হেতু হইল, আমার অভিভাবকেরা পাণিগ্রহণ নির্ঘন্ট চূড়ান্ত করিয়াছেন। পাত্র উচ্চপদস্থ
সরকারী আমলা। উক্তদিবসের প্রীতিভোজে আপনার সপরিবারে নিমন্ত্রণ রইল, অন্তিমবারের মত
শ্রীমন্তের পাদস্পর্শে আমাদিগকে ধন্য করিলে বাধিত হই। অবশ্য ইহাতে অস্মদীয় ‘প্রথম ও অন্তিম’
অবেক্ষণ পর্বটিও বরদাস্ত করিয়া লইব।
শুভায়ু ভবত”
চলমান দূরাভাষযন্ত্রের প্রদর্শন যবনিকার উপরিতলে দৃষ্টিপাত করিয়া- দেবাহুতির অন্তিম বৈদ্যুতিন-বার্তাটি বারংবার পড়িতেছিল বভ্রুবাহন। দেবাহুতি তো তাহার প্রণয়াসঙ্গী ছিল না! তথাপি তাহার এই মনবেদনার হেতু কি? বক্ষদেশের বামপার্শ্বেও মৃদু শূলনাভুত হইতেছে। মনে হইতেছে যেন, অতি মূল্যবান কোনো বস্তু হারাইয়া যাইবার উপক্রমক্ষণ উপস্থিত হইয়াছে!
সংযোগ রাশির ভ্রমবসত, চলমান বার্তাযন্ত্রের মাধ্যমে কিয়ৎ পরিমাণ অদ্ভুত ভাবে পরিচয় ঘটিয়াছিল বভ্রুবাহনের সহিত দেবাহুতির। বভ্রুবাহন স্মৃতিপথ বাহিয়া ঠিক এক বৎসর পূর্বে পশ্চাতধাবন করিল।
- অপরপ্রান্তে কে রহিয়াছো সুহৃৎ?
- আজ্ঞে আমার নাম বভ্রু, বভ্রুবাহন শুভার্থী। আপনি কে
প্রিয়ংবদা?
- আমি! আমি আপনার সখী...
- সখী? কোন সখী? কি বলিয়া সম্বোধিত করিব আপনারে?
- দেবাহুতি, আমার নাম দেবাহুতি।
- দুঃখিত, এ নামধারী কেহ আমার পরিজনবৃত্তে ঠাহর হয়না।
- তাহাতে দোষের কি হইল, ভাবিয়া নিন আজি হইতেই পরিচয় হইল। আমি
আপনার নতুন সখী! হিহিহি...
গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকা মতে উহা ছিল বিশ্বমৈত্রী দিবস। অনর্থক তামাসাজনিত কারনেই, আপন দূরাভাষ সংযোগ-রাশি-ক্রমঙ্কন সমন্বয়ের বিন্যাস বিচ্যুতি ঘটাইয়া, উদ্ভুত রাশিতে দূরাভাষ সংযোগ করিল দেবাহুতি। অতঃপর সেই যন্ত্রচালিত আহ্বানটি বভ্রুবাহনের মুষ্ঠিযন্ত্রে অবলোকিত হইয়াছিল, বাকিটা ইতিহাস।
প্রারম্ভকালীন সময়ে বভ্রুবাহন কন্যাটিকে উপেক্ষা
করিলেও, অনতিবিলম্বেই দুইজনের মধ্যে অন্তরাল মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপিত হইয়া গেল। ললনাটি
কিঞ্চিৎ প্রগলভ স্বভাবজাত ও বাচাল, তথাপি এই চারিত্রিক বৈশিষ্টটিই বিশেষভাবে মনে
ধরিল বভ্রুবাহনের। বভ্রুবাহনের সরলতায় সম্পৃক্ত গম্ভীরভাবে বলা কথাগুলিও হৃদয়াবৃত্তিতে নাড়া দিতে
লাগিল দেবাহুতির।
ইতিপূর্বে এইরূপে কোনো রমণীর সংস্পর্শে আসিবার সুযোগ
ঘটেনি বভ্রুবাহনের। বাল্যকাল হইতে মা ব্যাতিত অন্য স্ত্রীজাতি হইতে নিজেকে গুটাইয়া রাখিয়াছিল কোনো
নির্দিষ্ট কারন ব্যাতিরেকেই। সহসা অনাহূত আগুন্তকের ন্যায় তাহার জীবনে আসিয়া পরা দেবাহুতি
নাম্নী কন্যাটি তাহাকে পরিপূর্ণ রূপে বদলাইয়া দিল। হৃদয়ের অন্তঃপুরে এই কন্যার নিমিত্ত
প্রাসাদও নির্মিত হইল যতনে। বভ্রুবাহনের উপলব্ধি করিল, এই কন্যাটি তাহার আগত ভবিষ্যতের জন্য একমাত্র ভরসা যোগ্য।
সত্য সত্যই এই কন্যাটির মধুর কথাবার্তাতে একটা
নিঃসংশয় আস্থাভাব ফুটিয়া উঠিয়াছিল। মায়াবতীর ন্যায় প্রতিটি বাক্যে একটু একটু করিয়া
বভ্রুবাহনকে আচ্ছন্ন করিয়া ফেলিয়াছিল। বভ্রুবাহনেরও মানসপটে কন্যাটির পরিপূর্ণ
একটি চিত্র অঙ্কায়িত হইয়াছিল, উহা যতটা না বাহ্যিক তাহা হইতেও চিত্তগত অধিক ছিল।
অতএব আগামী জীবনটুকু অতিবাহনের জন্য জীবনসঙ্গী হিসাবে ইহার থেকে উত্তম আর কাহাকে
ভাবিতে পারিলনা উভয়েই, তাহাদের প্রত্যেকর ভাবনা জুড়িয়া অপরজন বিরাজ করিতে লাগিল
এমনভাবে যে, অন্য কাহারো প্রতি ভাবনা ও দৃষ্টিই যাইতনা।
বভ্রুবাহন দেবাহুতির অন্তিম বার্তাটির প্রতি নিষ্পলক দৃষ্টিপাত করিয়াই রহিয়াছে। চক্ষু দুইটি ক্রমশ ঝাপসা হইয়া আসিতেছিল রোদনবাষ্পের প্রভাবে, ভাবিতেছিল মনুষ্যের প্রনয় জীবন কেনইবা এমন নিষ্ঠুর হইয়া থাকে! যেন ভয়াবহ কোনো গোলকধাঁধাঁর পরিলেখতে জীবনটি চিরতরে আঁটকা পড়িয়া রহিয়াছে, যাহা হইতে মুক্তি নাই।
আজ দেবাহুতির গৃহে বিবাহঅনুষ্ঠানের আসর। সমস্ত গৃহখানি রঙ্গিন সুদৃশ্য বাহারি আলোক সজ্জায় ঝিকমিক করিতেছে। বভ্রুবাহন ভাবিতেছে, হয়ত অনতিবলম্বেই অশ্বপাল তাহার বিত্তের প্রদর্শন স্বরূপ দামি বাহনে চড়াইয়া দেবাহুতিকে তুলিয়া লইয়া যাইবে। সমগ্র অনুষ্ঠানবাটিকা শশব্যস্ত নানাবিধ অনুষ্ঠানাচারে। বভ্রুবাহন একটি অট্টালিকা স্তম্ভের কোণায় দাঁড়াইয়া নিবাসটির অঙ্গসজ্জার প্রতি স্থাণু দৃষ্টিতে চাহিয়া রহিয়াছে। আঁখিপল্লব দুইটি আজ যারপরনাই পরিমাণে দুর্বহ অনুভূত হইতেছে। অচম্বিতে বভ্রুবাহনের চলমান দূরভাষ যন্ত্রে, বার্তা আগমনী সুরটি বাজিয়া উঠিল; দেবাহুতি কিছু সন্দেশ পাঠাইয়াছে-
- আপনি কি আসিয়াছে?
বভ্রুবাহন ঈষৎ বিবেচনা করিয়া দেখিল, শিষ্টাচার বসত
যেহেতু আচারঅনুষ্ঠানে উপগত হইয়াছেই সুতরাং অন্তিমলগ্নে প্রতুত্তর না দেওয়ার মত
দুর্বিনীত হইতে অন্তর সায় দিলনা। অতঃপর জবাব দিল-
- হুম, আসিয়াছি।
-
আমি আপনাকে দেখিতে পাইতেছি। কষ্ট করিয়া ক্ষণকাল অপেক্ষার আর্জি রাখিলাম, আমি স্বয়ং আসিতেছি
সাক্ষাৎ অভিপ্রায়ে।
পাদঘন্টা মুহুর্তের মধ্যেই অতিক্রান্ত করিল
বভ্রুবাহন, অতঃপর মনোহরা গোলাপশোভিত এক অপরূপা উর্বশীসম কন্যা বভ্রুবাহনের সম্মুখে
আসিয়া মৃদুভাবে বভ্রুবাহনের নাম উচ্চারণ করিতে তার চকিতভাব কাটিল। আজিই প্রথববারের
জন্য চাক্ষুষ করিল দেবাহুতিকে, তাহা আবার রক্তিম সাজে। কি অপূর্বই না লাগিতেছে,
যেন স্বর্গ হইতে কোনো দেবী মর্তধামে আসিয়াছে, নতুবা বভ্রুবাহন কল্পলোকে বিরাজিছে। পুনঃর্বার চকিতভাব কাটিল আলাপনের প্রশ্নে-
- আপনিই বভ্রুবাহন?
- আপনিই বভ্রুবাহন?
-
আজ্ঞে আমিই
-
আপনি তো দেখছি ভক্ষ্যাদি বিষয়ে অত্যন্ত
লালস প্রজাতির ব্যাক্তি? আপন
গৃহে কি যথেষ্ট পরিমাণে ভোজন সামগ্রী বাড়ন্ত? আসুন মণ্ডপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করুন। আমিষদ্রব্য, মণ্ডামিঠাই সহ ষোড়শোপাচারে
আপ্যায়নের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা রহিয়াছে, প্রাণভরিয়া উদরপূর্তি করিতে দ্বিধা
করিবেননা।
-
তাহার আর প্রয়োজন নাই, ধন্যবাদ সাক্ষাতের
জন্য। এ অভিপ্রায়েই আসিয়াছিলাম, অতএব এবারে আমি চলিলাম, বিদায়।
- ঠিক আছে, আপনার মনোকামনাই পূর্ণ হউক। তবে একটি
প্রশ্ন ছিল, আপনার অক্ষিগোলক কি এমনই স্বাভাবিক রঞ্জিত রক্তাভ বর্ণের!
বভ্রুবাহন বাকশক্তি হারাইয়াছে, যেন কোনো অপ্রার্থিব শক্তি তাহার গ্রীবাদেশে সর্বশক্তি প্রদান করিয়া পেষন করিতেছে।
- আমাপ্রতি আপনার অনুষঙ্গ ঠিক কোন পর্যায়ের? উহাকে কি প্রণয়প্রীতি হিসাবে গ্রহন করিতে পারি?
দেবাহুতির এই বাক্যাটি শ্রবণমাত্র ভীষণ বিষম খাইল বভ্রুবাহন। মেকি হাসি হাসিয়া বভ্রুবাহন কহিল-“ নাহ, মোটেই নয়। কেন তাহা হইবে। আপনার সহিত...! সামান্যটুকুও না”।
অন্তিম শব্দটিকে, বক্ষদেশের অভ্যন্তরের দলাপাকানো
একরাশ বেদনা ও ক্ষোভ- ঈষৎ কম্পিত করিয়া দিল। সাথে সাথে দুই ফোঁটা অশ্রুও চিবুক
পর্যন্ত শিক্ত করিয়া তুলিল, যাহা দেবাহুতির অগোচরে রহিলনা।
দেবাহুতি কহিল, “আচ্ছা, প্রণয় বা ভালো না হয় না ই বাসিলেন, এক্ষণে অন্দরমহলে তো চলুন। ভোজনাদিও নাহয় একসাথে মিলিয়াই করিব, সত্বর চলুন, অবকাশ অত্যন্ত কম। বরযাত্রী আসিল বলিয়া, দিদিকে তাহারা অচিরেই লইয়া যাইবে”।
বভ্রুবাহন পেল্লাই আকারের বিষম খাইয়া ও বিহ্বল হইয়া বিস্ফোরিত চক্ষু করিয়া দেবাহুতির পানে চাহিয়া রহিল। দেবাহুতি কপট ক্রোধ প্রদর্শিত করিয়া কহিল, “ভারি অসভ্য মানুষ বটে আপনি, কি ভাবিয়াছেন, সখ্যতাও আমি যাচিয়া করিয়াছিলাম, তথাপি ভালোবাসার প্রস্তাবনাও আমাকেই করিতে হইবে? মহা বেহায়া ধরনের ধৃষ্ট পুরুষ আপনি। যে কাজ পুরুষের তাহা আমি কোনো অবস্থাতেই করিবনা, আই বলিয়া দিলাম, হ্যাঁ।
এতক্ষণে অন্তঃপুরে কনে’র ঘরে পৌঁছাইয়া গিয়াছে উভয়ে,
উপস্থিত সকলের সহিত বভ্রুবাহনকে আপন বিশিষ্ট বন্ধু হিসাবে পরিচয়ের সাথে সাথে
বধুবেশী কন্যাটিকে আপন জ্যাষ্ঠো ভগিনী হিসাবে উল্লেখ করিয়া উপর্যুপরি খিলখিলাইয়া
হাসিয়া উঠিল দেবাহুতি। যাহা বভ্রুবাহন ব্যাতিরেকে অবশিষ্ট সকলের মাঝে সংক্রামিত
হইল।
বধুরূপী হিরন্ময়ী কহিল, আমার তো গতি হইল, কিন্তু আমার
ভগিনীর প্রেমিকপ্রবরটি ঠিক কতখানি প্রণয়াশক্ত সেইটি দেখিবার জন্যই এই নাটিকার
অবতারণা, যাহা হউক আপাতত যবনিকা পরিল ভাই। তুমি আমাদের পরমাত্মীয়, ক্ষণকালের এই
মনকষ্টের জন্য বড় দিদি ভাবিয়া মার্জনা করিয়া দিও”। ঘরে পুনঃরায় হাসির রোল উঠিল।
দেবাহুতি কৌশলী দন্তবিকাশ করিতে করিতে বলিল , আমি
কিন্তু কখনো বলিনাই আমারই বিবাহ। বভ্রুবাহনের হতচকিত পরিস্থিতি অনুধাবন করিয়া আকাশ বাতাস কম্পিত করিয়া আবার সকলে খিলখিলিয়ে হাসিয়া
উঠিল। মুগ্ধতা ছড়ানো সেই হাসিতে সমস্ত
পৃথিবির যাবতীয় সুখের সন্ধান পাইতেছিল বভ্রুবাহন, সে দেবাহুতির প্রতি নির্নিমেষে
চাহিয়া অপার মুগ্ধতায় ভাসিয়া যাইতে লাগিল।
অভাগা লেখকও এমনই কোনো অযাচিত দূরাভাষের প্রতীক্ষায়, যদি পাঠককূলের কোনো সহৃদয় ললনা আকৃষ্ট হয়, অকৃতদার তকমাটি ঘুচে তাহা হইলে।
-সমাপ্ত
শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৭
।। ওয়াক থু... রাজনীতি ।।
গোরক্ষপুর নামটা আমি প্রথম শুনি শ্রীমদ্ভাগত গীতা নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখার সময়, তখন নিতান্তই শিশু বয়স। গোরক্ষপুরের একটা প্রেসে অনেক বই ছাপানো হয়, যেগুলো বড় বড় বইএর দোকানে নজরে পড়ত। এভাবেই নামটা হৃদয়ে গাঁথা।
এখন অবশ্য গোরক্ষপুর অন্য নামে শিরোনামে।
টাকা বাকি, অক্সিজেনের সাপ্লাই বন্ধ করে দিয়ে উচিৎ শিক্ষা দেওয়া গেছে। ৩০টি কচি প্রাণের কি আর কোনো মুল্য আছে?
থাকতো, যদি ওদের ভোটাধিকার থাকত। কুকুরের মত নেতানেত্রীদের কামড়াকামড়ি শুরু করে দিত লাশগুলো নিয়ে। বাছুর হলে অবশ্য তাদের জন্য বাহিনী রয়েছে।
নাহ, কেউ প্রশ্ন তোলেনি শিশুগুলোর জাত নিয়ে। সম্ভবত তারা এখনও গরু বা শুয়োর কি জানতনা তাই।
অবশ্য গোরক্ষপুরের MLA তথা প্রদেশের মূর্খমন্ত্রী কম ব্যস্ত নয়। মাদ্রাসাতে পতাকা তোলাটা অনেক বেশি জরুরী, হয়ত এটাই দেশের একমাত্র প্রায়োরিটি। ক্ষমতাতে টিকে থাকতে পুরকি প্রয়োজন। শিশুমৃত্যুতে নজর দেবার সময় কোথায়, দেশপ্রেমের মামড়িতে ঢেকে যাবে সব ক্ষত। বাপের বিয়ের বরযাত্রীতে খাঁকি হাফপ্যান্ট আর সিল্কের চেক লুঙ্গির সমযোজী বন্ধন।
বলি বেঁচেই যদি না থাকে ভবিষ্যত প্রজন্ম, দেশপ্রেম কি পোঁদে গুঁজবে?
কে জানে কাল আবার না সরকারি ফতোয়া জারি করে বলে বসে, বাচ্চাদের মাকে পাঠিয়ে দাও- "বসে *দো" প্রতিযোগিতা করে বলবে; নাও বাচ্চা বানিয়ে দিচ্ছি সম্পূর্ণ স্বদেশী বীর্য দিয়ে। মজার বিষয় হল কিছুজন এতেই এমন আপ্লুত হয়ে যাবে যে নিজেও পাছা উদোম করে দেবে পায়ুসঙ্গম করার জন্য। বিশ্বাস মিলায় বস্ত, অতএব তেজশ্বী পবিত্র বীর্য (কা) পুরুষদের গর্ভবতী বানিয়ে তুলবেনা তাতে অবিশ্বাসের কি আছে! সাধে কি আর বদল বা ষাঁড়দের জন্য আলাদাকরে কেউ ভাবেনা, তাদের অবস্থা না ঘরকা না ঘাটকা।
গরু, জ্যোতিষ, গোমাংস, দলিত, কাশ্মীর, JNU, মাদ্রাস, নোটবন্দী, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে, আচ্ছেদিন, হিন্দুত্ব, আরেকজনের নাম নিজগুনে বুঝে নিন। ব্যাস ঘড়িতে এই ভাবেই কাঁটা ঘুড়ে চলেছে মহান ভারতবর্ষের।
রাজ্যে শিক্ষিত বেকারদের মৃত্যু মিছিলে সবে নাম লিখিয়েছে দুজন, অফিসিয়ালি। মৃত্যুর পরে নিজেকে অমর করে তুলতে অনেকেই চাইবে। পিসির নেকনজরে এদের বাবা দাদা মায়েদের কেউ কেউ না আবার ভোটে দাঁড়িয়ে পরে। উত্তরবঙ্গ ভাষছে, সব্জিতে আগুন, DA নিষিদ্ধ শব্দ, বাটপারের দল দাঁত কেলিয়ে কেপমারির কথা কবুল করছে, দক্ষিন বঙ্গে ত্রান অপ্রতুল।
তিনি ব্যস্ত দিল্লি আর ভাইপো নিয়ে। ওদিকে মুকুল হেল মাড়ছে, জ্বালা কি কম!
বাম নিশ্চিন্তযাপনে সুরক্ষিত সোস্যালমিডিয়াতে, বাকিটা পলিটিবুর্যোতে। কিছু ভাষন আর লোক দেখানো শাসন ব্যাস.... লক্ষ্যহীনের বৃত্ত সম্পূর্ন। পরবর্তী ঐতিহাসিক ভুলের জন্য গভীর প্রস্তুতিতে মগ্ন।
আমি আপনিও আছি, পোষ্ট লিখছি কালেক্ষণে ঠিকিই। কিন্তু টেস্টনি, সারহা তে কি ছিলামনা? নাকি অরিন্দমে নেই? বিল্পব হচ্ছেতো।
সারাটিক্ষন সোনাপোনা আর স্বাদফেরাতে সোনাগাছি-
.........বেঁচে আছি বস, বেঁচে আছি।
ওয়াক থু: রে দেশের রাজনীতি
রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৬
অপ- দেবতার গ্রাস
(সব চরিত্র কাল্পনিক)
গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে
সহস্র তার অর্ধ, অবৈধ করেছেন নমে
কালাধন লাগি। ভক্তদল গেল জুটি
কত আবালবৃদ্ধ উমেদারি; আঁতেল-গুটি
প্রস্তুত হইল পথে।
মহা ধনপতি
মুকেশ কহিল আসি, "হে ছাপ্পান্নঠাকুর,
আমি তব কোথা যাই।' শিলপো পতি,
দুখানি শাসিত আঁখি মানে না যুকতি,
কেবল ফরমান করে--হুকুম তার
এড়ানো কঠিন বড়ো--"উপাই কোথা আর'
আমোদী কহিল তারে- "পায়ে ধরি তব'।
মুকেশ কহিল ভাবি "পাচার করি লব
যেকোনোমতে এক ধারে।' ভিজে গেল মন,
তবু দ্বিধাভরে তারে, শুধালো আমোদী জন,
"নাবালক
ভাইটির কী করিবে তবে?'
উত্তর করিল মুকু, "অনিল? সে
সরাবে
আপন বিদেশি খাতে। তারও পরে
বহুজন ভুগিবেন অনর্থক জ্বরে,
বাঁচিবার থাকিবে না আশা; আদানি এখন
আপন মাথা কুটিতেছে প্রাচীরে ঘনঘন;
মানুষ করেছে যত্নে যারা- তুমি ঘরের ছেলে;
আদরে বাঁদর করেছে সকল কর্ম ফেলে।
সুধীরও মানিবেনা বারন, করিলে শাসন
পদচ্যুত হইয়া অশ্রুজলে ভরিবে নয়ন
কোলে তারে টেনে লও। আমরা থাকিলে সুখে
রাজ্যপাট চলিবে তোমার ভারতের বুকে।
সম্মত হইল নরেন। মুকেশ সত্বর
প্রস্তুত হইল বাঁধি পয়সা-পত্তর,
সুইস ব্যাঙ্ক দ্বারে, সখাদলবলে
ভাসাইয়া সম্পদ সব-স্থলেজলে।
পোতে আসি দেখে--সেথা আগেভাগে ছুটি
যোগবাবা রুধিয়া আছে দুয়ার-'পরে উঠি
প্রাণায়াম রবে। "তুই হেথা কেন ওরে'
অমিত শুধালো; সে কহিল, "যাইব
সাগর পারে।'
"যাইবি
সাগরপারে! ওরে অনু-লোম ছেলে,
নেমে আয়।' পুনরায় দৃঢ় চক্ষু মেলে
সে কহিল দুটি কথা, "যাইব সাগরপারে।'
যত তার শ্মশ্রু ধরি টানাটানি করে
রহিল সে বিমান আঁকড়ি। অবশেষে
নরেন করুণ স্নেহে কহিলেন হেসে,
"থাক্
থাক্ সঙ্গে যাক্।'
জেটলি রাগিয়া বলে
"চল
তোরে দিয়ে আসি সাগরের জলে!'
যেমনি সে কথা গেল আপনার কানে
অমনি নরেনের বক্ষ অনুতাপবাণে
বিঁধিয়া কাঁদিয়া উঠে। মুদিয়া নয়ন
"নাগপুর
নাগপুর'
করিল স্মরণ।
শ্মশ্রু ধরি কৈপিন তুলি, তার সর্বদেহে
করুণ কল্যাণহস্ত বুলাইল স্নেহে।
আমোদীয় তারে ডাকি ধীরে চুপি চুপি কয়,
"ছি
ছি ছি এমন কথা প্রকাশ্যে বলিবার নয়।'
রামাও যাইবে সাথে স্থির হল কথা--
রতন লোকের মুখে শুনি সে বারতা
ছুটে আসি বলে, "বাছা, কোথা
যাবি ওরে!'
নরেন কহিল হাসি, "চলিনু সাগর পারে,
আবার ফিরিব, টাটা!' পাগলের
প্রায়
রতন কহিল ডাকি, "মন্ত্রইমশায়,
বড়ো যে যাচ্ছেন সেথা ফেলিয়া আমার,
কে মোরে সামালিবে? জন্ম হতে যার
করেছি লালন, সামান্য চাঁদা কোথাও--
দিইনি এমন নাই , সেগুলি ফিরৎ দিয়ে যাও।'
নরেন কহিল, "রতু, যাইছি
সাগর পারে,
আবার ফিরিব আমি।' বিপ্র স্নেহভরে
কহিলেন, "যতক্ষণ আমি আছি ভাই,
তোমার রাখাল আমি, কোনো ভয় নাই।
এখন নলখাগড়ার ভীর ক্ষিপ্ত জনপদ,
অনেক কালাধনীর মেলা, পথের বিপদ
শেষ নাই; যাতায়াত একটি হপ্তা কাল,
তোমারেও লইয়া যাব, আমি তোমারও রাখাল।'
অলীক ভাষনবাজ, জাপান দিল পাড়ি,
হয়রান হইল সবে যত নরনারী
অশ্রুচোখে। হেমন্তের প্রভাতশিশিরে
হা হুতাশ করে দেশ গঙ্গানদীতীরে।
**************************
(কবিগুরু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেবতার গ্রাস উন্মাদের গ্রাসে)
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...

