ছেঁড়া কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছেঁড়া কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

।। কামনা ।।



গ্রীবাদেশ ছুঁয়ে ওষ্ঠচিহ্ন, উতপ্ত প্রশ্বাস
আঙুলেরা বিলি কাটে চুলের খাঁজে
অনতিদূরে অনাবৃত নাভিকূপের ইশারা
নাক ডুবে আছে বক্ষবিভাজিকা মাঝে
অবিরাম বাদলধারা ঝিরিঝিরি, গোপন
প্রবাহে শিক্ত পদসন্ধিস্থল, মন প্রান,
স্ফিত বক্ষমাঝে সঞ্চিত অমৃত, কলসদ্বয়
সুতীব্র অভিঘাতে সুডৌল, সুখের স্রাবস্নান
শিথিলতা গ্রাস করে মেরুদণ্ড বেয়ে
কামনার অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত হৃদে
পরবর্তী কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি
ক্লান্তিহীন আশ্লেষ , অতৃপ্ত লালসার খিদে।
জিহ্বার অগ্রভাগে কামোদ্দীপ্ত চুচুক
লালায় ভেজা সর্বাঙ্গে তড়পানি
বৈদ্যুতিন শিহরনে মত্ত মাতাল মুহুর্মুহু
ভগপোস্থের যুগপৎ মেল, সুখের রাজারানী।
শিথিলতা গ্রাস করে প্রেম, মেরুদণ্ড বেয়ে
কামনার অগ্নিশিখা তবু প্রজ্জ্বলিত হৃদে
পরবর্তী কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি
বিরামহীন মেদুরতা, অতৃপ্ত কামনার খিদে।

সোমবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৮

।। একটি শীতকালীন ছ্যাঁচোড় ।।

হিম পরেছে উঠোন জুড়ে
শীতল আবেশ ছেয়ে,
ছুঁয়ে দেখ আমি আজও বেঁচে
তোর প্রেমে, ও মেয়ে।
তোর বক্ষ মাঝের উপত্যকায়
ছিল, অনুভুতির চাষ;
ও মেয়ে তুই নিড়েন দিলি
হল আমার সর্বনাশ।
কোমর বেয়ে নাভিপদ্ম,
যেথা সুখের বসবাস;
সেখানে আজ অনুপ্রবেশ
জবরদখল, খাস।
নিঃশ্বাস জুড়ে ছিলাম আমি
তোর শিক্ত ঠোঁটের খাঁজে;
অনিঃশেষ জিহ্বা বিলাস
বিনি সুতোর সাজে।
কাম রসেতে সাঁতার কেটে
রাত সাগরে পাড়ি,
সোহাগপুরের সাকিন ভুলে
কেমনে দিলি আড়ি?
ও মেয়ে তুই কই হারালি
কোন সে অন্ধ বাঁকে!
আলিঙ্গনে বাঁধব কারে
দুইটি বাহুর ফাঁকে?
কঠিন শৈত্য, আপন হারা
মৃত্যুময় এ বাঁচা,
গচ্চা যাবে বসন্তদিন
শূণ্য হৃদয় খাঁচা।
তোর, চোখের শাসন ফিরুক আবার
প্রখর গ্রীষ্ম বেয়ে!
চেনা ঘামের গন্ধ মেখে.....
শুনলি কি! ও মেয়ে?
________________
মিস্ত্রিঃ উন্মাদ হার্মাদ

বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮

।। অলস কাব্য- ১ ।।


শ্রাবনের ঘনঘটা, মুখ ভার আকাশের,
প্রিয়তমা, তোমারও....

সাজানো উপবনের রেকাবি জুড়ে
 
রোজই প্রেমের হাট বসে.. আজও পৃথিবী জুড়ে।
চোখ ছোঁয়া প্রেম শরীর ছুঁয়ে শেষও হয়-
আদুর পায়ে মাড়িয়ে চলা বর্ষাস্নাত ঘাস, 
বিলয়িত হয়েছে সময়ের কাছে
বোঝোনি তুমি কি হারিয়েছো
খুশি হওয়ার চেষ্টাতে সুখের দিন অতিক্রান্ত

তবে তাই হোক...

তোমার ঠোঁটে ছুঁয়ে থাক অপবাদের পরত
তোমার হাসির কারণ হোক কান্না লুকানোর প্রয়াস,
 
পায়েপায়ে বয়ে নিয়ে চলা দলাপাকা অনিষিক্ত স্বপ্নেরা।
যাকে দেখা যায় কিন্তু চাখা যায়না, তোমারই মতো।
তবুও অন্তরের অন্তস্থলে তোমার বিপণি জুড়ে ছলনার বিজ্ঞাপন,
 
আলিঙ্গনে রোজ নতুন ঘামের গন্ধের দ্বৈধীভাব-

প্রেম- তবুও তুমি ধন্য, তোমায় সাধুবাদ।
নিরুদ্দেশের যাত্রী করেছো, বিকলনে জীর্ণ
পরিপত্র বিনাই হারিয়ে যাবো টুক করে
অনেকের মতো স্মৃতিতে রয়ে যেতে-
তোমাদের ভালো থাকার জন্য উৎসর্গীত যে জীবন
হাসিটুকু থাক শেষদিন পর্যন্ত জিয়ানো
 
এতটুকু আত্মত্যাগ যে নিয়তিরই লিখন।

আমাকে খুঁজে পাবে প্রতিটি তৃষ্ণার্ত অনুভবে
প্রেম তুমি বেঁচে থেকো আমার ডাকনামে।


শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

।। মৃত্যু ও উৎসব ।।

আর্তনাদে বিষণ্ণ বাতাস
শহরের নাম শব,
বুকফাটানো চিৎকার, সন্তানহারা মা
স্বজনহারা সাথী, অনাথ শিশুর দল;
হাহাকারে ভাসে প্রতিশ্রুতি
লাশঘরে উঠে রব...।

এদেশে, মৃত্যুর নাম উৎসব।।

হাসপাতালে অজানা জ্বরে
দিনগোনে রোগী সব,
হাড়মুড়মুড়ে, প্লেটলেটস কম- ছটপটানি
ছেড়ে দেওয়া দম- আরো কত্তোকি 
চিকিৎসাবুলি। লাগে...
শ্মশানে গোরে'তে পরব।

এদেশে, মৃত্যুর নাম উৎসব।।

নিয়ম মেনে দুগগা পুজো
ঈদ বড়দিনে ছন্দ,
সেই নিয়মেই সীমান্তে রোজ
দু-চার জনের জীবনের খোঁজ
শহীদ সাজে থামে;
সেনার বেশে আত্মাহুতি, রাষ্ট্রের মুখবন্ধ।

মৃত্যু মানে এদেশে শুধু, উৎসবেরই গন্ধ।। 

আমার ধর্ম সেরার সেরা
অন্য ধর্ম মিছে,
রোজ হানাহানি, ভোট মেরুকরণ
পেটে নেই ভাত, বেয়াড়া ভাষণ
সাধের গণতন্ত্র;
রাজনেতা- আসলে আস্তিন তলে বিছে।
 
এদেশে, উৎসব আসে মৃত্যুর পিছে পিছে।।

যত দায় সব নির্বাচিতের
‘আমি’ই শুধু সত্যি-
নেব সবই, দেবনা কিছু,
লালসার যানে করব পিছু,
প্রাপ্তি আমার অধিকার;
যোগানের কাছে চাহিদা তো একরত্তি।

এদেশে, মৃত্যুই উৎসবের উৎপত্তি।।

মৃত্যু মেশে উৎসবেতে
উৎসবে রতি-সঙ্গীত-
সময় বয় নদীর সাথে
দেশ তবু সেই একই খাতে
আমিও স্থবির দখলে;
এটা যুগ যুগ ধরে ঐতিহ্যের রীত।

তাই এদেশে, মৃত্যুই উৎসবের ভিত।। 

শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

।। ক্ষুধার বিজ্ঞাপন ।।

কোটরগত কিছু চোখ, কঙ্কালসার দেহ
তাতে অতল কিন্তু নিষ্পাপ চাহনি;
সামনে সাজানো কিছু খাবারের পসরা
চেয়েথাকা লোলুপ দৃষ্টি, সামনে মাহাদানী।
খিদের কাজলে চোখ সাজো সাজো
জঠর পারেনা করতে ফারাক,
কোনটা দয়ার দান, কোনটা উচ্ছিষ্ট
নিকুচি করেছে বিপ্লব, ক্ষুধা নিপাত যাক।
গোগ্রাসে গেলে কন্ঠ, এঁটো হাত অভ্যাসে যায় মুখে;
সন্ধানী দাতা, আপন ডঙ্কা বাজিয়ে
আঁকে অসহায়তার ছবি, এঁটো হাত খুঁজে ফেরে ছুঁতো
বিনিময় সুখের লেনদেন, ইজেল সাজিয়ে।
মুখের স্বাদে মন ভরে, পেটে চেনে শুধু দানা;
খিদের জ্বালা মিটলে, সইতে রাজি
দাতারূপী দানব কুলের ধর্ষকামী হানা।
শরীর তো কোন ছার, গোটা জীবনটাই বাজি।
খেয়ে সুখ! নাকি খাইয়ে? বিবাদ চিরন্তনী
বৃহন্নলার দল খুঁজে ফেরে আত্মরতি
বিজ্ঞাপনে ক্ষুধার সাথে ছবি, ফলাও করে-
আসলে বেশ্যালয়ের সিঁদুরমাখা সতী।

বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭

।। খাস ।।

মুহুর্মুহু বিষের কামড়, বুকে হলুদ শিটে;
মিষ্টি মধুর যন্ত্রনা সুখ, কাটছে পিরিত কীটে।।
সারাটা রাত ভীষণ রমন, শরীর রতিক্লান্ত
নিঙ্গাড়ান বা ফুলেল সজ্জা, সবটাই দুর্দান্ত।।
এক পশলা বমির ভয়ে, ঘাবরে গেলি 'মন"!
লাশটা, তোরই ছোঁয়া খোঁজে -আজও সারাক্ষণ।।
কেন যে তুই হারিয়ে গেলি, আমায় ফেলে একা
শুকনো চোখে স্বপ্ন বাঁচে, মিলবে চোখের দেখা।।
তোর জন্যই দিন গুনছি, বাঁচিয়ে রেখে শ্বাস;
জীবন জুড়ে বর্গা চাষে, নিজের জমিই খাস।।

মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭

।। সুখ ।।

সুখ; তুই ছিলি ভীষন দামী
একলা মনের ঠাঁই 
আজ, জ্যান্ত শুধু কাগজেকলমে 
মেখে সোহাগের ছাই।

সুখ; তোর মনের ভাঁজে; খাঁজে খাঁজে 
লুকিয়ে রাখা উষ্ণতা
কিভাবে তোকে বোঝায়! আমার
ফুরিয়ে গেছে কথা।

সুখ; চাইনা তোর গঠনমূলক 
আদরের কথা বলতে
মানমন্দির আঁধার কালো
শ্মশানভূমির সলতে।

সুখ; আজ শুধু হাঁতরে খুঁজি
কোনখানটাতে ভুল
ফারাকটা শুধু বড্ড বেশি
মিলবেনা দুই কুল।

।। মু-ক্ত ।।

মুক্ত আমি ভুবনডাঙায়

প্রযত্নে: স্বাধীনতা
যেথা খুশি সেথা যাব
ভাবনা অযথা।

আমি সমর্থ আমিই সত্য
মোর পিছে অবশিষ্ট
খামবন্দি অভিভাবক ছাপ
আত্মিক সন্তুষ্ট।

অর্থ আছে গুনও আছে
রয়েছে রূপের জোর
অভীষ্ট লক্ষ্য পূর্ণ যখন
প্রয়োজন কি তোর?

সোমবার, ৮ মে, ২০১৭

।। আরশি ।।

কখনও কি মুখ দেখেছো আরশিতে!
বেগুনি আলোর আলোয়ান পরে!
আদুর গায়ে কোন জোৎস্না ভেজা রাতে
আচম্বিত শিহরণে; ধু ধু চরাচরে।
 
কাছ থেকে দেখো, মনযোগী হয়ে অন্তত একবার 
ভরষা হারানো এ মুখে হাজার ক্ষত
আত্মাহুতি হয়তবা হবে, বেদনার বিষাক্ত উপসম
কি এসে যায় খোয়ালে একে, মিলবে কতশত।
 
প্রানে সুখ নাই, তাই লিখি এ কাঁদুনিগাথা
সেটা হারাবে কালের অন্তরালে,
ধিকিধিকি বাঁচা, সুদিনের আশে অনন্ত অপেক্ষা;
নিরবে কিস্তিমাৎ, অসংখ্য ভুল চালে।
সীমাহীন ক্ষুধা জঠরে জ্বলে, শুন্য ভাঁড়ারখানি
সোহাগের ডালি ফেঁপেছে অকারণ
নিষ্পাপ ফুল অবুঝ তারা, জানেনা কি মরণ
শুষ্ক চোখে গুজরান করে, শুকানোর দিনক্ষণ।
কালবোশেখি চাল কেড়েছে, হাল করেছে দৈন্য
এই অপেরার দর্শকেরা, নির্বাক ও মৌন;
ফিরলে সুদিন আসবে সবে, যিনি পাঁজরার অংশ
মনে মনে মিল, মননে মননে; বাকি সবটাই যৌন।


বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭

।। আঘাত ।।



ওরে ধর্মোন্মাদের দল!
অনুভূতি তোদের কোথায় থাকে বল
যার আহত হওয়া দোষ!
সেটা কী মায়ের ভরা গর্ভ, নাকি বাপের অন্ডকোষ?
যেখানে ধাক্কা লাগতে মানা-
ধর্ম মানে ধারণ করা, নেই বুঝি তা জানা!
আমরা জানি অনুভূতিদের মনের গভীরে বাস,
ষড়রিপু ঘেরা আবেগ চেতনা, মানবীয় গুণ খাস।
আছে তোদের ওসব কিছু? ওরে তোরা জীবন্ত লাশ!
ধর্মের বিষ বিকিকিনি করে জোটাস মুখের গ্রাস।
ধর্ম শেখায় সেবাযত্ন, ধর্ম মানবিকতা,
তোদের ধর্ম হিংসা বিভেদ এক্কেবারে যা তা!
আমার ধর্ম মানব ধর্ম, তোদের সবটা ভুল
পরিচয় যার টিকি আর দাড়ি, সেই ধর্মই চুল।
লোমের ধর্মে নিমজ্জিত, তোরা বেল্লিক বজ্জাত
লোম চুল জানি অনুভূতিহীন, কিভাবে তাতে আঘাত?
ধর্ম তোদের হানাহানিতে, গরু শুয়োরের মাংস
আসলে তোরা সমাজের কীট, আহাম্মকের বংশ।

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭

।। দোষ।।



সমাজের বুকে লক্ষ সমাজ, অন্ধআবেগ চাষ
স্বার্থবিকারে বিবেক বন্ধ্যা, লাশেদের ভীড়ে বাস।

হে কবি!
কাব্যে কি শুধুই প্রেম প্রকৃতি! তার উল্টো পিঠে যে ঘৃণা!
কিভাবে কাব্য জীবন হবে! সমাজদর্শন বিনা?
তাই বারংবারে ঝলসিয়ে উঠে তোমার কলম অসি
চেতনা এখানে পচাগলা লাশ,
সুতরাং তুমিই আসল দোষী।

কেন খোঁজো দাগ আলখাল্লায়, কেন ত্রিশূলের খন্দ
কেন তুমি নও আমাদের মত, চেতনার ঘরে অন্ধ?

হে কবি!
তুমি রাজরোষে ডোবো আঁধার কাব্যে, লিখে নৈতিক হাহাকার
কেন তুমি শুধু সত্য দেখাবে, তোমার সাকিন কারাগার!
তুমি শুধু লেখো সাজানো কথা, রূপকথা রাশি রাশি
কেন তুমি লেখো বিবেকের কথা!
সুতরাং তুমিই আসল দোষী।

তোমার ভাবনার ঘরে দৈনন্দিন, এমনই মূর্তি গড়ো
লাঞ্ছিত বোবা জাতির মুখে বারুদের ভাষা ভরো।

জীবিত মননে ছবি আঁকো কবি, যার নেই কোন প্রতিকল্প
তফাৎ গড়েছো শিরদাঁড়াতে, যেথা চাটুকারিতাই শিল্প।
কানা বিশ্বাস প্রসবিত করে, শুধু মৌলবাদ আর রোষ
কবি, তুমি উপশম দাও কলম পথ্যে,
নতুবা তোমারই সব দোষ।

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। ফেরিওয়ালা মন ।।

ইচ্ছে ছিল কবি হবো
গালিব তোর জন্য
সুখ বেচে তাই শান্তি কিনি
জীবনটা আজ পন্য
অন্ধ আবেগ গ্রাস করেছে
হিতাহিত জ্ঞান শূন্য
ষড়রিপু ঘেরা জীবন খাতায়
অশ্লীল পাপপুণ্য
এক শরীরে কত শত মন
শত মনে শুধু শরীর
মন খুঁজে চলা শরীরে শরীরে
শরীরি শবের ভীর
আমি প্রেম ফেরি করি ফিরি
লাশেদের ভীরে
সুখ লুন্ঠন সুলভ মুল্যে
মন লেনদেন ঘিরে

বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

।। তোর জন্য ।।

তোর আবেশে মোহাবিষ্ট 
ব্রণ ওঠা যৌবন
কামগন্ধি কল্পনাদল
খোয়াবনামার ধন।
কিরূপে হেরিব তোমায় সখী
পুষ্পিত আঁখি পল্লব 
চুম্বন আঁকি ললাটে যতনে
শিহরিত ওষ্ঠরব
কলঙ্ককে আপন করে
সাজলি অলঙ্কারে
লাজ হারাবি অলক্ষ্যেতে
মন দিয়েছিস যারে।
যদি অঞ্জলী দিই তোর পায়েতে
খুব কি হবে ক্ষতি!
তোর মাঝে দেখি দূর্গা কালী
লক্ষ্মী সরস্বতী।
ভালোবাসি আমি ভালোবাসো তুমি
সাক্ষী প্রতিটা রাত
গাঢ় প্রেম দিয়ে বাঁধি আশ্লেষে 
অধরেতে থাক সাথ
এই তো আমার অহঙ্কার 
হার না মানা হার 
তোর গলেতে পরাবো আমি
এটাই জীবন সার
কিছু সম্পর্ক এমনতর
ছুঁয়ে দিলে পোড়ে হাত
মিলনঅনলে পুড়ুক হৃদয়
দুই কুলে এক সাথ
তোর বুকে রাখা গোপন ব্যাথা
যদি আমায় ছুঁতে দিস
যতটুকু বিষ আমার অধরে
সবটুকু তুই নিস
মোর কামনাতে অমৃত ঢেলে
আগুন জ্বালিয়ে দিলি
আমার বিষেতে ছারখার হতে
কোথায় লুকিয়ে ছিলি!
যতটুকু মোর বাকি আছে প্রান
তোর জন্যই পন
সুখের সাগরে ভেষে যেতে হলে
থাকিস সারাক্ষণ
নাকে নাক রেখে উষ্ণতা নিবি!
চোখে চোখ রেখে ডুব
যদি মিশে যাস আমার বুকেতে
আদরে ভেজাবো খুব।

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৭

।। অনর্থের ছড়া ।।

যতই লুকাস সলাজ আঁখি
ঢেকে কালো কাঁচে
এটা জানিস, তোর বুকেতেই
উন্মাদটা বাঁচে।

হতভাগ্যের বন্ধু অনেক,
আরোপিতে উপদেশ
তেমন মানুষ দুষ্প্রাপ্য,
যিনি শুনবে শুরু-শেষ

অল্প অল্প ভালবেসেছি,
বাকি সবটাই নেশা
প্রেমের খেলায় ডিগ্রিধারী,
মন লেনদেন পেশা।

সাগরে মিশলে সঙ্গম হয়,
নাকি সঙ্গমস্থলে সাগর
পলি জমে জমে দ্বীপ হয়?
নাকি দ্বীপ ক্ষয় হয়ে চর

কান্না যখন দলা পাকিয়ে
গলার কাছে রয়
না বলাদের ট্রাফিকজ্যামে,
রুধির ধারা বয়

একটি শ্বাসে তুফান হানে
এক চাহনিতে ঘোর
শরীর জুড়ে বিজলি খেলে
একটি ছোঁয়ায় তোর।

গোলাপ ঠোঁটের বাঁকা হাসি
ভ্রু পল্লবে অসি
ঢেউতোলা ওই কালো চুলে
ললাট অর্ধশশী।

তোর মনেরই বদ্ধ ঘরে 
ঢুকিয়ে আমায় নিলি
রুদ্ধ করে রাখলি তব
সোহাগ ভরে দিলি

তোর অনাবিষ্কৃত হৃদয় খনি
প্রেমটা বড়ই বন্য
লালন করে রেখেছিলি কি
উন্মাদেরই জন্য!

লকেট হয়ে বুকের মাঝে 
থাকব বিভাজিকায়
নিজের মত আকাশটাকে
সাজাস নীহারিকায়।

তোর প্রেমেতে মত্ত পাগল
হৃদয় মাঝে খাদ
সোহাগ দিয়ে পূর্ন রাখিস
তোর লাগি উন্মাদ।

চলনা আজ মন্দ হয়ে
মন্দ মন্দ খেলি
ভাল সেজে জীবনটিভর,
বলনা কি তুই পেলি?

প্রেমের ঋনে ডুবতে রাজি
দেউলিয়া আজ প্রান
সুদের সুদে রাঙাবো তোকে
রইল বাজি জান

সারাটা দিনে রুজির টানে
যন্ত্র শরীর, শব
তোর বুকেতে রাখলে মাথা
রোমে রোমে বিপ্লব

রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৭

।। হিসাব ।।

আমি রয়েছি তোমার
প্রতিটি অনুভবে।
আর তুমি রয়েছো গোটা
আমাকে জুড়ে

কিসের তরে রাত্রিবিলাস
কোন সে সুখের খোঁজ?
হিসেব কষে মিলবে কভু
কি পেয়েছি রোজ?

কিছুটা স্বপ্ন তুমি বোনো,
কিছুটা দিই আমি
শূন্য চোখে ঘুম আনাটা
ভীষন রকম দামি।

শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৭

।। কম্পাস ।।

তখন এমনই এক শীতের শুরু
হন্যেহয়ে খুঁজে ফেরা আশ
একটি কুকুর, রাত্রি দুপুর, নিখুঁত অঙ্ক
ফুরফুরানো একটি কম্পাস।
জীবন খাতার জ্যামিতিক আঁক
তবুও চিত্রনাট্যে ভুল
একটি মরা বাগানের মালিনী সে
সাথী একটি সতেজ ফুল।
সরল রেখা কম্পাসেতে? আমোলো যা-
তাও কখনও হয়কি!
গোল গোল করে বৃত্ত আঁকে
গোলক সরল নয়কি?
অবাধ হাঁসি বাঁধ মানেনা
হৃদয় ভর্তি কষ্ট
হাসির মুখোশ ভেদ করলে
যায় যে দেখা স্পষ্ট।

ভনভনানো ব্যাথার মাছি
তবু, কল্পনারই চাষ
সঙ সেজেছে সংসারেতে
সেই জীবন্ত কম্পাস।

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...