কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ফ্যাসিজম ও আজকের পৃথিবী
বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩
অভিযোগ বিহীন সম্পর্ক
অভিযোগ বিহীন সম্পর্ক অনেকটা লবণহীন তরকারীর মতো, যেটাতে কোনো স্বাদ পাওয়া যায় না। যদি দুটো মানুষই একে অপরের খোঁজ না নিয়ে দিনের পর দিন কাটিয়ে দেয়, আর সেইটা নিয়ে যদি একে অপরের মাঝে কোনো অভিযোগ না থাকে, তাহলে সেই সম্পর্ক একদিন বিচ্ছেদে গড়াবেই। অতিরিক্ত অভিযোগ যেমন লবণপোড়া অখাদ্য, তেমনই হিমশীতল সম্পরর্কের আয়ুও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনা। পরিমিতবোধ এটার জন্য জরুরী, কোনটা আমার আর কোনটা আমার নয়। কোনটা দীর্ঘস্থায়ী আর কোনটা ক্ষণস্থায়ী। কোনটা দায় আর কোনটা দায়িত্ব, এই সুক্ষ বিষয়ের মধ্যে দিয়েই হিমালয়সম সুউচ্চ মায়া, সমুদ্রের মত গভীর প্রেম- ভালবাসার সকল বড় বড় প্রতিশ্রুতি উবে যায় কর্পূরের মত।
যে মানুষটা তোমাকে ভালোবাসবে, সে অভিযোগ করবেই, কারণে অকারণে অভিযোগ করবেই, খোঁজ নিলেও করবে, না নিলেও করবে। হ্যাঁ, এটাই ভালোবাসার ধর্ম, পজেসিভনেস বা অধিকারপ্রিয়তা সম্পর্কের আশির্বাদ। দুটো মানুষের মাঝের দৃষ্টিভঙ্গির কারনে এর রূপ নানা ভাবে ধরা দেয়। যারা একে অপরকে ভালবেসে সম্পর্কে জড়ায়, তাদের প্রথম প্রয়রিটি তথা অগ্রাধিকার যদি একে অন্যের প্রতি না হয়ে- পেশা, বা অন্য তৃতীয় কেউ হয়– হতে পারে সেটা বাবা, মা বা অন্য নিকটআত্মীয়, কিম্বা সন্তানই সই, সেই সম্পর্ক শুকিয়ে যাওয়া সময়ের দাবী। ক্রমশ টানহীনতা অনুভব করবে উল্টদিকের মানুষটা, আর এর রাশ টের পাবে অন্য মানুষটাও, যে ভালবাসার মানুষকে উপেক্ষা করে বাকি পৃথিবীকে দায় বা দায়িত্ব ভেবে অস্থির হয়ে রয়েছে। সম্পরর্কের মাঝে টান কমে আসে, দূরত্ব বাড়ে, যোগাযোগ কমে যায়। টানহীন সম্পর্ক হচ্ছে ছাদহীন ঘরের মতো, যেখানে একে অপরের জন্য টান নেই, মায়া নেই, সেখানে সম্পর্কের কোনো মূল্যও নেই। এ সম্পর্ক মৃত, আর মৃতের শুধুই সৎকার করা যায়।
ভালোবাসার বিপরীতে মানুষ অভিযোগ করবেই, অল্পবিস্তর সন্দেহ থাকাটাও সুস্থতার লক্ষণ, এতে করে ভালবাসার গভীরতা প্রকাশ পায়, সাথীকে হারিয়ে ফেলার ভয়ের অস্থির একটা মধুময় ভাবের চিত্র ফুটে উঠে, কারন ভালোবাসা এখানে গভীর থাকে। যেখানে কৈফিয়ত দেবার প্রয়োজন নেই, যেখানে অভিযোগ নেই, যেখানে সন্দেহ নেই, যেখানে অধিকারপ্রিয়তা নেই, সেখানে ভালোবাসাও নেই। পরে থাকে শুষ্ক মৃত সামাজিকতা, আর যেচে নেওয়া কিছু দায়- বস্তুত যা ছিল একান্ততই অপ্রয়োজনীয় দুজনের সম্পর্কের মাঝে। মৃতের সাথে সংসার হয়না, সহবাস হয়না, ভালবাসাও হয়না, শুধু সৎকার হয়।
একটু খোঁজ না নিলে যে মানুষটা অভিযোগ করত, একবেলা ফোন না করলে বা না ধরলে যে মানুষটা রেগে বেহুঁশ যেতো, সে তোমাকে ভালোবাসত বিধায় এমনটা করত। মানুষটা তোমার আরও কাছে যাবার আশায় অভিমান করত, তোমার এ্যাটেনশন পেতে চাইতো। যেদিন ভালবাসা মরে যায়, মাস ঘুরে বছর গেলেও সেই ফোন না করা বা না ধরা নিয়ে আর কোনো মানবিক বিকার মনের পটে দাগ কাটেনা। স্নায়ু আর সেই উত্তেজনা বোধ করেনা, কারন কমিটমেন্ট যেখানে মরে যায়, সেই সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক শ্রাদ্ধ শান্তি করে মৃতদের তালিকাতে নাম লেখাতে হয়, সময়ের দাবী মেনে।
সত্য হচ্ছে, যেখানে অভিযোগের কদর পাওয়া যায় না, সেখানে মানুষ থাকতে চায় না, অভিযোগ ছাড়া কোনো সম্পর্ক হয় না, মনের চাওয়া পাওয়া থেকেই মানুষ মূলত অভিযোগ করে। ভেবে দেখো তো, আজ যে মানুষটার অভিযোগ তোমার কাছে বিরক্তিকর মনে হচ্ছে, কাল সেই মানুষটা অভিযোগ করা বন্ধ করে দিলে তখন পরিবর্তনটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? হ্যাঁ, একসময় অভ্যস্ত হয়ে যাবে সেই নতুন জীবনে, হত নতুন কেউ আসবে, কিম্বা গতানুগতিক ধারাতে চলবে। কিন্তু ফেলে আসা অনেক স্বপ্নের সম্পর্কটাকে কবর দিতেই হবে, কারন অবহেলার আঁচে এতদিনে সে মৃত। আর মৃতকে ঘরে ফেলে রাখলে সে দুর্গন্ধের ছাড়া কিছুই দেবেনা।
যে মানুষটা ভালবাসে, কদর করে, তার অভিযোগ, অভিমান, রাগ সবকিছুর সমান গুরুত্ব দাবী রাখে। নতুবা যে ‘দায়’দের জন্য এই অভিযোগ, উপযোগের, মিষ্টি মধুর তিক্ততা থেকে দূরে গিয়ে সম্পর্কটাকে মেরে ফেলা হয় অবহেলা দিয়ে, সেই ‘দায়’রা আগামীতে নিজেদের জীবনে সেটেলড হয়ে তোমাকে নিয়ে আহা উহু করে খানিকটা করুণা দেখাবে বড়জোর। আর তখনকার তুমি খানিকটা অভিযোগ শোনার জন্য, খানিকটা ফোনের আশায়, খানিকটা সেই টক মিষ্টি তিক্ততার আশাতে হাপিত্যেশ করবে চাতকের মত শেষ নিঃশ্বাস অবধি। কারন তুমি জানো, তুমি খুন করেছো সম্পর্ককে মিথ্যে ‘দায়’ এর অজুহাতে, নিজেকে, নিজের সুবর্ণ রঙিণ অতীতকে আর একটা দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় আগামীকে। অন্যের সুখ দেখে, ভালবাসাময় ঘরগার্হস্থ্য দেখে হাহাকার, ঈর্শা আর লোভটুকুই দৈনন্দিনের সাথী হবে।
ভালবেসে যে একদিন বেহায়া
হয়েছিল, দুনিয়ার প্রতি অন্ধ হয়েছিল, তারও চোখ খুলে দেয় সময়। গুরুত্ব পাচ্ছেনা জেনে
সে চিৎকার করতে থাকে, অপরাধ নেই জেনেও ক্ষমা চায়, কারন মায়ায় ঘেরা স্মৃতির জঙ্গলে সে
হাঁসফাঁস করতে থাকে। ভালবাসাকে লালন করাটা বড় জরুরী, তাকে যত্নআত্তি না করলে, তাকে
অভিযোগ- অনুযোগ আর অধিকারপ্রিয়তার মসলাতে না নিত্য সেঁকলে একদিন
সে মরে যায়, সৎকারের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে নেয়, আর সেটা ছবি হয়ে যায় একদিন। ভালবাসা
এমন এক অনুভবের নাম, যা মানুষকে দিয়ে সব করাতে পারে, জীবন দিতেও পারে, নিতেও পারে।
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
মূর্খ নির্লজ্জ হলে সাংবাদিক হয়
এটা একটা জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল এর খবর।
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
নোট বন্দি খেলা- রহস্যটা কোথায়?
‘ব্ল্যাক মানি’র গল্প শুনিয়ে তথা অসদুপায়ে উপার্জিত অর্থকে
নিয়ন্ত্রণ করার নামে ২০১৬ সালে ভক্ত সম্রাট মোদীজি নোট
বন্দি করেছিলেন। সে সময় কোটি কোটি টন নিউজ প্রিন্ট সহ, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া হোক বা সোস্যাল
মিডিয়া- সর্বত্র হাহাকার পরে যাওয়া বিভিন্ন
ধরনের বিষয়গুলো সামনে এসেছিল পক্ষে বা বিপক্ষে। অবশ্য এমন অবিবেচকের মত কোন
উদ্দেশ্যে কিছু (মোট জন সংখ্যার ১-২% বড়জোর) অসাধু ব্যবসায়ী-আমলা- রাজনীতিবিদদের জন্য
দেশের আমজনতা কেন এই চরম নারকীয় ভোগান্তির শিকার হবে!
প্রশ্ন করতে গেলেই “হামারে জাওয়ান সিয়াচেন মে লড় রাহা হ্যায়” জাতীয় কথাবার্তা সামনে আনা হয়েছিল বিজেপির প্রোপাগান্ডা মেসিনারি দ্বারা, এবং নাগপুর নিয়ন্ত্রিত দিল্লি কেন্দ্রিক টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা। সেই সময়ে আমি বহুবার বলার চেষ্টা করেছিলাম- এখানে একটা দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র রয়েছে। জানিনা সে সময় কতজনের মাথায় ঢুকেছিল, আমাকে পাগল ছাগল ভাবেনি এমন মানুষের সংখ্যাই বেশি ছিল।
গোটা বিশ্বজুড়ে ওয়াল্ড অর্ডার নামে যে বিষয়টা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে তার অন্যতম কান্ডারী বিল গেটস তা আজ প্রমানিত সত্য, গত করোনাকালে সময়ে আমরা না ভাবে এই বিল গেটসকে দেখেছি চিকিৎসা ব্যবসায়ী কিভাবে পয়সা লাগিয়েছে। আপনার আশ্চর্য হয়ে যাবেন যদি একটু নিজেরাই গবেষণা করেন তাহলে দেখতে পাবেন আশি খানা দেশের সরকার যারা এই এক বিশ্ব শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তাদের মূল ফাইন্যান্স স্যার হচ্ছে বিল গেটস। এদের উদ্দেশ্য কি উদ্দেশ্য একটাই মানুষের সম্পদকে নিয়ন্ত্রণ করা? ২০১৬ এর আগে UPI কোন বিষয় আমাদের কোথাও ছিল না অথচ আজকে দিনে দাঁড়িয়ে ইউপিআই ছাড়া google pay ফোন-পে ইত্যাদি বাদ দিলে জীবনটাই যেন অন্ধ হয়ে যায়. এটা করে আমাদের সুবিধা হয়েছে বিস্তর কিন্তু তলে তলে ক্ষতির পরিমাণটাও কম কিছু নয়।
আগে আপনার হাতে সম্পদ থাকলে আপনি সেটা দেখতে পেতেন, আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকতো। আজকে এই 500 টাকা আর হাজার টাকা ডি-মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আপনার কাছে আপনার মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে ক্যাশ টাকা রাখা দেবে যাবে না। শিকারি সেটারই সিকুয়েল হিসেবে আজ ২০০০ টাকার নোটও ব্যান করে দেয়া হলো। এতে করে মানুষ আরো ডিজিটাল কারেন্সির দিকে ঝুঁকে যাবে। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন সরকার চাইলেই আপনার একাউন্ট ব্লক করে দেবে। রাতারাতি ফকির হয়ে যাবেন। কয়েক মুহূর্তে হ্যাকিং এর নাম করে যেকোনো দাদাগিরি কোন সংস্থা আপনার অ্যাকাউন্ট জিরো করে দিতে পারে, কারণ আপনার কাছে সম্পদ বলতে খাওয়া দাওয়া সামান্য টাকা আর একটা বাড়ি গাড়ি।
সম্পত্তি হিসেবে স্থাবর কিছু, যদি না সেগুলো লোনে
থাকে বাকি সবকিছুই কিন্তু অ্যাকাউন্টে ছিল। এবার আপনাকে
দিয়ে যা খুশি কুড়িয়ে নেওয়া যাবে, কারণ আপনার সমস্ত সম্পদ
স্বীকৃত সরকার দাড়া কোন একটা বিশেষ গোষ্ঠী আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে বা করবে। সেই দিনটা খুব বেশি দূরে নয় হয়তো আগামী
১০ বছর, ততদিনে যাবে কিনা সন্দেহ।
আজকের এই কথাগুলো সেদিন চোখের সামনে ফলতে দেখবেন। তাই অনুরোধ
করব অর্থ যদি আপনার থেকে থাকে সেটাকে স্থাবর সম্পত্তিতে
কনভার্ট করে ইনভেস্ট করুন। জমিতে ইনভেস্ট করা সবথেকে ও সহজ
কিন্তু এর বাইরেও একটা সত্য আছে যেটা লাগতে পারে ফানি কিন্তু সোনা মজুদ করার চেয়ে
ভালো অপশন আর কিচ্ছু নেই কিচ্ছু নেই।
আগামী দিনে বিশ্বপ্রভুদের একটা গোষ্ঠী সরকারকে কেন্দ্র করে
শ্রমজীবী মানুষের উপরে কি পরিমান যে যথেচ্ছাচার চালাবে সেটা আজকের দিনে স্পষ্ট। এরা পেপার কারেন্সির মাধ্যমে সর্ব প্রথমে নিজেরা সোনা মুদ্রা হস্তগত করে
নিয়ে আপনার হাতে কাগজ ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপরে প্লাস্টিক
মানি তারপরে বুলি বা বন্ড আর এখন সংখ্যা। এরপর সংখ্যা তো যে
কোন মুহূর্তে জিরো হয়ে যেতে পারে। তাই এর পিছনের কন্সপিরেসি
খুব ঠান্ডা মাথায় না বুঝলে আপনার আগামী প্রজন্মের জন্য আপনি
হাহাকার ছাড়া কিছু রেখে যাবেন না।
হয়তো বলবেন সকলের যা হবে আমারও তাই হবে, কিন্তু না গরিব খেটে
খাওয়া মানুষ তারা যারা দিন আনে দিন খায় তাদের খুব একটা অসুবিধা হবে না। কেননা তাদের মজুদ সঞ্চয় বলে কিছু নেই, কিন্তু আপনি
আজকে গোটা জীবন ধরে যেটা সঞ্চয় করলেন কালকে সরকারকে শিখন্ডী বানিয়ে
বিশ্বপ্রভুদের একটা অংশ আপনার সেই কষ্টার্জিত অর্থ ভোগ করবে
অথবা আপনাকে দিয়ে এমন কাজ করাতে বাধ্য হবে যা আপনি কখনো চান না। আর এই ফাঁদ থেকে বাঁচার কোন
অপশন নেই, আপনাকে ডিজিটাল কারেন্সিতে ঢুকতেই হবে, সে আপনি চান না চান।
আমি আপনাকে প্রেসক্রাইব করব ব্যাংকে ততটুকু টাকায় রাখুন, যতটুকু না রাখলে নয়। বাকিটা সোনা বা ওই জাতীয় সম্পদ এবং স্থাবর
সম্পত্তিতে কনভার্ট করে ফেলুন। বাকিটা আপনার মর্জি। আমাদের স্মরণকালের মধ্যেই কিন্তু ২০০০ নোট এর জন্ম হয়েছিল, পরবর্তী ইউপিআই এর প্রচলন, সেটার ব্যাপকভাবে
প্রসারের জন্য করোনা নাম দিয়ে প্রোপাগান্ডা এবং আজ ২০০০ নোট। সুতরাং সময় খুব দ্রুত গতিতে চলছে, এই গতি রোজ আরো
ত্বরান্বিত হবে। আপনি নিজেই দেখে যাবেন এদের চক্রান্তটা, কিভাবে আপনাকে সর্বস্বান্ত করার জন্য করা ছিল
বুধবার, ২০ মে, ২০২০
বিজেপির আয় বৃদ্ধি
আত্মনির্ভরতা কাকে বলে বিজেপিকে দেখে শিখুন।
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
আবাপতে মান্নীয়ার মুখ কেন?
বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭
অকপট পত্রিকা শারদ অর্ঘ্যঃ সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয়
মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭
।। চলতে চলতে~ ২ ।।
ছাল ছাড়িয়ে দিচ্ছি, বিট নুন দিয়ে.....'
.... জল, সিল প্যাক ঠান্ডা জল, জল......
.... রুমাল সংগ্রহ করবেন নাকি! শান্তিনিকেতন এর তাঁতের কাপড়, পিওর সুতি.....
-এজ্ঞে, আমিমি। ছিলাটা তুমার পায়ে লুংরা ফিলেছে, তাই পুচে দিচ্চি।
- আরে না না, ধুর কি করছেন। পথে ঘাটে চলতে চলতে এমন তো হয়েই থাকে।
মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
।। দুঃখ বিলাস ।।
ইচ্ছাশক্তি দ্বারা বহুকিছুই সম্ভব। এটা ধর্ম থেকে বিজ্ঞান সবক্ষেত্রেই প্রমানিত। তাই যারা এমন ধরনের বিলাস করেন তারা আসলে একটা নেশার ঘোরে ডুবে থাকেন। তাই সময়েন নিয়মে সুখ যদি জীবনে আসার চেষ্টাও করে, এনারা তাদের ওই ইচ্ছাশক্তির গুনে ওই সুখকেও দুঃখের নদীতে পরিণত করেই ছারবে, যে কোন মুল্যে। এই ধরনের মানুষদের মনে একটা প্রচ্ছন্ন অহংকার থাকে, যে তিনি যেটা করছেন সেটাই একমাত্র ঠিক, বাকি সবাই ভুল। সকল সময় একটা তীব্র ঋণাত্মক জীবনীশক্তি দিয়ে নিজের বলয় তৈরি করে রাখে, সেই বলয় কে টপকে অন্য কেও সুখ নিয়ে তার জীবনে প্রবেশই করতেই পারেনা। এমনও হয় যে, ওই বলয় ভেদকরা একসময় তার নিজের পক্ষেই দুঢ়হ হয়ে যায়।
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...


