শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০

আবাপতে মান্নীয়ার মুখ কেন?

 


কেউ কী আমাকে বুঝিয়ে দেবে-
'আবাপ'তে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দিয়ে করোনার বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই হচ্ছে? অনলাইন পেজ খুললেই এই বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে।

১) এই বিজ্ঞাপন সাধারন মানুষকে কীভাবে উপকৃত করছে?

২) বিজ্ঞাপনে খরচা কত হয়েছে নাকি আবাপ বিনামূল্যে ছেপেছে? টাকা নিলে কত নিয়েছে? এই মহামারির অর্থকষ্টের সময় আবাপ'র পকেট ভরলে কোন নাগরিকের লাভ?

৩) তথাকথিত এই বিশ্বসেরারা কোন দেশে থেকে করোনার বিরুদ্ধে সফল লড়াই এর নজির রেখেছেন?

৪) ভাইরাস নিজে কি এই বিজ্ঞাপন দেখতে পাচ্ছে? মানুষ বুঝতে পারলেও হতেই পারে যে ভাইরাসকে ধমকানো চমকানোর জন্য এই বিজ্ঞাপন।

৫) এনারা ঠিক কি কি বিষয়ে গবেষণা করছেন, মানে ছবিতে যারা রয়েছেন। তারা তাদের মহামুল্যবান গবেষনা আর কাউকে না দিয়ে শুধুমাত্র বাংলাকে রক্ষা করতেই বা এলেন কেন?

৬) একজন মেডিসিনের ডাক্তার, একজন HIV বিশেষজ্ঞ, একজন হু' এর প্রাক্তন আঞ্চলিক অধিকর্তা, দুজন অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ, একজন আমেরিকার কি একটা বিশেষজ্ঞ, একজন আমলা, একজন প্রাক্তন জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। সাকুল্যে মোট আট জন।

৭) এটা কীভাবে 'জনস্বার্থ' সুরক্ষা করছে? কোন নাগরিকের স্বার্থ এতে উপকৃত আবাপ ছাড়া? এই বোর্ড কোন পরামর্শ দিয়েছে যেটার সফল প্রয়োগ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার?

৮) এনারা ঠিক কে কীভাবে গবেষনা ও অনুপ্রেরণাকে অনুপ্রানিত করছেন? বিশেষ করে আমেরিকার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ করোনাতে- তা ওই আমেরিকান ভদ্রলোককে নিজের দেশের সরকারই পাত্তা না দিলেও ওনার অনুপ্রেরণা ওনালে খুঁজে এনে ফেলেছেন।

৯) বাকিরা ঠিক কি বিষয়ে রাজ্যবাসীর সহযোগিতা করছেন যেটা কেন্দ্র সরকার বা WHO এর গাইডলাইন দিতে পারছেনা?

১০)বিশেষজ্ঞদের জন্য কত আর্থিক বরাদ্দ হয়েছে? সেই টাকায় কিট, PPE, ভাইরাস গবেষণা বা জনগনের পিছনে খরচা না করে এদের পকেট ভরা কেন?

মোটা মাথা তো, তাই কটা প্রশ্ন করেই ফেল্লাম।
আসলে এমন অনুপ্রেরণা তো সেভাবে বিশ্বে আর কোনো নজির নেই, তাই তাদের থেকেও জানা যায়নি। সেজন্যই শুধানো। যাদের এমন বিশ্ব এডভাইসারি বোর্ড নেই তারা কতটা লোকসানে আছে আর আমাদের রাজ্য ঠিক কতটা এগিয়ে আছে?

দিনের শেষে করোনার নামে কেন্দ্রের বরাদ্দ, লোকজনের থেকে চাওয়া অর্থ তথা পাব্লিক মানি দিয়ে এ কার প্রচার হচ্ছে সেটা জানাটা নাগরিকের মৌলিক অধিকার।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন

  ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...