লিমেরিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লিমেরিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ১১




একাদশ পরিচ্ছদ 
(তারা পর্ব)
প্রতিদিন যেমন সুর্য উঠে
আবার সে যায় পাটে,
নিস্তরঙ্গ তারার জীবনে
এভাবেই দিন কাটে।

না... সে বোঝে প্রেমের বুলি
না নয়নের ভাষা,
ছকে বাঁধা তার কর্ম জীবন
কজেই কাঁদা হাসা।

হালকা সাদা মেঘের সাথে
করতো একা খেলা,
সন্ধ্যে হলেই জ্বলতো একা
হাজার তারার মেলা।

তখন একটু লাগতো ব্যাথা
একাই পেত কষ্ট,
হাস্য মুখের যুবক তারা
ব্যাক্ত করেনি স্পষ্ট।


.........ক্রমশ 

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ১০


১০


এতোদিন ছিলো একাকীর জ্বালা
আজ জমেছে ভয়,
পারবে কি সে, ছিঁড়তে বাঁধন!
পরিজনও যে মায়াময়।

তারা’র আকাশ জটিল বড়
হরেক রকম বাঁধা,
যুক্তিরা যে করছে মানা,
জীবন যেন ধাঁধাঁ।

সুখের জন্য স্বজন কে ত্যাগ
এ যে বড়ই পাপ,
দুই পা এগোলে, চার পা পিছোয়
হৃদয়েতে অনুতাপ।

তারা’র জন্য পাখীর চাওয়া
থাক সে শুধুই সুখে,
না হোক মিলন, রিক্ত পাখীর,
পাষান জমুক বুকে।

রবিবার, ১৪ জুন, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৯


(৯)

বললো তারা, যাবো আমি
এক সে, বিকাল বেলায়,
কিন্তু আমায় পারবি চিনতে,
হাজার ভীরের মেলায়?

গোধূলি লগ্নে, এলো তারা
ব্যাস্ত পথের মোড়,
অবিশ্বাসে বাক্যহারা
লাগলো পাখীর ঘোর।

পাসাপাসি ওরা দুজনেই বসে
নির্বাক চোখে চেয়ে,
কিন্তু ওরা অ...নে...ক দূরে,
দুটি বোবা ছেলেমেয়ে।

তারার চোখে স্বপ্ন এঁকে
বক্ষে সুধা ভরে
সেদিনের মত, নিলো বিদায়। 
গেলো যে পাখী উড়ে।

...ক্রমশ

বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৮


(৮)


সাহষ করে শুধাই পাখী
কে তুমি গো ছেলে!
সাঁঝের বেলা এমনি করে
আমায় চমকে দিলে!!

শূন্য থেকে, এলো আওয়াজ
“আমিই তো সেই তারা”,
যার জন্যে বৈরাগী তুই
জাগিস রাত্রি সারা।

পাখী বলে, তাই যদি হয়
আয় না তবে কাছে,
লুকিয়ে আসিস, সাবধানেতে
কেও না দেখে পাছে।

দেখবো তোকে নিজের চক্ষে
দেখবো তোকে ছুঁয়ে,
থরথর কাঁপে পাখীর হৃদয়
পরছে যে লাজ চুঁয়ে।

......ক্রমশ

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৭

উন্মাদের ছড়া- ছরি
(৭) 


আজ বিকালে, সুর্য্যি মামা
যখন পেল ছুটি,
প্রজাপতিরা ফুলের সাথে 
করছে লুটোপুটি।

আনমনেতে, চেয়ে পাখী
সাঁঝের আকাশ পানে,
“শুনছো পাখী”? অচেনা পুরুষ 
বললো কানে কানে।

চমকে উঠে একলা পাখী
কাঁটা দিলো তার গা’য়,
কিন্তু যে তার আসে পাসে
কেউ কোত্থাও নাই।

চাইলো পাখী শূন্য পানে
চক্ষে বিহ্বলতা,
ওই যে দু...রে, আবছা তারা
সে ই কি কইলো কথা!!

......ক্রমশ 

সোমবার, ১ জুন, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ~ ৬


(৬) 

হটাৎ করে আজ কি হোলো!
ব্যাথাতুর এই বুকে!
উত্তেজনায় বাকরুদ্ধ,
অজানা পিরিত সুখে।

রাখবে কোথায় আজকে পাখী
হঠাৎ পাওয়া সুখ,
সবাই কি হয় এতটাই খুশি!
যায় কি ভরে বুক?

পাই কি সবাই, প্রানের প্রিয়
বুক চেরা এই ধন!
নাকি পাখী, একাই সুখি
আকুলপাথার মন।

মানবে না যে, তার পরিজন
বুঝবে না কেও তাকে,
থাকতে হবে একা হয়েই?
হাজার পাখীর ঝাঁকে?

...ক্রমশ 

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৫



(৫)


প্রখর রৌদ্র, তপ্ত গ্রীষ্ম
নিঝুম দুপর বেলা,
মন যে পাখীর অসীম পানে
নিজের সাথেই খেলা।

শীতের রাত্রি, আর পাখীরা
ডানা তে মুখ গুঁজে,
অবুঝ পাখী মন মানে না
নিরবে প্রান খোঁজে।

এমনি করেই দিন কেটে যায়
মাসের পরে মাস,
এটাই জীবন ,মেনেই নিলো
ছারলো প্রেমের আশ।

মুচকি হাসে প্রেমের দেবী
দেখে পাখীর কীর্তি।
হৃদ মাঝারে আঁকলো দেবী
ওই তারাটির মুর্তি।

রবিবার, ২৪ মে, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৪



(৪)

একাকীত্বের শিকল থেকে
মুক্তি পাবার জন্যে,
মাতাল নেশায় মত্ত পাখী
বিরহ কাতর কন্যে।

পিছনে পাখির সোনার খাঁচা
আপনজনে ভরা,
ভয়াল শাসন, উড়তে বারন,
নিষেধ মানায় গড়া।

ছোট্ট পাখী, আঙিনা জুরে
গুমরে মরত একা,
রক্তচক্ষুর আড়ালেতে প্রেম
এই বুঝি দিলো দেখা।

আষাঢ় কালে, আকাশ ভেঙ্গে
নামত যখন ধারা,
মনের ঘরে নিঃস্ব পাখী
কেঁদে’ই পাগলপারা।

শুক্রবার, ২২ মে, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ৩



(3)

তারার আছে গোটা আকাশ।
নেইকো কোথাও মানা,
স্ব-লাজ পাখির সাহষ শুধু
ছোট্ট দুটি ডানা।

প্রানের ধনের প্রতীক্ষাতে
পাখির মর্মে ক্ষত,
তারা কে যে, পেতেই হবে
এই হল তার ব্রত।

পাখির হৃদয়, ব্যাকুল আজি
অনুরাগের ছোঁয়া
প্রতিক্ষার'ই অন্ধকারে
তারা’য় গেছে খোয়া।

প্রেমে বিভোর বক্ষে সুধা
আজ মনে নেই ভয়
পাখি- তারা'র অ-সম প্রেম
হোক অমরক্ষয়।

বুধবার, ২০ মে, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ ২


(২)

দিগ্বিদিক শূন্য পাখী
অন্তহীনের পানে,
দৃষ্টি শুধু সমুখ পানে
অধরা সুখের টানে।

অবুঝ পাখী, জানেনা যে সে
তারার কাছে গেলে,
ছোট্ট শরীর ঝলসে যাবে
তারার স্পর্শ পেলে।

তারা’ও ছোটে আলোর বেগে
পাখির আকাশ পান,
আজকে রাতেই পাখির হাতে
সঁপতে হবে প্রান।

প্রণয় নেশায় কোন প্রেমাতুর
ঝিকুটে পেলেছে জ্ঞান!
প্রেমের ভাষা’ই, প্রানের ভাষা,
হৃদ মাঝারের ধ্যান।

...............ক্রমশ


সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

উন্মাদের ভাবনাগুচ্ছ ~ শুরু





যাত্রাশুরু 

পূব আকাশে একটি তারা, 
হন্যে হয়ে ঘোরে..
রাতজাগা ঐ একটি পাখি
আকাশ পথেই উড়ে।

তারা'র - পাখির দুরত্ব টা 
অনেক আলোক বর্ষ, 
পাখি ও তারা, পাগল পারা, 
চাইছে পেতে স্পর্শ। 

রঙীন নেশা পাখির চোখে, 
সাথে, স্বপ্ন এক রাশ, 
চাই সে ছুঁতে তারা কে আজ 
চাই পেরোতে আকাশ। 

তারা'ও ভাবে আজ সে যাবে, 
ছোঁবে পাখির ডানা, 
ছাই হবে সে, আসলে কাছে 
নেই তো যে তার জানা। 

পলকা ডানায় আজ যে পাখির, 
তারকা ছোঁবার সাধ, 
মন্দ ভালোর বিভেদ ভুলে 
আজ যে সে উন্মাদ।

ক্রমশ...

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৫

y ক্রোমোসোম= ক্রিমিনাল ক্রোমোসোম'

লিমেরিক
*******
প্রেমোন্মাদ অমনিবাস
প্রথম কিস্তি


ইচ্ছা ছিলো বড় হয়ে
অনেক বড় হবো,
কিন্তু আমি কি যে হলাম,
সেই কথাটাই কবো।


হসপিটালে পয়দা হয়েই
পাইলো যে মোর তেষ্টা,
মা’র তখনো জ্ঞান ফেরেনি,
নার্স বাঁচালো শেষটা।


পর নারী তে সেই যে আমি,
হলাম আসক্ত,
সেই ট্র্যাডিশন আজও সমান,
(তবে) অনেক টা পোক্ত।


ইসকুলেতে ভর্তি হলাম
প্রথম দিনের ক্লাস,
অচেনা সব গিজগিজিয়ে,
কিন্তু নারী বিলাস।


দ্বিতীয় গেলো, তৃতীয় গেলো,
চতুর্থ তে এসে,
শিপ্রা ম্যাডাম, অঙ্ক করান
মন যে গেলো ফেঁসে।


ফাঁসার আরো ছিলো বাকি,
কেলাসে যখন ছয়,
পড়শি-রানু’র রঙ ধরছে
আমার কি তর সয়।


স্বপ্ন কুমার এলো রানুর
মোটর বাইক চড়ে,
এই পর্ব বিদায় হলো,
দুইটি বছর ঘরে।


হাফপ্যান্টেই কো-এড স্কুলে
নবম শ্রেনি শুরু,
বিজ্ঞানের’ই দীপা ম্যাডাম
পেলাক করা ভুরু।


অগোছালো নীলপাড়েতে
ফার্ষ্ট বেঞ্চের সৃজা, 
একতরফা ডবল প্রেমের
কি নিদারুণ মজা।


মাধ্যমিকের কড়া শাসন 
বসলো প্রণয় চাকা,
ইলেভেনেতে টের’টি পেলাম
গজিয়েছে মোর পাখা।।

.........ক্রমশ

রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

ইতনা সান্নাটা কিউ হ্যায় ভাই


ঢোল- কলমি
*************



ঘুম আসছে না.....
জোর করে ঘুমানো যাচ্ছে না...

চোখ হয়তো বুঝছি...
পটাং করে আবার খুলে যাচ্ছে...
নিজের সাথেই যুঝছি।।।


অধখানা চাঁদ...
যেন বিড়ালে চেঁটে খেয়েছে...
একটা হাড়িচাঁচা গলা সাধছে...
গিরগিটি টা এসে বলছে...
আমার দেওয়ালে পুট্টি চাই...

দুর ছাই...


পবিত্র জাঙ্গিয়া...
সুতরাং, গন্ধবিচার মানা...
ভোরের প্যেঁচা..
আত্মারাম খাচাঁ...
বিষধর মোরগ...
উন্মাদ টা ঠগ...



কুমোর পারায়...
মালের বাড়ি...
ফুচকা খাবো গাড়ি গাড়ি...
একটা মশার আ্যানিমিয়া...
পাছায় বসিয়ে রক্ত খাওয়াচ্ছি..
এটা-জন সেবা, সামঝা কিয়া!!



আয়রে আয় রনি..
শোনাবো জনি জনি...
ইয়েস উনো... 
যাবোনা যাহ, তুই বুনো...
ইটিং চোখের জল!!!
ফলসা মরসুমি ফল...



ছাল ক্যালানো দুপুর রোদে...
চাইলাম রাজভোগ...
পেলাম বোঁদে...
কি হচ্ছে এ সব!!! যাচ্ছেতাই
কোন মতেই যাবার উপাই নাই


বাবরি চুল, খাচ্ছে দোলা....
আপন মনে পাগলা ভোলা...
লিখছি ছড়া... মাথায় গু...
আয় ঘুম, যায় ঘুম... 
দুশ্চিন্তা... পালা... ফু:



কমোডে বসেও শান্তি নাই...
ভোর যে হলো, খিদে পায়...
গালি পেরোনা...
এ খেয়ালি উন্মাদ....
কি যে হলো, ধুস...
আজ সব প্রোগ্রাম বাদ।

শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৪

মামলার চাপ


জুতোর সুখতলা.....
সে কবেই গেছে ক্ষয়ে
আমার আদালত যাত্রা
চলছে নিজের লয়ে।

উকিলের ফুলঝুরি বানী
প্রানে আনন্দধারা বয়,
হাকিমের নিষ্কম্প বাক্যবাণে
শিরদাঁড়ায় হিমেল ভয়।
আ-তে আনাগোনা নিরন্তর
দা-য়ে দায়ভার সাথে দেনাপাওনা,
ল-য়ে লানছনা গঞ্জনা
ত-য়ে তোষামোদ করো আছে যতজনা।
এই ধ্যানজ্ঞানে দিনকাল আজ
বাকি সব বরবাদ,
মামলার চাপে গামলা বন্দি
উন্মাদ হোলস্কয়ার হার্মাদ।

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...