কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
ডেরাইভার কোন জন!
বগি কতগুলো আছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ- ইঞ্জিনের ডেরাইভার কোন জন, আর ইঞ্জিনের ইন্ধনের উৎস কী! তেল, কয়লা না বিদ্যুৎ। জীবনের প্রথম বিশ বছর যিনি গান্ধীবাদি ছিলেন, মাওবাদী থেকে খাওবাদী- অবাধ বিচরণ ছিল সর্বত্র। পরের ৯ বছর তিনিই আবার তোলামুল সরকারের হয়ে হেন কোনো পাপাচার দুর্নীতি করতে বাকি রাখেননি- যার দায়ে আজকের দিনে বহু তোলামুলের নেতা জেলে যাচ্ছে রোজ মিছিল করে।
রত্নাকর মানে সমুদ্র, বাল্মীকি মানে উই ঢিবি জাতীয় কিছু। বেশি কিছু লিখলে আবার 'রথ'প্রাপ্তী হবার পুরষ্কার জুটে যেতে পারে। তবে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা দেখার সুখ এক তূড়ীয় কামনাতৃপ্তি বটে। তোলামুলের ধ্বংস জরুরী ছিল, কে করছে, কীভাবে করছে- সে সব অপ্রয়োজনীয় গৌণ বিষয়। যারা এখানে মানবিকতা আর গণতন্ত্র খুঁজছে- তারা সিপিএমের 'ভক্ত' সম্প্রদায়, যারা না মানুষ না মুনিষ। এরা যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন CPI(M) বেঁচে থাকবে ভুঁয়ে মুড়ে, সিপিএম বা সিপেম কিম্বা সিপিএন করি আমি বলার লোকগুলো ফিরবে না।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল থাকবে, রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকবে, কিন্তু রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে কি দেখে ভোট দিয়েছিল ? বামফ্রন্ট আসার আগে জাতীয় কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল, তার তো একটা নীতি-আদর্শ ছিল। এখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে- তাকে আপনি পছন্দ করুন বা অপছন্দ, তারও নীতি আদর্শ আছে, তৃণমূল কী তুলে ধরেছিল? কী দেখে ভোট দিয়েছিল? শুধু আজকের দিনটা দেখার জন্য? এই প্রজন্মের ভোটার যখন ফটো হয়ে দেওয়ালে ঝুলবে, তখন তার পরবর্তী প্রজন্ম ছবিতে থুতু দেবে- যে এরা তৃণমূলকে ভোট কেন দিয়েছিল। পাপ একা তোলামুল করেনি, বড় অংশের তোলামুল সমর্থক ও ভোটারের দল প্রত্যেকে এর পাপের ভাগিদার।
ভোটে হারতে অমুসলিম তোলামুলেরা না হয় বিজেপির দরজাতে ভোদাংশু হয়ে ঝনকাঠে শুয়ে আছে। কিন্তু সিদ্দিকুল্লাহর দল আবার জামা বদলে 'জমিয়ত-উলামা-ই-হিন্দ' এর মোড়কে নিজেদের লুকিয়ে ফেলেছে। জমিয়ত এতোদিন তোলামুলের সাথে একদেহে লীন হয়ে ছিল, আজকে নতুন করে আর একে আলাদা করা সম্ভব নয়। মুসলমান পাড়া থেকে তোলামুলকে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, পুরাতন জমিয়ত এর পূর্ণ কাঠামোটাকে কবরে পাঠাতে হবে। অন্য সংগঠন আসুক, কিম্বা যারা আছে তাদের প্রত্যেকটা মালকে তাড়িয়ে নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসুক জমিয়তে। জমিয়তের পাড়ার নেতা থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্দিকুল্লাহ- প্রত্যেকে ন্যাংটা হয়ে তৃণমূলের হয়ে প্রকাশ্যে ভোটের রাজনীতি করেছে, প্রত্যেকে এতদিন চুরি, ডাকাতি, কাটমানি, তোলাবাজি করেছে বা সমর্থন করেছে, আজ এরা কেন রেয়াত পাবে ধর্মীয় বর্মের কারণে?
এদের ৯০% নেতৃত্বরা কেউ অ্যাকাডেমিকভাবে সেই অর্থে শিক্ষিত নয়, জমিয়ত মানেই যে তৃণমূল নয়, সেটা এদের আর বুঝিয়ে বোঝানো যাবে না। এদের স্থায়ী রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে গেছে। মমতা ব্যানার্জীর রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটে গেছে, এদের কোনো নেতা রাস্তায় নেই- তারপরেও পরে মুসলমান পাড়াগুলোয় আবার ভোট হলে আবার তৃণমূলই জিতবে- ফেয়ার ভোট হলে। এর কারণ এই জমিয়ত। ইমামভাতা বন্ধের পর প্রতিটা ইমাম ব্যক্তিগত লেভেলে ক্ষতিগ্রস্ত, তারা তো মমতাকে আল্লাহর ফেরেস্তা বানিয়ে ফেলেছে, যিনি ওদের রুটিরুজি দিত। তারা পেটের দায়ে মরিয়া, সুতরাং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মমতা ব্যানার্জী যে আজ কেবল একটা লাশ, সেটা বিশ্বাস করাতে পারবেন না। এরা পীরের মাজারের মতো মমতার মাজার বানিয়ে নিলেও আশ্চর্য হবো না। তারা পুনরায় যেকোনো উপায়ে মমতাকে বাঁচাতে চাইবে।
এই সুযোগটাই সিদ্দিকুল্লাহ ও তার পেটোয়া বাহিনী নিয়ে নিজেদের বাঁচাতে চাইছে। এদের সকলের গিঁট সিদ্দিকুল্লাহতে এসে বেঁধেছে। মুসলমান সমাজের এই অংশে নৌসাদ, হুমায়ূন, সেলিম কোনোদিন পোঁছাতে পারবে না। আবার এদের অস্বীকার করার বিকল্পও নেই। অতএব, যেকোনো মূল্যে রাজ্য জমিয়তকে ভেঙে দিতেই হবে, নতুবা রাজ্যের মুসলমান সমাজের মুক্তি নেই। তেমনই তোলামুলকেও সমূলে উৎপাটিত করা যাবে না, জীবাণু রয়েই যাবে।
আমার টাইমলাইন থেকে ধারাবাহিকভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে যে লেখা নেমেছিল গত ৩ বছর ধরে, তার এক শতাংশ আজকের বহু নির্বাচিত বিজেপি MLA নিজের বিধানসভা কেন্দ্র দূরের কথা, গোটা রাজ্যে কোথাও বক্তব্য পর্যন্ত দিয়ে দেখাতে পারেনি। আজকে যদি তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরত তাহলে আমার জেল অবধারিত ছিল, না হলে প্রকাশ্যে মার্ডার। এই ঋজু দত্ত, দীপক ব্যাপারি, কোহিনুর, কার্তিক এরা সবাই ফেসবুকে অন্তত ২০০ খানা প্রোফাইলকে টার্গেট করে রেখেছিল। তার পরেও ৩ গাড়ি বাঁশ নিয়ে যাচ্ছে দেখেও, কাউন্টিং হল অবধি স্বশরীরে তোলামুলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে উপস্থিত থাকতে পারাটা আমার ঘনিষ্ঠ জনেদের উৎসাহ ও পাশে থাকার কৃতিত্ব।
ইজরায়েলের জনগণ আর নেতাদের মধ্যে যেমন খুব একটা পার্থক্য নেই, যেমন তৃণমূলের সমর্থক তৃণমূলের ছোট নেতা মেজো নেতা বড় নেতা সবাই সমান। তৃণমূল সমর্থক থেকে নেতা প্রত্যেকে অপরাধী। তৃণমূলের ৮০ জন MLA এর মধ্যে মাত্র ৩৪ জন প্রথম দিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিল। MP দের হাল অত্যন্ত খারাপ।
এদের বড় অংশ শুধু বিজেপি নয়, কংগ্রেসে জয়েন করার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কে কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত বা কে আগামীকাল গ্রেপ্ততার হয়ে যেতে পারে, সেটা নিশ্চিত না হয়ে কংগ্রেস কাউকে নিতে চাইছে না। এদিকে বিজেপি নতুন নেতৃত্ব তুলতে চেয়ে, তোলামুলের দাগী মালেদের নিতে চাইছে না। ফলে এইরকম পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে, তাহলে অন্তত কয়েক লাখ লোকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। তবে এদের মধ্যে যারা ইতিমধ্যে জেলে যেতে সক্ষম হয়েছে, তারা পুলিশকে টাকা দিয়ে জেলে গেছে- এটাও প্রমাণিত হয়ে গেছে, পরে পরে খবর সামনে আসবে। এরা আপাতত ক্যালানি থেকে বাইরে আছে। বাইরে থাকলে যে ফাইন দিতে হতো তার কিছুটা অংশ পুলিশকে দিয়েছে অর্থাৎ এইটা আর একটা কেলেঙ্কারিও চলছে।
এদিকে গোয়ালঘরের গুঁতোগুঁতি, আজ অবধি জর্জ অরওয়েলের 'পশুখামার' গঠিত হলো না পূর্ণাঙ্গ রূপে। কোরবানি সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে হাতে রইল 'ফক্কা', প্রতিশ্রুতি মত কতটা পাওনা গণ্ডা পেলো, তার চেয়েও বড় ফোকাস আসবে- তোলামুল ক্যালাচ্ছি, এই রতিসুখ নিয়েই সোনাপোনা বাগিয়ে চাদর মুড়ি দাও। যারা নাচছে, নাচতে দিন। ওনারা বিনা মিউজিকে জেনারেটার এর শব্দেও নাচে, ক্লান্ত হলে নাচ নিজে থেকেই থেমে যাবে। তখন তারা পরনের ইজের খুঁজে ফিরুক নাহয়- আজ অবধি কোন রাজ্যে গোমাতার বলদ সন্তানেরা কার ভালো করেছে- নিজেদের ছাড়া?
প্রশ্নে বড় গাত্রদাহ হয়, মেজোখোঁকাও আগামীতে স্যারেন্ডার পিতার পথে চলা শুরু না করলেই আশ্চর্য হবো। সাংবাদিক নৈব নৈব চ। ইঞ্জিনের নিজস্ব ইন্ধনের সরবরাহ লাইনই যে মৃত এ রাজ্যে, অগত্যা-
পুনশ্চঃ- ইতিহাস বলছে, নরওয়ে ফেরৎ কেউ আর সুস্থ জীবনে ফেরৎ আসেনি, ফিল্মের মিসেস চ্যাটার্জি হোক কিম্বা বাস্তবের হিরো হুলিগান অনির্বাণ। মোদীজির সুস্থতা কামনা করি।
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
তোলামূলের রক্ষিতা
কুত্তাদের সামনে ভিক্ষার বাটি দিয়ে একশ্রেণির ধর্ম পেশাজীবিদের বাঁধা রক্ষিতা বানিয়ে রেখেছিল মান্নীয়া, ক্রমশ 'উম্মতে চটি' হয়ে ওঠা মুনাফেকদের আবার একবার উম্মতে মুহাম্মদী(সাঃ) হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে আজকের ঘোষণা।
যারা মাত্র হাজার-দু'হাজারে বিকিয়ে গিয়েছিল গত ১৫ বছরে, তোলামুলের হয়ে 'দুধেল গাই' সেজে ভোটের রাজনীতিতে ন্যাংটা 'জিহাদ' করেছিল, আপাতত অতীতের সেই নির্লজ্জতা থেকে এই হারামখোর ইমান-মুয়াজ্জিন প্রজন্ম কি মানুষ হতে পারবে? লিবরেন্ডূ ঝান্ডুর দল যারা চোখে তোলামুলী সুরমা লাগিয়ে জ্ঞানের রজঃস্রাব ছেটাতে আসবেন- জানবেন, আপনার ভ্যাসেকটমি করিয়ে দিয়েছে মান্নীয়ার ভায়ের দল। চেঁটে খাওয়ার স্বভাব বড় বদঅভ্যাস, খেটে খাওয়ার ইচ্ছা নষ্ট করে দেয়।
আগে এনারা মানুষ হোক, তারপর না হয় মুসলমান হবে। গরিলা, শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং কিম্বা কুত্তা শ্রেণির মনুষ্যেতরদের জন্য কোনো লোকাচার ধর্মের বিধান নেই কোনো সমাজে। ইসলামি শরিয়তে পাগল উন্মাদের জন্যও কোনো ধর্মীয় বিধান নেই।
সরকার বদলাতে শুধু যে তোলামুলী চোর-ডাকাতগুলো যে অনাথ হয়েছে তা তো নয়, ভাতাজীবি ভাতারির দল সমেত সমস্ত এঁটোকাঁটা কমিটি, প্রতিটি বুদ্ধিবীচির গায়ে ঘাম দিচ্ছে আবার খেটে খেতে হবে ভেবেই। সিপিএম কে খানিক গালি দিয়ে তাল বুঝে নিতে চাইছে। আবার কোন ইজের ধরে ঝুলে পড়া যায়! এরা কেউ বিজেপি কে কিছু বলছে না। কে জানে কাল আবার ওদের হয়ে গোবর খেয়ে জয়শ্রীরাম বলতে হবে কিনা!
২০১৮ তে ক্ষমতা দখলের আগে ত্রিপুরায় মোদীজি সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় এসে বিজেপি ঢাকঢোল পিটিয়ে তা ঘোষণাও করে। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেছে- পূর্ণাঙ্গ বেতন আজও কমিশন গঠিত হয়নি।
তৎকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বলেছিলেন, রাজ্যের আর্থিক হাল ভালো নয়, তাই কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ্যভাতা দেওয়া সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে ত্রিপুরার পুনরাবৃত্তি হওয়াটাই নিয়তি সম্ভবত। আশঙ্কা বাড়িয়ে, মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর আজও কিছু ঘোষনা হয়নি, ফক্কা।
স্বীকৃত গরু-বাঁদরের দল সরকার এসেছে, তারা মানুষ নিয়ে খুব বেশি কথা বলবে সে আশা করি না, বললেই লোকে অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের কথা তুলবে। তাই এরা রাস্তায় নামাজ, কোরবানির গরু এসব নিয়েই থাকবে। আমাদের যারা খেটে খেতে হয়, তাদের কোনো ধরনের আশা না রাখাই ভালো।
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
কোরবানি ও শুভেন্দু সরকার
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
বামেদের 'শিক্ষিত' ভ্রান্তিবিলাস
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
বাংলার লজ্জা বাঙালীর লজ্জা
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
মমতা ব্যানার্জি একটা অপ্রাসঙ্গিক অবাঞ্ছিত নাম আজকের তারিখে
মুষলপর্ব- ১
মমতা ব্যানার্জী খেজুরিতে যেতে পারবে না। যাওয়া উচিত ছিল নিশ্চিতভাবে, কিন্তু যেতে পারবে না, সাহস নেই। ভাইপো এখন দিল্লি পালিয়ে গেছে, সেখান সেফ হাউজে থেকে জনগণকে একত্রিত হওয়ার উপদেশ দিচ্ছে। কল্যাণ ব্যানার্জীও সেফ হাউজে, বাকি সমস্ত তোলামুলী লোকজন অজ্ঞাতবাসে লুকিয়ে কুলোর বাতাস দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে।
ভাইপো ঠান্ডা ঘরের নেতা, লড়াই আন্দোলনে জন্মানো ঘাম রক্তের নেতা নয়, সারোগেসি বা টেস্টটিউব বেবী। বাইরে বের হলেই আক্ষরিক অর্থে সে বলাৎকারের শিকার হবে। আগে তাকে তৃণমূলের একটা বড় অংশ ক্যালাবে, তাদের হাত থেকে যদি কিছুটা বেঁচে ফেরে প্রাক্তন তৃণমূলীরা মারবেই মারবে, এরপর শাসক দল বিজেপি ক্যালাবে এবং বামেদের একটা অংশ আদা ছ্যাঁচা করবে, আর আমার মতো যারা মনে মনে অন্তত ভাইপোর গায়ে থুতু দিতে চায়- তারাও তো লাইনে আছি। মমতার যে কেরিয়ার শেষ, ২০২৩ থেকে প্রতি মাসে একবার করে লিখেছি, তাই ওটা নিয়ে আজ নতুন করে লেখার কিচ্ছু নেই, বর্তমান রাজনীতির মঞ্চে মমতা ব্যানার্জী একটা অপ্রাসঙ্গিক অবাঞ্ছিত নাম।
২০১১ তে সুর্যকান্ত মিশ্র, নিরূপম সেন, বিমান বসু, মহঃ সেলিম, বুদ্ধদেব বাবু কেউ যেতে পারেনি অধিকাংশ আক্রান্তদের পাশে, দলটা উঠে গিয়েছিল। বৃদ্ধ কিছু নেতার দল, তাদের পার্টি অফিস, তাদের ফাঁপা শৃঙ্খলা, অতীতের পাহাড় প্রমাণ বনেদিয়ানা জমিদারির ইতিহাস, আর শূন্যগর্ভ বক্তৃতা- ২০২০ অবধি সিপিএম এই ফাঁদে আঁটকে গিয়েছিল। তোলামুলের ক্ষেত্রেও এর কোনো আলাদা কিছু হবে না। আগামী ৩ মাস মাস পর প্রতিটা তোলামুল নেতার স্নায়ুরোগ হবে। কলিং বেল বাজলে প্যান্টে মুতে ফেলবে।
আজ তৃণমূল মার খেলেই সে মুসলমান হয়ে যাচ্ছে, এটা কি অস্বীকার করা যাবে রাজ্যের ৯০% মুসলমান ভোট তৃণমূলের ঝুলিতে গেছে। প্রতিটা গ্রামের প্রায় প্রতিটা ইমামকে দিয়ে মসজিদে মাদ্রাসাতে ভোট প্রচার করিয়েছিল মমতা ব্যানার্জী, জমিয়ত উলামা প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচার করেছে, তাদের অফিসগুলো তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। প্রতিটা মুসলিম সংগঠন উলঙ্গ হয়ে ‘বিজেপিকে রুখতে’ তৃণমূলকে ভোট দিন বলে তান্ডব নৃত্য করেছিল। ভোটের সময় সময় তুমি তৃণমূল ছিলে, নির্দিষ্ট করে তোমাদের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল, তুমি চুরি তোলাবাজি কাটমানির ভাগা নিয়েছ; আজ মার খাওয়ার সময় ধার্মিক হয়ে ধর্ম এগিয়ে আসছে কেন; কেন বলতে পারছ না যে আমরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি, আমরা ওই দলেরই কর্মী সমর্থক, ওদের হয়ে সমস্ত পাপ করেছি বা করাকে সমর্থন করেছি বলে, আজ আমাদের উপরে অত্যাচার হচ্ছে! আসলে তৃণমূলও চাইছে এই ক্যালানির ঘটনাতে সাম্প্রদায়িক রঙ লাগুক।
মমতা ব্যানার্জী সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ছিল। আপনাদের পাড়া এবং চেনা জানা সমস্ত মুসলমান পাড়ায় কোন উন্নতিটা করেছে? সংখ্যালঘু মানে শুধু মুসলমান? বৌদ্ধ, জৈন, খ্রীষ্টান এরা সংখ্যালঘু নয়? এদের পিছিয়ে পড়া সমাজ থেকে কতজনকে গত ১৫ বছরে চাকরি দিয়েছে?
☞ কতজন গরিব মুসলমানের চিকিৎসার দায় নিয়েছে?
☞ কতজন জেলে থাকা মুসলমানকে আইনি সাহায্য দিয়েছে?
☞ মুসসলমান সমাজের পিছিয়ে থাকা ছাত্রছাত্রীর কতজনকে স্কলারশিপ দিয়েছে?
☞ কতজন মুসলমান ব্যবসায়ীকে বিনা সুদে লোন দিয়েছে?
☞ কতজন গরিব মুসলমানকে বাড়ি করে দিয়েছে?
☞ কটা আধুনিক মাদ্রাসা তৈরি করেছে বা মাদ্রাসার আধুনিকীকরণ করেছে?
আসলে কয়েকটা লোক যারা এই দপ্তরের নামে মন্ত্রিত্ব পায়, তারা নিজেরা আপন আখের গুছিয়েছে, তার বাইরে এই দপ্তর থেকে আমাদের চেনা জানা একটিও মানুষ উপকৃত হয়নি।
এর মানে কি হিন্দুত্ববাদী RSS এর দুষ্কৃতিরা হামলা করছে না মুসলমান ও তাদের সম্পত্তির উপরে? অবশ্যই করছে; কিন্তু তেমনটা ১টা হলে, ৯টা তোলামুলের উপরে আক্রমণ হচ্ছে, যেটাকে মুসলমানের উপরে অত্যাচারের মোড়ক লাগিয়ে পরিবেশনা করা হচ্ছে, কারণ বিজেপি মানেই সাম্প্রদায়িক, ফলত তাদের ওই খাতে মিটার উঠে যাচ্ছে।
আগামীতে ৩ দফায় আসল মার শুরু হবে তোলামুলের। আজ কাল যেগুলো হচ্ছে সেগুলো সেই- হ্যালো হ্যালো মাইক টেস্টিং ১ ২ ৩ ৪... এই হচ্ছে। তোলামুল নামের দানবের বিসর্জন হয়েছে বলে আমাদের মতো অনেকেই খানিকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছি, তার মানে এই নয় যে বিজেপি সভ্য মানুষের দল হয়ে গেছে। তারা যে পর্যায়ের নিকৃষ্ট বেহায়া নির্লজ্জ পুঁজিপতিদের দাস ছিল সেটাই থাকবে, তারা সাম্প্রদায়িক ছিল, তারা সংখ্যালঘু অত্যাচারী ছিল, মনুবাদী ব্রাহ্মন্যবাদী ছিল, সেটাই থাকবে। এবারে লড়াইটা আর ঘোমটার আড়ালে নয়, সরাসরি হবে।
তোলামুলের হিন্দু অংশের অধিকাংশই বিজেপিতে চলে যাবে, যাদের হাতে হারামের টাকা আছে, তারা অনেকে টাকা জরিমানা দিয়ে প্রাণে বেঁচে গেলেও- প্রত্যেকে আগামী ৬ মাসে বুঝবে আতঙ্ক কাকে বলে। মুসলমান অঞ্চলের মালগুলো মূল ক্যালানিটা খাবে। আর এদের হাল দেখার পর- তোলামুলের ডিমে তা দিয়ে কোনো বাচ্চা ফু্টবে না। বরং আগামীতে তোলামুল নেতানেত্রীদের যৌন প্রোটেকশন দরকার হবে না- ক্ষমতায় থাকাকালীন তৃণমূলের যেকোনো স্লোগান বললেই বীর্যের শুক্রাণুগুলো নিজেই আত্মহত্যা করে মরে যাবে। না কন্ডোম, না কন্ট্রাসেপটিভ পিল- নির্বীজকরণের এটা এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। আজ বুঝবে না সকলে, যত সময় যাবে, আমার কথাগুলোর বাস্তবতা বুঝতে পারবে।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা পদে বসছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন তৃণমূলের দুই মহিলা মুখ, অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দল তৃণমূলের চিফ হুইপ পদে বসছেন ফিরহাদ হাকিম। মমতা শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা করেছে এক নম্বর কারণ নিজের কন্ট্রোলে থাকবে, শোভনদেবের বয়স ৮৩ উল্টোদিকে ববি ৭০। দুই নম্বর কারণ- দক্ষিণ কলকাতা। তিন নম্বর কারণ মমতা ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক, ব্রাহ্মণ বলে একমাত্র নির্বাচিত করেছে। নয়না সুদীপের বউ এবং ব্রাহ্মণ দুই ক্যাটাগরিতে ঢুকেছে। অসীমা পাত্র ওর বাড়ির কাজের লোক। তালিকা সমাপ্ত।
দেবী ঘৃণাতে সাওয়ার হয়ে এসেছিলেন, ঘৃণাতেই বিসর্জন হয়েছে। বিজেপি RSS উভয়েই জানে, তারা মমতার প্রতি ঘৃণার স্রোতে ক্ষমতায় এসেছে, যেমন বামেদের প্রতি তীব্র রাগের নৌকায় চড়ে মমতা ক্ষমতায় এসেছিল। শুভেন্দু যদি যোগীর মতো আচরণ না করে তাহলে বাংলার লোকজন খানিকটা জায়গা দেবে। বিজেপির শুভেন্দুর সবচেয়ে বড় সমস্যা তৃণমূলের শুভেন্দুর বলা সংলাপগুলো। পরবর্তী সমস্ত জীবন তাকে নিজের সাথে লড়াই করতে হবে। বাঙালি হিন্দুদের ৬০% এর বেশি ভোট বিজেপির ঝুলিতে গেছে বিজেপির হিন্দুত্বকে সাপোর্ট করে নয়, মমতাকে উৎখাত করতে, বহু মুসলমান বুথেও বিজেপির প্রার্থীরা না হলে ভোট পেতো না।
খুব সত্য ঘটনা হচ্ছে, বহু স্থানে বিজেপি কর্মীরা আফসোস করছে, তাদের হাত নিসপিস করলেও ,সাম্পদায়িক রং লাগার ভয়ে তারা তোলামুলকে চেয়েও ক্যালাতে পারছে না। অনেক স্থানে অশান্তি করতে চেয়েও পারছে না, যা সময়ের দাবী; উলটে ব্রেক মারতে হচ্ছে, পাছে তোলামুল ক্যালাতে গিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বলে চিহ্নিত হয়ে যায়। সদ্য এরা সরকার এসেছে, এই লাইনে অনেক চোর তোলাবাজ বেঁচে যাচ্ছে এই মুহূর্তে। এর পরের মারগুলো গতরে হওয়ার চেয়েও পুলিশি আর অর্থনৈতিক মার বেশি হবে। তাই যারা ভাবছে বেঁচে যাচ্ছি, তারা কেউ বাঁচবে না, কাকে কতটা ক্যালানি দেওয়া হবে এবং কোন লেভেলের হবে- সেইটার তালিকা তৈরি হচ্ছে।
চোরগুলো কেউ ১০০ কোটির মালিক, কেউ ৫০ কোটি তো কেউ ৫ কোটির। সামান্য পঞ্চায়েতের সদস্যও ৫০ লাখ বাগিয়ে বসে আছে। কাকে জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে, কাকে অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে বলবে, প্রতিটা প্রেসক্রিপসন আলাদা আলাদা হবে। মেদিনীপুরিয়ান কি জিনিস, বিশ্ব সংসারে এদের নিয়ে যে বা যারা ঘর করেছে একমাত্র তারাই জানে। এদের মত জেদী, গোঁয়ার, ছেঁড়া ন্যাকড়ার আগুনের মতো লেগে থাকার মানসিকতা যুক্ত প্রতিহিংসা পরায়ণ জাতি বিশ্ব সংসারে দ্বিতীয়টি নেই, আসল তো বটেই- এরা সুদেরও সুদ আদায় করা লোকজন। সুতরাং, ছাড় দিলেও ছেড়ে দেবে না।
এতো কিছু বলার উদ্দেশ্য একটাই, পূর্ব বর্ধমানে কমল গায়েন, প্রদীপ তা খুন হয়েছিলেন মমতার প্রত্যক্ষ মদতে, তিন মেদিনীপুর, বাঁকুড়া পুরুলিয়া - সিপিএম সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছিল এই জেলাগুলোতে। আজও সিপিএম সেই আতঙ্ক কাটিয়ে উঠে একটা কচি নেতাও জন্ম দিতে পারেনি। সরি, জন্ম দেওয়া দূর অস্ত, গর্ভধারণ অবধি করতে পারেনি। আরো ৫-৭ বছর লাগবে ২০১১ সালের আতঙ্ক দূর করে, সেই ট্রমা কাটিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক হতে।
বামেদের নিজশ্ব ইউনিক সাপ্লাই লাইন থাকা সত্বেও তারা আজ অবধি মানসিক ভীতি কাটিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি, রাজ্য জুড়ে অন্তত ১৬টা জেলাতে তারা হামাগুড়ি দিচ্ছে। শরিকগুলোর তো ঝাঁপ বন্ধ হয়ে গেছে। ২০১১ এর সময়কার কোনো বড় বাম নেতার যা খুশি রোগ থাক, কোষ্ঠকাঠিন্য নেই। মমতার নাম দু'বার করলে পোঁদ দিয়ে জিভ বেরিয়ে আসে, সেখানে রেক্টামে গু আঁটকে থাকার প্রশ্নই নেই। আজ তোলামুল নামের সাপটা মারা গেছে, খোলস পরে আছে। সেটাকে দেখেই পাখি আর বাঁদরের দল কিচিরমিচির করছে। ভুলে যেও না SUCI এরও পলিটব্যুরো আছে। ২০ বছর পরেও অফিসিয়ালি তৃণমূল কংগ্রেস দলটার অফিস থাকবে কোলকাতার কোথাও না কোথাও। কিন্তু এরা ৫% ভোটও পাবে না ঠিক আগামীকাল নির্বাচন হলেও। যেসব ঘাটের মরাদের যাবার জাইগা নেই, তারা কালীঘাটের ভিকিরি আর ঘেও কুত্তা হয়ে পরে থাকবে।
পরবর্তী ৬ মাসে যে হারে এরা শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক যে মার খাবে, সেই আতঙ্ক কাটানো তো দুরস্থান- এদের শুক্রাণুর কেউ রাজনীতির নামটুকু মুখে আনবে না। নির্দিষ্ট আদর্শ থাকা সিপিএমের ধ্বজভঙ্গ আজও দশা কাটেনি, কারণ সিপিএম যখন মার খেয়েছিল সাধারণ মানুষ সেটাকে উদযাপন করেছিল। কোনো ধরনের আদর্শহীন তোলামুলকেও যখন মার খেতে দেখবে, একটা পাশবিক জিঘাংসা বৃত্তি কাজ করবে জনগণের মনে। ১৫ বছর ধরে করা প্রতিটা পাপের সাথে আজকের অত্যাচারকে জাস্টিফাই করে- হিসাব মিলিয়ে দেবে। এরপর এরা এতোটাই দুর্বল হয়ে যাবে যে, ওই গোটা বাংলা জুড়ে সাকুল্যে ২-৪টে পার্টি অফিস বাঁচবে, SUCI এর সাথে জোটে করে, কংগ্রেসের রক্ষীতা হয়ে তাদের দয়া দাক্ষিণ্যের উপরে বেঁচে থাকবে। ঘাটের মরা মালগুলো, যেগুলোকে আস্তাকুঁড়ের ডাব্বাও নেবে না- সেগুলোই জলসাঘরের ছবি বিশ্বাসের মতো বসে থাকবে।
এরপর সিভিক পুলিশ ধরবে, এদের উপরেই ফার্স্ট ফ্লাসের ক্যালানি শুরু হবে। সিভিকের পরেই পঞ্চায়েত, মিউনিসিপ্যালিটির ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের শরীরে হাত বোলালেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো প্যান্টে হেগে মুতে দেবে, তাদের থেকে পাওয়া তথ্যতেই তো মূল প্রাণভোমরা রয়েছে সরকারি চুরিচামারির। এরপর আইপ্যাকের মেজো ও উঁচু পদের পেদোর দল, ডেটা তাদের কাছেও কম কিছু নেই। দুর্নীতির হাতে-কলমে প্রয়োগ যদি সিভিক পুলিশগুলো করে থাকে, তাহলে এসি ঘরে বসে তার রূপায়ণ করেছে এইসব ডেটা এন্ট্রি অপারেটরগুলো- আইপ্যাকের তত্ত্বাবধানে। পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে লক্ষ কোটির ঋণ আছে নানান কন্ট্রাকটারের। তারা টাকা পাবে না, তোলামুলের নেতাদের সম্পত্তি বেচে টাকা আদায়ের আগে দ্বিতীয় দফার ক্যালানি ও খুনোখুনি শুরু হবে এদের মাধ্যমে। এর পর তো পঞ্চায়েত ভোটের আগে আসল সাম্প্রদায়িক খেলা শুরু হবে।
তাই যারা ভাবছে খেলা শেষ, তাদের বলি- খেলা শুরুই হয়নি এখনও।
ঘৃণার যাত্রাপথঃ স্টেট স্পনসর্ড টেরোরিজম ও RSS
ধর্মীয় শোভাযাত্রা এখন দাঙ্গা বাঁধানোর মূল অস্ত্র, নাগপুরের হিন্দুত্ব আধিপত্যবাদীরা ভারতের আত্মাকে ছিন্নভিন্ন করছে দিয়েছে; যার মেরামতিতে কয়...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
(১) মহারাষ্ট্রের ৩০টা জেলার ৯০টা তালুক ভয়াবহ ভাবে বন্যা কবলিত হয়েছে শেষ ২ মাসে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বিদর্ভ অঞ্চল। মারাঠওয়াড়ায় বন্য...