কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দাঙ্গা ALART
যেকোনো সময় রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে পারে তৃণমূল বিজেপি ও তাদের বাপ RSS. সমস্ত ধরনের জাপানি তেল, রকেট ক্যাপসুল, ভায়াগ্রা, তন্ত্রমন্ত্র, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি কোনো কিছুতেই বিজেপি - তৃণমূল বাইনারি দাঁড়াচ্ছে না। তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে সংবাদ শিরোনাম ফিরে পেতে।
রাজ্যের মুসলমান ১৫ বছর ধরে রোজ ঠকেছে মমতা ব্যানার্জীর কাছে। সাচার কমিটির রিপোর্ট দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে, মুসলমানকে আরও খাদে ঠেলে দিয়েছে। মুসলমানের চাকরি হয়নি, তাদের OBC গেছে, ওয়াকফের সম্পত্তি খেয়ে নিয়েছে তৃণমূল সরকার, মুসলমান বাড়ির ছেলেরা পরিযায়ী হয়ে বালবাচ্চা পরিবার ছেড়ে ভিনরাজ্যে ধুঁকছে- তাই মুসলমান সমাজ এবারে তৃণমূলকে কুরবানি দিয়ে তবে কুরবানির ঈদ পালন করবে বলে একটা সিদ্ধান্তে এসে গেছে।
এদিকে মুসলমান ভোট না পেলে তোলামুলের হাতে হ্যারিকেন পিছনে বাঁশ। ভাইপো সহ গোটা মন্ত্রীসভা ও দলের হোমরাচোমরারা জেলের দেওয়ালে আঁকিবুঁকি কাটবে। স্বভাবতই দেবাংশু, কুণাল ঘোষ, পোষ্য ভাতাজীবি বুদ্ধিবিচি ভাঁড়ের দল, বিশ্বমাচাদো সাংবাদিক কুল, এবং স্বয়ং ভাইপো- চেষ্টার খামতি রাখেনি। কিন্তু কোনো অস্ত্রেই, মমতা ব্যানার্জী এই যাত্রায় বিজেপি জুজু দাঁড় করাতে পারেনি আজ অবধি। তাই বাধ্য হয়ে মোদীকে নামতে হয়েছে আসরে।
তৃণমূলের মুসলমান নেতাদের হাল দেখুন। জাভেদ খান গ্যারেজ, ববি হাকিম প্রতিষ্ঠিত চোর, ওয়াকফের সম্পত্তি চুরি করে রাজনীতি থেকেই পালিয়ে যেতে চাইছে। উত্তরের রব্বানি, হামিদুর, করিম চৌধুরী, আকতারুজ্জামান, খলিলুর, আবু তাহের, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, সহ অধিকাংশ মুসলমান MLA/MP লাগাতার চুরিচামারি করে এখন প্রায় চলৎশক্তিহীন লোলচর্ম বৃদ্ধ। সৌমিক হোসেনরা নেই, মৌসমের মত হাওয়া মোরগের দল আগেই দলবদল করে কংগ্রেসে ফিরেছে। সাবিনা ইয়াসমিন ধুঁকছে, পাবলিক জুতো ছুড়ছে।
ডোমকলের জাফিকুল ইসলাম কয়েক'শ বিএড কলেজের মালিক ছিল, ইডি রেইড করতেই আতঙ্কে রক্তবমি করে পটল তুলেছে। কালীগঞ্জের নাসিরউদ্দিন আহমেদও মরে গেছে, তারপর সেই বোম কাণ্ডের পরে ওখানে তৃণমূল গোরস্থানে বসে আছে- মাটি দিয়ে জানাজা পড়া বাকি। নাকাশীপাড়ার কল্লোল খাঁ, পাঁচ'ছ বারের MLA, ভয়ংকর ভাবে অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট এর কবলে। একই কেস পাঁচলার গুলশন মল্লিকের।
বীরভূমে কাজল সেখ বা শাহনাওয়াজ পাড়ার কুত্তা, ফুটো মস্তান। একদা ফেমাস লাবপুরের মনিরুল কোথায় কেউ জানে না। সিদ্দিকুল্লাহ নিজের দলের কর্মীদের হাতেই সকাল বিকাল ক্যালানি খাচ্ছে। ভাই এর মৃত্যু বেচে নেতা হওয়া রুকবানুর চুরি ছাড়া আর কিছুই করেনি। ইউসুফ পাঠান- না খায় না গায়ে মাখে নিজেই জানেনা। আকবর আলি খন্দকার বা সুলতান আহমেদের বউ সহানুভূতির বিধবা ভাতা কোটার প্রোডাক্ট। আফরিন আলির সত্যিকারের ধর্ম কেউ জানে না। পার্কস্ট্রিট ধর্ষণ কান্ডের আসামি কাদেরের বান্ধবী ন্যাংটা নুসরত কয়েকটা বিয়ে করে গ্যারেজ।
মমতার মুসলমান প্রেম দেখতে হলে অবিভক্ত মেদিনীপুরের দিকে তাকাতে হবে। এখানকার ৩৫ টা বিধানসভা কেন্দ্র মুসলমানদের কতটা গুরুত্ব দিয়েছে তা নিশ্চিত ভাবে বোঝা যায়, যখন দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম থেকে মুসলমানদের প্রতিনিধি হচ্ছে জুন মালিয়া আর দেব। বর্ধমানের মুসলমান প্রতিনিধি রাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী মহানায়িকা শুভশ্রী। পাঁশকুড়ার পশ্চিমের ফিরোজা বিবির শহীদের রক্তের গল্প ফুরিয়ে গেছে। হুগলিতে ফুরফুরার লাল দাড়ি ত্বহা চাচাকে মাঝে মাঝে ঝাঁপি থেকে বের করে আগে ফোঁস করাত, নৌসাদের চোটে কাকা পীরের দম শেষ। আগে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম মমতার হয়ে ওয়াজ করতেন, তিনিও দেহ রেখেছেন।
সোনারপুর উত্তরের ফেরদৌসী বেগম 'মোমো কাণ্ডের' ২৫ টা লাশ লুকাতে ব্যস্ত, নিজে টিকিট পাবে কিনা তাই সন্দেহ। ওদিকে আমডাঙার রফিকুর যদি টিকিট না পায়, একদা বাম তথা অধুনা তোলামুলের সম্পদ আব্দুল সাত্তারের পেছনে হুঁড়কো গুঁজে দেবে, অতএব সাত্তার আউট।
কলকাতা সংলগ্ন ২৪ পরগনার ইদ্রিশ আলি, হাজি নুরুল, ইকবাল আহমেদ, এমন অনেকে কবরে শুয়ে কাটমানি খাচ্ছে। থাকার মধ্যে রয়েছে শওকত, কাইজার, আরাবুল, জাহাঙ্গির আর শাহজাহান - এই হচ্ছে মমতার আসল মুসলমান মুখ। সবকটা গন্ডমুর্খ, সবকটা প্রতিষ্ঠিত চোর, সবকটা দুষ্কৃতি সমাজবিরোধী হিসাবে 'বাংলার গর্ব'। এরাই হচ্ছে মমতার পাঁচে পঞ্চবান।
সবেধন নীলমনি ছিল বেলডাঙার হুমায়ূন, সে তো এখন মোঘল সুলতান। ডেবরার পুলিশ অফিসার হুমায়ূন কবীর যেকোনো দিন মোঘলাই হুমায়ূনের টিমে চলে যাবে। বীরভূমের হাল আরো খারাপ, হাসান, নলহাটি, মুরারই তিনটে কেন্দ্রে প্রায় ৫৫% এর উপরে মুসলমান- মুসলমান জনপ্রতিনিধি নেই।
এরা মুসলমানকে উচ্ছিষ্টভোগী চোর আর লেঠেল বানিয়ে রেখেছে।
তাহলে তোলামূলের ভোট বৈতরণী কাকে দিয়ে পার করাবে ২০২৬ এর নির্বাচনে? পাতি-কুরে এমনি এমনি লগ্নি করতে করতে হয়নি i-pac কে। তার পরেও মুসলমান ভোটকে ভয় দেখাতে পারছে না মমতা ব্যানার্জী, বিজেপি, RSS ও তাদের খোঁচর সংগঠনগুলো। এটা ভয়ানক সিঁদুরে মেঘ ওদের জন্য, অতএব সাধু সাবধান।
সবজি বাজার আগুন, মুদি, গ্যাস, ওষুধপত্র কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। কেউ হিন্দু বলে কি অন্য হিন্দু দোকানদারটা দাম কম নিচ্ছে? সুতরাং বিজেপির জামানার এই দ্রবমূল্যবৃদ্ধি ও কর্মহীনতা- বিভ্রান্ত হিন্দু ভাইবোনেদের অনেকেরই ধর্মান্ধতার নেশা ছুটিয়ে দিয়েছে।
এই অবস্থায় হিন্দু ও মুসলমান - উভয়ের ভোটকে মেরুকরণ করতে গেলে ভীষণভাবে একটা দাঙ্গা প্রয়োজন। ভীষণ ভীষণ ভীষণ। তাই আপনারা আমরা শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সকলেই যেন হুশিয়ার ও সতর্ক থাকি- তৃণমূল বিজেপির পাতা ফাঁদ থেকে। এরা পারে না হেন কোনো নিকৃষ্ট কাজ নেই। আর দাঙ্গা লাগানোতে RSS সার্টিফায়েড শয়তান। এদের সমস্ত চক্রান্ত আমাকে আপনাকেই ভেস্তে দিতেই হবে। দল হিসাবে CPIM, Indian National Congress, Nawsad Siddique প্রত্যেককে এই বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা মূলক উদ্যোগ নিতে হবে।
মুসলমান সমাজ জানে আগামী ২৭শে মে কোরবানির ঈদ, ২০২৬ বিধানসভা ভোটের ফলাফলও এর আশেপাশেই বের হবে সম্ভবত। এই কোরবানি ঈদেই আমরা তৃণমূল সরকারকে জবাই করে দেব গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, ইনশাল্লাহ।
বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
কেন এতো নিরাপত্তা গাফিলতি?
নিচের প্রতিটি শব্দ সরকারি তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। পড়ে নিতেই পারেন।
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর ধ্রুব সাক্সেনা কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর চমন লাল কে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর অচ্যুতানন্দ মিশ্র কে?
উত্তর: আরএসএস সদস্য
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর বিকাশ পান্ডে কে?
উত্তর: বিজেপি বুথ সভাপতি
প্রশ্ন: সন্ত্রাসী প্রজ্ঞা ঠাকুর কে?
উত্তর: বিজেপি সাংসদ
প্রশ্ন: সন্ত্রাসী অসীমানন্দ কে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী
প্রশ্ন: সন্ত্রাসী সংগঠন অভিনব ভারত কাকে সমর্থন করে?
উত্তর: আরএসএস এবং বিজেপি।
প্রশ্ন: ব্রহ্মোস সম্পর্কে গোপন তথ্য চীনকে কে দিয়েছে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী সন্দীপ মিশ্র
প্রশ্ন: অমরনাথ যাত্রা বাসে হামলার পরিকল্পনা কে করেছিল?
উত্তর: বিজেপি কর্মী সন্দীপ শর্মা
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর পঙ্কজ মিশ্র কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর দীপক ত্রিবেদী কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর পঙ্কজ আইয়ার কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর সঞ্জিত কুমার, সঞ্জয় ত্রিপাঠী, বাবলু সিং, বিকাশ কুমার, রাহুল সিং, সঞ্জয় রাওয়াত, দেবশরণ গুপ্ত, রিঙ্কু ত্যাগী, ঋষি মিশ্র, বেদরাম কারা?
উত্তর: বিজেপি কর্মী, আরএসএস সদস্য
প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর মণীশ কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
প্রশ্ন: মোহিত শর্মা কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী
এছাড়াও, আরও হাজার হাজার নাম আছে যারা পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করতে ও দেশের মধ্যে জঙ্গিহানার সাথে যুক্ত থেকে হাতেনাতে ধরা পড়েছে। বিজেপির প্রতিটি বক্তৃতা পাকিস্তান দিয়ে শুরু এবং শেষ হয়!! এর সাথে রয়েছে দেশের মূল সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায় এর গোটাটাকে দেগে দেওয়া হয় মোটা দাগে।
অবশ্যই দেশের একটা সম্প্রদায়ের মুসলমান আছে যারা মনেপ্রাণে পাকিস্তানপন্থী, বাংলাদেশ পন্থী, বা আরো পরিষ্কারভাবে ভারতে থেকে খেয়ে ভারত বিরোধী। কিন্তু আজকালকার এই ট্যেক স্যাভি যুগে সন্দেহভাজনকে ট্রাক করা কী খুব কঠিন? নাকি ইচ্ছাকৃত করেনা! এগুলো কোন পাড়ার মস্তান, যেমন হাত কাটা কালু, কানকাটা পাঁচু বা পেটো জামালের কাজ নয়, এগুলোর জন্য প্রশিক্ষিত লোক লস্কর লাগে। ১৪০ কোটি থিকথিকে জনসংখ্যার দেশে কেউ জানতে পারেনা এই সব পরিকল্পনার কথা?
আসলে রাজনৈতিক লাভ হাসিলের জন্য বিজেপি RSS জ্ঞানত অমুসলিম জঙ্গিদের নাম উচ্চারন করেনা, আর মুসলমান জঙ্গিদের একপ্রকার পুষে রাখে, যাতে দরকার মত তাদের ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করে নিতে পারে। পাশাপাশি গোটা মুসলমান সমাজকে দেগে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির মেরুকরণ করে ভোট বাক্সে ফায়দা নেয়। সুতরাং, বিজেপির কাছে দেশের আগে ক্ষমতা ও ভোট, তাতে বছরে জঙ্গি হামলার কারনে হাজার দু হাজার পাব্লিক মরে গেলে কীইবা যায় আসে, এতবড় দেশের ক্ষমতায় থাকতে এইটুকু মনুষ্যমেধ যজ্ঞের আয়োজন করা কী অন্যায়?
👉৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ জম্মু ও কাশ্মীরের উরিতে মোহরা সেনা ক্যাম্পে হামলা।
👉২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে চার্চ স্ট্রিটে বোমা হামলা।
👉৪ জুন, ২০১৫ মণিপুরে সামরিক কনভয়ে জঙ্গি হামলা ১৮ জন নিরাপত্তা কর্মী অজ্ঞাত জঙ্গি।
👉২০ মার্চ, ২০১৫ কাঠুয়া, জম্মু ও কাশ্মীরের একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা ৬ জন নিহত।
👉২ জানুয়ারী, ২০১৬ পাঠানকোট বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে হামলা পাঠানকোট।
👉১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ উরি সেনা ক্যাম্পে হামলা।
👉২৯ নভেম্বর, ২০১৬ জম্মু ও কাশ্মীরের নাগরোটা সামরিক ক্যাম্পে হামলা।
👉২৪ এপ্রিল, ২০১৭ মাওবাদী হামলা সুকমা, ছত্তিশগড়ের সুকমায় ২৫ জন সিআরপিএফ সদস্য শহীদ।
👉১৩ মার্চ, ২০১৮ সুকমায় আইইডি বিস্ফোরণ সুকমা, ছত্তিশগড়ের ৯ জন সিআরপিএফ শহীদ।
👉১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পুলওয়ামা হামলা (আত্মঘাতী গাড়ি বোমা)।
👉২২ এপ্রিল, ২০২৫ জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি গ্রামে হামলা।
👉১১-১২ নভেম্বর, ২০২৫ গাড়ি বোমা সহ সিরিজ বোমা বিস্ফোরণ নতুন দিল্লিতে।
কোথাও কোনো জঙ্গি ধরা পরেনি, কেউ দায় স্বীকার করেনি। বিস্ফোরণ হওয়া ঠিক আগের মুহূর্ত অব্দি কেউ কিচ্ছু জানতো না কিন্ডারগার্টেন এর অবোধ শিশুর মত- এই সহজ সরল কোমলমতি অমিত শাহ আর অজিত ডোভালের 'ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম', কিন্তু পরবর্তী পাঁচ মিনিটে ঠিক ঠিক ভাবে জঙ্গিগোষ্ঠীর নামটা বলে দেয় গোদী মিডিয়া।
এই নিখুঁত গণনা কোন সূত্র মেনে এনারা বলেন, কেউ কী ফোন করে জানিয়ে দেয়? ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপ, নাকি পাতি লাভ লেটার রেখে যায়?
দেশের মাসুম গোয়েন্দারা আগে বুঝতে পারেনা। ইমানদন্ড দুলিয়ে ডাজন খানেক জঙ্গি আসে পড়শি দেশ থেকে, শিল্পীর মত তারা কাজ সারে। এর মাঝে নিহারি পায়া খায়, লালকেল্লা তাজমহল ভ্রমণ করে, এরই ফাঁকে দু একটা শাদী বিয়েও করে, শেষে মূল কাজ মানে জঙ্গি হামলা করে চলেও যায়। এতো কিছুর পর তবে আমাদের ঝাঁটের লোম ইন্টেলিজেন্স নাকি 'দায়ী গোষ্ঠী' খুঁজে পায়। অথচ তারা জানে এই ৩, ৪ বা ৫টা জঙ্গি গ্রুপই এগুলো করে, তাহলে তাদের উপরে সারাবছর নজরদারি করেনা, কাকে বাঁচাতে?
বিস্ফোরণের পর এই আইডেন্টিটি বিষয়টা কার জন্য জঙ্গি গুলো রেখে যায়?
১) আপনাকে বা আমাকে চমকানোর জন্য?
২) দিল্লির নিউজ চ্যানেলের জন্য যাতে তারা টিআরপি বাড়াতে পারে।
৩) অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জন্য। যাতে চানক্যকে দায় না নিয়ে পদত্যাগ না করতে হয়
৪) ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির জন্য, যাতে 'ইন্ডিয়ান জেমস বন্ড' অজিত ডোভালকে জবাব না দিতে হয় জনগণকে।
৫) পাকিস্তানের জনগণকে দেখানোর জন্য যে দেখো আমরা হিন্দুস্থানের এতগুলো মানুষ মেরে এসেছি, যাতে পাকিস্তানীদের অর্গাজম হয়।
ছ মাস কিম্বা এক বছর ধরে তারা যখন ফাঁদ পাতে, তখন কেউ ধরতে পারে না। অথচ বিস্ফোরণের ৬ মিনিটের মাথায় কমবেশি প্রত্যেকের নাম জেনে যায়, সিকিউরিটি এজেন্সি, মিডিয়া এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যেকে । সেই সূত্রে আমরাও জেনে যায়। প্রতিবার একই কেস, কি অদ্ভুত বিষয় তাই না।
আসল সমস্যা অন্য, আমাদের দেশে যারা বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করেন, তাদের সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা, যারা প্রত্যেকে বেসরকারি ভাবে ‘ঠিকে কাজের’ বরাতে তারা নিযুক্ত হয়। প্রতিটা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে এমন বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা অঙ্গাঙ্গীক ভাবে যুক্ত। এইসব বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা সরকারী চাকুরেদের থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেশি, কারণ তাদের বিভিন্নভাবে রিনিউয়াল বা আপডেট করতে হয় নিজেদের, যে দায় সরকারী চাকুরেদের নেই বা থাকেনা। ঠিকঠাক যোগ্যতা না দেখাতে পারলে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ চলে যায়, তখন সেই বেসরকারী কোম্পানিটি কর্মচারীদের কোনমতে ছাড়ে না।
রাইসিনা হিলস থেকে পাড়ার পঞ্চায়েত অফিস, সর্বত্র এক এক সিস্টেম চলছে। অর্থমন্ত্রক, গোয়েন্দা দপ্তর, সীমান্ত সুরক্ষা থেকে প্রশাসন, এমনকি গোয়েন্দা দপ্তরের ক্ষেত্রেও এই বেসরকারী ক্ষেত্রের সহযোগিতা সমানভাবে প্রযোজ্য, যা বিজেপির আমলে লক্ষ্যনীয়ভাবে বেড়েছে। স্বাধীন ভারতে প্রথমে শুধু একটা IB ছিল, তারপর IB ভেঙে RAW হলো, তারপর তাদের সহযোগিতা করার জন্য NIA গঠিত হলো। শুধু আসল সমস্যা এখানে হলো না। আমাদের সাথে রাশিয়া বা সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগী সংস্থা হিসেবে KGB দীর্ঘদিন আমাদের সাথে কাজ করেছে। শুধু প্রথমবার চিন যুদ্ধে আমরা ভালো করে মোকাবেলা করতে পারিনি, কিন্তু ধীরে ধীরে মহাকাশ পরিকল্পনা, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, পরমাণু বোমা এবং দেশের অভ্যন্তরে কবে কি সামরিক অস্ত্র তৈরি হচ্ছে সবকিছুই একটা চাদরের নিচে চাপা দিয়ে রাখতে সক্ষম চছিলো ভারত সরকার।
মোদী বর্তমানে ইজরায়েলের পিছন চাঁটতে ব্যস্ত। MOSSAD কে সর্বশক্তিমান মেনে মূলত তাদের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করে আমাদের ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম। মোসাদের যে কি যোগ্যতা সেটা ইরান পৃথিবীর সামনে ন্যাংটা করে খুলে দেখিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার FSB, SVR, GRU কিম্বা চীনের MSS, MID এবং দু একটি ভারতীয় বেসরকারি কোম্পানি ইন্টারনেট দিয়ে সহযোগিতা করাতে আর ভারতীয় কিছু প্রযুক্তিবিদ এবং তাদের সাথে হয়তো তাদের মত কিছু ব্যক্তি পাশে দাঁড়াতে মোটামুটি ইসরাইলের নাম ম্যাপ থেকে মুছে যেতে বসেছিল, যদি না ওরা হাঁটু মুড়ে বসে তখন প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে না নিতো। এরকম কোণঠাসা পরিস্থিতিতে ইজরাইলকে মুঠোতে পেয়ে ছেড়ে আসার জন্য আগামী দিনের অনেক মূল্য দেবে মধ্যপ্রাচ্য, এটাও আজ লিখিতভাবে বলে দিলাম।
সে যাই হোক, আমরা যখন থেকে কেজিবির পরিবর্তে মোসাদ বা বকলমে CIA আমাদের সাথে কাজ শুরু করেছি, তারপর থেকেই নিরাপত্তা গাফিলতি সংক্রান্ত এই সমস্যাগুলি প্রকট হয়েছে আমাদের দেশে। আমেরিকা গোটা বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ শুরু করেছে, কোথাও শেষ করতে পারেনি, লেজেগোবরে হয়ে পালিয়ে বেঁচেছে প্রতিটা ক্ষেত্র থেকে। এই হচ্ছে CIA এর অউকাত। RSS এর বিশ্বাসঘাতকতার পাশাপাশি গোয়েন্দাক্ষেত্রে ব্যর্থতার একটা বড় কারন- রাশিয়ার মত প্রমানিত বন্ধু পাশে না থাকা।
১৯৯৮ সালে অটল বিহারী প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় আমরা পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ করেছিলাম। কিন্তু বিজেপি তখন পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা তো দূরের কথা, একটা অস্তগামী সরকার ছিল। তারপরই RSS সিদ্ধান্ত নেয়, যে কোন মূল্যে পূর্ণাঙ্গভাবে ক্ষমতায় আসতেই হবে তার জন্য প্রথমে একবার অন্তত একটা ফুল টার্ম প্রধানমন্ত্রী চেয়ার চাই। ২০০৪ সালে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কিনা জানিনা, ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার বিলগ্নীকরণ বলে একটি দপ্তর তৈরি হয়েছিল এবং তার একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হয়েছিল তার নাম ছিল- অরুণ শৌরি। বিলগ্নীকরণ দপ্তরের কাজ কি ছিল ? বিক্রি করা। আদানির জন্ম ও ভবিষ্যৎ ওই গর্ভে নিহিত ছিলো। আজকের যে কথাগুলি বাজারে চালু রয়েছে, ব্যবসা করা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সরকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করে দেবে, ব্যবসায়ী ব্যবসা করবে; এগুলো ওই সময় থেকে বলা শুরু। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এই দপ্তর কোনদিন ছিলনা। RSS এর শাসনাধীন ভারতবর্ষ এক্ষেত্রে পাইওনিয়ার। আদানির মাধ্যমে আসলে এই সব সম্পদ অন্য কারো হাতে, মানে RSS কুক্ষিগত করছেনা তো? সেই RSS যাদের কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই, না ব্যাঙ্ক একাউন্ট না আর্থিক লেনদেনের কোনো হিসাব।
দেশের মূল সমস্যা RSS, ওটা সরে গেলেই আবার দেশ ঠিক নিজের সেপে চলে আসবে। বিজেপি বা RSS না হলে আমি আপনি দেশপ্রেমিক হবোনা, এটা আজ আমরা সকলেই জানি ও বুঝি। কিন্তু ৪-৬% হিন্দুত্ববাদী RSS এর জঙ্গিগুলো আজ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, মূল সমস্যা এখানে।
এখানে কোনও কিছুই অলৌকিক নয়। প্রতিটা অঙ্কের নিয়মে সিদ্ধ, প্রতিটা জঙ্গিহানা একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ণ মেনেই হচ্ছে, প্রতি ফেলিওরেরও প্যাটার্ণ সেই সেম। গত ১১ বছর ধরে ব্যাক্তিগুলোও সেম, কার কোনো দায়িত্ব নেই, কার কোনো দায় নেই।
যত দ্রুত এই RSS এর সরকারকে বোতলে ভরে সমুদ্রে ফেলে না দেওয়া যাচ্ছে, সমস্যার কোনও আশু সমাধান নেই।
#হককথন
#BanRSS
শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
মুসলমান সাবধান
মুসলমান- সাবধান হয়ে যাও। এটা RSS এরই পাতা ফাঁদ। কিছু কাটা মোল্লাকে কিনে নিয়ে তোলামুলের পোশাক পরিয়ে আপনাকে, আপনার সন্তান বা ভাইকে রক্তাক্ষয়ী ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। SIR নিয়ে মুসলমানকে ভয় দেখানো যায়নি, অথচ সামনে ৬ মাসের মধ্যে ভোট, একটা দাঙ্গা না হলে যে বাইনারি তৈরি হয়না RSS এর দুই দল- বিজেপি ও তৃণমূলের মাঝে। আপনি ওদের ফাঁদে পা দিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ জাহান্নামে পাঠাবেন কিনা সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। আগামীতে এরা এমন নানা ধরণের ফাঁদ পাতবে ক্রমাগত, আপনাকে সাফল্যের সাথে বিজেপি-তৃণমূলকে অবিশ্বাস করে যেতে হবে দৃঢ় ঈমানের অঙ্গ হিসাবে। সেটাই আপনার সাফল্য।
তথ্য কী বলছে জানেন? আমাদের দেশের প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে ১৪ জন মুসলমান। ৮০ জন হিন্দু ও ৬% অন্যন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়- যেমন শিখ, খ্রীষ্টান, জৈন, বৌদ্ধ প্রমুখ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সাকুল্যে ৩৬% ভোট পেয়েছিল। তাও এর মধ্যে চুরি চামারি, বাটপারি, লুঠপাঠ সব আছে।
মানে ১৪% মুসলমান, ৬ শতাংশ অন্যান্য সংখ্যালঘু ছাড়াও ৪৬% হিন্দু RSS এর বিরুদ্ধে রয়েছে আজও। যারা দেশের মোট মুসলমানের ৩ গুনেরও বেশী। এদের মধ্যে বামপন্থী বড়জোর ২-৩%, বাকিরা সমাজের প্রতিটা স্তর থেকে রয়েছে। হিন্দুত্ব RSS এর বাপত্ব সম্পত্তি, হিন্দুইজম নয়। না তারা দেশের ঠিকেদারি নিয়ে বসে আছে। যেকোনো সুস্থ, সভ্য, শিক্ষিত হিন্দু মানুষ RSS এর বিরুদ্ধেই রয়েছে আপনার মত, তারাও এই মনুবাদী জঙ্গীদের বিরুদ্ধে রোজ লড়াই করছে, কিছু ক্ষেত্রে আপনার চেয়ে বেশী লড়াই করছে। সুতরাং তোলামুলের যে মৌলবাদী অংশটা গ্রামে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় হিন্দু মানেই RSS, তাদের গিয়ে ক্যালাও বলে উস্কানি দিচ্ছে, তারা আসলে আপনাকে কুরবানির খাসি বানাবার প্রচেষ্টা করছে। আপনি RSS এর সাথে অতি সরলীকরন করে হিন্দু ক্যালাতে গেলেই ফেঁসে যাবেন। আপনার বাড়িঘর, পাড়া, মহল্লা জ্বলেপুড়ে যাবে।
RSS এটাই চায়, যেকোনো মূল্যে দাঙ্গা। RSS এর দুটো রাজনৈতিক মুখ, বিজেপি ও তৃনমূল- এই দুই দলের বাইনারির খেলাকে রুখে দিন। তোলামূলের চোর চামার গুলোর কথাকে শুয়োরের মাংসের মত হারাম না করতে পারলে, আপনার সন্তান আগামীতে আপনার মৃত্যুর পর আপনার জন্য মাগফেরাতের দোয়ার পরিবর্তে- জাহান্নামে যাওয়ার গালি দেবে, শাপশাপন্ত অভিশাপ দেবে; কারন আপনি তাদের জন্য একটা অশান্ত সমাজ রেখে গেছেন তৃনমূলের মাধ্যমে RSS কে বাংলাতে প্রতিষ্ঠা করে। আপনি সিপিএম হবেন, নাকি কংগ্রেস হবেন কিম্বা তৃতীয় যা খুশি কিছু হতে পারেন, শুধু RSS এর ঘৃন্য পাঁক থেকে বেরিয়ে এসে, তোলামুলের দুধেল গাই থেকে- মানুষ হোন প্রথমে।
ধর্ম মেখে যে ভাত খাওয়া যাবেনা এটা রাজ্যের হিন্দু মুসলমান সবাই বুঝে গেছে। এখন আপনি ঠিক করুন, আপনি তৃনমূলের দাড়িওয়ালা মোল্লা জঙ্গিগুলো, যারা RSS এর নামে বিল কেটে হিন্দু ক্যালাবার উস্কানি দিচ্ছে, তাদের ফাঁদে পড়বেন নাকি চোখ কান খুলে তথ্য দেখবেন, যে ৪৬% হিন্দু আপনার মতই RSS এর সাথে লড়াই করছে আপনাকে বাঁচাতে, আপনার হকের জন্য, সংবিধানের জন্য, দেশের জন্য।
সিদ্ধান্ত আপনার
মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
সিদ্দিকুল্লাহ~ আসানসোলে গোরক্ষার তান্ডব
সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।
বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
দ্য এন্টায়ার পলিটিক্যাল সায়েন্স
আগে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় নাকি এমন একটা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি দিতো। এখন এই সাবজেক্ট পড়ানো বন্ধ করে দিলেও সাবজেক্টের অধ্যয়গুলো পরিষ্কার হয়েছে গত ১১ বছরের অধ্যয়নে।
✅ ভয়ানকভাবে উগ্র দেশপ্রেমের সংকীর্তন করো, যাতে অতীতে ব্রিটিশের দালালি ও
স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে থাকা জনসঙ্ঘ বা RSS এর ঘৃণ্য ইতিহাস চাপা দেওয়া যায়।
✅ ভীতু মধ্যবিত্ত ও লোভী বে-রোজগার যুব সমাজকে টার্গেট করো, হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের মদ গেলাও।
এরাই আগামীর অন্ধ ভক্ত শ্রেনী সাপ্লাই দেবে, এদের ভোটই ক্ষমতার গদিতে টিকে থাকার অন্যতম উৎস।
✅ নিজেরা এলোপাথাড়ি চুরি করো। আদানি আম্বানির মত পুঁজিপতিদের আরো নতুন নতুন
চুরির ক্ষেত্র রেডি করে দাও। রামদেবের মত চোর লঞ্চ করো বাজারে। আপদে বিপদে এই
পুঁজিপতিরাই দলীয় তহবিলে টাকা দেবে ইলেকটোরাল বন্ডের নামে, যেগুলো ভোট, বোমা, বারুদ, অস্ত্র সহ- মিডিয়া ও দুর্নীতিবাজ
সরকারী কর্মচারী কিনতে অর্থ যোগান দেবে।
✅ চুরি করে ধরা খাওয়া জনিত বিপদে পরলে, প্রথমে রামের নামে অস্বীকার করো। এরপর হনুমানের
দিব্যি খাও।
✅ রোজ সন্ধ্যায় পুষে রাখা ‘পমেরিয়ান কুত্তা’ গোদী মিডিয়াকে লেলিয়ে দাও।
✅ আঁটিসেল নামের ট্রোল ব্রিগেডকে ছেড়ে দাও মিথ্যার বাজার বসাতে।
✅ বলিউডকে দিয়ে নতুন ইতিহাস বানাও।
✅ পাকিস্তানকে দিয়ে উত্তেজক ডায়লোগবাজি করাও। দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করো, কিছু জওয়ানকে শহীদ করে দিয়ে যেকোনো ইসলামিক জঙ্গীগোষ্ঠীর নামে
বিল ফেরে দাও- পুলওয়ামার মত।
✅ এরপর সেনাবাহিনীর কর্তাদের নিয়ে এসে বিবৃতি দেওয়া করাও। সেনার আবেগকে কাজে
লাগাও ভোটের ময়দানে।
✅ দেশে দাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধিয়ে দাও। মসজিদ বা কবরের নিচে মন্দির চাপা আছে
বলে,
লাঠিসোঁটা বন্দুক তরোয়াল নিয়ে লেগে
পরো রামের নামে মুসলমান নিধনে।
✅ প্রকাশ্য মঞ্চে রামদেবের মত গেরুয়া পোষাকধারীদের দিয়ে বলাও- হিন্দু খতরে মে
হ্যাঁয়।
✅ ব্যাস- সব পাপ ধুয়ে গেলে, আবার পুরাতন সাইকেলের পুনরাবৃত্তি করো।
এটাই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সায়েন্সের মূল সিলেবাস। নাগপুরের গোয়ালঘর থেকে এখন এই বিষয়ে শুধু ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়। ইষ্ট জর্জিয়া থেকে যারা পাশ করে এসেছে, তারাই একমাত্র ডিগ্রি কোর্সের জন্য আবেদন করতে পারে।
সাহেব যেহেতু এন্ট্যায়ার পলিটিক্স, ফলত শুরুতেই ED ও CBI এর মত সহজ অধ্যয় গুলোকে চাড্ডির নেই-পকেটের লোমশ অঞ্চলে রেখে দিয়েছিলেন। কঠিন সাবজেক্ট ছিলো সুপ্রিম কোর্ট নামের অধ্যয়টা, বড় কঠিন ও জটিল সব ইকুয়েশন। কিন্তু সাহেব এক্সট্রা 2ab খুঁজে পেয়ে গেলেন রঞ্জন গগৈ আর চন্দ্রচুড় নামের দুই বরাহ অবতারের স্বরূপ হিসাবে। এক্সট্রা 2ab মানেই এক্সট্রা এনার্জি। বাকিটা অত্যন্ত সহজ ছিলো। এর পর যখন উনি নন বায়োলজিক্যাল হিসাবে আবিষ্কৃত হলেন- সেই মায়াতে ভেসে আসা সুনীল আরোরা ও রাজীব কুমারের মত IAS অফিসারদের সাহেবে তার বগলের তলায় লোমে আশ্রয় দিলেন।
এমন চাটুকার আইনব্যবস্থা আর সরকারি কর্মচারী পেয়ে গেলে, অরাজকতা নিও-নর্মালাইজড হয়ে যায় সমাজে। গোটা গুজরাত জুড়ে মোদী-শাহ একটা আতঙ্কের নাম ২০০২ থেকেই, শুধু যে কংগ্রেস সেই রাজ্য থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে এমনটা নয়, বিজেপির মধ্যেও সকল বিরুদ্ধ মত ভ্যানিস হয়ে গিয়েছিল। হারিন পান্ডিয়া বা বিচারপতি লোয়া কান্ড ঘটিয়ে ‘ডর কা মাহল’ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল, বাকীটা গোপিনাথ মুন্ডের মার্ডার সেই আতঙ্কককে 'হল অফ ফেমে' পৌঁছে দেয়। দীপক মিশ্র ও চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চই লোয়া হত্যার তদন্ত খারিজ করে দেয়, পুরো রাজযোটক যুগলবন্দি।
স্বভাবতই সাহেব উপলব্ধি করলেন
‘আমি’ ইশ্বরের প্রতিরূপ। ব্যাস, নোটবন্দি নিয়ে মানুষের হয়রানি হোক বা GST নিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস, ২ বছর ধরে চলা আন্দোলনে ৭০০ কৃষকের
শাহাদাত বা CAA- ছোট বড় কোনো
ঘটনাতেই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সাইন্স আর ভয়ভীত হলোনা, কারন ক্ষমতার গদিতে অমরত্ব পাওয়ার টোটকা তার করায়ত্ব-
ভোটারলিষ্ট ম্যানিপুলেশন তথা ভোট চুরির মহাবিদ্যা। তাতেও শেষ রক্ষা হলোনা, আবকি বার চারশো পার- হাঁক দেওয়া
বিশ্বগুরু ২৪০শে আঁটকে যেতেই ক্ষীর খেকো নিতিশ আর চন্দ্রবাবুর বরাত খুলে গেলো।
কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
ব্যাপার হলো, মাঝেমাঝে
সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নও চলে আসে। যদিও আমাদের মত নিম্নমানের ছাত্রদের সামনে
প্রতিটা প্রশ্নপত্র সিলেবাসের বাইরেই থাকে। অতএব, স্বঘোষিত বিশ্বগুরুকে রোজ দুবেলা পায়ুপথে পরিরম্ভন
করতে লাগলো ‘গোমাতার নাথ’ দোলান্ড ভাই। বিশ্বগুরুর প্রাণভোমরা আদানি শেঠ- শেঠের
অণ্ডকোষ ‘ট্রু ফ্রেন্ড এ্যাট হোয়াইট হাউজের’ হাতে। সেই রেশ ফুরাবার আগেই ফাঁস হয়ে
গেলো এক্সট্রা 2ab এর জটিল
অঙ্কের সমাধান- ভোট চুরি।
বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধানে সাধারণ মানুষকে একটি ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছিলেন, মোদী তার ভক্তদের চারটি-পাঁচটা ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে। ভাবটা এমন- রামের নাম নিয়ে আগামীতে মোদী নিজেই ১৫০ কোটি ভোট একাই দেওয়ার অধিকার দাবী করতে পারে। কারন- প্রাক্তন আইয়াইটিয়ান ও হার্ভার্ডিয়ান জ্ঞানেশ কুমার।
বর্তমান এই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অমিত শাহ এর উচ্ছিষ্ট ভোগী সারমেয় মাত্র। এর আগে কো-অপারেশন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তারও আগে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল প্রণয়ন এবং বাতিল-পরবর্তী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন, তিন তালাক বিল, এবং অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণ তত্ত্বাবধানে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠায় এই জ্ঞানেশ কুমার সরকারের OSD হিসাবে প্রতিটা ঘটনাতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এর লিঁয়াজো হিসাবে। কে জানে ইনি আগামীতে দেশে থাকবেন নাকি তার পূর্বসূরির মত ‘মাল্টা’তে পালিয়ে যাবেন।
যাই হোক, বিপদ আসতেই সায়েব উপরের সিলেবাস মতই খেলা শুরু করে দিলেন। কিন্তু-
👉পমেরিয়ান মিডিয়ার ভৌ ভৌ ব্যার্থ হলো, আঁটিসেলের এঁটুলি বাহিনী ছন্নছাড়া।
👉 ED-CBI খাঁচায় বন্দি, ফাঁপা মিথ্যা ভাষণ ‘লোম কি বাত’ আর খাচ্ছেনা, এমনকি ভক্তেরাও চার অক্ষরের সম্বোধন করছে
রাঙ্গা-বিল্লাকে।
👉 বায়ুসেনা কর্তার ৪ আগষ্টের ভাষনের ক্লিপ ১০ তারিখে দেখিয়েও বাজার গরম করা
যায়নি,
তাই তিন মহিলা সেনা আধিকারিককে KBC তে পাঠিয়েছে- মরিয়া চেষ্টা; সেনার বর্মের আড়ালে লুকাবার।
👉 পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও তাদের কয়েকটা রাজনৈতিক জোকারকে দিয়ে পাকিস্তান দেশের
ওজনের চেয়ে বড় বড় বুলি-ধমকি দেওয়া করিয়েছে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে, পাবলিক খায়নি।
👉 নেহেরুকে আনা যায়নি।
🔥 অতএব দাঙ্গা বাঁধাও –🔥
⛔ হ্যাঁ, উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরের একটি মাজার, মানে আব্দুল সামাদ নামের কোনো এক গুণী ব্যক্তির
সমাধিস্থল আসলে নাকি শিব/কৃষ্ণ মন্দির বিজেপির হিসাবে। বিজেপির জেলা সভাপতি মাজার
ঘেরাও এর ডাক দিলো। যথারীতি প্ল্যানমাফিক RSS এর গ্যাংব্যাং এ জন্মানো বালবাচ্চারা তথা বিশ্বহিন্দু
পরিষদ,
বজরঙ দল ও আরো এই জাতীয় ‘হিন্দু’
জঙ্গী সংগঠনের উন্মাদেরা- যোগীর পুলিশের নিশ্চিন্ত ঘেরাটোপে উল্লেখিত মাজারে
ধ্বংসলীলা চালিয়ে দিলো।
কিন্তু, কিন্তু, এতে ধর্মের নামে হাইপ তোলা তো দূরস্থান, বরং জাতিধর্ম নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি সুস্থ মানুষের খিস্তি খেয়ে RSS গর্ভবতী হয়ে গেলো। সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ এসেছে দেশের ‘গণতান্ত্রিক ও সেকুলার’ হিন্দুদের তরফ থেকেই আর এতেই ফেল মেরে গেছে BJP-RSS এই দাঙ্গার রাজনীতি। ভোট চুরি ধরা পরতে, RSS তাদের সকল ধরনের অস্ত্র তুণীর থেকে বের করে ফেলেছে। গোটা বিজেপি দল এখন নির্বাচন কমিশনের স্বঘোষিত উকিল সেজে বসে আছে।
এই ‘চোর’ সরকার আগামী ৬ মাস গড়ালে আশ্চর্য হবো। হয়তোবা অকাল লোকসভা নির্বাচনের দেশগোড়ায় দেশ, সৌজন্যে মোদীর ‘ভোট চুরি’। কিন্তু RSS আর গুজ্জু কার্টেল কী এত সহজে উৎখাত হবে? ১৫ই আগষ্ট লালকেল্লা থেকে সারেন্ডার মোদী নতুন গল্প শোনাবে। চক্রান্তের গল্প। ১১ বছর ধরে নিজের ‘মনকি বাত’ শোনানো এ্যান্টায়ার পলেটিক্যাল সায়েন্স এখন জনগণের কথা শোনাতে চাইবে।
🟧 কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতি আর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কেঁদে বুক ভাসাবে।
এদের আড়ালে নিজেকে আর চুরি লুকাবে লালকেল্লার ভাষনে। জাতির সামনে নাম নেওয়ার মুরোদ নেই
‘মাই ফ্রেন্ড দোলান্দ’ এর, তথাপি আমেরিকান প্রভুকে তুষ্ট রেখে, ভক্তদের বোঝাবার চেষ্টা করবে- ‘ম্যা ঝুঁকেগা নেহি
শালা’। ‘ঝোলা উঠাকে চলে যায়েঙ্গে’ গানের আগে নতুন চক্রান্তের গল্প ফাঁদবে।
➤ বলবে- আমেরিকার CIA রাহুল গান্ধীকে ফান্ডিং করে দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী
স্টেবল সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্তে সামিল হয়েছে। বিরোধীদের দেশদ্রোহী প্রমানের
অপচেষ্টা করবে। এটাই শেষ হাতিয়ার বিহার ভোটের আগে। ডিসেম্বরের আগে দেশ প্রথম কোনো
নন-বায়োলজিক্যাল রাষ্ট্রপতি পেলেও পেতে পারে, জেলযাত্রা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা কিছু তো করবেই।
এন্টায়ার পলিটিকাল সায়েন্স বিষয়টাই এমন যে।
😃 ইলেকশন কমিশন দুর্দান্ত মুডে আছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের মতই বলছে- “মায়ের দিব্যি কেটে বল, আমার গা ছুঁয়ে বল সত্যি বলছিস”। মা কালীর দিব্যি না কাটলে- আমি তোকে দলে নেব না। “Manufacture of vote’ এর ভুরি ভুরি প্রমাণ সত্বেও পক্ষাঘাতগ্রস্থ সুপ্রিম কোর্টের এতটুকু মুরোদ বেঁচে নেই যে, একটা সুয়োমোটো মামলা করে ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধে, জনগণের স্বার্থে। যে আদালতে এতদিন দীপক মিশ্র, রঞ্জন গগৈ এবং চন্দ্রচূড়ের মতো বিজেপির পদলেহনকারী দালালেরা রাজত্ব করে গেছে, সেই বিচারব্যবস্থার বেঁচে থাকা নিয়ে সন্দেহ করা প্রতিটি ভারতবাসীর কর্তব্য।
সিটবেল্ট কষে বসে পরুন, মোদী ম্যাজিক আর RSS এর ‘হিন্দুত্ব-দেশপ্রেম’ এর আবেগ ফেরির রাজনীতির খাণ্ডবদাহন পর্ব চলছে। এরপর মৌষলপর্ব, ও মহাপ্রস্থানিকপর্ব এর বদলে জেলগমনপর্ব আসবে ক্রমান্বয়ে। জাষ্ট ক্রনোলজি সামঝিয়ে…
পাশাপাশি আমাদের রাজ্যের রাজনৈতিক বেশ্যা তোলামুলকেও দেখবেন কেমন ক্ষ্যাপা কুত্তার মত এর তার পায়ে পরে- পেছন চাঁটা শুরু করবে। ইষ্ট জর্জিয়ার সিলেবাস আরেকদিন লিখব।
🟥 আমাদের রাজ্যে স্যাডিস্টিক বাম বাচ্চাগুলো রাহুল গান্ধীকে পাপ্পু ডেকে, খানিকটা শুভঙ্কর সরকারের উপরে ঝাল ঝেড়ে- অর্গাজম নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিশন নিশ্চুপ, তার কারণ আছে। কমিশন নিজেরা বিজেপির Crime partner। রাজ্য সিপিএম ঠিক কোন কারণে মৌনতা নিয়ে রয়েছে- এ বিষয়ে জানতে গেলে আপনাকে টাইম ট্রাভেল করে ২০২৮ সালে যেতে হবে। এই সামান্যটুকু টাইম তো লাগবে সম্মেলন/প্লেনাম করে- অনেকক্ষণ বিচি চুলকে দুটো লোম ছিঁড়ে- “কী বলা যায়” সেই সিদ্ধান্ত নিতে। বাম্বাচ্চা গুলো তাদের নেতাদের শুধাচ্ছেনা, তাদের প্রশ্ন- রাহুল গান্ধী কেন মমতা আর ভাইপোর বিরুদ্ধে বলছেনা?
সারাদিন সেটিং সেটিং করে কসে ফেনা তুলে ফেলা আবালগুলো, নিজেদের অন্ধত্ব-ব্যর্থতা- অপদার্থতা ঢাকার জন্য এই সেটিং এর ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে। আলিমুদ্দিনের পক্ককেশ জঞ্জালগুলো বিগত ছয় দিনে ‘গোপনে হ্যান্ডেল মারা’ ছাড়া কোনো কিচ্ছু করেনি ভোট চুরি ঈশ্যুতে। সুতরাং, বাম্বাচ্চারা যদি নিজেদের নেতাদের প্রতি ক্ষোভ ঘরে নিয়ে গিয়ে বউয়ের সামনে জানায়- না থালায় ভাত জুটবে, না রাতে বিছানায় জায়গ। ফলত রাহুল গান্ধীই এখন এদের ক্ষোভ নিরসনের এর জায়গা।
☢️ ও হ্যাঁ, অখিলেশ ফতেপুর নিয়ে মুখ খুললেও, রাহুল গান্ধী এই ঘটনা বিষয়ে নিরবই রয়েছে। যদিও পথ কুকুর নিয়ে ভিডিও বা টুইট করতে ভোলেননি। তাকে আগামীতে দিল্লির মসনদ পেতে হবে, কী লাভ বেকার RSS কে চটিয়ে! আসলে অপদার্থ শয়তান বাপের জিন যে কথা বলবেই, বাবরি মসজিদের তালা খুলে আজকের দিনের ‘উগ্র হিন্দুত্ব রাজনীতির’ আহ্বান যে তার হাতেই হয়েছিল। তাই রাহুলকে মসিহা ভাবার কোনো কারন নেই মুসলমানের। গু, তবে শুকনো- জুতোয় লেগে ঘরে ঢুকনেনা, এটুকুই স্বস্তি।
সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
বাঙালী খেদাও ও বাস্তবতা
বাঙালির উপর অত্যাচার আজকে নতুন কিছু নয়। মুম্বাইতে বিহারি খেদাও অভিযান, এটাও খুব পুরানো নয়। আসল কথা গরিবের উপর অত্যাচার। কোন বড়লোকের উপর আজ অব্দি কখনো কোন রাজ্যে, কোন দেশে অত্যাচার হয়নি।
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০
পালঘর সাধু হত্যা
মুসলমানেরা সাধু হত্যা করেনি
সারফারোজ নামের একটা সিনেমা দেখেছিলাম, যেখানে একদল ডাকাত একটা বাস আক্রমন করে তাদের থেকে সকলকিছু লুঠ করে
প্রত্যেককে হত্যা করেছিল। হ্যাঁ, সেটা সিনেমাই
ছিল।
কিন্তু গত ১৫ই এপ্রিল মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার গড়ছিঞ্চোল গ্রামে যেটা
ঘটেছে সেটাও কিছুটা তেমনই।
শতাধিক মত্ত জনতা একটি প্রাইভেট গাড়িকে রাস্তায় থামিয়ে সেই গাড়ির ড্রাইভার
সহ তিনজনকে হত্যা করে। বাদবাকিরাও বেধরক মারের শিকার। সেইমুহুর্তে পুলিশের একটা
গাড়িও এসে উপস্থিত হয়- কিন্তু সেই কনস্টেবলও শুধু প্রহৃতই হন তা নয় বরং পুলিশের
গাড়িটিও ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় তিনজন, যা ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক। একজন গাড়ির ড্রাইভার নীলেশ তালগাড়ে(৩৫), অন্য দুজন- চিকনা মহারাজ(৭০) ও কালপুরুষ গিরি
মহারাজ(৩৫)।
জুনা আখাড়ার কয়েকজন সাধু মুম্বই থেকে গুজরাতের সুরাতে যাচ্ছিল কোনো একটা
শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দিতে। আদিবাসী অধ্যুষিত পালঘরের ঐ অঞ্চলে কোনো ভাবে রটেছিল
ওই গাড়িতে ছেলেধরা বা 'বাচ্চাচোর' এর দল যাচ্ছে যারা শিশুদের শরীর থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুলে
নিয়ে ব্যবসা করে। যদিও পুলিশ প্রায় ১০১ জনকে গ্রেফতার করার পর বলেছে- এরা
স্বসস্ত্র ডাকাতদলও হতে পারে। এই হল ঘটনা।
রটনা হল, RSS ও তার প্রোপাগান্ডা মেসিনারি
গত ২৪ ঘন্টা ধরে এই বিষয় নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাবার প্রচেষ্টার খামতি
রাখেনি। কিন্তু লাঠিসোঁটা সহ দলটি আদিবাসী প্রমানিত হতেই ব্যাকফুটে চলে গেছে।
সারা ভারত জুড়ে মব লিঞ্চিং বা পিটিয়ে মারার ঘটনার সুত্রপাত RSS নামক সন্ত্রাসবাদী দল ও তার শাখা সংগঠন গুলোর হাত ধরেই।
কোনো রাজ্যের প্রশাসনই এ বিষয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আজ
তাদের দেখানো পথেই আজ "সাধু সন্ন্যাসীর" দল আক্রান্ত। এটা হওয়ারই ছিলনা
কি?
নগর পুড়লে দেবালয় কীভাবে রক্ষা পায়?
১৩৭ কোটি ভারতীয়কে শাসন করছে সেই বিজেপি, যাদের ১১৩ কোটি ভারতীয়ই অপছন্দ বা ঘৃণা করে। তাদেরই নেতারা এই মব লিঞ্চিংকে
সমর্থন করেছে যখন আহত বা নিহতের নাম মুসলমান ছিল। এমনকি লোকসভাবে মবলিঞ্চিনহ
বিরোধী আইন এর প্রস্তাবটুকুকেও বিজেপি সেদিন নস্যাৎ করেছিল, আজ সেই বিজেপিই মব লঞ্চিং নিয়ে লফাও করে সোস্যালমিডিয়ার
মড়াকান্না কাঁদছে।
এই ট্রেন্ড ভয়ানক ইঙ্গিত করছে, "এভাবেও পিটিয়ে মেরে ফেলা যায়" ধারনা বৃহত্তর সমাজে ছড়িয়ে গেলে তার ফল
মারাত্বক ও সুদূরপ্রসারী। কারন পূর্বের কোনো ক্ষেত্রেই আইনকে সেভাবে কঠোর হতে দেখা যায়নি। সাপুরেরা
সাপের ছোবলেই মারা যায়- আজ আইন চোখের পটি খুলে হয়ত দেখতে চেষ্টা করবে- কিন্তু
তবরেজ আনসারীদের আত্মারা মিছিল করে অবরোধ করে রাখবে।
সুতরাং এটা একটা ভয়াবহ মৎসন্যায়ের সূচনা মাত্র, যার রুপকার একমাত্র সন্ত্রাসী RSS
সাধু সন্ন্যাসীদের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ দেশ জুড়ে।
দুর্ভাগ্য হচ্ছে বিগত কোনো মব লিঞ্চিং এর সময় মাননীয় সন্তদের তরফে কোনো প্রতিবাদ
আসেনি। তারও পরেও বলব, আপনারা এর
প্রতিবাদ করুন। এ এক ভয়ানক ইঙ্গিত
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...

