বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

কেন এতো নিরাপত্তা গাফিলতি?

 


নিচের প্রতিটি শব্দ সরকারি তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। পড়ে নিতেই পারেন।

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর ধ্রুব সাক্সেনা কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর চমন লাল কে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর অচ্যুতানন্দ মিশ্র কে?
উত্তর: আরএসএস সদস্য

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর বিকাশ পান্ডে কে?
উত্তর: বিজেপি বুথ সভাপতি

প্রশ্ন: সন্ত্রাসী প্রজ্ঞা ঠাকুর কে?
উত্তর: বিজেপি সাংসদ

প্রশ্ন: সন্ত্রাসী অসীমানন্দ কে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী

প্রশ্ন: সন্ত্রাসী সংগঠন অভিনব ভারত কাকে সমর্থন করে?
উত্তর: আরএসএস এবং বিজেপি।

প্রশ্ন: ব্রহ্মোস সম্পর্কে গোপন তথ্য চীনকে কে দিয়েছে?
উত্তর: আরএসএস কর্মী সন্দীপ মিশ্র

প্রশ্ন: অমরনাথ যাত্রা বাসে হামলার পরিকল্পনা কে করেছিল?
উত্তর: বিজেপি কর্মী সন্দীপ শর্মা

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর পঙ্কজ মিশ্র কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর দীপক ত্রিবেদী কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর পঙ্কজ আইয়ার কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর সঞ্জিত কুমার, সঞ্জয় ত্রিপাঠী, বাবলু সিং, বিকাশ কুমার, রাহুল সিং, সঞ্জয় রাওয়াত, দেবশরণ গুপ্ত, রিঙ্কু ত্যাগী, ঋষি মিশ্র, বেদরাম কারা?

উত্তর: বিজেপি কর্মী, আরএসএস সদস্য

প্রশ্ন: পাকিস্তানি গুপ্তচর মণীশ কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

প্রশ্ন: মোহিত শর্মা কে?
উত্তর: বিজেপি কর্মী

এছাড়াও, আরও হাজার হাজার নাম আছে যারা পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করতে ও দেশের মধ্যে জঙ্গিহানার সাথে যুক্ত থেকে হাতেনাতে ধরা পড়েছে। বিজেপির প্রতিটি বক্তৃতা পাকিস্তান দিয়ে শুরু এবং শেষ হয়!! এর সাথে রয়েছে দেশের মূল সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায় এর গোটাটাকে দেগে দেওয়া হয় মোটা দাগে।

অবশ্যই দেশের একটা সম্প্রদায়ের মুসলমান আছে যারা মনেপ্রাণে পাকিস্তানপন্থী, বাংলাদেশ পন্থী, বা আরো পরিষ্কারভাবে ভারতে থেকে খেয়ে ভারত বিরোধী। কিন্তু আজকালকার এই ট্যেক স্যাভি যুগে সন্দেহভাজনকে ট্রাক করা কী খুব কঠিন? নাকি ইচ্ছাকৃত করেনা! এগুলো কোন পাড়ার মস্তান, যেমন হাত কাটা কালু, কানকাটা পাঁচু বা পেটো জামালের কাজ নয়, এগুলোর জন্য প্রশিক্ষিত লোক লস্কর লাগে। ১৪০ কোটি থিকথিকে জনসংখ্যার দেশে কেউ জানতে পারেনা এই সব পরিকল্পনার কথা?

আসলে রাজনৈতিক লাভ হাসিলের জন্য বিজেপি RSS জ্ঞানত অমুসলিম জঙ্গিদের নাম উচ্চারন করেনা, আর মুসলমান জঙ্গিদের একপ্রকার পুষে রাখে, যাতে দরকার মত তাদের ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করে নিতে পারে। পাশাপাশি গোটা মুসলমান সমাজকে দেগে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির মেরুকরণ করে ভোট বাক্সে ফায়দা নেয়। সুতরাং, বিজেপির কাছে দেশের আগে ক্ষমতা ও ভোট, তাতে বছরে জঙ্গি হামলার কারনে হাজার দু হাজার পাব্লিক মরে গেলে কীইবা যায় আসে, এতবড় দেশের ক্ষমতায় থাকতে এইটুকু মনুষ্যমেধ যজ্ঞের আয়োজন করা কী অন্যায়?

👉৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ জম্মু ও কাশ্মীরের উরিতে মোহরা সেনা ক্যাম্পে হামলা।
👉২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে চার্চ স্ট্রিটে বোমা হামলা।
👉৪ জুন, ২০১৫ মণিপুরে সামরিক কনভয়ে জঙ্গি হামলা ১৮ জন নিরাপত্তা কর্মী অজ্ঞাত জঙ্গি।
👉২০ মার্চ, ২০১৫ কাঠুয়া, জম্মু ও কাশ্মীরের একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা ৬ জন নিহত।
👉২ জানুয়ারী, ২০১৬ পাঠানকোট বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে হামলা পাঠানকোট।
👉১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ উরি সেনা ক্যাম্পে হামলা।
👉২৯ নভেম্বর, ২০১৬ জম্মু ও কাশ্মীরের নাগরোটা সামরিক ক্যাম্পে হামলা।
👉২৪ এপ্রিল, ২০১৭ মাওবাদী হামলা সুকমা, ছত্তিশগড়ের সুকমায় ২৫ জন সিআরপিএফ সদস্য শহীদ।
👉১৩ মার্চ, ২০১৮ সুকমায় আইইডি বিস্ফোরণ সুকমা, ছত্তিশগড়ের ৯ জন সিআরপিএফ শহীদ।
👉১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পুলওয়ামা হামলা (আত্মঘাতী গাড়ি বোমা)।
👉২২ এপ্রিল, ২০২৫ জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি গ্রামে হামলা।
👉১১-১২ নভেম্বর, ২০২৫ গাড়ি বোমা সহ সিরিজ বোমা বিস্ফোরণ নতুন দিল্লিতে।

কোথাও কোনো জঙ্গি ধরা পরেনি, কেউ দায় স্বীকার করেনি। বিস্ফোরণ হওয়া ঠিক আগের মুহূর্ত অব্দি কেউ কিচ্ছু জানতো না কিন্ডারগার্টেন এর অবোধ শিশুর মত- এই সহজ সরল কোমলমতি অমিত শাহ আর অজিত ডোভালের 'ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম', কিন্তু পরবর্তী পাঁচ মিনিটে ঠিক ঠিক ভাবে জঙ্গিগোষ্ঠীর নামটা বলে দেয় গোদী মিডিয়া।

এই নিখুঁত গণনা কোন সূত্র মেনে এনারা বলেন, কেউ কী ফোন করে জানিয়ে দেয়? ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপ, নাকি পাতি লাভ লেটার রেখে যায়?

দেশের মাসুম গোয়েন্দারা আগে বুঝতে পারেনা। ইমানদন্ড দুলিয়ে ডাজন খানেক জঙ্গি আসে পড়শি দেশ থেকে, শিল্পীর মত তারা কাজ সারে। এর মাঝে নিহারি পায়া খায়, লালকেল্লা তাজমহল ভ্রমণ করে, এরই ফাঁকে দু একটা শাদী বিয়েও করে, শেষে মূল কাজ মানে জঙ্গি হামলা করে চলেও যায়। এতো কিছুর পর তবে আমাদের ঝাঁটের লোম ইন্টেলিজেন্স নাকি 'দায়ী গোষ্ঠী' খুঁজে পায়। অথচ তারা জানে এই ৩, ৪ বা ৫টা জঙ্গি গ্রুপই এগুলো করে, তাহলে তাদের উপরে সারাবছর নজরদারি করেনা, কাকে বাঁচাতে?

বিস্ফোরণের পর এই আইডেন্টিটি বিষয়টা কার জন্য জঙ্গি গুলো রেখে যায়?
১) আপনাকে বা আমাকে চমকানোর জন্য?
২) দিল্লির নিউজ চ্যানেলের জন্য যাতে তারা টিআরপি বাড়াতে পারে।
৩) অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জন্য। যাতে চানক্যকে দায় না নিয়ে পদত্যাগ না করতে হয়
৪) ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির জন্য, যাতে 'ইন্ডিয়ান জেমস বন্ড' অজিত ডোভালকে জবাব না দিতে হয় জনগণকে।
৫) পাকিস্তানের জনগণকে দেখানোর জন্য যে দেখো আমরা হিন্দুস্থানের এতগুলো মানুষ মেরে এসেছি, যাতে পাকিস্তানীদের অর্গাজম হয়।

ছ মাস কিম্বা এক বছর ধরে তারা যখন ফাঁদ পাতে, তখন কেউ ধরতে পারে না। অথচ বিস্ফোরণের ৬ মিনিটের মাথায় কমবেশি প্রত্যেকের নাম জেনে যায়, সিকিউরিটি এজেন্সি, মিডিয়া এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যেকে । সেই সূত্রে আমরাও জেনে যায়। প্রতিবার একই কেস, কি অদ্ভুত বিষয় তাই না।

আসল সমস্যা অন্য, আমাদের দেশে যারা বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করেন, তাদের সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা, যারা প্রত্যেকে বেসরকারি ভাবে ‘ঠিকে কাজের’ বরাতে তারা নিযুক্ত হয়। প্রতিটা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে এমন বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা অঙ্গাঙ্গীক ভাবে যুক্ত। এইসব বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা সরকারী চাকুরেদের থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেশি, কারণ তাদের বিভিন্নভাবে রিনিউয়াল বা আপডেট করতে হয় নিজেদের, যে দায় সরকারী চাকুরেদের নেই বা থাকেনা। ঠিকঠাক যোগ্যতা না দেখাতে পারলে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ চলে যায়, তখন সেই বেসরকারী কোম্পানিটি কর্মচারীদের কোনমতে ছাড়ে না।

রাইসিনা হিলস থেকে পাড়ার পঞ্চায়েত অফিস, সর্বত্র এক এক সিস্টেম চলছে। অর্থমন্ত্রক, গোয়েন্দা দপ্তর, সীমান্ত সুরক্ষা থেকে প্রশাসন, এমনকি গোয়েন্দা দপ্তরের ক্ষেত্রেও এই বেসরকারী ক্ষেত্রের সহযোগিতা সমানভাবে প্রযোজ্য, যা বিজেপির আমলে লক্ষ্যনীয়ভাবে বেড়েছে। স্বাধীন ভারতে প্রথমে শুধু একটা IB ছিল, তারপর IB ভেঙে RAW হলো, তারপর তাদের সহযোগিতা করার জন্য NIA গঠিত হলো। শুধু আসল সমস্যা এখানে হলো না। আমাদের সাথে রাশিয়া বা সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগী সংস্থা হিসেবে KGB দীর্ঘদিন আমাদের সাথে কাজ করেছে। শুধু প্রথমবার চিন যুদ্ধে আমরা ভালো করে মোকাবেলা করতে পারিনি, কিন্তু ধীরে ধীরে মহাকাশ পরিকল্পনা, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, পরমাণু বোমা এবং দেশের অভ্যন্তরে কবে কি সামরিক অস্ত্র তৈরি হচ্ছে সবকিছুই একটা চাদরের নিচে চাপা দিয়ে রাখতে সক্ষম চছিলো ভারত সরকার।

মোদী বর্তমানে ইজরায়েলের পিছন চাঁটতে ব্যস্ত। MOSSAD কে সর্বশক্তিমান মেনে মূলত তাদের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করে আমাদের ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম। মোসাদের যে কি যোগ্যতা সেটা ইরান পৃথিবীর সামনে ন্যাংটা করে খুলে দেখিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার FSB, SVR, GRU কিম্বা চীনের MSS, MID এবং দু একটি ভারতীয় বেসরকারি কোম্পানি ইন্টারনেট দিয়ে সহযোগিতা করাতে আর ভারতীয় কিছু প্রযুক্তিবিদ এবং তাদের সাথে হয়তো তাদের মত কিছু ব্যক্তি পাশে দাঁড়াতে মোটামুটি ইসরাইলের নাম ম্যাপ থেকে মুছে যেতে বসেছিল, যদি না ওরা হাঁটু মুড়ে বসে তখন প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে না নিতো। এরকম কোণঠাসা পরিস্থিতিতে ইজরাইলকে মুঠোতে পেয়ে ছেড়ে আসার জন্য আগামী দিনের অনেক মূল্য দেবে মধ্যপ্রাচ্য, এটাও আজ লিখিতভাবে বলে দিলাম।

সে যাই হোক, আমরা যখন থেকে কেজিবির পরিবর্তে মোসাদ বা বকলমে CIA আমাদের সাথে কাজ শুরু করেছি, তারপর থেকেই নিরাপত্তা গাফিলতি সংক্রান্ত এই সমস্যাগুলি প্রকট হয়েছে আমাদের দেশে। আমেরিকা গোটা বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ শুরু করেছে, কোথাও শেষ করতে পারেনি, লেজেগোবরে হয়ে পালিয়ে বেঁচেছে প্রতিটা ক্ষেত্র থেকে। এই হচ্ছে CIA এর অউকাত। RSS এর বিশ্বাসঘাতকতার পাশাপাশি গোয়েন্দাক্ষেত্রে ব্যর্থতার একটা বড় কারন- রাশিয়ার মত প্রমানিত বন্ধু পাশে না থাকা।

১৯৯৮ সালে অটল বিহারী প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় আমরা পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ করেছিলাম। কিন্তু বিজেপি তখন পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা তো দূরের কথা, একটা অস্তগামী সরকার ছিল। তারপরই RSS সিদ্ধান্ত নেয়, যে কোন মূল্যে পূর্ণাঙ্গভাবে ক্ষমতায় আসতেই হবে তার জন্য প্রথমে একবার অন্তত একটা ফুল টার্ম প্রধানমন্ত্রী চেয়ার চাই। ২০০৪ সালে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কিনা জানিনা, ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার বিলগ্নীকরণ বলে একটি দপ্তর তৈরি হয়েছিল এবং তার একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হয়েছিল তার নাম ছিল- অরুণ শৌরি। বিলগ্নীকরণ দপ্তরের কাজ কি ছিল ? বিক্রি করা। আদানির জন্ম ও ভবিষ্যৎ ওই গর্ভে নিহিত ছিলো। আজকের যে কথাগুলি বাজারে চালু রয়েছে, ব্যবসা করা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সরকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করে দেবে, ব্যবসায়ী ব্যবসা করবে; এগুলো ওই সময় থেকে বলা শুরু। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এই দপ্তর কোনদিন ছিলনা। RSS এর শাসনাধীন ভারতবর্ষ এক্ষেত্রে পাইওনিয়ার। আদানির মাধ্যমে আসলে এই সব সম্পদ অন্য কারো হাতে, মানে RSS কুক্ষিগত করছেনা তো? সেই RSS যাদের কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই, না ব্যাঙ্ক একাউন্ট না আর্থিক লেনদেনের কোনো হিসাব।

দেশের মূল সমস্যা RSS, ওটা সরে গেলেই আবার দেশ ঠিক নিজের সেপে চলে আসবে। বিজেপি বা RSS না হলে আমি আপনি দেশপ্রেমিক হবোনা, এটা আজ আমরা সকলেই জানি ও বুঝি। কিন্তু ৪-৬% হিন্দুত্ববাদী RSS এর জঙ্গিগুলো আজ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, মূল সমস্যা এখানে।

এখানে কোনও কিছুই অলৌকিক নয়। প্রতিটা অঙ্কের নিয়মে সিদ্ধ, প্রতিটা জঙ্গিহানা একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ণ মেনেই হচ্ছে, প্রতি ফেলিওরেরও প্যাটার্ণ সেই সেম। গত ১১ বছর ধরে ব্যাক্তিগুলোও সেম, কার কোনো দায়িত্ব নেই, কার কোনো দায় নেই।

যত দ্রুত এই RSS এর সরকারকে বোতলে ভরে সমুদ্রে ফেলে না দেওয়া যাচ্ছে, সমস্যার কোনও আশু সমাধান নেই।

#হককথন
#BanRSS

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...