বিরিঞ্চিবাবা কহিলেন—’একবার মহপ্রলয়ের পর বৈবস্বত আমায় বললে—নীল—লোহিত কল্পে কি? না, শ্বেতবরাহ কল্প তখন সবে শুরু হয়েছে। বৈবস্বত বললে—মানুষ তো সৃষ্টি করলুম, কিন্তু ব্যাটারা দাঁড়াবে কোথা, খাবে কি? —চারিদিকে জল থই থই করছে। আমি বললুম—ভয় কি বিবু, আমি আছি, সূর্যবিজ্ঞান আমার মুঠোর মধ্যে। সূর্যের তেজ বাড়িয়ে দিলুম, চোঁ ক’রে জল শুকিয়ে গেল, বসুন্ধরা ধনধান্যে ভরে উঠল। চন্দ্র—সূর্য চালাবার ভার আমারই ওপর কিনা।’
এই হচ্ছে প্যাথলজিক্যাল মিথ্যাবাদী।
প্যাথলজিক্যাল লায়ার যা ইচ্ছা বলতে পারে, এতে কার কি এসে যায়! এই তো কদিন আগে, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এসে বলে দিল- কোন চিন্তা নেই সবার চাকরি থাকছে। তারপর বৈধ ছেলেমেয়ে গুলোর চাকরিও চলে গেল। আবার ৬০ হাজার লোকের চাকরি যাব যাব করছে। ওনার ভাষায়, যা গেছে তা গেছে।
গল্প হচ্ছে, ২০০২ এর ভোটার লিস্টে যার বা যাদের বাপ/মায়ের নাম নেই, টুক করে তার নামটি কেটে যাবে, D-Voter হয়ে যাবেই। সেন্ট্রাল ডেটাবেসে মেসিন তো চেক করবে, সেখানে মানুষের কতটা কী করার রয়েছে অদৌ? আমার জ্ঞান খুব বেশী নয় এ বিষয়ে, বিশেষজ্ঞরা ভালো বলতে পারবেন।
ইনি ২৬ হাজারের চাকরি রেখে দিতে পারেননি, ২০০২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবা মায়ের নাম কী বিরিঞ্চিবাবার মত কোন 'সাধনার মার্গ' থেকে বাপ-মা এনে নামাবেন? চন্দ্র সূর্য চালাবার ভার ওনার আছে কিনা জানিনা, ECI এর সেন্ট্রাল ডেটাবেস চালাবার ভার কী ওনার উপরেই অর্পিত রয়েছে? SIR বিজ্ঞানও কী ওনার হাতের মুঠোয়?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন