আগে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় নাকি এমন একটা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি দিতো। এখন এই সাবজেক্ট পড়ানো বন্ধ করে দিলেও সাবজেক্টের অধ্যয়গুলো পরিষ্কার হয়েছে গত ১১ বছরের অধ্যয়নে।
✅ ভয়ানকভাবে উগ্র দেশপ্রেমের সংকীর্তন করো, যাতে অতীতে ব্রিটিশের দালালি ও
স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে থাকা জনসঙ্ঘ বা RSS এর ঘৃণ্য ইতিহাস চাপা দেওয়া যায়।
✅ ভীতু মধ্যবিত্ত ও লোভী বে-রোজগার যুব সমাজকে টার্গেট করো, হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের মদ গেলাও।
এরাই আগামীর অন্ধ ভক্ত শ্রেনী সাপ্লাই দেবে, এদের ভোটই ক্ষমতার গদিতে টিকে থাকার অন্যতম উৎস।
✅ নিজেরা এলোপাথাড়ি চুরি করো। আদানি আম্বানির মত পুঁজিপতিদের আরো নতুন নতুন
চুরির ক্ষেত্র রেডি করে দাও। রামদেবের মত চোর লঞ্চ করো বাজারে। আপদে বিপদে এই
পুঁজিপতিরাই দলীয় তহবিলে টাকা দেবে ইলেকটোরাল বন্ডের নামে, যেগুলো ভোট, বোমা, বারুদ, অস্ত্র সহ- মিডিয়া ও দুর্নীতিবাজ
সরকারী কর্মচারী কিনতে অর্থ যোগান দেবে।
✅ চুরি করে ধরা খাওয়া জনিত বিপদে পরলে, প্রথমে রামের নামে অস্বীকার করো। এরপর হনুমানের
দিব্যি খাও।
✅ রোজ সন্ধ্যায় পুষে রাখা ‘পমেরিয়ান কুত্তা’ গোদী মিডিয়াকে লেলিয়ে দাও।
✅ আঁটিসেল নামের ট্রোল ব্রিগেডকে ছেড়ে দাও মিথ্যার বাজার বসাতে।
✅ বলিউডকে দিয়ে নতুন ইতিহাস বানাও।
✅ পাকিস্তানকে দিয়ে উত্তেজক ডায়লোগবাজি করাও। দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করো, কিছু জওয়ানকে শহীদ করে দিয়ে যেকোনো ইসলামিক জঙ্গীগোষ্ঠীর নামে
বিল ফেরে দাও- পুলওয়ামার মত।
✅ এরপর সেনাবাহিনীর কর্তাদের নিয়ে এসে বিবৃতি দেওয়া করাও। সেনার আবেগকে কাজে
লাগাও ভোটের ময়দানে।
✅ দেশে দাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধিয়ে দাও। মসজিদ বা কবরের নিচে মন্দির চাপা আছে
বলে,
লাঠিসোঁটা বন্দুক তরোয়াল নিয়ে লেগে
পরো রামের নামে মুসলমান নিধনে।
✅ প্রকাশ্য মঞ্চে রামদেবের মত গেরুয়া পোষাকধারীদের দিয়ে বলাও- হিন্দু খতরে মে
হ্যাঁয়।
✅ ব্যাস- সব পাপ ধুয়ে গেলে, আবার পুরাতন সাইকেলের পুনরাবৃত্তি করো।
এটাই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সায়েন্সের মূল সিলেবাস। নাগপুরের গোয়ালঘর থেকে এখন এই বিষয়ে শুধু ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়। ইষ্ট জর্জিয়া থেকে যারা পাশ করে এসেছে, তারাই একমাত্র ডিগ্রি কোর্সের জন্য আবেদন করতে পারে।
সাহেব যেহেতু এন্ট্যায়ার পলিটিক্স, ফলত শুরুতেই ED ও CBI এর মত সহজ অধ্যয় গুলোকে চাড্ডির নেই-পকেটের লোমশ অঞ্চলে রেখে দিয়েছিলেন। কঠিন সাবজেক্ট ছিলো সুপ্রিম কোর্ট নামের অধ্যয়টা, বড় কঠিন ও জটিল সব ইকুয়েশন। কিন্তু সাহেব এক্সট্রা 2ab খুঁজে পেয়ে গেলেন রঞ্জন গগৈ আর চন্দ্রচুড় নামের দুই বরাহ অবতারের স্বরূপ হিসাবে। এক্সট্রা 2ab মানেই এক্সট্রা এনার্জি। বাকিটা অত্যন্ত সহজ ছিলো। এর পর যখন উনি নন বায়োলজিক্যাল হিসাবে আবিষ্কৃত হলেন- সেই মায়াতে ভেসে আসা সুনীল আরোরা ও রাজীব কুমারের মত IAS অফিসারদের সাহেবে তার বগলের তলায় লোমে আশ্রয় দিলেন।
এমন চাটুকার আইনব্যবস্থা আর সরকারি কর্মচারী পেয়ে গেলে, অরাজকতা নিও-নর্মালাইজড হয়ে যায় সমাজে। গোটা গুজরাত জুড়ে মোদী-শাহ একটা আতঙ্কের নাম ২০০২ থেকেই, শুধু যে কংগ্রেস সেই রাজ্য থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে এমনটা নয়, বিজেপির মধ্যেও সকল বিরুদ্ধ মত ভ্যানিস হয়ে গিয়েছিল। হারিন পান্ডিয়া বা বিচারপতি লোয়া কান্ড ঘটিয়ে ‘ডর কা মাহল’ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল, বাকীটা গোপিনাথ মুন্ডের মার্ডার সেই আতঙ্কককে 'হল অফ ফেমে' পৌঁছে দেয়। দীপক মিশ্র ও চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চই লোয়া হত্যার তদন্ত খারিজ করে দেয়, পুরো রাজযোটক যুগলবন্দি।
স্বভাবতই সাহেব উপলব্ধি করলেন
‘আমি’ ইশ্বরের প্রতিরূপ। ব্যাস, নোটবন্দি নিয়ে মানুষের হয়রানি হোক বা GST নিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস, ২ বছর ধরে চলা আন্দোলনে ৭০০ কৃষকের
শাহাদাত বা CAA- ছোট বড় কোনো
ঘটনাতেই এন্টায়ার পলিটিক্যাল সাইন্স আর ভয়ভীত হলোনা, কারন ক্ষমতার গদিতে অমরত্ব পাওয়ার টোটকা তার করায়ত্ব-
ভোটারলিষ্ট ম্যানিপুলেশন তথা ভোট চুরির মহাবিদ্যা। তাতেও শেষ রক্ষা হলোনা, আবকি বার চারশো পার- হাঁক দেওয়া
বিশ্বগুরু ২৪০শে আঁটকে যেতেই ক্ষীর খেকো নিতিশ আর চন্দ্রবাবুর বরাত খুলে গেলো।
কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
ব্যাপার হলো, মাঝেমাঝে
সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নও চলে আসে। যদিও আমাদের মত নিম্নমানের ছাত্রদের সামনে
প্রতিটা প্রশ্নপত্র সিলেবাসের বাইরেই থাকে। অতএব, স্বঘোষিত বিশ্বগুরুকে রোজ দুবেলা পায়ুপথে পরিরম্ভন
করতে লাগলো ‘গোমাতার নাথ’ দোলান্ড ভাই। বিশ্বগুরুর প্রাণভোমরা আদানি শেঠ- শেঠের
অণ্ডকোষ ‘ট্রু ফ্রেন্ড এ্যাট হোয়াইট হাউজের’ হাতে। সেই রেশ ফুরাবার আগেই ফাঁস হয়ে
গেলো এক্সট্রা 2ab এর জটিল
অঙ্কের সমাধান- ভোট চুরি।
বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধানে সাধারণ মানুষকে একটি ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছিলেন, মোদী তার ভক্তদের চারটি-পাঁচটা ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে। ভাবটা এমন- রামের নাম নিয়ে আগামীতে মোদী নিজেই ১৫০ কোটি ভোট একাই দেওয়ার অধিকার দাবী করতে পারে। কারন- প্রাক্তন আইয়াইটিয়ান ও হার্ভার্ডিয়ান জ্ঞানেশ কুমার।
বর্তমান এই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অমিত শাহ এর উচ্ছিষ্ট ভোগী সারমেয় মাত্র। এর আগে কো-অপারেশন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তারও আগে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল প্রণয়ন এবং বাতিল-পরবর্তী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন, তিন তালাক বিল, এবং অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণ তত্ত্বাবধানে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠায় এই জ্ঞানেশ কুমার সরকারের OSD হিসাবে প্রতিটা ঘটনাতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এর লিঁয়াজো হিসাবে। কে জানে ইনি আগামীতে দেশে থাকবেন নাকি তার পূর্বসূরির মত ‘মাল্টা’তে পালিয়ে যাবেন।
যাই হোক, বিপদ আসতেই সায়েব উপরের সিলেবাস মতই খেলা শুরু করে দিলেন। কিন্তু-
👉পমেরিয়ান মিডিয়ার ভৌ ভৌ ব্যার্থ হলো, আঁটিসেলের এঁটুলি বাহিনী ছন্নছাড়া।
👉 ED-CBI খাঁচায় বন্দি, ফাঁপা মিথ্যা ভাষণ ‘লোম কি বাত’ আর খাচ্ছেনা, এমনকি ভক্তেরাও চার অক্ষরের সম্বোধন করছে
রাঙ্গা-বিল্লাকে।
👉 বায়ুসেনা কর্তার ৪ আগষ্টের ভাষনের ক্লিপ ১০ তারিখে দেখিয়েও বাজার গরম করা
যায়নি,
তাই তিন মহিলা সেনা আধিকারিককে KBC তে পাঠিয়েছে- মরিয়া চেষ্টা; সেনার বর্মের আড়ালে লুকাবার।
👉 পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও তাদের কয়েকটা রাজনৈতিক জোকারকে দিয়ে পাকিস্তান দেশের
ওজনের চেয়ে বড় বড় বুলি-ধমকি দেওয়া করিয়েছে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে, পাবলিক খায়নি।
👉 নেহেরুকে আনা যায়নি।
🔥 অতএব দাঙ্গা বাঁধাও –🔥
⛔ হ্যাঁ, উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরের একটি মাজার, মানে আব্দুল সামাদ নামের কোনো এক গুণী ব্যক্তির
সমাধিস্থল আসলে নাকি শিব/কৃষ্ণ মন্দির বিজেপির হিসাবে। বিজেপির জেলা সভাপতি মাজার
ঘেরাও এর ডাক দিলো। যথারীতি প্ল্যানমাফিক RSS এর গ্যাংব্যাং এ জন্মানো বালবাচ্চারা তথা বিশ্বহিন্দু
পরিষদ,
বজরঙ দল ও আরো এই জাতীয় ‘হিন্দু’
জঙ্গী সংগঠনের উন্মাদেরা- যোগীর পুলিশের নিশ্চিন্ত ঘেরাটোপে উল্লেখিত মাজারে
ধ্বংসলীলা চালিয়ে দিলো।
কিন্তু, কিন্তু, এতে ধর্মের নামে হাইপ তোলা তো দূরস্থান, বরং জাতিধর্ম নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি সুস্থ মানুষের খিস্তি খেয়ে RSS গর্ভবতী হয়ে গেলো। সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ এসেছে দেশের ‘গণতান্ত্রিক ও সেকুলার’ হিন্দুদের তরফ থেকেই আর এতেই ফেল মেরে গেছে BJP-RSS এই দাঙ্গার রাজনীতি। ভোট চুরি ধরা পরতে, RSS তাদের সকল ধরনের অস্ত্র তুণীর থেকে বের করে ফেলেছে। গোটা বিজেপি দল এখন নির্বাচন কমিশনের স্বঘোষিত উকিল সেজে বসে আছে।
এই ‘চোর’ সরকার আগামী ৬ মাস গড়ালে আশ্চর্য হবো। হয়তোবা অকাল লোকসভা নির্বাচনের দেশগোড়ায় দেশ, সৌজন্যে মোদীর ‘ভোট চুরি’। কিন্তু RSS আর গুজ্জু কার্টেল কী এত সহজে উৎখাত হবে? ১৫ই আগষ্ট লালকেল্লা থেকে সারেন্ডার মোদী নতুন গল্প শোনাবে। চক্রান্তের গল্প। ১১ বছর ধরে নিজের ‘মনকি বাত’ শোনানো এ্যান্টায়ার পলেটিক্যাল সায়েন্স এখন জনগণের কথা শোনাতে চাইবে।
🟧 কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতি আর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কেঁদে বুক ভাসাবে।
এদের আড়ালে নিজেকে আর চুরি লুকাবে লালকেল্লার ভাষনে। জাতির সামনে নাম নেওয়ার মুরোদ নেই
‘মাই ফ্রেন্ড দোলান্দ’ এর, তথাপি আমেরিকান প্রভুকে তুষ্ট রেখে, ভক্তদের বোঝাবার চেষ্টা করবে- ‘ম্যা ঝুঁকেগা নেহি
শালা’। ‘ঝোলা উঠাকে চলে যায়েঙ্গে’ গানের আগে নতুন চক্রান্তের গল্প ফাঁদবে।
➤ বলবে- আমেরিকার CIA রাহুল গান্ধীকে ফান্ডিং করে দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী
স্টেবল সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্তে সামিল হয়েছে। বিরোধীদের দেশদ্রোহী প্রমানের
অপচেষ্টা করবে। এটাই শেষ হাতিয়ার বিহার ভোটের আগে। ডিসেম্বরের আগে দেশ প্রথম কোনো
নন-বায়োলজিক্যাল রাষ্ট্রপতি পেলেও পেতে পারে, জেলযাত্রা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা কিছু তো করবেই।
এন্টায়ার পলিটিকাল সায়েন্স বিষয়টাই এমন যে।
😃 ইলেকশন কমিশন দুর্দান্ত মুডে আছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের মতই বলছে- “মায়ের দিব্যি কেটে বল, আমার গা ছুঁয়ে বল সত্যি বলছিস”। মা কালীর দিব্যি না কাটলে- আমি তোকে দলে নেব না। “Manufacture of vote’ এর ভুরি ভুরি প্রমাণ সত্বেও পক্ষাঘাতগ্রস্থ সুপ্রিম কোর্টের এতটুকু মুরোদ বেঁচে নেই যে, একটা সুয়োমোটো মামলা করে ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধে, জনগণের স্বার্থে। যে আদালতে এতদিন দীপক মিশ্র, রঞ্জন গগৈ এবং চন্দ্রচূড়ের মতো বিজেপির পদলেহনকারী দালালেরা রাজত্ব করে গেছে, সেই বিচারব্যবস্থার বেঁচে থাকা নিয়ে সন্দেহ করা প্রতিটি ভারতবাসীর কর্তব্য।
সিটবেল্ট কষে বসে পরুন, মোদী ম্যাজিক আর RSS এর ‘হিন্দুত্ব-দেশপ্রেম’ এর আবেগ ফেরির রাজনীতির খাণ্ডবদাহন পর্ব চলছে। এরপর মৌষলপর্ব, ও মহাপ্রস্থানিকপর্ব এর বদলে জেলগমনপর্ব আসবে ক্রমান্বয়ে। জাষ্ট ক্রনোলজি সামঝিয়ে…
পাশাপাশি আমাদের রাজ্যের রাজনৈতিক বেশ্যা তোলামুলকেও দেখবেন কেমন ক্ষ্যাপা কুত্তার মত এর তার পায়ে পরে- পেছন চাঁটা শুরু করবে। ইষ্ট জর্জিয়ার সিলেবাস আরেকদিন লিখব।
🟥 আমাদের রাজ্যে স্যাডিস্টিক বাম বাচ্চাগুলো রাহুল গান্ধীকে পাপ্পু ডেকে, খানিকটা শুভঙ্কর সরকারের উপরে ঝাল ঝেড়ে- অর্গাজম নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিশন নিশ্চুপ, তার কারণ আছে। কমিশন নিজেরা বিজেপির Crime partner। রাজ্য সিপিএম ঠিক কোন কারণে মৌনতা নিয়ে রয়েছে- এ বিষয়ে জানতে গেলে আপনাকে টাইম ট্রাভেল করে ২০২৮ সালে যেতে হবে। এই সামান্যটুকু টাইম তো লাগবে সম্মেলন/প্লেনাম করে- অনেকক্ষণ বিচি চুলকে দুটো লোম ছিঁড়ে- “কী বলা যায়” সেই সিদ্ধান্ত নিতে। বাম্বাচ্চা গুলো তাদের নেতাদের শুধাচ্ছেনা, তাদের প্রশ্ন- রাহুল গান্ধী কেন মমতা আর ভাইপোর বিরুদ্ধে বলছেনা?
সারাদিন সেটিং সেটিং করে কসে ফেনা তুলে ফেলা আবালগুলো, নিজেদের অন্ধত্ব-ব্যর্থতা- অপদার্থতা ঢাকার জন্য এই সেটিং এর ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে। আলিমুদ্দিনের পক্ককেশ জঞ্জালগুলো বিগত ছয় দিনে ‘গোপনে হ্যান্ডেল মারা’ ছাড়া কোনো কিচ্ছু করেনি ভোট চুরি ঈশ্যুতে। সুতরাং, বাম্বাচ্চারা যদি নিজেদের নেতাদের প্রতি ক্ষোভ ঘরে নিয়ে গিয়ে বউয়ের সামনে জানায়- না থালায় ভাত জুটবে, না রাতে বিছানায় জায়গ। ফলত রাহুল গান্ধীই এখন এদের ক্ষোভ নিরসনের এর জায়গা।
☢️ ও হ্যাঁ, অখিলেশ ফতেপুর নিয়ে মুখ খুললেও, রাহুল গান্ধী এই ঘটনা বিষয়ে নিরবই রয়েছে। যদিও পথ কুকুর নিয়ে ভিডিও বা টুইট করতে ভোলেননি। তাকে আগামীতে দিল্লির মসনদ পেতে হবে, কী লাভ বেকার RSS কে চটিয়ে! আসলে অপদার্থ শয়তান বাপের জিন যে কথা বলবেই, বাবরি মসজিদের তালা খুলে আজকের দিনের ‘উগ্র হিন্দুত্ব রাজনীতির’ আহ্বান যে তার হাতেই হয়েছিল। তাই রাহুলকে মসিহা ভাবার কোনো কারন নেই মুসলমানের। গু, তবে শুকনো- জুতোয় লেগে ঘরে ঢুকনেনা, এটুকুই স্বস্তি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন