শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

মমতার ভুয়ো ভোটার শিল্প

 



আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, পশ্চিমবঙ্গেও এমন লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার তৈরি করে রেখেছে তোলামূল। প্রতিটি বুথে, প্রতিটি পঞ্চায়েতে, প্রতিটা ভোটার লিস্টে।

বুথ দখল, ছাপ্পা, রিগিং, ভয় দেখিয়ে বুথ অব্দি পৌঁছতে না দেওয়া ভোটারকে, মেরে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্ট তাড়িয়ে দেওয়া, ইত্যাদি- এসবের জন্যই উৎসবের নামে, মেলা-খেলার নামে পয়সা উড়িয়ে গুন্ডা কন্ট্রোল করেন তিনি। খুন, জখম, রক্তবন্যা এগুলো চোরেদের দেবীর পায়ে অর্ঘ্য মাত্র।
মাননীয়ার SIR এর বিরোধিতার মূল কারন একমাত্র এইটা। হিন্দু বাঁচলো না মুসলমান বাঁচলো, এসব ধর্মের রাজনীতি আসলে পোলারাইজেশনের জন্য, মূল হচ্ছে ভুতুড়ে ভোটারকে বাঁচিয়ে রাখা। ভাইপোর রাজকীয় লাইফস্টাইল বাঁচিয়ে রাখা। ভুয়ো ভোটার বেঁচে থাকলে তবেই লুটে খাওয়ার জন্য পঞ্চায়েত থেকে নবান্ন- সর্বত্র তোলামুলের এজেন্ট গুলো ৩০-৭০% হরে কালীঘাটে কাটমানির ভাগা পাঠাতে পারবে। এই কারনেই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে BLO দের প্রকাশ্য ধমকি দেয়।
তোলামুলের মূল সাফল্য হচ্ছে- চুরি শিল্পকে বুথ স্তরের একটা বড় অংশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। তোলামূল করা আজকে পেশা, প্রায় প্রত্যেকের কাছে এটা তাদের রুটি রুজির প্রশ্ন। এমন সংগঠিত অপরাধ, যেটা গণতন্ত্রের নামে সম্পূর্ণ মাফিয়া কার্টেল কায়দায় লুঠতরাজ চালানো, বিশ্ব ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল। আর এই মাফিয়া কার্টেল চালাবার জন্য ভুয়ো ভোটার হল এদের মূল অস্ত্র। একদিকে গুজ্জু কার্টেলের সহযোগিতায় দেশ লুঠছে, এখানে কালীঘাট কার্টেল। নাগপুরীয় আদর্শের গোয়ালঘর রাজনীতির মূল মন্ত্র যেটা- লুন্ঠন।
কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুটো ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান- শুধুমাত্র এই জেলাগুলো থেকেই লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার বাদ যাবেই যাবে। এই ভোট চুরির মাধ্যমের তোলামুলের আসল উন্নয়ন, আর এটাই অনুপ্রেরনা সততার সাথে।

➤ডুপ্লিকেট ভোটার?
➤ফেক ও ইনভ্যালিড ঠিকানা?
➤ একটা ঠিকানায় বহু ভোটার?
➤ ইনভ্যালিড ফটো?
➤ নতুন ভোটারে কারচুপি?

এই পাঁচটা চুরি বিদ্যার কোনটা ব্যবহার করেনি আমাদের রাজ্যের ভোটারলিষ্টে? এই তোলামুল সরকার ও তার অধীনে থাকা অমেরুদণ্ডী দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারীরা এটাই করে এসেছে গত ১৪ বছর ধরে।
আগে ভুয়ো ভোটার বাদ যাক, যাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তারপর নাহয় কে দেশি আর কে বিদেশি - সেই বিবেচনা করা যাবে। রাষ্ট্র কাকে শরণার্থী রাখবে, কাকে ডিপোর্ট করবে, কাকেই বা কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে রাখবে, সেসব অনেক পরের বিষয়।
নিশ্চিন্ত থাকুন, ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ছাড়া কোন ভারতীয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। ভয় তোলামুলের, ভয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আর ভয় তোলামুলের সাথে যোগ-সাজিস করে সরকারি দপ্তরে মৌরিসপাট্টা গড়ে থাকা কর্মচারীদের।
মানুষকে বিতারিত হওয়ার ভয় দেখিয়ে, সেই ভয়ের পর্দার আড়ালে আসলে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় রয়েছে রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।
জাগো বাঙালী জাগো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...