গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে যেদিন ইমাম ভাতার ঘোষণা হয়েছিল, সেইদিনই এই দুই হাজার কোটির মাতাল-মচ্ছবের ভিত্তি নিহিত ছিল। আগামী প্রজন্ম পরিতাপ করার ভাষা খুঁজে পাবেনা। আমাদের উত্তর প্রজন্ম যদি আমাদের খ-য়ের ছেলে বলে গালিগালাজ দেয়, আমাদের ছবির সামনে জুতোর মালা ঝুলিয়ে রাখে, তাহলেও আমাদের প্রজন্মের এই পাপ, এই অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত হবে না।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
দুর্গাপুজোতে ১১০০০০ টাকা অনুদান
DA দেওয়ার পয়সা নেই, নতুন সরকারি চাকরি দেয়ার পয়সা নেই, শিক্ষক নিয়োগের মুরোদ নেই, শিল্প কলকারখানা স্থাপনের দায় নেই। আমাদের করের টাকায় মোচ্ছব করার জন্য টাকার অভাব নেই। এটাই তোলামুল সরকার, এটাই মমতা ব্যানার্জির উন্নয়ন।
টাটাগোষ্ঠী সিঙ্গুরের জন্য পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল তৎকালীন ১৪০০ কোটি টাকা। সেই সব মায়ের ভোগে তুলে দিয়ে, সিঙ্গুরের জমি এখন বনবাঁদারে পরিনত হয়েছে। গোটা সিঙ্গুর পর্বে কে লাভবান হয়েছে? রাজ্য? সিঙ্গুরের জনগন? কোনো শিল্পগোষ্ঠী? নাহ, কেউ হয়নি, মমতা ব্যানার্জী আর তার তোলামূল দলের চোরেরা ছাড়া।
শিল্পহীন বাংলার ছেলেরা পরিযায়ী হয়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই, যদি তোলামূল করো- চুরির ভাগ পাবে। চুরিই একমাত্র শিল্প। একটা সময় ছিল যখন অর্ধেক ভারতবর্ষ থেকে মানুষ কলকাতায় তথা বাংলায় আসত কাজের সন্ধানে।
আজকের দিনে বাংলা থেকে কত শ্রমিক অন্য রাজ্যে বা অন্য দেশে রয়েছে পরিযায়ী হয়ে, তার কোন তথ্য সরকারের কাছে নেই। তোলা আদায়ের জন্য কেষ্টর মত তোলা-শিল্পীরা ফিরেফিরে আসবে নানা রূপে।
টাটাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণও আমাদের পকেট থেকেই গেছে, ৭৬৬ কোটি টাকা। যদিও টাটা এখনও সুদ সহ পুরো ১৪০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণই চায়। আগামিতে দিতেও হবে, তার জন্য মামলা চলছে সর্বোচ্চ আদালতে।
আমার আপনার পরিশ্রমের টাকা, ঘামের টাকা দিয়ে লুম্পেন শ্রেণীকে বিলানোর যে মচ্ছব চলছে মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে, সেটা লুটে খাওয়া সমাজবিরোধী এবং ভোটের দিন বুথ দখলের কারিগরদের প্রতি সামান্য উৎকোচ এই ২০০০ কোটি, পাশাপাশি স্বীকৃতিও বটে- তোমরা সততা ব্রিগেডের সভ্য।
RSS প্রকাশ্যে উগ্রহিন্দুত্বের রাজনীতি করে। মমতা ব্যানার্জি তার থেকেও ভয়ানক, দুধেল গাইদের মসিহা সেজে RSS এর প্রতিটা এ্যাজেন্ডাকে বাস্তবায়ন করেছে ও করে চলেছে।
রাজ্যে বিজেপি বলে কোনো সংগঠন নেই, যা আছে তা দল তোলামূলের গোষ্ঠীকোন্দলের দরুন বিক্ষুব্ধ তোলামূল আর RSS ও তাদের প্রত্যক্ষ শাখা গুলো। মমতা ব্যানার্জী RSS এর সবচেয়ে বড় প্রচারক। নেই বিজেপির জুজু দেখিয়ে দুধেল গাইদের দুয়ে নিচ্ছে ভোটের বাক্সে। ক্ষমতার চেয়ারে বসে নাগপুরের স্বপ্নপূরণ করছে।
আমরআ যদি চোখ বন্ধ রেখে মমতাকে বিশ্বাস করে ভেবে নিই- জোড়াফুলে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে- সেক্ষেত্রে নতুন করে আমাকে আর কেউ চুতিয়া বা গান্ডু বানাতে পারবে না, কারণ অলরেডি আমি চুতিয়া-শ্রী হয়েই রয়েছি তার অনুপ্রেরণায়।
প্রতিটি সুস্থ এবং স্বাভাবিক মানুষের উচিত মমতা ব্যানার্জিকে অবিশ্বাস করা। প্রতিটি মুসলমানের উচিত মমতা ব্যানার্জীর গোটা মুখ্যমন্ত্রীত্ব কালকে পর্যালোচনা করা। বিজেপি পরিচালিত কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই পর্যায়ের RSS তোষণ করেনি।
মাথায় হিজাবি ঘোমটা দিয়ে দুধেল গাইকে মানব-অস্ত্র বানাচ্ছে, ফলত মারছে মুসলমান, মরছে মুসলমান। যে মরল তার পরিবারও শেষ, যে খুন করলে সে জেলে গিয়ে তার পরিবারকেও শেষ করলো।
কোনো উচ্চবর্ণের হিন্দু তৃণমূল নেতা বা তাদের ছেলেপুলেকে কোনোদিন বোমা মারতে দেখেছেন? তারা নেতা হয়, মুসলমান আর নিম্নবর্গের হিন্দুদের শাসন করে। বোমা বাঁধে মুসলমান আর সিডিউল কাস্ট, মরেও এরাই।
আপনারা দুধের গাই সেজে সামান্য কিছু এটোকাটা খেয়ে নিজের পরিবারকে ভাসিয়ে দিচ্ছেন, রাজ্যকে ডুবিয়ে দিচ্ছেন। লজ্জা লাগে না আপনাদের আয়নাতে মুখ দেখতে, নিজেকে মুসলমান বলতে লজ্জা লাগে না? ঘেন্না হয় না সন্তানের দিকে তাকাতে?
মগজ অনেকের হাঁটুতে থাকে, আপনারা যারা দুধেল গাই রয়েছেন, আপনাদের মগজ বিচিতে। কমোডে ফ্ল্যাশ করা বীর্যের সুরুয়া খেয়ে শুয়োরের খামারে জন্ম নিলে তবে এই জেনেটিক্যাল পরিবর্তন ঘটে, মাথা থেকে বিচিতে মগজ চালান হয়। প্রতিবার মুঠো মারার সাথে সাথে ঘিলু তথা বীর্য নিঃসরণ হয়। নতুন দুধেল গাই এর জন্ম হয়, সিম্পল ও কিউট প্রসেস।
আপনার ঈমান যদি থাকে- নিজেকে প্রশ্ন করুন, যদি আপনি চোর না হন, চুরির টাকার বখরা না পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি বা আপনার পরিবার, আপনার সম্প্রদায় কি পেয়েছে এই তোলামূলের চোর সাম্রাজ্যে?
ভাবুন, ভাবা প্রাক্টিস করুন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী
আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন