বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

মূর্খ মোদী ও ট্রাম্পের ট্যারিফ



মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।

নির্বোধ শ্রেষ্ঠ মোদী আর তার তড়িপার স্যাঙাৎ - নির্লজ্জতার অপর নাম, নতুবা সামান্যতম আত্মসম্মানবোধ যদি থাকতো, তারা জবাব দিত।
২০১৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত তৎকালীন একজন ভারতীয় কূটনীতিক- দেবযানী খোবরাগাড়ের সাথে দুর্ব্যবহার করেছিল মার্কিন প্রশাসনের কিছু লোকজন।
এর পদক্ষেপ অনুসারে, সেই সময়ের ভারতবর্ষের শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, মার্কিন কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে নিরাপত্তা ব্যারিকেড অপসারণ করে প্রতিক্রিয়া জানান। ভিডিওতে দেখুন-
ফলশ্রুতিতে দ্রুত মার্কিন প্রশাসনের হুশ ফেরে এবং শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হাঁটু গেড়ে বসে ক্ষমা স্বীকার করে।
রাষ্ট্রের একটা বিদেশ নীতি থাকতে হয় আর নীতি তৈরি করতে গেলে সঠিক শিক্ষা সহ নৈতিকতার বোধ থাকতে হয়। মোদি সরকারের বিদেশ নীতি তৈরি করে রিলায়েন্সের তথা আম্বানির ORF আর আদানি ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ CRF (Chintan Research Foundation) এবং APSE এর মত সংস্থাগুলো - অজিত ডোভালের ছেলে বা জয়শঙ্করের ছেলেদের ফ্রন্ট লাইনে রেখে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী কর্পোরেট ধান্দাবাজি করে- আপনি আমি ভাবি মোদী-শাহ এর মন্ত্রী সভাই বোধহয় দেশের বিদেশনীতি ঠিক করছে।
আসলে গুজ্জু কার্টেলের দুই সর্বোচ্চ ক্রিমিনাল- শুধু দেশের সম্পত্তি লুট করছে তাই নয়, দেশের রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা, সাংবিধানিক সংস্থা ও আমলা তন্ত্রকে সম্পূর্ণ হজম করে ফেলেছে। না হলে ভাবা যায় - দেশের বিদেশ নীতি তৈরি করছে দুটো পুঁজিবাদী কর্পোরেট সংস্থা। কোন লুকোচাপা করে নয় প্রকাশ্য এবং অফিসিয়ালি।
এরা ভাববে দেশের মানুষের স্বার্থ?
বিদেশে গিয়ে চারটে ভাড়াটে নাচিয়ে গিয়ে রুঁদালি গেয়ে "ডায়াস্ফোরা" বানিয়ে আর পমেরিয়ান মিডিয়াকে দিয়ে সর্বক্ষণ ঘেউ ঘেউ করিয়ে কাউকে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী বানানো যায়না৷ চুরি করে হওয়া প্রধানমন্ত্রী - তার কোন দায়বদ্ধ থাকে?
বর্তমানে মোদী উদ্বোধন মিনিস্টার হয়ে গেছে। রেলের উদ্বোধন রেলমন্ত্রী করে না, রাস্তার উদ্বোধন রাস্তা মন্ত্রী করে না, এয়ারপোর্টের উদ্বোধন বিমান মন্ত্রী করে না। যাবতীয় উদ্বোধন এবং তার কৃতিত্ব শুধুমাত্র মোদির; আর যখন সেগুলো ফেটেফুটে যায় বা যখন দায় নেওয়ার প্রশ্ন আসে তখন মোদি মিউট মোডে চলে যায়।
নিরক্ষর মিথ্যাবাদী প্রচারসর্বস্ব একটা ক্লীব- ক্যামেরা খুঁজে খুঁজে নিয়ে অভিনয় টুকু করে। আপনি আমি রোজকার এই ডেইলি টেলি সিরিয়াল দেখে হিন্দু-মুসলমান, গরু-শুয়োর, মন্দির-মসজিদ নিয়ে মেতে থাকি।
আমাদের ঘরের যুবকেরা থাকে রাস্তায় বসে রোজগার চেয়ে, বিচার চেয়ে। বিনা বিচারে ৫ বছর ধরে উমর খালিদ বন্দী থাকে জেলে, দিল্লি পুলিশ এই একটা কাজ নিশ্চিত করেছে। এটাই গোয়ালঘরের গণতন্ত্র।
ওদের লজ্জা হবে না কারণ ওরা চুরি করতেই এসেছে, আপনার কি লজ্জা হয়?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি

পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে...