সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
সিদ্দিকুল্লাহ~ আসানসোলে গোরক্ষার তান্ডব
আরেকটা মর্কট আছে, ত্বোহা সিদ্দিকি, যার পেশাই হলো ধর্ম ব্যবসা- তাবিজ কবজ। এর বাইরে অনেক এঁটোকাঁটা খোর জীবজন্তু আছে, যারা নিজেদের ভাগায় কম পরলে ফোঁস করে উঠে।
এরাই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বোঝায়- তৃণমূলকে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে বিজেপির প্রয়োজনটা কী?
মুসলমান সম্প্রদায় কী বুঝতে পারছে যে এই সব আলেম সাজা চুতিয়া গুলো আসলে RSS এর দালাল। ধর্মকে সামনে রেখে, হাদিস-কোরানকে সামনে রেখে গোটা বাঙালি মুসলমান সমাজকে বোকাদোচা বানাচ্ছে।
এরা চুরির ভাগা তথা হারামের টাকার জন্য দ্বীন-দুনিয়া-আখেরাত সব বেচে দিয়েছে। জোব্বার আড়ালে। সবকটা শয়তান-এ-আজম, মুনাফেক। ইহুদীরা প্রকাশ্য শত্রু, এই আলেম সাজা মালগুলো তার চেয়েও ভয়ানক।
ভাই মুসলমানেরা, জেগে উঠো। এই শয়তানদের দোজোখে পাঠাবার সময় এসেছে। জিহাদ যদি করতে হয়, আগে এদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জিহাদ করুন। এটাও ফরজ, এটাও সুন্নত ইবাদত এখন। শয়তানকে বর্জন করা। নুতুবা কিয়ামতের ময়দানে জবাব দিতে পারবেন তো এই কবিরা গুনাহের?
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন