মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

সিদ্দিকুল্লাহ~ আসানসোলে গোরক্ষার তান্ডব



সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।

আরেকটা মর্কট আছে, ত্বোহা সিদ্দিকি, যার পেশাই হলো ধর্ম ব্যবসা- তাবিজ কবজ। এর বাইরে অনেক এঁটোকাঁটা খোর জীবজন্তু আছে, যারা নিজেদের ভাগায় কম পরলে ফোঁস করে উঠে।
এরাই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বোঝায়- তৃণমূলকে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে বিজেপির প্রয়োজনটা কী?
মুসলমান সম্প্রদায় কী বুঝতে পারছে যে এই সব আলেম সাজা চুতিয়া গুলো আসলে RSS এর দালাল। ধর্মকে সামনে রেখে, হাদিস-কোরানকে সামনে রেখে গোটা বাঙালি মুসলমান সমাজকে বোকাদোচা বানাচ্ছে।
এরা চুরির ভাগা তথা হারামের টাকার জন্য দ্বীন-দুনিয়া-আখেরাত সব বেচে দিয়েছে। জোব্বার আড়ালে। সবকটা শয়তান-এ-আজম, মুনাফেক। ইহুদীরা প্রকাশ্য শত্রু, এই আলেম সাজা মালগুলো তার চেয়েও ভয়ানক।
ভাই মুসলমানেরা, জেগে উঠো। এই শয়তানদের দোজোখে পাঠাবার সময় এসেছে। জিহাদ যদি করতে হয়, আগে এদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জিহাদ করুন। এটাও ফরজ, এটাও সুন্নত ইবাদত এখন। শয়তানকে বর্জন করা। নুতুবা কিয়ামতের ময়দানে জবাব দিতে পারবেন তো এই কবিরা গুনাহের?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী

আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...