সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দাঙ্গা ALART

 

যেকোনো সময় রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে পারে তৃণমূল বিজেপি ও তাদের বাপ RSS. সমস্ত ধরনের জাপানি তেল, রকেট ক্যাপসুল, ভায়াগ্রা, তন্ত্রমন্ত্র, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি কোনো কিছুতেই বিজেপি - তৃণমূল বাইনারি দাঁড়াচ্ছে না। তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে সংবাদ শিরোনাম ফিরে পেতে।

রাজ্যের মুসলমান ১৫ বছর ধরে রোজ ঠকেছে মমতা ব্যানার্জীর কাছে। সাচার কমিটির রিপোর্ট দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে, মুসলমানকে আরও খাদে ঠেলে দিয়েছে। মুসলমানের চাকরি হয়নি, তাদের OBC গেছে, ওয়াকফের সম্পত্তি খেয়ে নিয়েছে তৃণমূল সরকার, মুসলমান বাড়ির ছেলেরা পরিযায়ী হয়ে বালবাচ্চা পরিবার ছেড়ে ভিনরাজ্যে ধুঁকছে- তাই মুসলমান সমাজ এবারে তৃণমূলকে কুরবানি দিয়ে তবে কুরবানির ঈদ পালন করবে বলে একটা সিদ্ধান্তে এসে গেছে।

এদিকে মুসলমান ভোট না পেলে তোলামুলের হাতে হ্যারিকেন পিছনে বাঁশ। ভাইপো সহ গোটা মন্ত্রীসভা ও দলের হোমরাচোমরারা জেলের দেওয়ালে আঁকিবুঁকি কাটবে। স্বভাবতই দেবাংশু, কুণাল ঘোষ, পোষ্য ভাতাজীবি বুদ্ধিবিচি ভাঁড়ের দল, বিশ্বমাচাদো সাংবাদিক কুল, এবং স্বয়ং ভাইপো- চেষ্টার খামতি রাখেনি। কিন্তু কোনো অস্ত্রেই, মমতা ব্যানার্জী এই যাত্রায় বিজেপি জুজু দাঁড় করাতে পারেনি আজ অবধি। তাই বাধ্য হয়ে মোদীকে নামতে হয়েছে আসরে।

তৃণমূলের মুসলমান নেতাদের হাল দেখুন। জাভেদ খান গ্যারেজ, ববি হাকিম প্রতিষ্ঠিত চোর, ওয়াকফের সম্পত্তি চুরি করে রাজনীতি থেকেই পালিয়ে যেতে চাইছে। উত্তরের রব্বানি, হামিদুর, করিম চৌধুরী, আকতারুজ্জামান, খলিলুর, আবু তাহের, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, সহ অধিকাংশ মুসলমান MLA/MP লাগাতার চুরিচামারি করে এখন প্রায় চলৎশক্তিহীন লোলচর্ম বৃদ্ধ। সৌমিক হোসেনরা নেই, মৌসমের মত হাওয়া মোরগের দল আগেই দলবদল করে কংগ্রেসে ফিরেছে। সাবিনা ইয়াসমিন ধুঁকছে, পাবলিক জুতো ছুড়ছে। 

ডোমকলের জাফিকুল ইসলাম কয়েক'শ বিএড কলেজের মালিক ছিল, ইডি রেইড করতেই আতঙ্কে রক্তবমি করে পটল তুলেছে। কালীগঞ্জের নাসিরউদ্দিন আহমেদও মরে গেছে, তারপর সেই বোম কাণ্ডের পরে ওখানে তৃণমূল গোরস্থানে বসে আছে- মাটি দিয়ে জানাজা পড়া বাকি। নাকাশীপাড়ার কল্লোল খাঁ, পাঁচ'ছ বারের MLA, ভয়ংকর ভাবে অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট এর কবলে। একই কেস পাঁচলার গুলশন মল্লিকের।

বীরভূমে কাজল সেখ বা শাহনাওয়াজ পাড়ার কুত্তা, ফুটো মস্তান। একদা ফেমাস লাবপুরের মনিরুল কোথায় কেউ জানে না। সিদ্দিকুল্লাহ নিজের দলের কর্মীদের হাতেই সকাল বিকাল ক্যালানি খাচ্ছে। ভাই এর মৃত্যু বেচে নেতা হওয়া রুকবানুর চুরি ছাড়া আর কিছুই করেনি। ইউসুফ পাঠান- না খায় না গায়ে মাখে নিজেই জানেনা। আকবর আলি খন্দকার বা সুলতান আহমেদের বউ সহানুভূতির  বিধবা ভাতা কোটার প্রোডাক্ট। আফরিন আলির সত্যিকারের ধর্ম কেউ জানে না। পার্কস্ট্রিট ধর্ষণ কান্ডের আসামি কাদেরের বান্ধবী ন্যাংটা নুসরত কয়েকটা বিয়ে করে গ্যারেজ।

মমতার মুসলমান প্রেম দেখতে হলে অবিভক্ত মেদিনীপুরের দিকে তাকাতে হবে। এখানকার ৩৫ টা বিধানসভা কেন্দ্র মুসলমানদের কতটা গুরুত্ব দিয়েছে তা নিশ্চিত ভাবে বোঝা  যায়, যখন দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম থেকে মুসলমানদের প্রতিনিধি হচ্ছে জুন মালিয়া আর দেব। বর্ধমানের মুসলমান প্রতিনিধি রাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী মহানায়িকা শুভশ্রী। পাঁশকুড়ার পশ্চিমের ফিরোজা বিবির শহীদের রক্তের গল্প ফুরিয়ে গেছে। হুগলিতে ফুরফুরার লাল দাড়ি ত্বহা চাচাকে মাঝে মাঝে ঝাঁপি থেকে বের করে আগে ফোঁস করাত, নৌসাদের চোটে কাকা পীরের দম শেষ। আগে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম মমতার হয়ে ওয়াজ করতেন, তিনিও দেহ রেখেছেন।

সোনারপুর উত্তরের ফেরদৌসী বেগম 'মোমো কাণ্ডের' ২৫ টা লাশ লুকাতে ব্যস্ত, নিজে টিকিট পাবে কিনা তাই সন্দেহ। ওদিকে আমডাঙার রফিকুর যদি টিকিট না পায়, একদা বাম তথা অধুনা তোলামুলের সম্পদ আব্দুল সাত্তারের পেছনে হুঁড়কো গুঁজে দেবে, অতএব সাত্তার আউট।

কলকাতা সংলগ্ন ২৪ পরগনার ইদ্রিশ আলি, হাজি নুরুল, ইকবাল আহমেদ, এমন অনেকে কবরে শুয়ে কাটমানি খাচ্ছে। থাকার মধ্যে রয়েছে শওকত, কাইজার, আরাবুল, জাহাঙ্গির আর শাহজাহান - এই হচ্ছে মমতার আসল মুসলমান মুখ। সবকটা গন্ডমুর্খ, সবকটা প্রতিষ্ঠিত চোর, সবকটা দুষ্কৃতি সমাজবিরোধী হিসাবে 'বাংলার গর্ব'।  এরাই হচ্ছে মমতার পাঁচে পঞ্চবান।

সবেধন নীলমনি ছিল বেলডাঙার হুমায়ূন, সে তো এখন মোঘল সুলতান। ডেবরার পুলিশ অফিসার হুমায়ূন কবীর যেকোনো দিন মোঘলাই হুমায়ূনের টিমে চলে যাবে। বীরভূমের হাল আরো খারাপ, হাসান, নলহাটি, মুরারই তিনটে কেন্দ্রে প্রায় ৫৫% এর উপরে মুসলমান- মুসলমান জনপ্রতিনিধি নেই।

এরা মুসলমানকে উচ্ছিষ্টভোগী চোর আর লেঠেল বানিয়ে রেখেছে। 

তাহলে তোলামূলের ভোট বৈতরণী কাকে দিয়ে পার করাবে ২০২৬ এর নির্বাচনে? পাতি-কুরে এমনি এমনি লগ্নি করতে করতে হয়নি i-pac কে। তার পরেও মুসলমান ভোটকে ভয় দেখাতে পারছে না মমতা ব্যানার্জী, বিজেপি, RSS ও তাদের খোঁচর সংগঠনগুলো। এটা ভয়ানক সিঁদুরে মেঘ ওদের জন্য, অতএব সাধু সাবধান।

সবজি বাজার আগুন, মুদি, গ্যাস, ওষুধপত্র কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। কেউ হিন্দু বলে কি অন্য হিন্দু দোকানদারটা দাম কম নিচ্ছে? সুতরাং বিজেপির জামানার এই দ্রবমূল্যবৃদ্ধি ও কর্মহীনতা- বিভ্রান্ত হিন্দু ভাইবোনেদের অনেকেরই ধর্মান্ধতার নেশা ছুটিয়ে দিয়েছে।

এই অবস্থায় হিন্দু ও মুসলমান - উভয়ের ভোটকে মেরুকরণ করতে গেলে ভীষণভাবে একটা দাঙ্গা প্রয়োজন। ভীষণ ভীষণ ভীষণ। তাই আপনারা আমরা শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সকলেই যেন হুশিয়ার ও সতর্ক থাকি- তৃণমূল বিজেপির পাতা ফাঁদ থেকে। এরা পারে না হেন কোনো নিকৃষ্ট কাজ নেই। আর দাঙ্গা লাগানোতে RSS সার্টিফায়েড শয়তান। এদের সমস্ত চক্রান্ত আমাকে আপনাকেই ভেস্তে দিতেই হবে। দল হিসাবে CPIM, Indian National Congress, Nawsad Siddique প্রত্যেককে এই বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা মূলক উদ্যোগ নিতে হবে।

মুসলমান সমাজ জানে আগামী ২৭শে মে কোরবানির ঈদ, ২০২৬ বিধানসভা ভোটের ফলাফলও এর আশেপাশেই বের হবে সম্ভবত। এই কোরবানি ঈদেই আমরা তৃণমূল সরকারকে জবাই করে দেব গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, ইনশাল্লাহ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...