গোটা বিশ্বের সংবাদ সংস্থাগুলোর হাঁড়ির হাল। বিজ্ঞাপন আসছেনা কর্পোরেট দুনিয়া থেকে। সকলের অনুপ্রেরণা নেই ABP আনন্দের মত, তাই বাকিরা সাহায্য চাইছে লিঙ্ক খুললেই। সেটা ইংল্যান্ডের দ্যা টেলিগ্রাফ হোক বা মার্কিনিদের নিউইয়র্ক টাইমস। কিছু বিদেশী পোর্টাল তো পয়সা না দিলে ঢুকতেই দিচ্ছেনা তাদের ওয়েবসাইটে।
ছাপা কাগজের সংবাদ পত্র বিক্রিও বিপুল হারে কমে গেছে। ভোগ্যপণ্য সহ প্রতিটি সংস্থা যারা বিজ্ঞাপন দেয় তাদের ভাঁড়ারে টান পড়তেই সবার আগে বিজ্ঞাপন খাতে বাজেট কমিয়েছে। তাই সংবাদ সংস্থাগুলোর ভাঁড়ে মা ভবানি, আরো দুটো মাস যদি এভাবে লকডাউন চলে সেক্ষেত্রে সাংবাদিক ও নিউজ এঙ্ক্যরগুলোকেও যে সব্জি বেচতে হবেনা কে জানে!
বিজ্ঞাপন বলতে কিছু অসভ্য প্রশাসক যুক্ত রাজ্যের কর্মকর্তারা তাদের রাজনৈতিক ফায়দার জন্য গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। অনেকে তো আবার পাকায় ১০০ টাকা দিচ্ছে সরকারি কোষাগার থেকে, ৭০% পার্টি ফান্ডে ফেরৎ নিয়ে আসছে বেনামিতে বা কর্পোরেট ফান্ড রূপে। সংবাদ সংস্থা গুলো দেখছে নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো- অগত্যা পায়ে পরে রয়েছে। ধন্যি গণতন্ত্র।
সংবাদের নামে সারা বিশ্বে মিথ্যার দাপটে বর্তমান যুগটার নাম দাঁড়িয়েছিল "post truth era", তুলাদন্ডের সাম্যাবস্থার জন্য প্রকৃতি নিজেই যখন চেপে ধরে- বিধি, অদৃষ্ট বা ঈশ্বরের বাহানাতে, তখন তাদের এমনই হাল হয়। মাভৈ
শেষ পাঁচ বছরে যে কিছুই পারতনা- সে একটা পোর্টাল বানিয়ে কন্টেন্ট রাইটার দিয়ে খবর লেখাতো, রোজগারের জন্য। দেশের অধিকাংস সাংবাদিকিই লাথখোর পেটোয়া, পেশার যে নীতি সেটাই ভুলে গেছিল। সাংবাদিকতার মা মাসি এক করে দিয়েছিল। সুতরাং মানুষ এদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছিল। সুতরাং, এই রিশেসন তাদের জন্য আবার " চপশিল্পে" নতুন নতুন মানবসম্পদ লগ্নি করবে সেটা বলাই বাহুল্য।
চরৈবেতি।
যা হয়, ভালর জন্যই হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন