কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
ফিবোনাচি ক্রম
শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
ভয়ের অকপট
ভয়,
ভয় শব্দটাই ভয় পাইয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট। ভয় পায়নি এমন বীরপুরুষ না আগে জন্মেছে না ভবিষ্যতে জন্মাবে। ভবিষ্যতের কথাতে বলি, ভয় আমরা অতীত বা বর্তমান নিয়ে পায়না, ভয়ের গোটা সাম্রাজ্যের বাসই ভবিষ্যত জুড়ে। অসম সাহসীর ভুতে ভয় না থাকলেও ঈশ্বরে ভয় রয়েছে, ঈশ্বরে বিশ্বাস না থাকলে দেখবে ঠিক পাপপূণ্যে ভয় রয়েছে, পাপপুণ্যে ভয় না থাকলে ছেলেপুলের ভবিষ্যতের জন্য ভয় রয়েছে। ভয় না থাকলে আমাদের জীবন কখনও এতটা বৈচিত্রপূর্ণ হতনা, কতজনই কত কিছু হতে পারতাম ভয়কে জয় করতে পারলে, কিন্তু হইনি বা হয়েছি। এই একটুকুনি ভয়ের জন্য কত বড় বড় দণ্ড যে জীবন জুড়ে আমাদের দিতে হয়েছে বা আগামীতেও দিতে হবে তার কি কোনো হিসাবপত্র আছে!
ভয় আসলে কি? ভয় হল একটা অনুভূতির নাম। একটা বিশেষ দশা যা আমাদের হৃদয়, মস্তিষ্ক, সারা শরীর ও ভাবনাকে একত্রে আচ্ছন্ন করে রাখার ক্ষমতা ধরে। এই ভয়ের জন্মস্থান মানুষের অবচেতন মন, দুম করে কেউ ভয় পায়না; দুম করে আশ্চর্য হয়, সেই আশ্চর্য ভাব কেটে গেলে যখন তাকে ব্যাখ্যা করি, এবং তাতে সন্দেহজনক কিছু থাকলে তবে ভয়ের চাষ শুরু হয়। বাকি প্রানীদের বিষয়ে জানিনা কিভাবে তাদের ভয়ের শুরু হয়। ভয় থেকে আসে আতঙ্ক, আতঙ্কগ্রস্থ প্রাণী যা খুশি করতে পারে। এই ভয় আমাদের অনেকেরই আবার যাচ্ছেতাই মাত্রার উন্নতিরও কারন।
সাপে ভয়, ব্যাঙে ভয়, অন্ধকারে ভয়, ভুতে ভয়, ঈশ্বরে ভয়, সন্তানের ভবিষ্যতে ভয়, পাপে ভয়, প্রেমে ভয়, মারের ভয়, সুখের দিন চলে যাবার ভয়, প্রিয়জন বিচ্ছেদের ভয়, ভুলে যাবার ভয়, আর্থিক কষ্টের ভয়, নিঃসঙ্গতার ভয়, ঘুম থেকে উঠতে না পারার ভয়, ইমেজের ভয়, চরিত্রের ভয়, মৃত্যুর ভয়, অজানা বিপদের ভয়, রোগের ভয়, জলের ভয়, উচুর ভয়, গতির ভয়, থেমে যাবার ভয়, খোয়া যাবার ভয়, পরীক্ষার ভয়, স্যারের ভয়, অঙ্কের ভয়, ইংরেজির ভয়, জাঁদরেল বৌ এর ভয়, সেই বৌয়েরই আবার আরশোলা দেখে ভয়, উফ... ভয়ের কি আর গোনাগুন্তি আছে। কতজন শুধু ভয়ের জন্য একলাইনও লেখার চেষ্টাটাই করেনা, মান সম্মানের ভয়ে। সর্বত্র ভয়ের কেন্নোরা জীবনের প্রতিটি বিন্দুতে কিলবিলিয়ে থিকথিক করছে। পড়তে পড়তেও ভয় লাগছে, বাপ্রে কত বড় লেখা...।
ভয় ওপাড়ে সুখের বাস। যেহেতু কেউই চিরঞ্জীব নয়, তার পরেও আমাদের মৃত্যুভয়ের অন্ত নেই। কত শত প্রিকোশন, ইনস্যুরেন্স, ইত্যাদি এই ভয়ের ব্যাবসাতে। জ্যোতিষ ব্যাবসাটা কৌতুহল কম, ভয়ের কারনের এদের দাপট নবরত্নের পসরা সাজিয়ে। তাবিজ, মাদুলি, ঝাড়ফুঁক, পীর-ফকীর, সাধুদের মন্ত্রতন্ত্রের দোকানটাই বন্ধ হয়ে যাবে, যদি ভয়ের পণ্যগুলো জীবন থেকে মুছে যায়। কেউ যদি পাঁচকান না করেন তো চুপিচুপি বলি, কন্ডোম বা কন্ট্রাসেপ্টিভ পিলও আসলে অনাকাঙ্ক্ষিত অপত্যের ভয়েই! যদি আঁটি কলিয়ে যায়! কত বড় বড় ইন্ড্রাষ্ট্রি শুধু ভয়ের কারনে রমরমা। সেপাই, লস্কর, পল্টন, গোয়েন্দা, দারোগা প্রমুখেরা সবাই আসলে ভয়ের পাহারাদার। এত সব গালিগালাজ, বন্ধুক, তলোয়ার, হুমকি, পরমাণু বোমা, মব লিঞ্চিং, আইসিস, কিম জং উন সবই সেই ভয় দেখানোর জন্য।
শুধুই কি মানুষ? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাপ নামের সরীসৃপ প্রাণীটি শুধুমাত্র ভয় পেয়েই ছোবলের চুমু খেয়ে নেয়, হিংস্র জন্তুরা জঙ্গলে ভয় থেকেই মানুষের উপরে আক্রমণ করে। যেকোন দ্বিধাগ্রস্থ প্রানীই ভয়ে ভীত হয়, এটা প্রানীর একধরনের জৈবিক ক্রিয়া।
এই ভয় কিভাবে কাজ করে? অশুভ আশঙ্কারা কল্পনাশক্তির পথ বেয়ে আমাদের আড্রেনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে এপিনেফ্রিন হরমোনের প্রবাহ ঘটায় যা সবার আগে আমাদের পিলেটিকে খানিকটা চমকে দিয়ে আমাদের স্নায়ুজালকে আচ্ছন্ন করে তোলে। যারা কিডনি বেচে আইফোন কিনে ফেলেছে তারা অবশ্য ভয় পায়না। আমাদের এড্রেনালিন গ্রন্থিদুটি ওই কিডনির মাথাতেই টোপরের মত চুপটি করে বসে থেকে, আমাদের আবেগের দোকানের ঝাঁপ খোলা বন্ধ করে। ভয় পেলে কেন পেট কেন গুরুগুর করে জানা হল তো এবারে! এড্রিনালিনের শোরুমে থরে থরে সাজানো কয়েকটি প্রোডাক্ট, ভয়, আনন্দ, দুঃখ, হতাশা, হাসি, কান্না সব রয়েছে। যেটা উপলব্ধি করতে পারলাম সেটা তেমন ভাবেই বহিঃপ্রকাশ করবে, এড্রিলানিনের ক্ষরণ বেয়ে; আর যেটা বুঝলামনা, সেটা - ‘জানালায় কাক, আমি তো অবাক’ দশা হয়। এই কিডনির সাথেই এট্টূ খানি আর্থিং করে আমাদের পিলে মহাশয় ঘাপটি মেরে বসে থাকে, যখন তখন চমকে যাবার জন্য।
ভয় নিয়ে অনেকে আবার নেশা করে, তা নেশার যোগ্যও বটে। অতিপ্রাকৃত বা অলৌকিক ব্যাপারস্যাপার অল্প অল্প হোমিও প্যাথিক ডোজের মত করে আমরা ভয়ের নেশা হেব্বি পছন্দ করি। সিনেমা নাটক গল্প উপন্যাসে পড়ে ভয় পেতে পছন্দ করি। এ তো গেল সাধারন মানুষের নেশা, যারা লিজেন্ড টাইপের মানুষ যারা, তেনারা বেগুনকোদরের স্টেশন টাইপের ‘চুড়েল কি হাভেলি’তে গিয়ে রাত কাটান, রোলার কোস্টারে চড়েন, স্কুবা ডাইভিং এ যান, বাঞ্জি জাম্পিং করেন, প্যারাগ্লাইডিং করেন, স্কাই ফলিং করেন, মদন মিত্রের লাইভ দেখেন ও পিসির কবিতা আবৃত্তি করেন ইত্যাদি।
আপনি জানেন অটোগ্রাফ আসলে সেলিব্রিটিদের সাক্ষরের নাম, অটোমোবাইল মানে গাড়ি শিল্প, কিন্তু অটোফোবিয়া মানে কিন্তু একাকীত্বের ভয়। অনেকের আবার গোলোটোফোবিয়া থাকে, মানে নিজেকে নিয়ে মজা সহ্য না করতে পারার ভয় আরকি। আমার যেমন বিচ্ছিরিভাবে ট্রিপানোফোবিয়া বা সুচের ভয় রয়েছে, যার দরুন জ্ঞানত কখনও ইঞ্জেকশন নিইনি। এন্ডয়েড ফোন ব্যবহার করলেও আমরা কী জানি এই শব্দের মানে? এন্ড্রোয়েড মানে সেই রোবট যা প্রায় মানুষের সমতুল্য। আর এই থেকেই বোধহয় এন্ড্রোফোবিয়া মানে মানুষের ভয়। আমাদের সুব্রত মণ্ডলদা, কখনই সিবোফোবিয়াতে ভোগেননা, এই রে এর মানে কী? সিবোফোবিয়া মানে হল খাবার দেখে ভয় পাওয়ার নাম। আজকের দিনে বামেরা ডেসিডোফোবিয়াতে আক্রান্ত, মানে সিদ্ধান্তহীনতার ভয়। আমাদের দেবেশ ইমোটোফোবিয়াতে ভোগে, যাকে বলে বমি করার ভয়, এর জন্য রেলে চাকরি করলেও কখনও রেলে সে চড়েনি। আর ট্রিকসইডিকাফোবিয়া বা তেরোর গেরোর ভয়ে যে কতজনা আক্রান্ত তার ইয়াত্তা নেই। লিখতে হবে ভেবে কলম ভুতের পাল্লায় পরে, ফেসমোফোবিয়াতে আক্রান্ত হয়ে মুর্চ্ছো গেলেও আমাদের সে গল্পটা জানাই হয়ে উঠবেনা, লোকলাজের ভয়ে।
এর পরেও আপনি সাবজেক্ট খুঁজে পাবেননা ভয় নিয়ে লিখতে? এটা আমাদের বিশ্বাস করতে হবে?
এই সকল ভয়ের কিছুনা কিছু আপনার
জীবনেও নিশ্চিত রয়েছে, অথবা খুব নিকট কোনো বন্ধু আত্মীয় পরিজনের জীবনে ঘটতে
দেখেছেন বা তাদের থেকে শুনেছেন। এই ভয় বা ফোবিয়া নিয়ে গল্পের শেষ নেই পৃথিবীতে।
সেই বিষয়েরই এক বা একাধিক গল্প অকপটের #ভয়পেয়োনা... ইভেন্টের জন্য আমাদের ইমেলে
পাঠিয়ে দিন। আমাদের এডমিনেরা প্রতিদিন নিশিরাতে এক বা একাধিক গল্প প্রকাশিত করে,
বন্ধুত্বের আবহে অকপটে সেই কাহিনী ভাগ করে নেবেন। তাহলে আর দেরি কেন! আজই ভয় না
পেয়ে লিখতে শুরু করে দিন, ভয় পেলে আর ভয়ের গল্প অকপটে জানানো যাবেনা। আপনার গল্প
পাঠকের বিচারে সেরা প্রমাণিত হলে, আপনাদের প্রথম তিনজনের জন্য থাকবে অকপটের পক্ষ
থেকে একটা করে দারুণ গল্পের বই। তাহলে, দেখা হচ্ছে গল্পের কমেন্টে।
বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
অকপট ইভেন্টঃ ভয় পেয়োনা
নিয়মাবলী
আমাদের ‘ভয় পেয়োনা’ শীর্ষক অকপট সাহিত্যবাসর তথা ইভেন্টটি শুরু হচ্ছে দীপাবলির পরদিন সোমবার তথা ২৮/১০/২০১৯ তারিখ থেকে, চলবে ৩০/১১/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
লেখা জমা করার শেষ তারিখ ১৭/১১/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
লেখা পাঠাবার
ঠিকানা-
Email-
okopot.event@gmail.com
Whatsapp:
7001718580
এই ইভেন্টের জন্য আমাদের গল্পের ‘খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ বিষয়ক’ দল গঠন করা হয়েছে, সেখানে পাঠক তথা অকপটের বিশিষ্ট সদস্যদের মধ্য থেকে ট্যেকনিক্যাল তথা প্রয়োগিক কমিটিতে থাকছেন মালিকা মাফরুদা বানু, বাপ্পাদিত্য মণ্ডল ও সৌরভ নন্দী। বাকিরা সাথে আমাদের পরিচালকমন্ডলী থেকে সুব্রত মণ্ডল, দেবেশ সিংহ ও নয়ন রঞ্জন দাস। শেহনাজ আলম ও এন্টিগ্রাভিটি শ্যাম থাকছে ইভেন্ট পরিচালনা ও খতিয়ান বিষয়ক বিবিধ দায়িত্বে। গ্রুপের পক্ষ থেকে প্রতিদিন গল্প গুলো প্রকাশ করবেন- জয় ব্যানার্জী, প্রীতিকণা জানা, মোমিন মণ্ডল, নয়ন রঞ্জন দাস, শেহনাজ আলম প্রমুখেরা #ভয়_পেয়োনা হ্যাসট্যাগ সহ।
শর্তাবলীঃ লেখকের জন্য
১. প্রধান ও প্রথম শর্ত - লেখা হতে হবে মৌলিক। যে লেখা ইতিপূর্বে কোথাও প্রকাশিত হয়েছে (কাগজ বা বৈদ্যুতিন মাধ্যমে ,সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো গ্রূপ, পেজ বা নিজের টাইমলাইন) তা কোনো পরিস্থিতিতেই গ্রহণযোগ্য নয়। লেখক এমন কোনো লেখা জ্ঞানত বা অজ্ঞানত আমাদের দিলে, এবং পরবর্তীতে তা জানা গেলে সেই মুহূর্তে লেখকের সংশ্লিষ্ট গল্প বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
২. “ভয়” সম্বন্ধীয় যেকোনো লেখা গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তাতে ভয়ের বিষয়টা থাকতেই হবে নতুবা সেটা এই ইভেন্টের জন্য বিবেচিত হবেনা। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ বা নাটক যেকোনো ফরম্যাটে লেখা জমা দেওয়া যাবে। তবে লেখার ভাষা ও শব্দের ব্যবহার কোনো ধর্ম বা রাজনৈতিক ভাবে কোনো সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আঘাত করে তা অকপটের দেওয়ালে প্রকাশ পাবেনা। তবে লেখা যদি অতি সংবেদনশীল হয় সেক্ষেত্রে সে সে লেখা প্রকাশ পাবে কিনা তা প্রয়োগিক ও পরিচালকমণ্ডলীর সম্মিলিত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। তবে সমসাময়িক ঘটনাবলীর উপরে কোনো ভয়ের গল্প, ‘রুপকের’ মোড়কে লিখলে সেটাকে আমরা বিশেষ অগ্রাধিকার দেব।
৩. আপনার লেখাটি আপনি নিজে অকপট গ্রুপের টাইমলাইনে পোষ্ট করবেননা। আপনি আমাদের অকপটের ইমেল আইডি okopot.event@gmail.com তে অথবা অকপটের হোয়াটসএপ নাম্বার -৭০০১৭১৮৫৮০ (7001718580) পাঠিয়ে দিন। হ্যাঁ, ইমেলে বা হোয়াটসএ্যপে পাঠানো লেখাই প্রতিযোগিতার জন্য একমাত্র বিবেচ্য। হোয়াটসএপ নাম্বারটি সেভ করুন ও পাঠিয়ে দিন সেখানে। অবশ্যই লেখকের নাম পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করবেন।
৪. প্রতিদিন দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো পরিচালক বা নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা সন্ধ্যা ৭টা ও রাত্রি ১০ টার সময়ে গল্প গুলি অকপটের দেওয়ালে আসবে। নির্দিষ্ট সময় থেকে ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত প্রতিটি গল্পের পোষ্টের কমেন্ট বক্স খোলা থাকবে। এই সময়ের মধ্যে পাঠককে গল্পটি বা ধারাবাহিকটি পড়ে নির্ধারিত নিয়মে নাম্বার প্রদান করতে পারবেন।
৫. প্রতিযোগিতা শেষ হওয়া তথা ফলপ্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি লেখকের পরিচিতি গোপন থাকবে আমাদের পরিচালক ও লেখকের নিজের পক্ষ হতে। কোনো গল্পের লেখক তার নিজের গল্পের ক্ষেত্রে পাঠক হিসাবে কমেন্ট করতে পারেন, কিন্তু তাতে কোনোভাবেই নিজের পরিচয় যাতে প্রকাশ না পায় তার দায়বদ্ধতা সংশ্লিষ্ট লেখকের। এক্ষেত্রে কোনো বেনিয়ম হলে সেটা প্রয়োগিক ও পরিচালক মন্ডলীর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
৬. গল্পের
শব্দসংখ্যা কমপক্ষে ৮০০ হতে হবে, সর্বোচ্চ ১০০০০, এর বাইরে তা ইভেন্টের উপযোগী বলে
বিবেচিত হবেনা। শব্দসংখ্যার উচ্চসীমা ভেদে নিম্নলিখিত শ্রেণী থাকবে।
(i)
"ক" শ্রেণী -২০০০ শব্দ সংখ্যার মধ্যে। এগুলো সন্ধ্যা
৭টার সময় গ্রুপে আসবে।
(ii)
"খ" শ্রেণী - ২০০১ থেকে ১০০০০ শব্দের মধ্যে। রাত
১০ টার সময় ধারাবাহিক ভাবে গ্রুপে আসবে।
৭. এবার
‘অকপট’ লেখক লেখিকাদের জন্য নিয়ে আসছে বোনাস নাম্বার। নতুবা লেখক বড় লেখা কেন লিখবেন?
· ১০০০ শব্দ পর্যন্ত লিখলে
কোনো বোনাস নাম্বার পাওয়া যাবেনা।
· ১০০১-২৫০০ শব্দের মাঝে
হলে অতিরিক্ত ১ নাম্বার পাবে।
· ২৫০১-৪০০০ শব্দের মাঝে
হলে অতিরিক্ত ২ নাম্বার পাবে।
· ৪০০১-৫৫০০ শব্দের মাঝে
হলে অতিরিক্ত ৩ নাম্বার পাবে।
· ৫৫০১-৭০০০ শব্দের মাঝে
হলে অতিরিক্ত ৪ নাম্বার পাবে।
· ৭০০১-১০০০০ শব্দের মাঝে
হলে অতিরিক্ত ৫ নাম্বার পাবে।
৮. যে কোনো প্রকারের Plagiarism কে অকপট সমর্থন করেনা। যদি কেউ এটা করে থাকে, সে দায় একান্তই সেই লেখকের। অকপট গ্রূপ বা সাহিত্য পত্রিকা কোনো দায় গ্রহন করবেনা।
৯. লেখককে লেখার স্বাধীনতা দিচ্ছে অকপট। আপনার সংখ্যা গননা করার প্রয়োজন নেই, সংখ্যা কত হলো এবং কত বাকি আছে আমরা আপনাকে জানিয়ে দেব।
১০. গুরুত্বপূর্ণ
পয়েন্ট - কেবলমাত্র বাংলা ভাষা ও হরফেই লেখা গ্রহণ করা হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে টাইপ করতে
অসমর্থ কেউ থাকলে তার গল্পটি ঝকঝকে হাতের লেখায় লিখে ছবি তুলে আমাকে কাছে পাঠালে সেটা
আমরা টাইপ কর নেব। কোনো অবস্থাতেই ইংরেজি বা হিন্দিতে অথবা অন্য ভাষাতে লেখা দিলে তা
গ্রহণ করা হবেনা।
পাঠকদের জন্য শর্তাবলী
১. সাধারণ সদস্য তথা পাঠকদের ক্ষেত্রে, যারা অন্তত ৮০ শতাংশ গল্পে নাম্বার প্রদান করবে, শুধুমাত্র তাদের নাম্বারই অন্তিম হিসাবে গ্রহণ করা হবে। পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই মানের হেরফের হতেই পারে।
২. নাম্বার প্রদানের যে নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে, একমাত্র সেইভাবে নাম্বার প্রদান করলে তবেই সে নাম্বার গৃহীত হবে।
৩. নাম্বার
প্রদানের নিয়মাবলীঃ
· অংশগ্রহণ ও নামকরণের জন্যঃ
৩+৩= ৬
· গল্পের প্লট বা অবকাঠামোঃ
৬
· গল্পের চরিত্র সৃজনঃ ৫
· গল্পের ভূমিকা রচনাঃ ৫
· ক্ল্যাইম্যাক্স তথা পরাকাষ্ঠাঃ
৫
· গল্পের পরিসমাপ্তিঃ ৬
· ভাষা ব্যবহার ও বাক্যগঠনঃ
৩+৩= ৬
· বানান ও ব্যাকরণঃ ৩+৩=
৬
· সামগ্রিক নান্দনিকতা তথা
পাঠ্যসুখঃ ৫
· মোটঃ ৫০
মানে এই ভাবে দিলেও চলবেঃ ৬+৬+৫+৫+৫+৬+৬+৬+৫=৫০
৫. প্রতিটি ধারাবাহিক পর্বে পাঠকেরা তাদের পছন্দ জ্ঞাপন করে কমেন্ট করতেই পারেন, অন্তিম ধারাবাহিক পর্বে আমাদের কোনো এক পরিচালক সকল পাঠকদের মেনসন করে নাম্বার প্রদানের বিষয়টা স্মরণ করিয়ে দেবে যারা আগের পর্বগুলোতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এবং সেই অন্তিম পর্বেই সংশ্লিষ্ট গল্পের প্রদেয় নাম্বার প্রদান করবেন পাঠক কুল।
৬. প্রতিটি লেখকই উত্তম পাঠক। লেখকরা শুধুমাত্র লেখা দিয়েই দায়িত্ব সারবেন, এটা অন্যের লেখা পড়ে দেখবেন না, এটা অকপটের পরিপন্থী। আবার লেখক নিজের লেখা প্রকাশ পাওয়া অবধি থাকলেন, তারপর আর অন্য লেখা পড়ে নাম্বার প্রদান করলেন না, সেটাও অকপটুতা নয় বরং অসৌজন্যতা। তাই যেসব লেখক ইভেন্টের অন্তত ৫০ শতাংশ গল্পে নাম্বার সহ উপস্থিত থাকবেন তাদের গল্পই শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগীতায় থাকবে। এই ব্যাপারে সকল লেখকের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
৭. অনেকসময় দেখা যায়, ‘আমি প্রতিযোগিতাতে আছি’ এই ধারণার বসবর্তী হয়ে অনেকেই টেনে টেনে নাম্বার দিচ্ছেন যেন কিডিনি চেয়ে নিয়েছে। যোগ্যতার বাইরে গিয়ে অকপট কোনো রচনার মূল্যায়ন করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেনা, কিন্তু ঋণাত্বক ভাবনারও বিরোধী। ধরা যাক ১০ নাম্বারর সর্বোচ্চ, এক্ষেত্রে কোনো লেখক লাগাতার ধারাবাহিক ভাবে অন্য লেখকদের লেখাতে কমিয়ে নাম্বার দিয়ে গেলেন, কিন্তু অন্যান্য পাঠকেরা গড়ে যে নাম্বার দিচ্ছেন তার চেয়েও প্রত্যেক ক্ষেত্রেই কম। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লেখকের দেওয়া সর্বোচ্চ প্রদেয় নাম্বারকে ধ্রুবক ধরে তার গল্পে অন্য পাঠকদের নাম্বরকেও আনুপাতিক হারে কমিয়ে দেওয়া হবে। উদাঃ তন্ময় হক নামের কোনো ‘লেখক ও পাঠক’, তিনি প্রতি গল্পে ১০ এর মধ্যে গড়ে ৪ করে নাম্বার দিয়েছেন, অতি ভাল গল্পেও ৬ এর বেশি দেননি যেখানে অন্তত ৫০ শতাংশ পাঠক নাম্বারের বর্ষন করেছেন। সেক্ষেত্রে ওনার নিজের গল্পে কেউ ১০ এ ১০ দিলে সেটাকে ৬ হিসাবে গন্য করা হবে, ও বাকি পাঠকদের নাম্বার গুলোও এই আনুপাতিক নিয়মে হ্রাস পাবে তন্ময় বাবুর লেখা গল্পে।
৮. কোনো সদস্য বা অকপট পরিচালক, মন্তব্যে অন্যায় সুযোগ সুবিধা দেবার বা নেবার চেষ্টা করার দরুন ধরা পড়লে , তাকে আমরা সসম্মানে গ্রুপ থেকে মুক্ত করে দেওয়া হবে।
লেখক, পাঠক
ও ইভেন্টের বাইরে যারা থাকবেন সকলের জন্য নিয়মাবলী
১. প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটার সময় ‘ক’ শ্রেনীর তথা ২০০০ শব্দের মধ্যে থাকা গল্প গুলো প্রকাশ পাবে। ২০০০ শব্দের উপরের গল্প গুলো ধারাবাহিক রূপে প্রতিদিন রাত্রি দশটার সময় গ্রুপে প্রকাশিত হবে। একটি গল্পের জন্য সর্বোচ্চ, ৬ টি ধারাবাহিকের সারিবান্ধা পেতে পারে। একটি গল্পের ধারাবাহিক শেষ হলে তবেই পরবর্তী ধারাবাহিক আসবে।
২. লেখা প্রকাশিত হওয়ার আধাঘন্টা আগে ও একঘন্টা পরে পর্যন্ত অত্যন্ত জরুরী কোনো পোষ্ট ছাড়া সকল ধরনের পোষ্ট ট্রাফিকিং করা থাকবে। এই দেড় ঘন্টা আমাদের ইভেন্টের জন্য বরাদ্দ। তবে পূর্বে প্রকাশিত কোনো পোষ্টের কমেন্টিং বন্ধ হবেনা।
৩. যেকোনো প্রকার বিবাদে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো রকমের পক্ষপাতমূলক ব্যাবহার করা যাবেনা, পাঠক লেখক নির্বিশেষে।
৪. আবারও একবার অনুরোধ করছি, লেখকেরা অকপটের নির্দিষ্ট মেল আইডি- okopot.event@gmail.com এই ঠিকানাতে লেখা পাঠাবেন। লেখা পাঠাতে পারেন এই ৭০০১৭১৮৫৮০ (7001718580) হোয়াটসএ্যাপ নাম্বারেও।
৫. সকল সদস্যকে ইভেন্ট চলাকালীন এই নিয়মের মধ্যে থেকে পোস্ট করার অনুরোধ করছে টিম অকপট।
৬. ইভেন্টের প্রথম তিন স্থানাধিকারীকে পুস্তক দ্বারা সম্মাননা প্রদান করবে অকপট। এছাড়া প্রথম স্থানাধিকারীকে আগামী ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে অকপটের ডুয়ার্স ভ্রমণে বিনামূল্যে ভ্রমণের উপহার দেওয়া হবে টিম অকপটের তরফ থেকে যদি তিনি নিজে ইচ্ছুক থাকেন।
-ধন্যবাদান্তে।
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
