শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩

রুচির দুর্ভিক্ষ- অভাগীর স্বর্গ



শিল্পে যখন দুর্ভিক্ষ নামে, সংস্কৃতি তখন চুটুল মনোরঞ্জনের পাঁকে নিজেকে মেলে ধরে। দীর্ঘ দেড় দশকের সালতামামির নিরিখে তথাকথিত পরিবর্তনের ধ্বজাধারী বাবুদের মনোরঞ্জনের জন্য তাবড় খেমটাওয়ালি বিবিদের ভিড় জমেছিল মোকাম কালীঘাটেশ্বরীর দরবার শরীফে। অত:পর এনারা রাজবদান্যতায় আইন সভার হর্তাকর্তা বিধাতা রূপে আবির্ভূত হয়েছেন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় সমাসীন হয়ে কর্ত্রীর আজ্ঞাবহ দাসে পরিনত হয়েছে।

এভাবেই সময়ের আবর্তনে একটা রাজনৈতিক দল, গোটাটাই বাইজিখানায় রূপান্তরিত হয়, যেখানে যেকোনো মূল্যে সেঁধিয়ে যেতে পারলেই- রোজ মেহফিল। ওনার 'কন্ট্রোলিত' গুন্ডা বাহিনীর সমস্বরে ক্যায়া বাত ক্যায়াবাত ও নাজুক নাজুক জাতীয় তারিফ লফজের মেহেরবানিতে মেহফিল-ই-মিদাল রোজই নরক গুলজারের খুশবুতে মাতোয়ারা হয়ে থাকে।
আর এই মেহফিলের রসদের জন্য নির্বিচারে আর্থিক লুঠ আসলে প্রয়োজনের দাবী, নতুবা প্রত্যেকেই শিল্পী মানুষ সন্দেহাতীত ভাবে। বঞ্চিত জনগনের কাছে এ তো হরির লুঠ, পেটে ভাত থাক বা না থাক, নায়ক নায়িকা গায়ক গায়িকার এমন "দুয়ারে বিনোদন" অতীতে ঘটেনি। সুতরাং, চালাও পানসি আদি গঙ্গা।
এ দলে কোনো নবিশ কেউ এলে, তাকে মুজরা দিয়েই শুরু করতে হবে। কারন পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে MLA/MP হতে গেলে- আর কিছু হোক বা না হোক, বাজারি নাঁচনকোঁদন জানাটা আবশ্যিক। এর সাথে থাকতে হবে লজ্জাহীনতা, নির্বুদ্ধিতা আর জ্বী-হুজুরি করার বিরল গুণের সমাবেশ।
চুরিতে হাত পাকানোর কাজটা ভবনে অধিষ্ঠিত কোনো না কোনো শিল্পী পরে হাতেকলমে শিখিয়ে দেবেন। এ দলের সুপ্রিমোই একধারে চিত্রকর, কবি, গায়িকা, সাহিত্যিক, আইনজীবী সহ অনেক অনেক শিল্পসত্ত্বার অধিকারীনি। শিল্পের তিনিই সূচক, তিনিই একক। সুতরাং, রাজনীতির কী জানো এটা ধর্তব্যের মধ্যে আসেনা, রাজনীতি ছাড়া আর কী কী গুণ আছে এটা সবচেয়ে বড় বিষয়।
এই কন্যাটি ভুল কিছু করেনি, এক্কেবারে পার্টি লাইনে রয়েছে। শুধু কিছু প্রশ্ন রয়ে যায়- সন্দীপ ঘোষেদের লালন-পালন ও রক্ষাকবজ দেওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা তিলোত্তমা খুনের প্রমাণ লোপাট ও ভাংচুরের কাজে প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকা পুলিশ দপ্তরের মন্ত্রীর ভূমিকাতে কে অভিনয় করছেন?

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...