শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

দৈনন্দিন যৌনতা



শখের পুরুষকে বিয়ে করেছেন? তার পরেও অকারন মনোমালিন্য; আর সেই থেকে নিত্য অশান্তি?

দাম্পত্য কলহ যে সকল সময় হাতাহাতি পর্যায়েই পৌছাতে হবে তেমন কোনো মানে নেই, মানসিক দুরত্ব সবচেয়ে বড় সমস্যার কারন। দীর্ঘদিনের এই দুরত্ব ক্রমশ ফাটলে পরিনত হয়, পরকিয়ার জীবানু বাসা বাঁধে।

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর সেক্সুয়াল মেডিসিন’ নামের একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা ২০২০ সালে একটা জরিপ করে ২০-৪৫ বছর বয়সী বেশ কয়েক হাজার স্যাম্পল দম্পতির উপরে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই সংস্থার মতে, সেই সকল সম্পর্ক সুখী, যারা নিজেরা স্বেচ্ছায় যৌনতাকে উপভোগ করে, বাৎসরিক হিসাবে- সপ্তাহে নুন্যতম ১২ বার যৌন মিলন করে

পুরুষের চোখে নারী শরীরের সবটাই শিল্পকর্ম, তার কামনা কখনও শেষ হয়না। চোখের ভাষা, ঠোঁটের ইশারা, মুখশ্রীর মায়া, আলগা চুলের হালকা আলগোছামো, আঙুলের সরল সৌন্দর্য, ত্বকের কোমল উজ্জ্বলতা কিংবা পায়ের সূক্ষ্ম গড়ন- সব কিছুই মুগ্ধ বিস্ময়ে ছুঁয়ে যায় পুরুষের সচেতন অবচেতন অনুভব। পুরুষের ইন্দ্রিয়ের পর্দায়, কল্পনার ক্যানভাসে চিরস্থায়ী রঙিন মুর্তি কোন এক প্রেয়সীরই হয়। অপরদিকে শখের পুরুষের তারিফ করার মাঝেই নারী তার সৌন্দর্যের সার্থকতা খুঁজে পায়, নিজের পুরুষের শক্ত বাহুডোরেই তার যাবতীয় আত্মিক তৃপ্তি।

সুতরাং, পূর্ণ যৌবনে কোনো দাম্পত্ব্যে যদি স্বাভাবিক যৌনমিলন না হয়, তা নারী পুরুষের স্বাভাবিক চরিত্রের পরিপন্থী, অসুস্থতার লক্ষণ- যেটা শারিরীক হতে পারে বা মানসিক।

একজন দম্পতির কতবার যৌন মিলন করা উচিত তা নির্ভর করে সেই দম্পতি এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার উপর। যেসব স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া ও মনোমালিন্য বেশি হয়, তাদের ‘ডেটা’ পর্যালোচনা করলে দেখা গেছে, তারা নিয়মিত যৌন সহবাস করেনা।

সহবাস করলে দেহ থেকে অক্সিটোসিন এবং নানা হরমোন নির্গত হয়ে দেহ এবং মনে প্রশান্তি-স্বাচ্ছন্দ্য আনে। বিশেষ করে সুস্থ যৌনসম্পর্ক মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ জরুরী। স্বামী স্ত্রী সহবাস না করলে এক অদ্ভুত ধরনের বৈরিতা শুরু হয় এবং যা বাড়তেই থাকে, ফলে ছোটখাটো বিষয়, মানে নন-ঈশ্যুকে ইশ্যু বানিয়ে নিয়ে আপসে ঝগড়া শুরু করে দেয়।

উপরোল্লেখিত সংস্থার জরিপ মতে, যে সকল স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক স্বাভাবিক ও হাসিখুশি, তারা সপ্তাহে অন্তত পক্ষে ৩ বার বা তার অধিকবার যৌনমিলন করে বাৎসরিক গড়ের হিসাবে। ডেটা এ্যানালিসিস করে দেখা গেছে যে দম্পতিদের মাঝে যৌনমিলন যদি সপ্তাহে ২ বারের কম হয় (২০-৪৫ বছরের দম্পতিদের মধ্যে), তাহলে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে যে দম্পতিটি তাদের দাম্পত্য নিয়ে অসুখী

যৌনমিলন স্ত্রী-পুরুষকে সবচেয়ে কাছাকাছি নিয়ে আসে, নিজেদের মাঝে রসাত্বক একান্ত আলাপচারিতা সম্পর্ককে স্বাভাবিক করে, সন্দেহ দূর করে, পরকিয়ার সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়, স্বাভাবিকভাবেই আত্মিক বন্ধন গভীর হয়। যে সম্পর্ক যতো গভীর হয়, তাদের সুখী হওয়ার সম্ভাবনাও ততটা বেশী

স্পর্শ, দৃষ্টি বিনিময়, নিঃশ্বাসের উষ্ণতা অনুভবই হলো ভালোবাসার নীরব ভাষা একসময় শরীর কেবলমাত্র আকর্ষণের বাহ হয়ে রয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের নিঃশব্দ সংলাপের সেতুচরম মুহূর্তে কামনা আর ঐশ্বরিক প্রেম মিশে যায় এক অনির্বচনীয় পূর্ণতায়, যেখানে শরীর আর মন একে অপরকে জড়িয়ে এক পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতায় পরিনতি পায়।

অধিক যৌনতা অনুভব কোনো কুপ্রবৃত্তি নয়, বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক আহ্বান, আগামীকে টিকিয়ে রাখার একমাত্র পদ্ধতি। পুরুষের সহজাত আকর্ষণ চোখ দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করে, একজন স্ত্রী তার পছন্দের পুরুষের স্পর্শে আদরে তার মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পায়। সুস্থ স্বাভাবিক সাংসারিক জীবনে যৌনতা হল পেন্ডুলামের ছন্দ, যাতে মিশে থাকে মায়াবী কোমলতা, যা হৃদয়ের মাঝে ভালবাসাকে উষ্ণ রাখার কৌশলও বটে

ডিভোর্স হওয়া ৩০০০ স্যাম্পল দম্পতির মধ্যে দেখা গেছে ৮৩% ক্ষেত্রে সেই দম্পতিদের মধ্যে শেষ ৪ বছরের সম্পর্কে, সাপ্তাহিক ২ বারেরও কম তারা যৌনসম্পর্কে মিলিত হয়েছিল। দৈনিক শত সহস্র সংসার ভেঙে যা অহেতুক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অ-কারনে, যার সত্যিই তেমন কোনো ভিত্তি নেই। সঠিক বোঝাপড়া না হওয়ার কারণে, বন্ধন দানা বাঁধতে বাঁধতে রয়ে যায়, এই সময় দম্পতির মাঝে নিয়মিত দৈহিক সম্পর্ক অনেক ফুটোফাটা মেরামত করে দেয় রাগে অনুরাগে।

তাই নিজের সঙ্গী।/সঙ্গীনীর সাথে মনোমালিন্য থাকলে যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করার চেষ্টা করুন উভয়ের ইচ্ছাকে সম্মান করে, অবশ্যই অনিয়মিত যৌনমিলনকে স্বাভাবিক করার মাধ্যমে, কারন একটা নারী পুরুষের জুটিকে এই সময়ের থেকে কাছে আর কোনো পরিস্থিতিই আনতে পারেনা।

পার্টনারের তরফে কবে শুরু হবে তার প্রতীক্ষায় সময় আর যৌবনকে খুন করবেন, নাকি আপনি নিজেই উদ্যোগী হবেন একটা দুর্দান্ত ‘শরীরী’ শুরুর জন্য, যা খাদের কিনারা থেকে দাম্পত্যকে বাঁচিয়ে একটা নতুন শুরু দেবে। 

বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

মূর্খের হাতে দেশ



আগামী ভয়ঙ্কর

মূর্খের হাতে দেশ থাকলে যা হবার সেটাই হচ্ছে, আর ধর্মীয় আরক খাওয়া পাবলিক এই আগামীই ডিজার্ভ করে।
মাস্ক তার বাড়ির বাড়ির ড্রয়িংরুমে বালবাচ্চা সহ বসে আদানীর রাখালরাজাকে দিয়ে ভিখারির মত বসিয়ে রেখে স্টারলিংক আমাদের দেশে অনুমতি নিয়ে নিল, হতে পারে কান মুলেও দিয়েছিল, ট্রাম্প-মাস্কের অসাধ্য কিছু নেই।
ইনি প্রধানমন্ত্রী? এনার নূন্যতম ইজ্জতবোধ আছে? অবশ্য বিজেপি RSS আর লজ্জা বিপরীতার্থক শব্দ।
এই কারনেই গত ২ সপ্তাহ ধরে শিবাজীর মাতাল লম্পট মাগীবাজ কুপুত্র বর্গীটাকে সামনে রেখে ৬০০ বছর আগে মরে মাটি হয়ে যাওয়া অউরেঙজেবকে নিয়ে ২ পয়সার মিডিয়া এতো নেত্ত করে বাজার মাত করে রেখেছিল। আঁটিসেল সত্যিই সফল।
ব্রিটিশ প্রভুদের পা চাঁটা দালালেরা আবার বাপ খুঁজে পেয়েছে, মাস্কের অবয়বে। সুতরাং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আবার পশ্চিমাদের হাতে না তুলে দেওয়া অবধি কিন্তু নাগপুর থামবেনা।
আপনি বরং তদ্দিন ইন্ডিয়া ক্রিকেটে জিতলে মসজিদে আগুন লাগাবার খুশিতে হাত্তালি মেরে উঠুন, কিম্বা সামি কেন রোজা ভেঙেছে এই নিয়ে ফতোয়া দিন।
গান্ডুচোদা আবাল বকধার্মিকের দলেরা সব। যেমন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জারজ গুলো, তার পরিপূরক এই চুতিয়া মোল্লাতন্ত্র, গুয়ের এপিঠ।

https://www.youtube.com/watch?v=y7w-52C4p7k

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...