আজকাল কোরানকে অপব্যাখ্যা করে পোষ্ট করাটা
ভক্তদের কাছে ফ্যাশন হয়ে উঠেছে, ভক্তগ্রুপে জাতে উঠার মই। প্রশ্ন হল, নাথুরাম গড়সে কি কোরান পড়তেন? মানব বোমার আধুনিক জনক LTT দেশপ্রেমিকরা কি কোরান মেনে চলতেন? ক্রুসেড, দুটো বিশ্বযুদ্ধ, আমেরিকাতে ইউরোপীয়দের
রাজত্ব স্থাপন করতে গিয়ে জেনোসাইড, পৌরাণিক রামায়ন মহাভারত ট্রয়ের যুদ্ধ, আধুনিক হিটলার
এরা কোরাণ পড়েছিলো? গু সকলের পিছনেই আছে, সুতরাং অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেকে দেখা উচিৎ, নাহলে চারটে
আঙুল আপনার দিকেই তাক করে আছে।
চেঙ্গিস খান
সাড়ে তিন কোটি মানুষ হত্যা করেছিলও, তার উত্তরসুরীরা আরো ৪ কোটি গণ হত্যা করেছিলো। এর পরেও গোটা মানব ইতিহাসে যত
মানুষ যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে তার ৭৮ শতাংশই ছিল বিগত সাড়ে পাঁচশ বছরে। বস্তুত এই
যুদ্ধগুলো আমেরিকা, ইউরোপ ও
পশ্চিমাবিশ্ব নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্যই বাঁধিয়েছিল। এরাই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
বাঁধিয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতা, পুঁজিবাদ ও
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে। আমেরিকায় গণতান্ত্রিক বিপ্লবের নামে ৫০ বছরে ১০ কোটির
বেশি রেড ইন্ডিয়ানকে হত্যা করা হয়েছে। ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন বিপ্লবেও ৮ কোটির বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ল্যাটিন আমেরিকায়
বিপ্লব সৃষ্টির জন্য ২
কোটি মানুষ নিহত হয়।
১৭৭৬ সাল
থেকে আজ পর্যন্ত আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনী ২৭৭ বার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জাতির
বিরুদ্ধে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। মাত্র ২৩৯ বছরে ২৭০-এর বেশি সংঘর্ষের এই হার যে কোনো
দেশের তুলনায় অনেক বেশি। জাপানে পারমাণবিক বোমা ফেলে পাশবিকতা ও বর্বরতায়
বিশ্বের শীর্ষস্থানটিও আমেরিকারই দখলে। আফ্রিকাতে ৬ কোটি, ভিয়েতনামী ১০ কোটি, ইরাকী ৩০ লাখ, ৫ লাখ আফগানী।
আমেরিকার রাষ্ট্রীয় গ্রন্থের নাম কোরান নাকি তারা ইসলামের অনুসারী?
একসময়
মঙ্গোলরা বলতো পৃথিবীতে একমাত্র কর্তৃত্ব করার অধিকার শুধু তাদের। ১৯৪৫ সাল থেকে জার্মানির একই দাবি ছিল। ১৯৫০
সালের পর রাশিয়া এল এই অবস্থানে। ১৯৯০ এর পর আমেরিকা সেই ভাবনার পথিক। আর আজকের
ইজরায়েল আমেরিকাকে টপকে সকলের বাপ হতে চায়, তাদের ধর্মগ্রন্থ মতে ইহুদি ছাড়া বাকি কেউ বেঁচে থাকার অধিকারই রাখেনা। এরা
কেউ কোরাণ পড়েনি।
ভক্তেরা এসব
প্রেক্ষাপট বিচার বিশ্লেষণ করার অউকাত রাখেনা, তাদের দৌড় হোয়াটস্যাপে পাওয়া ৪ লাইনের শেয়ার জ্ঞান, যা বিজেপির দু পয়সার ভাড়াটে আঁটি সেল লিখে দেয়।
আমি আগে মানুষ, তার পরে ভারতীয়, তারপর বাঙালী ও
সবশেষে মুসলমান। কোরান আমার মননে, আমার পরিচয় ও অস্তিত্বের একমাত্র কারন। তার অপব্যাখ্যা বা মিথ্যা সমালোচোনা করলে নিঃসঙ্কোচে আমার থেকে দুরত্ব বজায় রাখুন। কারন আমি বা আপনি কেও কারো যোগ্য নই, আমি উদ্দেশ্যমূলক অপব্যাখ্যা কারীকে ঘৃনা করি।
আমি সাম্প্রদায়িক নই যে উগ্রতা চাষের জন্য এক
জাতীয় বানোয়াট ইসলামকে সমর্থন করি, যারা করে তাদের জন্যও একরাশ ঘৃনা। ধর্মকে
হাতিয়ার করে যারা নিরীহ মানুষকে হত্যা করে বা অত্যাচার
করে, তারা যে ধর্মেরই হোক- তারা নরকের কীটের অধম, ক্লীব হিজরে। আমি নাস্তিকও নই, অন্য সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা করি, তাদের আচারকে সম্মান করি, তার মানে এই নয় যে তাদের বিশ্বাসে আমাকেও বিশ্বাসী হতে হবে। চোরের জাতে ৭০ % মুসলিমান
হলে যদি কেও সমগ্র জাতিকে গালি দেয়, তাহলে তথ্য দিয়ে সামাজিক পরিস্থিতি
বিশ্লেষণ করে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে, কেন সে চোর? মুখ বুজে ভাঁটের
গল্প শুনবনা। পশ্চিমবাংলাতে ২৭% মুসলমান, সরকারি চাকরিতে ১% এরও কম। মুসলমান সম্প্রদায়ের
হকের চাকরিগুলো যারা খেয়েছে তারা সংখ্যাগুরু, শিক্ষিত ও ক্ষমতাবান বলে চোরের হিসাবে
আসেনি।
তথ্য উপাত্তকে দূরে
রেখে হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির জ্ঞান নিয়ে কেউ যদি কোরান ব্যাখ্যা করতে আসে, কিম্বা সেটাকে
সাইকোর মত সমর্থন করেন, নিশ্চিন্তে
আমাকে আপনি উন্মাদ মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক। আপনি সমাজের পক্ষে বিষাক্ত ছত্রাক সন্দেহ নেই।
বিধবাদের পুড়িয়ে মারা কোন অহিংসার শিক্ষা দেয়? নারীকে পরিকল্পিত খুন করে কার ধর্মকে রক্ষা করা হতো বলতে পারেন? কৃষ্ণ যখন
অর্জুনকে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন মহাভারতের যুদ্ধের ময়দানে, অর্জুন জানতেননা যে যুদ্ধে
জয়লাভের জন্য তাকে তার বিরুদ্ধে থাকা পুরো বংশকে হত্যা করতে হবে। ভগবান কৃষ্ণ কি মানা করেছিলেন নাকি উৎসাহ দিয়েছেন?
অর্জুনকে দেওয়া বক্তৃতাই তো ভগবৎ গীতা।
পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মে হত্যার অনুমতি রয়েছে। আব্রাহামীয় সকল ধর্মেই
হত্যার জন্য সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। অহিংসাবাদী বুদ্ধ নিজে শুকরের পচা মাংস খেয়ে বিষক্রিয়াতে
মারা গিয়েছিলেন, সেই শুকরকে কী হত্যা করা হয়নি? জৈন ধর্মকে অহিংসার পরাকাষ্ঠা হিসাবে বিবেচনা করা হয়, অথচ বৃদ্ধ বয়সে
নিজেরাই আত্মহত্যা করে। অহিংসা নাকি সনাতন
ধর্মের প্রধান নীতি। অতথচ বেদ বা পুরাণ সে কথা বলেনা। এটা
আজকের হিন্দুধর্মের কারবারিদের নতুন আবিষ্কার- নিরামিশাষী, অথচ
তাদের মূল উপাস্য শ্রী রামচন্দ্র নিজে ক্ষত্রিয় ছিলেন, তথায় মাংস খেতেন।
বিষ্ণু নাকি নিরামিষাশী
ছিলেন, তাহলে মৎস্য, কূর্ম, নৃসিংহ, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ এনারা কী ঘাস পাতা খেয়ে বেঁচে ছিলেন? ভারতচন্দ্রের
অন্নদামঙ্গলের হিসাবে শিবঠাকুর আমিষাশী, সে সময় কী তার জাত গেলো বলে কেউ রব তুলেছিলো?
“কচি ছাগ মৃগ
মাংসে ঝাল ঝোল রসা।
কালিয়া
দোলমা বাগা সেকচী সমসা।।
অন্ন মাংস
সীকভাজা কাবাব করিয়া।
রান্ধিলেন
মুড়া আগে মসলা পুরিয়া।।”
মা কালীর প্রশ্ন উঠলে সেখানে আমিষ ছাড়া সেভাবে কিছুই নেই। ছাগল, ভেড়া বা মহিষ বলি ছেড়েই দিন, নরবলির ইতিহাস ভুলে গেলেন? শাস্ত্রে আমিষ, নিরামিষ বলতে কোন কথাই উল্লেখিত নেই।
যেট আছে তা হলো- সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক আহারের কথা। গীতায় স্পষ্ট স্লোক রয়েছে-
- "যে আহার আয়ু, সত্ত্ব, বল, আরোগ্য, সুখ ও প্রীতি
বর্ধনকারী এবং রসযুক্ত, স্নিগ্ধ, স্থায়ী ও মনোরম, সেগুলো সাত্ত্বিক আহার হিসেবে সর্বদা বিবেচ্য হয়ে থাকে" (গীতা, ১৭/৮)
-
"যে আহার অতি তিক্ত, অতি অম্ল, অতি লবনাক্ত, অতি উষ্ণ, অতি তীক্ষ্ণ, অতি শুষ্ক, অতি প্রদাহকর এবং
দুঃখ,
শোক ও রোগপ্রদ সেগুলো রাজসিক আহার হিসেবে বিবেচ্য"
(গীতা,
১৭/৯)
-
"যে আহার অনেক
পূর্বে রাঁধিত, যা নীরস, দুর্গন্ধযুক্ত, বাসী,
পচা, যার ঘ্রান গ্রহনে
নাসিকা সরে আসে এবং অপরের উচ্ছিষ্ট দ্রব্য ও অমেধ্য দ্রব্য, সেই সমস্ত তামসিক হিসেবে বিবেচ্য" (গীতা, ১৭/১০)
বেদের শান্তিময় বাণী শুনুন- ছত্রে ছত্রে অবিশ্বাসীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার জন্য ক্ষত্রিয়দের
আহ্বান জানানো হয়েছে। সত্য প্রকাশ সরস্বতী, সত্যকাম বিদ্যালঙ্কার, দেবী চাঁদ, বৈদ্যনাথ শাস্ত্রী, ক্ষেমকরন্দ দাস ত্রিবেদী, স্বামী দয়ানন্দ
সরস্বতী,
শ্রীপাদ দামোদর সাতভালেকরের আর্য সমাজী অনুবাদ, স্বামী কার্পাত্রী এবং শ্রী রাম শর্মা আচার্য (গায়ত্রী
পরিবার) এর অর্থোডক্স অনুবাদ পড়ুন। গ্রিফিথের অনুবাদ পড়ুন,
সেখানে অ-হিন্দুদের বোঝাতে কাদের নির্দেশ করা হয়েছে। আদিদেব, আদিদেব্যু যার অর্থ
ঈশ্বরহীন,
অনিন্দ্র যার অর্থ ইন্দ্রের বিরুদ্ধে, আয়জ্যু, আয়জওয়ান যার অর্থ
ত্যাগহীন,
অব্রাহ্মণ, অন্যব্রত যার অর্থ
অন্যান্য দেবতাদের অনুসারী, অপভ্রত, আভ্রত যার অর্থ নিষ্ঠাহীন, দেবানিদ যার অর্থ দেবতাদের বিদ্বেষী, ব্রহ্মদ্বিষ যার অর্থ ভক্তির বিদ্বেষী এবং যারা বেদকে নিন্দা করে তাদের সকলকে হত্যার বিধান দেওয়া রয়েছে।
~ধর্মের বাইরে
যারা সবাইকে যুদ্ধের মাধ্যমে বশ্যতা স্বীকার করাতে হবে। যজুর্বেদ ৭/৪৪,
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ।
স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে সরাসরি অনুবাদ।
-অতঃপর রাজার
প্রতি আদেশ, এদের পুড়িয়ে মার। যজুর্বেদ ১৩/১২,
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ।
স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে অনুবাদিত।
-
এরপর তাদের
জায়গা জমি এবং রান্নাঘর ধংস কর, যজুর্বেদ ১৩/১৩,
শুধু শত্রুদের ধংস করেই ক্ষান্ত নয়, বরং তাদের পরিবারের সদস্যাদেরকেও হত্যা করতে বলছে বেদ,
- “সেনাপ্রধান হিংস্র ও নির্দয়ভাবে শত্রুদের পরিবারের
সদস্যদের সাথে যুদ্ধ করবে।” যজুর্বেদ ১৭/৩৯,
- - শত্রুদের
পরিবারকে হত্যা কর, তাদের জমি ধংস
কর। যজুর্বেদ
১৭/৩৮
শান্তিময় বেদের এটাও তো একটা রূপ, এইসব যুদ্ধের মুল প্রেরনা কি? মূল প্রেরনা হচ্ছে শত্রুদের লুট করে ধনসম্পদ বৃদ্ধি। বেদের স্পষ্ট বানী,
- “যুদ্ধই তোমাদের
উন্নতির উৎস, এজন্যই তোমাদেরকে আমি যুদ্ধে
প্রেরন করি” যজুর্বেদ ৭/৩৮,
- “হে সেনাপ্রধান, আমাদের আশা পুর্ণ করো। হে ধনসম্পদের বাদশা, তোমার সহায়তায় আমরা যেন সম্পদশালী হতে পারি এবং যুদ্ধে
জয় লাভ করে প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হতে পারি।” যজুর্বেদ ১৮/৭৪,
অর্থাৎ শত্রু পরিবারের নারীরাও যাবে দখলকারীর ভোগের জন্য। ধনসম্পদ লুট খুনের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ব দখল করতে বলছে। একই সাথে এই মন্ত্রে স্পষ্টভাবে কোন আত্মরক্ষার্থে নয় বরং যারা শান্তিপ্রিয় তাদেরকে আক্রমন করে দখল করতে বলছে,
- “আমরা যেন সামরিক
অস্ত্রের মাধ্যমে বিশ্ব দখল করতে পারি, আমরা যেন শান্তিপ্রিয় বা আরামপ্রিয় শত্রুদের বিরুদ্ধে জয়
লাভ করতে পারি। অস্ত্র দিয়েই আমরা যেন সারা বিশ্বের সকল অঞ্চলকে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারি।” যজুর্বেদ
২৯/৩৯ এ,
অর্থাৎ জ্ঞান বা ভালবাসা দিয়ে নয়, বরং অস্ত্র দিয়ে, শান্তিপ্রিয়
মানুষদের হত্যা করে ও তাদের এলাকা দখল করে সমগ্র বিশ্ব দখল করতে নির্দেশ দিচ্ছে বেদ।
“তার প্রতি শ্রদ্ধা, যার রয়েছে
তলোয়ার,
তীর। তার প্রতি সন্মান, যার রয়েছে ধারালো অস্ত্র। তার প্রতি খাদ্য নিবেদন, যার রয়েছে ভাল অস্ত্র। যজুর্বেদ ১৬/৩৬,
এভাবে যদি বেদের বাণী সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়, দুনিয়ার অবস্থা কেমন হবে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বেদের অজস্র হিংসাত্মক মন্ত্র হতে শুধু অল্প
কয়েকটি উল্লেখ করলাম। এবারে
বলুন, এটা কোন সর্বশক্তিমান সৃষ্টার সৃষ্টি? এটা তো যুদ্ধবাজ, ধংসপ্রিয় ও লুঠেরা আর্যজাতীর বাণী
তা সহজেই বোধগম্য।
যজুর্বেদের
কথা সংহিতা, শাণ্ডিল্য
উপনিষদে অন্য সত্তাকে অকারন আঘাত করতে নিষেধ করেছে। কিন্তু সহিংসতার বিপরীতে আক্রমণকারীর উপর সহিংসতা ফিরিয়ে না দিলে কর্মফল হিসাবে
নরকপ্রাপ্তি ঘটবে। মানে হত্যা করার অনুমতি রয়েছে। ছান্দোগ্য উপনিষদ অনুযায়ী-
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ধার্মিকদের রক্ষা করার জন্য কেবল হত্যা
করাই একমাত্র নিতী হিসাবে উল্লেখ রয়েছে। একখন এখানে ধর্মের মাত্রা কে নির্দধারণ
করবে, আর ন্যায়টা কার প্রতি রাখা হবে? হিন্দুধর্ম ঐতিহ্যগতভাবে মৃত্যুদণ্ড
সমর্থন করে। আসলে হিন্দু ধর্মে হত্যা সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত, বিশষেশষকরে তারা
যদি অব্রাহ্মণ হয়।
পিতার শ্রাদ্ধের জন্য পরশুরাম
ক্ষত্রিয় রাজা সহস্রার্জুন কর্তৃক তার পিতা জমদগ্নির হত্যার প্রতিশোধ
নেওয়ার জন্য ক্ষত্রিয়দের গণহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মহাভারত, আদি ২.৫-৭, ৬৬-৬৯ অধ্যায়।
মনুসংহিতার দিকে ভুলেও তাকাবেননা, ব্রাহ্মণ
না হলে সহ্য করতে পারবেননা, মনে হবে আন্ত্রিকগ্রস্থ নরগোবর খেয়ে হেগে হেগে আত্মহত্যা
করি। সেখানে ছত্রে ছত্রে কীভাবে নিম্নবর্ণের মানুষ আর মহিলাকে শোষণ, লুন্ঠন ও ধর্ষণ করতে হবে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা
দেওয়া রয়েছে।
-“গাড়ি, ঘোড়া, হাতি, অর্থ, শস্য, গবাদিপশু ও নারী তার দখলে যে যুদ্ধের মাধ্যমে তা জয়
করে।” মনুসংহিতা ৭/৯৬,
আপনারা করতে আসেন কোরানের বিচার? আগে নিজের
ধর্মকে অন্বেষণ করুন, পড়াশোনা করুন। বহু ভালো ভালো জিনিস রয়েছে আপনাদের বেদ, উপনিষদ,
পুরাণে, সেগুলোকে নিজের জীবনে অভ্যাস করুন, দেখবেন পৃথিবীটা সুন্দর হয়ে উঠেছে।