শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

ও মুসলমান- কাকে ভোট দিবি?



অমুসলিম MLA দের RSS এর মূল দল BJP তে সরাসরি যাওয়া মারাত্বক অসুবিধাজনক, কারন মুসলমান সমাজে সে গণশত্রু হয়ে যাবে। মুসলমান এমএলএ হলেই সবাই মনিরুল ইসলাম হবেনা, কারন সকলে তো আর পাড়ার স্বেচ্ছাসেবকের ঔরসজাত নয়।
সুতরাং নাগপুরের হাফ প্যাণ্টুলুন কমিটির প্রত্যক্ষ নির্দেশে তাদের দূর্গা মমতা ব্যানার্জি এক ধাক্কায় যখন ২৯৪টি কেন্দ্রে মাত্র ১৪.২৮% মুসলমানকে প্রার্থী করে তখনও তৃণমোল্লাদের "চাঁটা" অংশ সহ লিবেরাল ঝাণ্ডু দের ডায়লোগ চেঞ্জ হয়ে যায়। তারা এখন বলছে এই ঠিক আছে- তোষন হয়নি।
প্রাপ্য চাওয়াটা তোষণ?
অথচ ঝাড়গ্রামে আদিবাসী প্রার্থী, ভাটপাড়া অঞ্চলে হিন্দিভাষী প্রার্থী, উত্তরবঙ্গে উপজাতী প্রার্থী, কোথাও মতুয়া, কোথাও সিডিউলকাষ্ট সহ গায়ক নায়ক- দেড় পয়সার সিরিয়াল অভিনেত্রী বা মূলধারার সিনেমা থেকে বাতিল হয়ে যাওয়া কিছু টালীগঞ্জী জঞ্জাল। সবাই তার কোটা পেয়েছে- শুধু মুসলমান কমেছে। কেন কমেছে? নাহ, জবাব নেই। কারন RSS ঘোষীত মুসলিম বিদ্বেষী, তার শাখা দল তৃণমূল কীভাবে মুসলমানকে জাইগা দেবে, যেখানে বিজেমূলের আঁতাত আর গোপন নেই।
এরা আসলে কারা? এরা এতোদিন অতিবাম, আর কলম বিপ্লবী সেজে থাকত- হঠাৎ করে একজন ভুলভাল বাংলা উচ্চারণ করা, প্রথাগত শিক্ষায় স্বল্প শিক্ষিত টুপিওয়ালা মুসলমান যুবক- মুসলমানদের নিজশ্ব অধিকারের দাবী করতেই এদের দাঁত মুখ বেড়িয়ে এসেছে সুশীলের পোশাক মুখোস খুলে। এরাই এদ্দিন রামরেড বা রাম্বাম বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতো, এক আব্বাসে বামৈশ্লামিক বলে তুরিও সুখ নেওয়ার আগেই বামেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা মঞ্চে সিমুল সোরেন হাজির ISF এর হয়ে। মিডিয়ার তিনু-রাম বাইনারি উড়ে গেছে পালকের মত।
মাননীয় মনমোহন সিং তাঁর শিখ ধর্মের পাগড়ী পরিহিত হয়ে ১০ বিছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যোগী মুখ্যমন্ত্রী, বামেদের হরকিষেন সিং সুরজিৎ ছিলেন পাগড়ি পরিহিত শিখ- কারো কোনো সমস্যা ছিল। আব্বাস মুসলমানের অধিকারের দাবী জানাতে, আর বামেরা সেই দাবীকে মান্যতা দিতেই চিঁড়ে-চ্যাপ্টা হয়ে গেছে মুখোশধারীদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র। এরা এখন আব্বাস ও বামেদের মাঝে সাম্প্রদায়িকতা খুঁজে পেয়েছে। আসলে RSS এর ঔরসে জন্ম যাদের তাদের তো জিনে সাম্প্রদায়িকতা- বামেরা ভোটের আগেই তাদের চিহ্নিত করে ফেলেছে আব্বাস তাস ফেলে।
মমতা ব্যানার্জী ভবানীপুর থেকে নন্দীগ্রামে পালিয়ে এসেছে কারন সেখানে মাত্র ১৮% মুসলমান ভোট, অথচ নন্দীগ্রামে ৩৫% মুসলমানের ভোট- যা পোলিং ভোটে ৪৬% তে দাঁড়াবে। এই মুসলমান ভোটকে পুঁজি করে যে মমতা ভোট বৈতরনী পার হতে চাইছে- তার দলের প্রার্থীপদে মুসলমানের সংখ্যা নামতে নামতে লোকসভা ভোটের বাম+কংগ্রেসের মিলিত ভোটের পার্সেন্টেজে নামিয়ে দিয়েছে। যদিও অপরাধী তার অপরাধস্থলে ফিরে আসবে এটাই দস্তুর।
এরাই বামেদের ৭% বলতো, আর মমতা মুসলমানেদের সাতের কাছাকাছি এনে দিয়েছে, অথচ রাজ্যে মুসলমান ২৮%, সেই হিসাবে ৮২টা প্রার্থী প্রাপ্তি ছিল অধিকার। কিন্তু নাগপুরের নির্দেশে- যাতে বিজেপির সাথে MLA বিনিময় করতে পারে তার জন্য যত পারা যায় মুসলমান কমিয়ে দাও।
তাহলে মুসলমানের কী হবে? কেন চটি নিজেই তো হিজাব পরে মোনাজাতের ভড়ং করবে। ওতেই তৃণমোল্লাদের ধর্মীয় অর্গাজম হয়ে যায়। হজ্বের বদলে কালীঘাটে তাওয়াফ করলে আর টালিনালার পানিকে জমজম স্বরূপ পান করলেই ঘরের বৌ পোয়াতি হয়ে যায় চটিপন্থী মোল্লাদের। দুধেল গাই বললে এদের শরীরে কামোদ্রেগ হয়ে স্খলনর শিহরন হয়।
বাকি যারা বামেদের নিয়ে হ্যাজ নামাচ্ছে- তাদের শুধানঃ আপনি কী বামেদের ভোট দিয়েছিলেন শেষ দুটো নির্বাচনে? উত্তর আপনি জানেন, তাকে বলুন- "ফোট শালা, আমার খাসি আমি লেজ দিকে কাটব"। এরা কেউ সাধারন ভোটার নয়, বিজেমূলের হয়ে ভাড়ায় খাটা ২ পয়সার আঁটিসেল কর্মী।
এরা ভেবেছিল- বামেরা বিবেকের ভূমিকায় অভিনয় করতে থাকবে, আর বিজেমূল নিজেরাই নায়ক আর ভিলেনের ভূমিকাতে অভিনয় করে গণতন্ত্রকে নাচিয়ে গাইয়ের দল দিয়ে ভর্তি করবে। সোজা কথা- এখন ক্যালাতে এলে পালটা ক্যালান হবে। গায়ক নায়কের রাজনীতিকে গাধার ইয়েতে পাঠিয়ে সভ্যভদ্র শিক্ষিত লোকেদের রাজনীতিতে নিয়ে আসার সময় এটা। বাংলা কাজের লোক চাই, নিজের মেয়ে তো নিজের ঘরে আছে।
মুসলমানের অধিকার চাই, চটির দয়া নয়। বিজেপি RSS এর চোখ রাঙানিও নয়। তৃণমুলের আমলে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয় মুসলমান, মারেও মুসলমানকেই গুণ্ডা বানিয়ে। ফলত- মরেও মুসলমান মারেও মুসলমান। শেষ হয় দুটো মুসলমান পরিবার। ব্রাহ্মণ্যবাদী মমতা ক্ষমতা লোটে-
বামফ্রণ্ট- কংগ্রেস মুসলমানকে অধিকার দেবার জন্য যুবক মুসলমান নেতার সাথে জোট বেঁধেছে- যে প্রকাশ্যে মুসলমানের অধিকারের দাবী জানায়। কারো হিম্মৎ বা জিগর হয়নি এই রিস্ক নেওয়ার, বামফ্রণ্ট নিয়েছে, গোঁড়া হিন্দু ভোট কমে যেতে পারে সেই আশঙ্কার পরেও বামফ্রণ্ট মুসলমান নেতাকে নিয়ে জোট করেছে।
আর এতেই জট পাকিয়ে গেছে সুশীল দের - যারা অণ্ডকোষ চুলকে এতদিন" বিকল্প আছে?" বলে উদোম হেসে প্রশ্ন ছুড়ত আজ তারাই দিশেহারা। সরাসরি মাথায় ফেজ টুপি পরিহিত একজন মুসলমান মূলধারার সেকুলার রাজনীতিতে অন্ন বস্ত্র কর্মসংস্থানের দাবীতে গলা তুলে দাবী জানাচ্ছে - এ হজম করা মুসকিলই নয়- অসম্ভবও বটে। সেটা হাড়েমজ্জায় টের পাচ্ছে বিক্রিত মিডিয়া।
আজ মুসলমানদের ভাবতে হবে, তৃণমূল প্রার্থীদের ভোট যে দেবেন- যে কাল জিতে এসে বিজেপিতে চলে যাবেনা তার গ্যারান্টি কি?
আপনি কিন্তু নজরে আছেন জনাব, কাল বিজেপির হাত থেকে তৃণমূল বাঁচাবেনা- ওরা একটাই দল। নিজের ভালো ক্ষাপাতেও বোঝে।
দাড়িওয়ালা আরবী নামধারী কেউ মমতার পক্ষে লিখছে মানেই জানুন- এরা ভাড়াটে, এদের জন্মের দোষ আছে। কারন আজকের পরিস্থিতিতে জারজ ছাড়া কেউ চটির মাঝে মুসলমানের মসিহা খোঁজে না। মমতা ব্যানার্জী কখনই দেশবেচা বিজেপির সাম্প্রদায়িক হিংসার থেকে আপনাকে বাঁচাবেনা, কারন বিজেপি ওনার 'ন্যাচেরাল এ্যালি'। তাই এই সব মুসলমান গুলো RSS এর বীর্য জাত হারামি। এদেরকে শুধু চিহ্নিত করে রাখুন, বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য
এরাই আগামীতে NRC ক্যাম্পে থাকবে।
আপনি কোথায় থাকবেন? মাতৃভূমি ভারতে না ডিটেনশন ক্যাম্পে?

শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

তৃণমূলের ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা



ভোটের আগে তৃণমূলের একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চাই- এই জন্য মমতা-RSS জুটির প্রচেষ্টার খামতি নেই। হতেই পারে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডের দিনেই এমন কিছু করে মিডিয়াতে ব্রিগেডের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হবে, যেমন গতবার রাজীব কুমার নাটক ছিল।

এবারে গল্পটা অন্য, RSS এর ঘরোয়াপসি বা দ্বিরাগমন অব্যাহত।
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়ার ঢল অব্যাহত। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা ট্রলিং সবই চলছে। তবে এই সব আলোচনাগুলোই হচ্ছে মূলত তৃণমূল থেকে যাওয়া হিন্দু নেতাদের নিয়ে। এর পাশাপাশি মুসলিম নেতাদের একাংশও বিজেপির দিকে বিভিন্ন সময় পা বাড়িয়েছেন।
মনিরুল ইসলাম থেকে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ করম হোসেন খান বা বাবু মাস্টার... তালিকাটা কিন্তু কম নয়। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম হতে পারত কবিরুল ইসলামের, যিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুবনেতা কবিরুলের দল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া কিন্তু তৃণমুলের জন্য বড় ধাক্কা, যদিও এটা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনা হয়নি। কিন্তু এই ঘটনায় সংখ্যালঘু জনতার মনে তৃণমুল নেতৃত্বের প্রতি অবিশ্বাস গড়ে উঠছে।
আজ বিজেপি বিরোধী জনগণ যাকে নির্বাচিত করবেন তিনি যদি কাল বিজেপির কোলে উঠে বসেন তাহলে তাকে ভোট দেবার সার্থকতা কোথায়? তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়ার ঘটনাগুলিকে জাস্টিফাই করতে গিয়ে একটা বাইনারি ছড়ানো হয় যে তৃণমূলের হিন্দু নেতারাই বিজেপিতে যাচ্ছে এবং মুসলিম ভোট ও মুসলিম নেতৃত্ব অটুট আছে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেল এর সাধারণ সম্পাদকেরই বিজেপিতে যাওয়াটা কিন্তু এই বাইনারিকে মিথ্যা প্রমান করছে।
বিধানসভা ভোটে তৃণমূল সর্মথকরা বিজেপিকে আটকাতে কোন মুসলিম নেতাকে যদি ভোট দেন এই বিশ্বাসে যে তিনি মুসলিম বলে বিজেপিতে যাবেন না, সেই বিশ্বাসও কিন্তু ভেঙ্গে যাচ্ছে কবিরুলদের বিজেপি গমনে। মাঝখানে RSS এর দূর্গা নানান জেলায় মুসলমানেদের একটা করে দোকান খুলে দিয়েছিল, আজ তারাও প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়েই গলা ফাটাচ্ছে - অথচ এরাই ৪ দিন আগে রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ছিল।
আসলে দাড়ি ও টুপি কোনোটাই ইসলামে ম্যান্ডেটারি নয়, সেই দাড়ি টুপির ভেকধরে একদল সুশীল চুতিয়া সায়াতলে মাসকাবারে খেপ খাটত, এখব তাদের বাপেরা প্রকাশ্যে বিজেপিতে চলে যেতেই এদের পোঁদ উদোম হয়ে হাম্বানটোটা দেখা যাচ্ছে নিকারাগুয়া সহ। এরাও আসলে RSS এর বীর্যে জন্ম- তাতে যতই আরবি নামধারী উল্লা-উল-আলী- বা নামের আগে মুহাম্মদ থাকুকনা কেন। এই বেজম্মার বাচ্চারাই - "বিজেপি এলে সব শেষ" বলতে বলতেই দেখবে কবে গিয়ে নিজেকে গেরুয়া করে নিয়েছে।
চরম মুসলিম বিদ্ধেষী হিসেবেই বিজেপির পরিচিতি, তাদের নেতারাও প্রকাশ্যেই বিভিন্ন সময়ে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ান। বিদ্বেষ ছড়ানো সত্ত্বেও তৃণমূলের মুসলিম নেতারা বিজেপিতেই
যোগ দিচ্ছে কেন এই প্রশ্নেরও জবাব না তৃণমোল্লাদের কাছে আছে না চটিচাঁটা উন্নয়নের পাহাড়াদারদের কাছে। বাম বা কংগ্রেসের কিছু নেতা গত কয়েক বছরে দলবদল করেছেন, তাদের বেশীরভাগই তৃণমুলে গেছেন কেউ কেউ আবার বিজেপিতে গেছেন।
বামেদেরও পার্টি মেম্বার বিজেপি বা তৃণমূলে গেছে, দলবদলের এই সংস্কৃতি মমিতা ব্যানার্জীর আমদানি। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মুকুল রায়কে লেলিয়ে- পুশিল, মামলা, পদের লোভ দেখিয়ে ঘোষনা করেছিল- সিপিএম শেষ। কালের চক্রে আজ হাফ দশকের মধ্যেই তৃণমূল সাইনবোর্ডে পরিনত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত সব আসনে প্রার্থী দিতে পারলেই সেটা মমতা ব্যানার্জীর কৃতিত্ব হিসাবে গন্য হবে।
যারা উটপাখির মত বালিতে মুখ গুজে দিদির থুতু চাঁটিতে ব্যাস্ত, তাদের বলি- আপনাদের পোঁদটা কিন্তু খোলা ও রমনের পজিশনে- কখিন যে বিজেপি এসে পোঁদ মেরে দিয়ে গেরুয়া বাচ্চা পয়দা করে দেবে ধরতেই পারবেননা।
তৃণমূলের নেতারা হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে বিজেপির দিকে যাচ্ছে- এর একটাই কারন- উভয় দলই RSS এর শিকড় থেকে পুষ্ট। তারা দলের সাথে মানিয়ে নিতে পারছেন না তাই দলবদল করতে চান- এটা একটা বড় চালাকি, সবটাই প্রিপ্ল্যান্ডড। নতুবা শুধুই বিজেপির দিকেই তাদের গতি হতনা। এরা সকলেই দলের "শীর্ষ" নেতৃত্বের নির্দেশেই (ত্রিপুরায় যেমন পুরো তৃণমুল দলটাই বিজেপিতে মিশে গেছে ) বিজেপির দিকে যাচ্ছে আর তৃণমূল বিজেপির মধ্যে যে খেলাটা দেখা যাচ্ছে সেটা পুরোটাই গটআপ।
মুকুল রায় এই সেতুবন্ধনে নলের ভূমিকাতে ছিল, বানরসেনারা তাতে পাথর দিয়েছে, এই পথেই দুই ফুলের মিলন ঘটেছে।
৭% , রামের ভোট বামে .. এই প্রচার গুলো নিজেদের পোঁদের গু যাতে অন্যে না দেখিতে পায় সেই উদ্দ্যেশ্যে ও নিজেদের, RSS আঁতাত ঘটনাগুলিকে চাপা দিতেই খ্যামটা নাচাচ্ছে লিবেরালের বাচ্চারা ও তৃণমোল্লারা।
বঙ্গে NRC কিন্তু মমতা ব্যানার্জীই চেয়েছিল।

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

ভারত বনাম ইন্ডিয়া

 


একটি টুইট
একটি টুইটেই সমস্ত আম্যিকেবলের বাচ্চাদের ইজের খুলে পায়ুপথের রন্ধ্র দেখিয়ে দিয়েছে, স্বার্থের নগ্নতায় হিরোর আসন থেকে এভাবেও সরাসরি আস্তাকুঁড়ে কেউ যেতে পারে তা রিহানার একটা টুইট প্রমান করে দিয়েছে।
স্যালুট- INDIA আর ভারতের মাঝের সর্বগ্রাসী লুঠেরা ব্যবধানটা দিনের আলোতে স্পষ্ট করার জন্য।
ফ্যাসিবাদী বিজেপি, নপুংশক RSS, আম্বানী, আদানী, কানাডা কুমারের বলিউড আর জয় শাহ এর ভারতীয় ক্রিকেট ও অমেরুদণ্ডী ক্লীব ক্রিকেটারদের INDIA ইউনাইট হয়েছে- নিজেদের কোটিটাকার স্বার্থ সুরক্ষিত করতে।
অন্যদিকে কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, কর্মহীন শিক্ষিত বেকার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, জাত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গরীব খেটে খাওয়া জনগণ, লকডাউনে পায়ে হেঁটে ঘরে ফেরা শ্রমিকের ভারত- তারা হ্যাসটাগ বোঝেনা, প্রভুর আনুগত্য বোঝেনা। দেশ কী সে সংজ্ঞা লেখে- তারা একত্রিত হয়েছে পেটের জ্বালায়, মানচিত্রকে স্বস্থানে টিকিয়ে রাখতে, দেশকে বেনিয়াদের হাতে ধর্ষিত হওয়া থেকে বাঁচাতে।
এ লড়াই অসম, জনগণ বনাম বিকৃত রাষ্ট্র, শিক্ষা বনাম মূর্খের লড়াই, ঐতিহ্য বনাম আরোপ, পুঁজি বনাম খিদে, বৈভব বনাম বাঁচার লড়াই, INDIA বনাম ভারত।

আপনি কোন দেশের অধিবাসী? ভারত না INDIA?

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...