ভোটের আগে তৃণমূলের একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চাই- এই জন্য মমতা-RSS জুটির প্রচেষ্টার খামতি নেই। হতেই পারে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডের দিনেই এমন কিছু করে মিডিয়াতে ব্রিগেডের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হবে, যেমন গতবার রাজীব কুমার নাটক ছিল।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
তৃণমূলের ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা
এবারে গল্পটা অন্য, RSS এর ঘরোয়াপসি বা দ্বিরাগমন অব্যাহত।
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়ার ঢল অব্যাহত। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা ট্রলিং সবই চলছে। তবে এই সব আলোচনাগুলোই হচ্ছে মূলত তৃণমূল থেকে যাওয়া হিন্দু নেতাদের নিয়ে। এর পাশাপাশি মুসলিম নেতাদের একাংশও বিজেপির দিকে বিভিন্ন সময় পা বাড়িয়েছেন।
মনিরুল ইসলাম থেকে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ করম হোসেন খান বা বাবু মাস্টার... তালিকাটা কিন্তু কম নয়। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম হতে পারত কবিরুল ইসলামের, যিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুবনেতা কবিরুলের দল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া কিন্তু তৃণমুলের জন্য বড় ধাক্কা, যদিও এটা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনা হয়নি। কিন্তু এই ঘটনায় সংখ্যালঘু জনতার মনে তৃণমুল নেতৃত্বের প্রতি অবিশ্বাস গড়ে উঠছে।
আজ বিজেপি বিরোধী জনগণ যাকে নির্বাচিত করবেন তিনি যদি কাল বিজেপির কোলে উঠে বসেন তাহলে তাকে ভোট দেবার সার্থকতা কোথায়? তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়ার ঘটনাগুলিকে জাস্টিফাই করতে গিয়ে একটা বাইনারি ছড়ানো হয় যে তৃণমূলের হিন্দু নেতারাই বিজেপিতে যাচ্ছে এবং মুসলিম ভোট ও মুসলিম নেতৃত্ব অটুট আছে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেল এর সাধারণ সম্পাদকেরই বিজেপিতে যাওয়াটা কিন্তু এই বাইনারিকে মিথ্যা প্রমান করছে।
বিধানসভা ভোটে তৃণমূল সর্মথকরা বিজেপিকে আটকাতে কোন মুসলিম নেতাকে যদি ভোট দেন এই বিশ্বাসে যে তিনি মুসলিম বলে বিজেপিতে যাবেন না, সেই বিশ্বাসও কিন্তু ভেঙ্গে যাচ্ছে কবিরুলদের বিজেপি গমনে। মাঝখানে RSS এর দূর্গা নানান জেলায় মুসলমানেদের একটা করে দোকান খুলে দিয়েছিল, আজ তারাও প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়েই গলা ফাটাচ্ছে - অথচ এরাই ৪ দিন আগে রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ছিল।
আসলে দাড়ি ও টুপি কোনোটাই ইসলামে ম্যান্ডেটারি নয়, সেই দাড়ি টুপির ভেকধরে একদল সুশীল চুতিয়া সায়াতলে মাসকাবারে খেপ খাটত, এখব তাদের বাপেরা প্রকাশ্যে বিজেপিতে চলে যেতেই এদের পোঁদ উদোম হয়ে হাম্বানটোটা দেখা যাচ্ছে নিকারাগুয়া সহ। এরাও আসলে RSS এর বীর্যে জন্ম- তাতে যতই আরবি নামধারী উল্লা-উল-আলী- বা নামের আগে মুহাম্মদ থাকুকনা কেন। এই বেজম্মার বাচ্চারাই - "বিজেপি এলে সব শেষ" বলতে বলতেই দেখবে কবে গিয়ে নিজেকে গেরুয়া করে নিয়েছে।
চরম মুসলিম বিদ্ধেষী হিসেবেই বিজেপির পরিচিতি, তাদের নেতারাও প্রকাশ্যেই বিভিন্ন সময়ে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ান। বিদ্বেষ ছড়ানো সত্ত্বেও তৃণমূলের মুসলিম নেতারা বিজেপিতেই
যোগ দিচ্ছে কেন এই প্রশ্নেরও জবাব না তৃণমোল্লাদের কাছে আছে না চটিচাঁটা উন্নয়নের পাহাড়াদারদের কাছে। বাম বা কংগ্রেসের কিছু নেতা গত কয়েক বছরে দলবদল করেছেন, তাদের বেশীরভাগই তৃণমুলে গেছেন কেউ কেউ আবার বিজেপিতে গেছেন।
বামেদেরও পার্টি মেম্বার বিজেপি বা তৃণমূলে গেছে, দলবদলের এই সংস্কৃতি মমিতা ব্যানার্জীর আমদানি। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মুকুল রায়কে লেলিয়ে- পুশিল, মামলা, পদের লোভ দেখিয়ে ঘোষনা করেছিল- সিপিএম শেষ। কালের চক্রে আজ হাফ দশকের মধ্যেই তৃণমূল সাইনবোর্ডে পরিনত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত সব আসনে প্রার্থী দিতে পারলেই সেটা মমতা ব্যানার্জীর কৃতিত্ব হিসাবে গন্য হবে।
যারা উটপাখির মত বালিতে মুখ গুজে দিদির থুতু চাঁটিতে ব্যাস্ত, তাদের বলি- আপনাদের পোঁদটা কিন্তু খোলা ও রমনের পজিশনে- কখিন যে বিজেপি এসে পোঁদ মেরে দিয়ে গেরুয়া বাচ্চা পয়দা করে দেবে ধরতেই পারবেননা।
তৃণমূলের নেতারা হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে বিজেপির দিকে যাচ্ছে- এর একটাই কারন- উভয় দলই RSS এর শিকড় থেকে পুষ্ট। তারা দলের সাথে মানিয়ে নিতে পারছেন না তাই দলবদল করতে চান- এটা একটা বড় চালাকি, সবটাই প্রিপ্ল্যান্ডড। নতুবা শুধুই বিজেপির দিকেই তাদের গতি হতনা। এরা সকলেই দলের "শীর্ষ" নেতৃত্বের নির্দেশেই (ত্রিপুরায় যেমন পুরো তৃণমুল দলটাই বিজেপিতে মিশে গেছে ) বিজেপির দিকে যাচ্ছে আর তৃণমূল বিজেপির মধ্যে যে খেলাটা দেখা যাচ্ছে সেটা পুরোটাই গটআপ।
মুকুল রায় এই সেতুবন্ধনে নলের ভূমিকাতে ছিল, বানরসেনারা তাতে পাথর দিয়েছে, এই পথেই দুই ফুলের মিলন ঘটেছে।
৭% , রামের ভোট বামে .. এই প্রচার গুলো নিজেদের পোঁদের গু যাতে অন্যে না দেখিতে পায় সেই উদ্দ্যেশ্যে ও নিজেদের, RSS আঁতাত ঘটনাগুলিকে চাপা দিতেই খ্যামটা নাচাচ্ছে লিবেরালের বাচ্চারা ও তৃণমোল্লারা।
বঙ্গে NRC কিন্তু মমতা ব্যানার্জীই চেয়েছিল।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন