রবিবার, ১৮ জুন, ২০১৭

।। ইয়ে, আমি রাআআ...ইটার।।


টু হুম, ইট মে কনসার্ণ
       *****************

একটা পত্রিকাতে যখন কিছু লেখা ছেপে বেড় হয় তার পিছনে অনেকেগুলো মানুষের অনেক মেহনত থাকে। একটা লেখাকে সাধারনত কখনই এডিট করার ঝুঁকি নেয়না সম্পাদক মন্ডলী; কিন্তু অনুরোধ, উপরোধ বা নামের গুঁতোতে অনেক সময় নামটাকে স্থান দিতে, তিনটে বা চারটে নজরে বারবার সেই লেখা পড়ে বুঝে দেখা হয়। একদম বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে জানি, একদম শেষ পরিস্থিতিতে এডিট করা হয়। অনেক অনাম্নী সম্পাদক নামী লেখকদের লেখা উড়িয়ে দিয়েছেন। অবশ্য যারা ফেবু সেলিব্রিটি লেখক, তারা এগুলো জানবেননা। অদ্দুর তাদের মুরোদ নেই।
লেখালেখির সাথে আমি বিভিন্নভাবে জড়িয়ে, যোগাযোগটাও সেই যাদবপুরে থাকাকালীন কলেজ লাইফ থেকে। বইপাড়াতে যাতায়াতটা এক্কেবারে নতুন কিছু নয়। অকপট সাহিত্য পত্রিকা করতে গিয়ে শুধু সর্বদিক থেকেই একটু বেশি দায়িত্ব নিয়ে হয়েছিল পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে, বাকি সম্পাদকমন্ডলীর সাথে।
আজকে ফেসবুক এসেছে, বাজারে লেখকের কমতি নেই। আগে একটা লেখা ছাপাতে পায়ের সুতো ছিড়তো, এখন বেশ কিছু "সেচ্ছাসেবক" প্রকাশনা সংস্থা নতুনদের সুযোগকে সহজলভ্য করে দিয়েছে। ফেসবুক লেখকদের কিছু লেখা তো এমন গুনসম্পন্ন, যেগুলো বিনা দ্বিধায় সেরা সাহিত্যের সরনিতে স্থান পেয়ে যাবে। কিন্তু বাকি গুলো?
সুব্রত মন্ডলদার ভাষাতে, অমন লেখা ঝাড়ু দিয়ে ঝাঁট দিলে সদরের বাইরে জমে ভ্যাট হয়ে গন্ধ বেড় হবে। কিছু লেখক ফেসবুকে কিছু লাইক কমেন্ট পেয়ে লক্কা পায়রার মত এমন দেমাক নিয়ে বকবকুম শুরু করেন, যেন বঙ্কিমচন্দ্র স্বয়ং তার একটা দাদের জার্মযুক্ত ইজের এই লেখকের নামে উইল করে উত্তারাধিকার স্বরুপ দিয়ে গেছিলেন। সেই অন্তর্বাসের গন্ধিওয়ালা লেখা আর সেই মানানের ফুলে কোলাব্যাঙ হওয়া।
বলি দাদা, নিজের নামে মাত্র একটা বই ছাপিয়ে দেখুননা, বাজারে ১০ পিস বিক্রি হয় কিনা! ঠিকিই শুনেছেন, মেজ শ্বশুরের বড় শালার ছোট মেয়ের ননদের বর যেটা কিনেছেন ওটা উপরোধে ঢেঁকি গিলেছেন। বই পাড়াতে ১০ পিস বিক্রি করে দেখান। ওখানে অন্ডকোষ কিসমিস হয়ে যায় কাকা। উদাহরন নেবেন? ট্রাক পাঠান আমামার ঠিকানাতে, লিষ্টি পাঠাবো বই নয়। অতদুরও যেতে হবেনা, গত সপ্তাহে যেটা লিখেছিলেন সেটা আপনার নিজেরই মনে নেই। চেষ্টা করেই দেখুননা। আসলে ফেসবুকে আপনি যেমন প্রাতঃকৃত্য করেন, বাকিরাও সেটাকে মানস জমিতে ওটাকে সার হিসাবে ছিটিয়ে দেয়, সেই মুহুর্তের খোরাক হিসাবে। তার পরেই ফুস....
যারা এই পত্রিকা গুলো ছাপাই না, সত্যিই প্রতিটা লোক সাহিত্য মাতাল। এরা আছে বলেই প্রকৃত গুনীদের পাশাপাশি কিছু পাবলিকের গু-গোবর গুলো, প্রথম কাগজে অক্ষরের রূপ পায়। এরা পকেটের পয়সা, আর অনেক মুল্যবান সময় জাষ্ট নষ্ট করে আপনাদের মত আবাল গুলোর জন্য। কারন যারা প্রকৃত ভাল লেখক, তাদের জন্য তো কোনো খাটনি নেই।
দাদা সম্মান করতে শিখুন, পাবেন। সম্মান নাইবা দিতে পারেন অসম্মান করবেননা দয়াকরে, কারন আপনার মত একপিস না থাকলেও পত্রিকাগুলোর চলে। আপনি পুরুষ হলে পত্রিকাগুলোকে উহ্য করে বীর্যের প্রমান দিন। উঁহু আমাদের নয়, আমরা তো আজ আছি কাল নেই। আপনার যে আত্ম অহং এর ফানুষটা উড়ছে ওটাকে টেষ্ট করিয়ে নিন যদি আত্মসম্মান বলে কিছু থাকে।
Top of Form
Bottom of Form


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী

আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...