বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭




 
ইনডাকশান কয়েল

Ahashanul Karim এর উপন্যাস

সম্পাদনাঃ উন্মাদ হার্মাদ

কপটতাহীন অকপট প্রকাশনীর কর্ণধারগণের শুভ প্রচেষ্টায় প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মাননীয় সমীর আইচ (Samir Aich) মহাশয়ের হাত দিয়ে তারই ড্রয়িং রুমে এই ১৪২৪ বঙ্গাব্দের নবপত্রিকা ও কলাবৌয়ের স্নানের শুভ দিনে, দেবী প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার পুণ্যলগ্নে “ইনডাকশান কয়েল” নামক বইটি প্রকাশিত হলো তন্ময় হক, শেহনাজ আলম, সুব্রত মন্ডল, শ্রীকুমার ব্যানার্জী, কিংশুক হালদার, অর্ক সানা, আসদুল্লাহ খান আর জয়দীপ ঘোষের উপস্থিতিতে

ইনডাকশান কয়েল” পাঠককে পদার্থবিদ্যার কথা বলে না, সে জীবনের কথা বলে। বইটি বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির কথা বলে, ভালোবাসার গল্প শোনায়, প্রেষণা ও উদ্যমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। প্রসঙ্গক্রমে বইটিতে কোরানের সুরা আল-ফাতিহা যেমন আসে, তেমনি গীতা সারংশও চলে আসে অবলীলাক্রমে। বইটিতে “বিসমিল্লাহ্” এর ব্যুৎপত্তি যেমন আছে, তেমনি আছে “কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন” এর কথাও। উত্তর বাংলার গ্রামের অবিকল বর্ণনা যেমন আছে, তেমনি তাতে আছে উত্তর ভারতের কথা আর দক্ষিণভারতের একটি লেক শহরের গাঁথাও । বইটি মতীন্দ্র দেবনাথের মোটিভেশনাল ট্রেনিং এর পাঠ, জয়দীপ ঘোষের মাথার ভেতরের উইকিপিডিয়া, জয়দীপ চৌধুরীর হাস্যরস আর সুজিত দাসের রোমান্টিক কবিতার ব্যবহার করা হয়েছে অত্যন্ত সুচারুভাবে।

নায়ক একজন সামান্য পরিযায়ী শ্রমিক। ফ্যানের ভেতরকার ইনডাকশান কয়েল মেরামতি দিয়ে তার কেরিয়ার ও প্রেমের সূত্রপাত। বইটি পড়তে পড়তে মনে হয়, সত্যিই তো পরিবাহীর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ পাঠিয়ে শুধু আলো জ্বালিয়ে মানুষ যদি বসে থাকতো, যদি না তড়িচ্চুম্বকীয় ক্ষেত্রের সন্ধান পেত সরুতারের চারপাশে , তবে সভ্যতা কি এত তাড়াতাড়ি এত উন্নতি করতো? সেই নরম লোহার দন্ড আর সরু সরু তারগুলোর কথা, তাদের সাথে বিভিন্ন পরিস্থিতি ও পাত্রপাত্রীদের সাদৃশ্যের কথা অনিবার্যভাবে পাঠককে চৌম্বকশক্তিতে টেনে রাখে শেষ লাইন অবধি।

নায়কের জীবনের নানা ওঠাপড়ায় পাঠক নিজেকে জুড়তে পারেন। নায়িকার মনের বিরহের ভাব পাঠককে ইনডিউস করে। মাতৃভূমিকে ছাড়ার যন্ত্রণা পাঠককেও পীড়িত করে নায়কের মতোই। এইভাবে পাত্র পাত্রীদের সুখ দু:খের সাথে পাঠকরাও অংশীদার হয়ে পড়েন।

শুরুতেই নায়ক-নায়িকার ছাড়াছাড়ি, পরবর্তীতে ঘটনাপ্রবাহে সহ-নায়িকাও আসে। নায়কের জীবনে প্রতিষ্ঠা আসে স্বাস্থ্য পরিসেবায় ব্যবসায়িক পথ করে। ওদিকে, নিজগৃহে স্থান না পাওয়া নায়িকা প্রায় আকাশ ছুঁয়ে ফেলে শুধু পড়াশুনোর জোরে। এ উপাখ্যান তাই “পড়হাই ঠিকসে করনা” র কথা বলে। "পড়হাই লেকিন নেহী ছোড়না" জানায়। নায়ক নায়িকার সংগ্রাম অবশ্য চলেছিল আলাদা আলাদা স্থানে ও পৃথক পৃথক পথে। আর: শারীরবিদ্যা, সাইকোসোমাটিক্স ও চিকিৎসা পরিসেবার নানাদিক এ উপাখ্যানের একটি মূল স্তম্ভ

তারপরে নায়ক নায়িকার মিলন কি হয়? জানতে হলে পড়তে হবে “ইনডাকশান কয়েল”। বর্তমানে অকপটের নিজস্ব সাইটে বইটি উপলব্ধ- http://bit.do/InductionCoil

এছারা অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টেও মিলবে সেই বইটির হদিশ খুব শীঘ্র। মহানবমীর পুণ্যলগ্নে প্রকাশিত গ্রন্থটি, প্রকাশকদের সুনাম বৃদ্ধি করুক, এই আমাদের সকলের তরফে।


#অকপট_উৎসব

#ইনডাকশন_কয়েল

#অকপট_প্রকাশনী

#অকপট_ফাউন্ডেশন




 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...