মিথ্যা প্রেমের নাট্য শিল্পী, ধিক তোর জনমে;
স্বার্থবাজের মূর্ত প্রতীক, জুয়াচুরি রোমে রোমে।
প্রেমের ডালি সাজিয়ে ছিলি,
যবে ছিলনা ভবিষ্যৎ;
আঁধারেতে ঢাকা নিঠুর পৃথিবী,
ক্লান্তির বাঁধা গত।
ছলনাতে হায়, ভুলেছিনু তাই- লোপ পেয়ে বোধবুদ্ধি;
লক্ষ্মী পালালো, হইনু ভিখারি, হারায়ে ধন ঋদ্ধি।।
পরভাষা লয়ে প্রিয়া মোর তবে, যেন দূর দ্বীপবাসিনী;
শূন্য হৃদয় খুঁজে ফিরে চলে, মানস প্রতিমা- যে আসেনি।
নিয়মিত- ছলনা ফাঁদে বেঁধে,
বিষাদ প্রতিমা, ছন্দবদ্ধ কেঁদে--
আত্মীয় যত ছিল তোর ঘরে,
বর্বর দল একই চরাচরে।
কত প্রলোভন, লাখো উচাটন, দিবানিশি ছলাকলা;
সাথী ছিল তবু, অভিনয়ে ভুলে, নব অভিমুখে চলা।
ফল ফুলে ভরা সাজানো ডালি, উপেক্ষা করে তারে-
কোন সে পাপের সাজা খাটতে, তোকে চড়ালাম ঘাড়ে!
চরিত্রহীনের পদবী জুটলো,
বৃহস্পতিও মাথা কুটলো;
দুয়ো দিয়ে গেল মোরে,
‘ছেড়ে গেলাম আজ তোরে।
ছদ্মবেশী পুতনা যক্ষী, গরিমা করেছে পান;
সর্বগ্রাসী ক্ষুধা নিয়ে তোর, ললাটে লয়েছে স্থান’।
সুখ পাবিনা দুনিয়া খুঁজেও, হয়ে গিয়ে উন্মাদ;
অপত্যটাও লুকাবে লাজে; শরমেতে বরবাদ।
বুনিয়াদী শখ হবেনা পূর্ণ,
হিংসা, লালসা- চিত্ত দীর্ণ।
আরো লোভ, শুধু দাও দাও রব;
পেয়ে স্বীকৃতি, হয়েছি যে শব।
অভিশপ্ত জীবন তোর, যে রাতের নেইকো ভোর।
মাথা উঁচিয়ে বাঁচার স্বপ্নে, হলাম শেষে চোর।।
সংসারে ঠিক যতটা অপটু, ততটা দক্ষ প্রতারক;
অপর ঔ-রসে, জঠর ভরায়ে, উচ্চ শ্রেনীর ঠগ।
অশান্তিতে করলি নিঃস্ব,
দেখল দাঁড়িয়ে সারা বিশ্ব;
প্রতিশ্রুতির সরণিতে তুই,
চিরকালই স্থান ছিল দুই।
মিথ্যা ফানুশ ফেটে গেছে বোঝ, নিয়তি পরিষ্কার;
‘আমি’ হারা হয়ে, বাঁচবি’রে নারী- সাথী হবে হাহাকার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন