ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে কিছু উদগান্ডু এমন নাচছে যেন বাপের বিয়ের বরযাত্রীতে ফ্রির ফুচকা খাচ্ছে।
*ভ্যাক্সিন কে আবিষ্কার করেছে কেউ জানেনা,
*ভ্যাক্সিনের নামে নুনজল দিচ্ছে কিনা কেউ জানেনা,
*কেউ সেরেছে কিনা কেউ জানেনা,
*কারা কারা কোন দেশে কোন রোগী ভ্যাক্সিনে সুস্থ হয়েছে কেউ জানেনা, কারা এর স্বেচ্ছাসেবক ছিল কেউ জানেনা।
*সম্পূর্ণ ট্রায়ালের রেজাল্ট কি কেউ জানেনা,
কিন্তু এদের আনন্দের শেষ নেই- কেন আনন্দ কেউ জানেনা, কিন্তু তূরীয় আমোদে ভাসছে কেউ কেউ।
ভ্যাক্সিনের ব্যবসায়ীরা মরিয়া হয়ে মুরগি ধরতে নেমে পড়েছে, অথচ আমি আপনি সকলেই হিল্লি দিল্লি ঘুরে দিব্যু বেঁচে আছি, তার পরেও ভ্যাক্সিন আসার আনন্দে কী উল্লাস, উফ... পারলে জাঙিয়ার যন্ত্রপাতি কপালে সাজিয়ে প্রদর্শন করে সাফল্যের আতিশায্যে।
কিন্তু সাফল্যটা কার আর কিসের সাফল্য?
ম্যালেরিয়ার ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েছিল রোনাল্ড রস , কিন্তু দুনিয়া কাঁপিয়ে দেওয়া করোনার ভ্যাক্সিন আবিষ্কার কারককে কেউ দেখেনি পৃথিবীতে। কোনো কোম্পানি পেটেন্টও নেয়নি। তার পরেও কোথা থেকে ভ্যাক্সিন এলো কোনো জবাব নেই, না যুক্তি আছে না তর্ক। শুধু আছে উল্লাশ, আর অবোধ ভক্তদের আবেগের বিচ্ছুরণ।
সাধারণ মানুষকে চুতিয়া আর বোকাচোদা বানাবার কি দারুণ খুড়োর কল।
হাজার হোক, বাপের বিয়ের সুখই আলাদা- তার জন্য ফেবুতে একটু উৎসব না দেখালে সমাজ বলবে কি! জানিনা এদের বাপের বিয়ের কি কাগজ আছে, তবুও কেউ কেউ ভ্যাক্সিনেও কাগজ ঢুকিয়ে দিয়েছে, আসলে ঢোকানো বার বেড় করার মাঝেই জীবন আঁটকে গেছে, তাদের মাঝে এমন বিপ্লবের জন্ম দেয় বৈকি।
ভ্যাক্সিনটা ড়াগে নেওয়ার আগে লাইভ কোরো বাছা, তবে নতুন স্টেইন এসে গেছে, তাই 'আসচে বচর আবার হপ্পে'। আবার এর চেয়েও বেশি উল্লাস।
কেউ কিন্তু বলেনি ব্রিটেন নতুন স্ট্রেন ছড়িয়েছে, আসলে ভক্তদের মুচলেকা দেওয়া বাপ তো হাজার হোক, অবৈধ বাপের বিরুদ্ধে আর কি বৈধ পদক্ষেপ নেবে!
তাহলে কাকা- এক সিরিঞ্জে ক ফোঁড় ?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন