রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

ইতনা সান্নাটা কিউ হ্যায় ভাই


ঢোল- কলমি
*************



ঘুম আসছে না.....
জোর করে ঘুমানো যাচ্ছে না...

চোখ হয়তো বুঝছি...
পটাং করে আবার খুলে যাচ্ছে...
নিজের সাথেই যুঝছি।।।


অধখানা চাঁদ...
যেন বিড়ালে চেঁটে খেয়েছে...
একটা হাড়িচাঁচা গলা সাধছে...
গিরগিটি টা এসে বলছে...
আমার দেওয়ালে পুট্টি চাই...

দুর ছাই...


পবিত্র জাঙ্গিয়া...
সুতরাং, গন্ধবিচার মানা...
ভোরের প্যেঁচা..
আত্মারাম খাচাঁ...
বিষধর মোরগ...
উন্মাদ টা ঠগ...



কুমোর পারায়...
মালের বাড়ি...
ফুচকা খাবো গাড়ি গাড়ি...
একটা মশার আ্যানিমিয়া...
পাছায় বসিয়ে রক্ত খাওয়াচ্ছি..
এটা-জন সেবা, সামঝা কিয়া!!



আয়রে আয় রনি..
শোনাবো জনি জনি...
ইয়েস উনো... 
যাবোনা যাহ, তুই বুনো...
ইটিং চোখের জল!!!
ফলসা মরসুমি ফল...



ছাল ক্যালানো দুপুর রোদে...
চাইলাম রাজভোগ...
পেলাম বোঁদে...
কি হচ্ছে এ সব!!! যাচ্ছেতাই
কোন মতেই যাবার উপাই নাই


বাবরি চুল, খাচ্ছে দোলা....
আপন মনে পাগলা ভোলা...
লিখছি ছড়া... মাথায় গু...
আয় ঘুম, যায় ঘুম... 
দুশ্চিন্তা... পালা... ফু:



কমোডে বসেও শান্তি নাই...
ভোর যে হলো, খিদে পায়...
গালি পেরোনা...
এ খেয়ালি উন্মাদ....
কি যে হলো, ধুস...
আজ সব প্রোগ্রাম বাদ।

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

উন্মাদ নামা ~ ১৮

বন্ধু বা শত্রু, আপনি চাইলেই ইচ্ছামত স্বার্থত্যাগ বা জোড়ের মাধ্যমে সেটার পরিবর্তন করতেই পারেন। কিন্তু প্রতিবেশী বদলানো যাইনা। 

একান্তই বদলাতে চাইলে নিজের মূলই উৎপাটন করতে হয়। তাই তাদের প্রতি সহযোগিতা মুলক দৃষ্টিভঙ্গী রাখা প্রয়োজন। 

যদিও সেই সম্পর্ক অপরপক্ষ থেকে প্রেরিত প্রত্যুত্তরের উপর ভিত্তি করে স্থায়িত্বের সীমারেখা নির্দেশ করে।

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৫

অসুখ ৯

উন্মাদীয় রবিবাসর
*************

অ-সুখ ৯ 


এ এক অতি বিষম বস্তু। একটি অসম্পূর্ন, অবাস্তব, এবং অস্পষ্ট একটা জৈবিক অনুভুতি। সুখের সংজ্ঞা ও তাই সুখের মতই অধরা। কখন যে কাকে কোন রুপে ধরা দেবে, তার আর কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। সুখ বস্তুটি শান্তির পরিমাপ অনেক ক্ষেত্রেই নির্ধারন করে। তবে সকল ক্ষেত্রে নয়।



আমরা ভাবি সেটা বোধ হয় হৃদয় থেকে চালিত হয়, বা উহাতে উপলব্ধ হয়। কিন্তু সুখ আসলে মস্তিষ্কের একটা অনুভুতি।বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক রোজনামচা তে উল্লেখ পাওয়া যায় যে, এন্ডোরফিন্স নামে এক ধরনের রাসায়নিক যৌগের প্রত্যক্ষ প্রভাবের ফলে, মস্তিষ্কের স্নায়বিক অবস্থার যে পরিবর্তন, যা কি না আমাদের, মানে জীবের মনের বেদনা কে প্রতিস্থাপিত করে, সেই সুক্ষ কার্যকালাপ কে ই সুখ বলে থাকি।




সুখের নানা, প্রকার থাকে। জড় সুখ আর জ্যান্তব সুখ। যার মধ্যেও নানা ভাগ। এবং প্রতি আলাদা জীবের জন্য তা আলাদা আলাদা সংজ্ঞা বহন করে। যাদের মধ্যে ইন্দ্রিয় সুখ, অনুভুতি সুখ, অলীক সুখ অন্যতম। সুখের কোন নির্দিষ্ট চিত্র হয় না। একই সুখ সময়ের সাথে বদলাতে থাকে, কখনো কখনো তা দুঃখেও পর্যবাসিত হয়। ছোটবেলায় খেলার মাঠে অকারনে ছোটাছুটির সুখ অনন্য। যেটা বড় বয়সে খোঁজা অর্থহীন। আবার ছোট বয়সের পরিজনদের শাসনের নিরন্তন দুঃখ, মধ্য বয়সে হটাৎ মনে পরলে যে, এ কি পরিমান সুখের সঞ্চার ঘটায়, তা বলাই বাহুল্য।




আসলে সকলেই সুখী হতে চাই। নিজের মতন করে সুখের চিত্রপট আঁকতে চাই। কেউ ভোগ করে সুখ মেটায়, কেও বা ত্যাগে। ওমর খৈয়ামের একটা বানী উল্লেখ করা যায়- “ আমি আজ সুখী, আমি আজ বেঁচে আছি”। এখানে বেঁচে থাকার জন্যই সুখী হওয়া যায়, আবার সুখী থাকার জন্যই বাঁচা যায়। আবার দলাই লামার মতানুসারে- “ সুখ আমরা কেও ই তৈরি করতে পারি না, ইহা আমাদের কর্মের দ্বারা আমরা অর্জন করি”। এখন এটা নিয়েও বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা সুখ অর্জন করতেই পারি। যদি আমি বেশ কিছু ভাল রোজগার করি, একটা শীততাপনিয়ন্ত্রন যন্ত্র ক্রয় করার ও তাঁকে আমি প্রলম্বিত করার ক্ষমতা রাখি, তাহলে আমরা এই দাবদাহ গ্রীষ্মেও শীতলতার সুখ পেতে পারি, এক্ষনে মন যদি অশান্ত থাকে তাহা হলে নিদ্রা সুখ থেকে বঞ্চিত থাকতেই হবে। আর মনে যদি কোন কারনে চরম প্রশান্তি লাভ করি, তাহা হইলে শীতলতা ব্যাতিতই নিদ্রাসুখ উপোভোগ করিতে পারি।




রাম বাবুর প্রচুর কিছু আছে, সুখের ভান্ডার উপচে পরছে, কিন্তু পড়শি শ্যাম বাবুর আবার যদি একটু বেশী সুখের কথা রাম বাবুর কানে পৌছায়, রাম বাবু অ-সুখী হয়ে পরেন। এ এক আজব মনস্তত্ব। এবং ঈর্শা সুখ। আসল কথা টা হলো, চমক হীন অনারম্বর জীবনে আমরা সকল সমই ই সুখের অন্বেষন করে চলেছি।




আমি নিজের টা দিয়ে বলতে পারি, একজন মানুষ, সে মাঝ সমুদ্রে(সংসার) বিভ্রান্ত ভাবে ভাষতে ভাষতে তার মননের সঠিক পরিমাপ যোগ্য সাথী না খুঁজে পেয়ে হার্মাদ (জলে থাকতে থাকতে জলদস্যু) হয়ে উঠেছে, আর ধীরে ধীরে সেখান থেকে উন্মাদ। এবং এই উন্মাদনা টা আসার পর পেলাম এক আশ্চর্য সুখ। নিজের অক্ষমতা গুলোকে ও যেন অনিন্দসুন্দর দেখতে পেলাম। চারপাস টা টুক করে কেমন রঙিন হয়ে উঠলো। নিজেকে নতুন করে জন্ম দেবার সুখ, নতুন ভাবনা ভাবার সুখ, লুকিয়ে থাকার সুখ, আসল আমি-র না বলা কথা গুলো কে নির্দিধায় বলতে পারার সুখ। যার অস্বিত্ব কেবল মাত্র আন্তর্জালীয় হলেও এ এক অবর্ননীয় বাস্তব সুখানুভুতি।আমার অতি পরিচিত এক দম্পতি আছেন, যাদের সুখ আমাদের মতন কতক গুলো দের কে নিয়েই। আর কেউ থাকেন যারা আমাদের অস্বিকার করেই সুখে আছেন।




সুখের খোঁজ নিরন্তর চলাচ্ছে মানুষ। আর এই দ্রুত পরিবর্তন শীল দুনিয়ায়, সুখের ঠিকানা ও ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। সকল সময় সুখের পিছনে লেগে থাকা টা ও আসলে এক প্রকার অসুখ। দীর্ঘমেয়াদী সুখ কে করায়ত্ত করতে হলে স্বল্পকালীন সুখ কে ত্যাগ করতে হয়, যেটা তাৎক্ষনিক ক্ষেত্রে মোটেও সুখকর নয়।




কিন্তু ঘটনা হচ্ছে সুখ কে কি কখনো পরিমাপ করা যায়?? একটা সুখ পেয়ে গেলে , আমরা কি আরেকটা সুখের জন্য অসুখে পড়ে যায় না??




সুখের উল্লাস ত জীবনের নানা ক্ষেত্রে প্রদর্শিত হয়, অন্ধকারের যৌনতা তে একাএকা সুখী হওয়া, বন্ধু দের সাথে পার্টি করে সুখী হওয়া, সুস্বাদু খাবারের প্রতি, লোভের পূর্তি সুখ, সন্তান সুখ, নামের সুখ, নাম লূকানোর সুখ, বদনামের সুখ, অর্থ সুখ, অনর্থ সুখ, পাওয়ার সুখ, চাওয়ার সুখ, কিন্তু সবচেয়ে বড় সুখ ত্যাগে। কারন সেখানেই প্রকৃত ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে। আর ভালবাসার সুখ হলো অনুভুতিতে। আবার এই ভালবাসা যখন ঘৃনায় পর্যবাসিত হয়, সেখানে ঘৃনা সুখ। সেই সুখের উদযাপন হয়েগেলেই অনুশোচনা সুখ হাজির হয়। তার পরেই ক্ষমা সুখ। তাতে চাওয়া বা দেওয়া, দুটোই সমান সুখের।




উষ্ণতার সুখ, শীতলতা তে পৌছালে তবেই, তা পূর্ন সুখের শিখরে পৌছে দেয়।




কেউ আছেন অন্যকে অত্যাচার করে সুখি হয়, কেও বা ধর্ষন করে, যেটা শারীরিক বা মানসিক উভয় ই হতে পারে। কেও মিথ্যা বলে সুখ পায়। কেও সত্য বলে। কেও সত্য গোপন করে, বা কেউ অহেতুক কথার ফানুষ উড়িয়ে। কেও নিজ সুখ ভাগ করে সুখের পাল্লা ভারী করে, কেও অন্যের দুঃখ বুকে নিয়ে সুখের রাজ্যে বিরাজ করে। কেউ বিকৃত সুখ লাভ করে জবরদখল করে, কেও শুধু মাত্র একটা মনের মাধুরি কে সম্বল করেই সুখের খোঁজ চালিয়ে যায়।




ছোট্টো বেলাকার অবুঝ সুখ, মাঝ বয়েসের খরিদ করা সুখের থেকেও অনন্য। একটা সুন্দর ফুল, বা একপাল হরিন, একটি নিষ্পাপ শিশু, একটি আধ খাওয়া মেঘেঢাকা চাঁদ, মনের মধ্যে অপার মিষ্টি সুখের সৃষ্টি করে। আবার বাঞ্জি জাম্পিং, প্যারাগ্লাইডিং, ট্রেকিং, বা সিংহের দর্শন, বা স্কুবা ডাইভিং নিদেন পক্ষে ভৌতিক কাহিনী, এরা এক ভয়ঙ্কর সুখের আবেশ সৃষ্টি করে।




আসলে আমরা যা কিছু দেখি, সেটা চর্মচুক্ষু বা মানস চক্ষু যেটাই হোক না কেন। আমরা সেটা পাওয়ার চেষ্টা করি। সেটা কাছে পাওয়া থেকে শুরু করে, দেখতে পাওয়া, যে কোন কিছুই ‘পাওয়া’ হতে পারে। এবার মস্তিষ্ক যখন বুঝতে পারে যে, সে যেটা চাইছে- , সেটা সে লাভ করতে পেরেছে বা তার অতি নিকটে পৌঁছেছে তখন ই সমগ্র শরীর জুরে একটা স্নায়বিক শৈথিল্য দেখা যায়, যেটার আবেশ ১ সেকেন্ড থেকে ১ ঘন্টা-১দিন -১ বছর বা একটা গোটা জীবন ধরেও বহমান থাকে। আমাদের সন্তুষ্টির মাত্রা, যখন পূর্নতার দিকে ধাবিত হয়, তখন অন্তরাত্মা তৃপ্তি বলে এক ধরনের অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়ে সুখের রাজ্যের দিকে চালিত হয়।




নিজের একাকীত্বের অসুখ, বিনামুল্যে অন্যকে, জ্ঞান দানের মাধ্যমে প্রানে সুখের পরশ লাভ করে। কেউ বা আবার অন্যের থেকে জ্ঞান নিয়ে সুখ লাভ করে। সাধারন ব্যাক্তি জীবনে যখন মনে হয় “আমার ত সকল কিছুই আছে, কি ই বা আমার প্রয়োজন”, এই আপাত নিরীহ প্রশ্নের মধ্যেই অসুখের বীজ লুকিয়ে থাকে। আর ওই প্রচুর সুখের ‘কি’ খুজতে খুজতেই অসুখী হয়ে উঠা।




প্রত্যেক জীবের ই স্বতন্ত্র ও মৌলিক চাহিদা থেকে থাকে। কিছু পুর্ন হয় বাকি টা অধরায় থেকে যায়। আর এই অধরা মাধুরী কে ধরতে গিয়েই আমরা যে সুখগুলো পেয়েছি, সেগুলো ভুলে যায়। মনস্তাত্বিক গবেষনা অনুযায়ি, “জীবন সন্তুষ্টি’ এর মাত্রা কে ই সুখের সুচক হিসাবে উপস্থাপন করা হয়।




উন্মাদীয় মতানুসারে সুখ হচ্ছে, আপনার ‘এই মুহুর্তের’ চিন্তা ভাবনারা, এখন আমি কি ভাবছি, সেটাই সুখের মূল প্রতিপাদ্য। এরাই মানে এই “মুহুর্তরা’ ই আপনাকে সুখী করে তোলে আবার সুখ খোয়ানোর জন্য ও এরাই দায়ি। এবং এগুলো খুবই আপেক্ষিক। যখন কোন সুখ নিজের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না তখন , সেটা আমরা আপনজনের মধ্যে খোঁজার চেষ্টা করি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যথাযত পরিশ্রম না করেই সহজলভ্য সুখের আশায় পরশ্রীকাতর হয়ে প্রাপ্ত সুখের জলাঞ্জলি দিয়ে দিই। সাময়িক বিভ্রম ই সুখের পথের বড় কাঁটা। খ্যাতি, পরিস্থিতি ও বাস্তবতা সকলের সম্মিলিত সহাবস্থান ই প্রকৃত সুখের চাবিকাঠি।




সন্তুষ্টি, আনন্দ, হাসি, তৃপ্তি, সাফল্য, সমৃদ্ধি, সম্মান, স্বীকৃতি, ভালবাসা, যত্ন -এগুলোই সুখের অবয়ব। প্রজাপতি রঙীন ডানা, প্রেমিকার দুষ্টু হাসি, মায়াভরা চোখ, সন্তানের সান্নিধ্য, পরিজন দের শাসন, অন্যের চোখের বসন, ভোর রাতের রঙীন স্বপ্ন, চায়ের কাপে উষ্ণ চুমুক, গ্রীষ্মের শ্রান্ত দুপুরে এক ঢোক শীতল জল, কর্মব্যস্ত দিনের শেষে মননের গান, রিমঝিম বৃস্টির শব্দ, ফাঁকা ছাতের উপর নিষ্পলকে রাত্রের আকাশ দেখা, তপ্ত সন্ধ্যায় দক্ষিণা বাতাসের আলতো ছোঁয়া, মুঠো ফোনের সেই নোটিফিকেশনের টুং টাং, উৎসব মুখর রাত্রীর আলোর বন্যা, গাঢ অন্ধকারের লেপটে থাকা, নিস্তব্ধপ্তার সুর, অপেক্ষার অকস্মাৎ অবসান, নিস্পলক দৃস্টি, গাঢ লিপস্টকের স্বাদ, প্রেমিকের লোমশ বুকের ঘামের দুর্গন্ধ, একলা নিজের সাথে পালিয়ে যাওয়া, কান্না লুকানো, অভিনয়ের দেঁতো হাঁসি, লুকিয়ে অভিসার, ............ এগুলোই তো সুখ। আসলে কি জানেন, আমরা সুখের ঘেরাটোপের মাঝেই বসবাস করি, শুধু গায়ে মেখে নিতে হয় পরিমান মত, আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে তাকে লালন করলেই সুখি থাকা যায়।




বেশির ভাগ মানুষ ই পৃথিবী তে আছেন, যারা সারা জীবন ভর উন্মাদনার নাগাল পান না, আর এক আমি, যার উন্মাদনা বা তার হ্যাংওভার মলেও যায় না। এ ও এক অব্যাক্ত বিচিত্র সুখ।


সবাই সুখে থাকুন, সুখে রাখুন।


^^^^^^^^^^^^^^

উন্মাদীয় বানানবিধিতে দুষ্ট 

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৫

উন্মাদ নামা ~ ১৯

আত্মবিশ্বাস হঠাৎ করে পড়ে পাওয়া বস্তু নয়।

এটা দীর্ঘ অনুশীলন ও সঠিক জীবনধারার মাধ্যমে গড়ে উঠা সম্পদ। নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যদিয়ে লব্ধ জ্ঞানই আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয়।


তবে সবার আগে প্রয়োজন ইচ্ছাশক্তি। যার সাথে আত্মবিশ্বাসের মিশেল ঘটে সাফল্যের রাস্তাকে উন্মোচিত করে। সকলের আগে প্রয়োজন আত্মগঠন।


আর তাঁর জন্য জরুরী আত্মাকে উপলব্ধি ও তাঁর সঠিক অন্বেষণ।


বিশ্বাস যেখানে থাকে তাঁর উল্টোপিঠের নামই হল প্রবঞ্চনা। তাহলে আত্মবিশ্বাস থাকলেও অনেক সময় নিজের কাছেই ঠিকতে হয়।


তাই সাফল্যের জন্য শুধুই আত্মবিশ্বাস নয়, তাঁর সাথে জরুরী, মেধা, প্রত্যুৎপন্নমতিতা আর সঠিক বিষয়গত শিক্ষা। তবেই আত্মবিশ্বাসের জয়গাথা।


আত্মবিশ্বাস সকলধরনের কর্মসম্পাদনের জন্যই এক্কেবারে প্রাথমিক শর্ত। সেটা ভাল কাজের পাশাপাশি নৃশংস কর্মের জন্যও প্রযোজ্য।


যাহারা জঙ্গী বা মানববোমা, তারাও কম আত্মবিশ্বাসী নয়। কিন্তু ভাল ও মন্দের বিচার ক্ষমতা না থাকার দরুন, কঠিন আত্মবিশ্বাস থাকার দরুন ও তারা সত্যতার শত্রু।


সুতরাং প্রকৃত সামাজিক শিক্ষাবিনা যতই কঠিন আত্মবিশ্বাস হোক না কেন, তাহার কোন দাম নেই, বরং তা ক্ষতিকর ও ভয়াবহ।


সঠিক শিক্ষকের সহচর্যে সুশিক্ষার পাঠে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, তাহাই অমুল্য।


আর চ্যালেঞ্জ বা প্রতিকুলতা মোকাবিলার নামই হল জীবন। বিনা চ্যালেঞ্জ এ কেও কখনই বীর বা মহাপূরুষ হতে পারেননা।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৫

উন্মাদনামা ~ ১৮

একটা পুরাতন প্রবাদ.... 


স্ত্রীভাগ্য কাষ্ঠল তথা সুপ্রশন্ন না হইলে, ভাগ্যাকাশে বুদ্ধিজীবী যোগ স্পষ্ট হয়। আঁতেল আসলে কিন্তু বুদ্ধিজীবীর ফরাসী সংস্করণ। 

আজি এক্ষনে কবিবর সুকান্ত বাঁচিয়া থাকিলে নিশ্চই লিখিতেন:-

"দিদির রাজ্যে বিশ্ববাংলা আঁতেল ময়".

আজকাল আমিও আমার মধ্যেও সেলিব্রেটি হইবার উদগ্র বাসনা উথলিয়া উঠিতেছে , বুদ্ধিজীবী সদৃশ কিছু মুষ্টিযোগের ও অনুশীলন করিয়াছি। ফলাফল শুন্য। সম্যক উপলব্ধি করিয়াছি যে, গৃহশিক্ষক ভিন্ন এই শিল্পে প্রতিষ্ঠা লাভ অসম্ভব।

তাই সকল বাবু ও বিবিগনের নিকটে আমার একান্ত বীনিত নিবেদন, আপনাদের চেনাজানা পাঠশালাতে এই অধমের যদি একটি আসনের ব্যাবস্থা সুনিশ্চিত করিয়া দেন, অবশিষ্ট জীবনটি রোজগারের পঙ্কে নিমজ্জিত না হইয়া, চামচা শিল্পের প্রসার ঘটাই তে পারিব। আর মনোযোগের সহিত, অযাচিতভাবে অন্যের গুহ্যদ্বারে অঙ্গুলি সঞ্চালনা শিখিব, বুদ্ধিজীবিদের ন্যায়।

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৫

উন্মাদ নামা ~ ১৭

আমার দ্বারা কৃত প্রতিটি সুকর্মের জন্য তুষ্টি উপভোগ করে থাকি, আর দুষ্কর্মের জন্য এক মুহুর্তের জন্যও নিজের কাছে একবার অনুশোচনা নিশ্চিত হয়ই হয়। যার হয় না তিনি বস্তুতই অসুস্থ।

প্রতিশোধের স্পৃহা জাগ্রত হয় সাধারনত উচ্চ আত্মমর্যাদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের। যেখানে নির্ঝঞ্ঝাট বা কাপুরুষদের জন্য প্রতিশোধ শব্দের আলাদা কোন মহত্ব থাকেনা।

নিশ্চই ক্ষমা পরম ধর্ম। ধর্মীয় মতবাদ হোক বা মানবতাবাদ, ক্ষমাকেই প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ আসন দেওয়া আছে। কিন্তু তার পরেও কিছু কিছু অপরাধ বা অত্যাচার ক্ষমারও অযোগ্য হয়। তাদের জন্য কোন রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে না গিয়ে অন্য ভাবে প্রতিশোধ নেওয়াই যায়। এর জন্য প্রয়োজন অসীম ধৈর্য, আত্ম প্রত্যয় আর অবিচল লক্ষ্য। তাহলেই ভাগ্য সহায় হবে।

প্রতিপক্ষকে সামনে রেখে, তাকে উপেক্ষা করার মত বড় প্রতিশোধ আর নেই। সে সারাটা জীবন ভয়ে ভয়েই হৃদয়ে রক্তক্ষরন করবে, এই বুঝি পালটা হামলা হলো, আদপে আপনি এই মাঝখানের সময়টাতে নিজের লেভেলটা এতোটাই উচ্চতায় নিয়ে গেলেন যে, আপনার প্রতিপক্ষের সামনে থকেও, তার যোগ্যতা অনুযায়ী ধরাছোয়ার বাইরে চলে গেলেন। আর কে না জানে অসম যুদ্ধে দুর্বলের পরাজয়ই দস্তুর।

আর এই ধরনের প্রতিশোধের মাধুর্য, ক্ষমা অপেক্ষাও বহুগুনে সুস্বাদু।

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

সময়চর্চা- ১৩


উন্মাদীয় রবিবাসর
*********************

সময় চর্চা 
ত্রয়োদশ খন্ড


ঝটকা টা খেলাম এঁড়ে আনন্দে, পার্থ কে নাকি পাভলপে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এতে আনন্দের থেকে শকড ই বেশী হয়েছিলাম, যে পাগলের পাগল চেনার ক্ষমতা থাকে কি না, সেটা ভাবতে ভাবতে। সে যাই হোক এ পার্থ সাইকো সন্দেহ নাই, তবে উনি ও কম জান না। ভাগ্যিস আমি শিক্ষক নই, নাহলে আমার অস্ত্বিত্বের সঙ্কট দেখা দিত। আমার বেতন টা আমি নিজেই নিজেকে দিই। আতলামো টা ফরাসি সম্পদ। তাই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই থেকে ফ্রেঞ্চ কিস হয়ে ফ্রেঞ্চ কাট। যদি থাকে জানুন পিওর আঁতেল।

মাঝে মাঝে ভাবি, লালকালি (Redink) গোষ্টী প্রণয় রায় কে লাইফটাইম এচিভমেন্ট পুরষ্কাররে ভূষিত করলেন, আচ্ছা সুমন দে কে কি ইনারা চেনেন?? বা চিনিলেও ইনাকে ঠিক কি পুরষ্কারে ভুষিত করা যায়?? আসলে এই মাগ্যি গন্ডার বাজারে এক সুমন তো বিভূষণে বিক্রি হয়ে গেলেন, এনার দম টা দেখার জন্য অধীর আগ্রহ। তবে বিদেশী তেল থেকে প্রাপ্ত করের টাকায়, যথেষ্ট খাট কেনার পাথেও যে যোগার হয়েছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যত ভাঙ্গবি ভাঙ। সবাই কিন্তু নিড়- বেদ হয় না, সুযোগ মত নীড় পরিবত্তোন করেই থাকেন। অনেকেই যে নির্বোধ ও হয়।

পরিবত্তন এর ফল সুদুর প্রসারী নিঃসন্দেহে। তবে শিলিগুড়ি ও শুনছি অন্য কিছু একটা হতে চলেছে। তিস্তা বা কিছু একটা, যে যাই হোক সঙ্গমের জন্য বিদেশ না গেলেই হবে। কর্তার ইচ্ছাই কর্ম, থুরি কর্তী। তবে সেটা হামাগুড়ি হলে মন্দ হয় না। এর ফাঁকেই বিলুদা অন্তর্জাল অনুসন্ধান কারির নাম বদলে কিনারা রেখে ফেললো। সবজান্তা বাবা আর আগুনে শেয়ালের দাপটে প্রানে ত্রাহি ত্রহি রব উঠে ব্যাবসা প্রান্তে এসেই ঠেকেছে।(বিঃ দ্রঃ- বিল গেটস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, এজ, গুগুল ক্রোম, ও ফায়ার ফক্সের কথা বললুম)। হ্যাঁ আবার একবার উপরের লাইন টা পড়ার কষ্ট করালাম, এক্সট্রিমলি সরি।

আমাদের পড়শি তাদের দেশের লোকের জন্য নিত্য নতুন রাস্তা বানাতে পরিকল্পনাতে ব্যাস্ত যাতে তারা বিদেশে যাবার পথ সুগম হয়, আমাদের সড়ক মন্ত্রী হিসু চর্চা থেকে অবসর পাইলে তবেই না এই সকল অবার্চীন ভাবনা! তবে উত্তর পূর্বে জন্য রাস্তা বানানোর একটা পরিকল্পনা করেছেন ভ্রমন পরিকল্পনার সাথে সাথে, আমাদের রাষ্ট্রীয় বাইজি খানা থুক্কুরি মন্ত্রীসভা। আমাদের হালের কচিনেতার অমোঘ উক্তি। আমাদের প্রধান যন্ত্রী তো মাঝে মাঝে পথ ভুলে দিল্লি এসে যান, বাকিটা বিদেশেই। সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ। এই দেশের কথায় মনে পড়লো খুব খুব ইচ্ছা ছিলো গ্রীস টা কে কিনে ড্রইং রুমের টি-টেবিলে রেখে দেওয়ার, কিন্তু বাবা আদমের জামানা থেকে নিউটন হয়ে... আপেল ই তো সকল সময় বিপর্যয় টা ঘটিয়েছে। আপাতত আমসত্ব কিছুটা ভেঁজে দেওয়ালে টাঙানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।

বেল পাকলে কাকের চিরকালই কিছু না, কিন্তু নোবেল যখন, তখন নজর দিতেই হয়। অবশেষে মালালা উপরে হামলাবাজ দের ১০ জন কে ২৫ বছরের জেল দিয়েছে। আরে গোটা পাকিস্থানের ফাসি না দেওয়া পর্যন্ত এই কেত্তন থামবে না, সেটা ওই পাক শাষক দের বোঝাবে টা কে??

খোলা স্থানে বিষ্ঠা না করার জন্য নদীয়া জেলা সারা দেশের মধ্যে পেত্থোম পুরষ্কিত হলো, বাহ বাহ কি ভালো কথা, কিন্তু বাস্তব চিত্র অন্য কিছু কয়ছে যে, কর্মসুত্রে কিছুদিন আগেই টেংড়ি ডাঙা বলে একটা গায়ে গেছিলাম, নদীয়া জেলাতেই। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গাঁ। উড়েব্বাবা সেখানে শুধু মাত্র যারা হাগতে বসে প্রকাশ্যে বিড়ি টানতে পারেন না লজ্জায়, তারা ছারা প্রকৃতির এই খোলা পন কে কেও ঠকাই না। সবটাই মাঠে ঘাটে। কিন্তু কিন্তু... এই বাস্তব কে দেখতে নেই, কাকা রাগ করবেন... আমিও দেখিনি।

আমাদের বঙ্গে যখন হাতে চুড়ি পরে ঘুড়ে বেড়াতে ব্যাস্ত কন্যশ্রীর দল সাথে তাদের ফ্যামিলির পুরুষ সদশ্যদের হাতেও পড়িয়ে দিয়েছেন, তখন অন্ধ্র আর তেলেঙ্গনা গরমেন্ট সকল জনগনের জন্য ৫লাখী এক্সিডেণ্ট বিমা চালু করলেন। আহারে, এখানে মদ খেয়ে মরলে টেকা পাওয়া যায় এক্সিডেন্টে না। আর বাড়ির মেয়েটা ধর্ষিত হলেই কেল্লা ফতে, হাতে গরম সরকারি চাকরি সাথে রগরগে পাবলিসিটি। নাহ মরেও সুখ পেতে গেলে চলো ওই দেশে, কমপক্ষে ৫ লাখের সুখ তো গ্যারান্টি।ওদিকে জাপান গরমেন্ট ও চারজন ভারতীয় কে পুরষ্কিত করলো ২০১৫ বসন্ত কালীন জাপান সজ্জার জন্য। আমাদের ও কি কিছু জাপানী কে বিভূষিত করার?? ওরাও কি কম শয্যা অলঙ্কৃত করেছে!!

লিটিল ইন্ডিয়ায় মিউজিয়ামের শুভসুচনা, তাও সিঙ্গাপুরে ফুলটুস আমোদ, অবশ্য আমোদের জন্য শিল্পসম্মেলন ই বা কম কিসের ছিলো, গোল্লা... নিরসগোল্লা। এটা আরো বাড়লো, কারন নামের জাষ্টিফাই হতে দেখলে আমোদে উড়ে বেড়াই। আরে ওই যে অচল কুমার বাবু জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পেয়েছেন। নাহ, আমাদের এটা এখন না জানলেও চলবে, ভোটের বাদ্যি বাজলে এক ফাঁকে জেনে নিলেই হোলো। দেখাই যাক কি জ্যোতি উনি বিচ্ছুরণ করেন, Achal Kumar Jyoti।

ইতিহাস ই বলবে কে শেষ কথা বলেছিলো, যে কোর্ট দেশ চালাবে?? না গরমেন্ট?? তবে সেটা লেখার জন্য অমলেন্দু গুহ আর বেঁচে নেই। ওদিকে বিলিতি আইনকর্তী হিসাবে মাইরি ব্লাক রেকর্ড করলেন সর্ব কনিষ্ঠ হিসাবে। মাইরি বলছি এটা খুব আমোদ দিলো, আরে না ওটা না এটা, বিলেতেও রক্ষন শীল রা ৩৩১ টা সিট নিয়ে জিতে গেলো। জয় রক্ষন শিলের জয়, এ যেন বেণীমাধব দার মাসিমার দেওরের ছোট শালীর খুড়তুতো ভাইয়ের জামাই এর শ্যালক।

গোয়া সরকার হাওয়া বেলুন আর হাওয়া গাড়ি সরকারি ভাবে লঞ্চ করলো, বেশ করেছে, ওখানে তো লোকে হাওয়াতেই ঊড়তেই যাই নাকি?? গরমেন্ট পালস টা ঠিক ধরেছে সময় মত। খামোসিয়া... তেরি মেরি, লৌহ মানবের এটাই রিংটোন, যদি নরে- নরৌ- নড়া, রাশটো পোতির নেক্সট সেগমেন্টে পারফর্ম করার নন্য ডাক পারে। ওদিকে মুখার্জী স্যার রাশিয়া তে গিয়ে “নমস্তে রাশিয়া” উদবোধনে ব্যাস্ত। একই দিনে ৫৬ ইঞ্চি দা ও বার্নপুরে দিদির ক্ষতস্থানে বার্ণাল টা লাগিয়ে দিলেন, অন্তত প্রকাশ্যে। সে ভালোই হল। দেখ বেটা আহাম্মকের দল, খামোখা নিজেদের মধ্যে ক্যালাকেলি করে হাত পা চোখ খোয়ালি।

এখন তো সব কিছুতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়, মান- নান- রা আর সেভাবে হুল ফোটাতে পারছেন কই! সেই অধীর চিত্তে সিংহ গর্জন ই বা কোথায়? সবাই যেন শোভন হয়ে গেছে। কিন্তু পাটিগনিত মিলছে না সূর্য উঠলো- বিমান ক্রাশ হলো , ইয়ে- চুরি না করেও প্রকাশ ঢাকা পরলো ইতিহাসের লাল মলাটে। জনতা রা জোট বেঁধেছে। নাহ তাদের মাথারা। কুপুত্র যদিও বা হয়, কু মাতা কভু নহে। সেটি আবার প্রতিষ্ঠই পাইলো। আম্মা নিষ্কলঙ্ক। দে ঘুমাকে।

বর্ষা এসে গেছে, দুয়ারে। খুব খুব ভিজছি। কারো কারো মনে ও। সেখানে ও বর্ষন অবিরাম। অবিশ্রান্ত। অঝর ঝরিয়ে ঝরঝরে। ফুরফুরে তিরতিরে। চুরি ও সমান তালে। ধরা না পরলেই হলো। সেটাই প্রতিভা।

পুলিস এলোপাথাড়ি ক্যালানি খাচ্ছে, যে পারছে, যেখানে পারছে। এগোলে সর্বোনাশ পিছলে নির্বংশ। মনের সুখে কমোডে গিয়ে বসলাম, প্রথম ল্যাদ টা পড়তেই জল গুলো পাছা ধুইয়ে দিলো, চরম ক্রোধ, হবার ই কথা, চ...... পুলিস ঠ্যাঙিয়ে আসি। তাতে আগে দাদা দিদিদের একচেটিয়া ছিলো, এখন ভাইপো ভাইজিরাও উপস্থিত। তরক্কি বাওয়া তরক্কি। ২G এসে গেছে। প্রশ্ন তো নিরাপত্তার। কে সামলাবে?? নিরাপত্তা?? হ্যাঁ গো দাদা, কে ই সাবলাবেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মন্ডলীর চেয়ারম্যান হয়ে- K Satish Reddy।

গোরাষ্ট্র মানে মহারাষ্ট্র হঠাৎ ই আবার স্ন্যাপডিলের বিরুদ্ধে মামলা করে বসলো, কে জানে বাবা এর ভীতরেও কি ম্যাগি লুকিয়ে আছে। আগেকার দিনে খাদ্য তালিকায় শাকসবজি ফল মূল থাকত, এখন মুখে মাখা ক্রিম, প্রসাধনী দ্রব্যে ও গুলো থাকে, আর খাবারে লোহা, সিসা, তামা, দস্তা, কার্বন এমন কি নরগোবর ও থাকে। এরই মাঝে মধ্যপ্রদেশে ৭৫০ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ প্লান্ট বসেয়ে ফেলেছে, যেটা নাকি পৃথিবীর মধ্যে বৃহত্তম, আমার অবশ্য ওই প্রদেশে কেজি দুয়েক রেওয়াজি চর্বি জমেছে, আর আরতি আগরওয়াল সেই চর্বি বেড় করতে গিয়েই অক্কা। সে যাই হোক এখানে পাওয়ার ব্যাঙ্ক হোক বা না হোক এখন মধ্যপ্রদেশ হিট। ব্যাঙ্কের কথায় আবার খেয়াল হলো কামাথ দা ব্রিকস ব্যাঙ্কের পেত্থোম চিয়ার ম্যান, দেকো কান্ড। আয়... সি... আয়...

এদিকে যাবতীয় বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম টেষ্টে প্রারম্ভিক জুটির জোড়া শতরান ও নাকি হওয়া অসম্ভব ছিলো, যদি সেদিন রোহিত শর্মা আউট হতো। আর ICC এর পক্ষপাত দূষ্ট আচরনের জন্যই নাকি বৃষ্টি গট আপ খেলে ভারতীয়দের অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে। তবে ইন্ডিয়া কা তিওহার খতম, যেন পশুরাজের গলা থাকে হাড় টা বেড় হলো অবশেষে। বার্সার ত্রিমুকুট জেতা বা চেলসির প্রিমিয়াম লিগ, সে যেটাই হোক এটার জন্য ইডেনে রাজ্যপাল ও আসেন নি আর ঊষা উত্থুপের গীতের তালে নাচাকোঁদা ও হলোনি। নাহ ১৩ গেরো কাটিয়ে মোহন বাগান লিগ জিতলেও। নাচার কথাই মনে পরলো বিখ্যাত রাশিয়ান ব্যালে ড্যান্সার মায়া লিসেটস্কায়া ইহোলোকের মায়া ট্যাগ করেছেন হালেই।

বিজ্ঞানীরা দেশে ৪৮ রকমের লুপ্তপ্রায় ভ্রমরের দেখা পেয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে, তবে বোলতার সংখ্যা বাড়ছে, সেটার খবর কেও দিতে পারেনি। সব জ্বালাময়ী বোলতা, একবার কাটলে আর উই-মা বলে আদিখ্যেতা করার সময় থাকে না, বাপরে বাপ বলেই ঝাপ। তবে “উইবো” র কপাল খুললো বলে, এই একমাত্র সেই জাইগা যেখানে রাম-হারামের পাশাপাশি অবস্থান, আর মনের সুখে আদিম খিল্লি করার সুখ। আমাদের নরেন দা ওই খানে খাতা খুলেছেন হালেই। হ্যা...গো কাকা, আমাদের পোধান মনতিরি চীনের ‘ফেসবুক” ওই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট খুলেছেন।

জাতীয় স্তরের পাশাপাশি গোয়াতেও রাজ্যস্তরে “বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও” প্রকল্পের উদ্ধোধন হলো। কে জানে সব থেকে বেশী মহিলা যৌনকর্মীর আধিক্য বেশী বলেই কি না!! এ যেন চুরির টাকায় জজ সাহেবের বেতন। জজ বলতেই মাথায় এলো সে, সেলুকাস শ্রুত এই বিচিত্র দেশে খুনের অস্ত্র খুঁজে পেলেই কেলো, জেল যাত্রা কপালে তিড়িং তিড়িং করে নাচবে। আর সত্যি সত্যি মেরে ফেলতে পারলেই “বজরঙ্গী” বালীর কৃপা দৃষ্টি পড়বেই। তো ভাই জান লাগে রহো। ফুট পাথ বলেই কি হাটতে হবে?? এখানে শোয়াও যেমন যায়, আরা গাড়ি চালানোও।

মন্ত্রী সভা ক্রমাগত পাশ করেই চলেছে, ফেল করলেও করাবে তা কে?? যেমন রিয়েল এষ্টেটে FDI এর ছাড়পত্র পাশ হয়ে গেলো। অরুন দা অর্থ আর প্রতিরক্ষার পাশাপাশি তথ্য সম্প্রচারেরো নাকি দায়িত্বে, ভাগ্যিস ডিডি নিউজের মোবাইলের এপস উদ্বোধন করতে এলেন, নাহলে এটাও আর জানা হতো!! কতকিছুই তো অজানা থেকে যায়, মরে এক জন আর পরষ্কার পায় আরেক জন, শার্লে এবেদোর প্রেসিডেন্ট মুক্ত চিন্তার উৎসাহ দাতা-২০১৫ পুরষ্কারে ভূষিত হলেন, মরুক না আরো দু চারটে, পুরষ্কার তো আসছে, সেটাই কি কম পাওয়া।

ওদিকে আমোদ আর ধরছে না সাহেব দের, ৫০ কেজি রপো সহ বিপুল ধন সম্পত্তির খোজ পাওয়া গেছে, মাডাগাস্কারের সেন্ট মারী আইল্যান্ডে। ঠিকিই ধরেছেন ওটা একজন হার্মাদের। শপ্তদশ শতকের স্কটিস সামুদ্রিক ত্রাস উইলিয়াম কিড এর। আসলে এই কিড বা বাচ্চা না হলে বোধ হয় সাহষ ধারন করা যায় না...

২০০ বছর পর কখনো যদি কোন উৎসাহি এই হার্মাদের গুপ্তধনের সন্ধান পান... চরম হতাস ই হবেন। কিছু অগোছালো সমকালীন খেউর দর্পন... খোঁয়াড় ভর্তি, ভাবনা হয়, কি রেখে গেলাম..................

...............ক্রমশ
(উন্মাদীয় বানানবিধি অনুসৃত)


অথঃ সারমেয় কথা



"অথ: সারমেয় কথা"


আমার সম্ভুদার একটা ফেসবুকীয় পোষ্টে দেখলাম নীল জল বৃত্তান্ত। টালা থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত নীল জল ঝোলানোর বিষয়ে কৌতুহল প্রকাশ করেছেন। আমি বলবো ওটা টাইগার হিল থেকে মন্দারমনি পর্যন্ত বিস্তৃত।


নীল হল যৌবনের প্রতীক। সেটা নীলা হলে দুষ্প্রাপ্য রত্ন। হিরক খন্ডের নীলাভ দ্যুতি ?সে এক অপরুপ সৌন্দর্য, দৃষ্টি সুখ। মিশরের নীল নদ- সে তো নিজেই এক জলজ্যান্ত বহমান ইতিহাস। একসময় এই পোড়ার বঙ্গে নীল বিদ্রোহ কতই না তাজা প্রান কেরে নিয়েছিল, নিজেদের অধিকার রক্ষার্তে। তবে নীল চোখের সুন্দুরীর চোখে আডাল করা যায়! বা নিলাঞ্জনের প্রলেপে ঢাকা চোখের ঈষদুষ্ণ নীলাভ ইশারা!

ইশ্বরের সাধনায় মোক্ষলাভ হলেও সেই নীলাচলের দিকেই যাত্রা করতে হয় মহাপ্রভুর মত। নীল আকাশে হারিয়ে যাবার ইচ্ছা কার না থাকে। দেবাদিদেব নিজেও ধরাধাম রক্ষার্তে গরল পান করে নীলকন্ঠ হয়েছিলেন।অনীল সুনীল পেরিয়ে এখন যদিও এটা রুদ্রনীলদের জামানা। নিলোৎপলেরা গঠনতন্ত্রের পঙ্কিল অংশে নিমজ্জিত। নীলপরীরা মঞ্চ আলোকিত করেয়াছেন সর্বত্র। সমাজে নীল্ বর্ণ শৃগালদের দাপাদাপি। রাজকীয় ফে-নীল ভাষনে আকাশ বাতাস দুষিত। সাগরের অথৈ নীল জলে ... সাদা ফেনার মুকুট... ইচ্ছে করেনা, হারিয়ে যেতে নিজের সাথ? শেষে নিরিহ কেরোসিনও আজকাল নীল। জানিনা এটা কার অনুরাগে।

ছবিতে আজকাল নীল এর ভাগ মাত্রা কম হলে সেটি বাজারে মুখ থুবরে পড়বেই। যদিও বর্তমানে গনতন্ত্র এদেশে নীলকন্ঠ পাখীর মতই নিরুদ্দেশ। প্রশাসন নামক বস্তুটি নীলগাইয়ের মতই গুটিকয়েক অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ। আইন শৃঙ্খলা লাল সালুতে বেঁধে তাকে ওঠানো আছে। কিন্তু তোমার বা আমার পানটি থেকে চুন খসলেই পেয়াদা সমনের নীলকন্ঠ হার নিয়ে হাজির হবে, পরানোর জন্য।

তবে নীল সাদা দেখে আজকাল সবাই ভয় পাচ্ছে, মানুষ ভয়ে বলতে পারেনা। পুলিশ ও ক্যাডার পিছনে পরে যাবেই। সমকের তো আর মা এর জোর নেই। পিসি বা কাকা বা বাবাও নেই। তাই সবাই ভয়েই মাটিতে নুইয়ে। কিন্তু কুকুরের জন্য পুলিশ নেই, ক্যাডারও নেই। জেল নেই। আমলা নেই, কিন্তু ওদের ও তো ভয় আছে।

কুকুর বলে কি মানুষ নয়?
তাই বোধহয় সাদা বোতলে নীল জল রেখে " নীলসাদা" কম্বিনেশন করে রেখে দিচ্ছে।
একটা প্রায় অর্ধশতাব্দী রাজত্ব করা দল যদি নীল সন্ত্রাসে শামুক হয়ে যায়। কুকুরের আর কি দোষ।
ভয় না পেয়ে উপায় কি?


শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

মহালিঙ্গম তৈল

দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি জাপানী তেল কি বাবা কামদেব ভারতের বাজারে আনবেন?
যদি আনেন কি তার নাম হতে পারে? আপনারা কি সাজেষ্ট করবেন? ইন্ডিয়াল ওয়েল! হবে না, লাল তেল! হবে না, ভারত - হিন্দুস্থান...... নো চান্স স্যার। সব অলরেডি বুকড।
আমার সাজেসন : "পতন-জলী মহালিঙ্গম তেল"

বিজ্ঞাপনে দেখানো হোক পুঁই এর দরজা জানালার ফ্রেম। মানে পুঁই শাকের গাছে এই তেলের প্রভাবে প্রভাবে উহা শাল কাঠের মত মজবুত হয়ে গেছে।
এবং এর সাথে নির্দিষ্ট ধনুষ্টঙ্কার আসন শাষন করলে, পুঁইএর মিচুরির মত থোকা থোকা পুরুষ্ট *ন্ডকোষ জন্মাবে। যাহা স্বাস্থবান সেবকের জন্ম দেবে। এমনকি বাজারেএ পাতিলেবুর উপর দুফোঁটা ফেললেই সাথে সাথে উহা বাতাবি লেবুর আকার ধারন করিবে। বা পৌরসভার জল লাইনের পাইপের মুখে দিলেই.... বিদ্যুত বেগে হদহদ করে ধারা প্রবাহিত হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি.....
যদিও বাবার নিজশ্ব কক্ষে বাবার প্রসাদ খেয়ে ২-৩ ঘন্টার কোর্স করলে তিনি নিজেকে গর্ভবতী রুপে আত্মপ্রকাশ করাতে পারবেন। ইহা পুরুষদের জন্য নহে। কা-পুরুষ, মহাপুরুষ ও মহিলারাই প্রযোজ্য। (লেসবো ব্যাতিরেকে, ওনার জন্য আধে-মা আছেন)
বি:দ্র:- ইহা কেবলিমাত্র 'গো' ও 'শাখামৃগ' সন্তানদের জন্যই প্রযোজ্য।

রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

খোরাক



উন্মাদীয় রবিবাসর


~:খোরাক:~
~~~~~~~~~


একটা দিন মোটে পরে পাওয়া ছুটি, তাতে রবিরার হলেও কিন্তু শান্তি নেই, সকালের ঘুম ভাঙতেই চাই না । সকাল সকাল বাজারে না গেলে মাছ পাওয়া যাবে না, টাটকা সবজি পাওয়া যায় না, দুধ, পৌরসভার ট্রাক্টারের শোধন করা জল... আরো কত কি। সব থেকে বড় কথা, বেলা হয়ে গেলে, চেনা জানা লোক গুলো কে পাওয়া যায় না, যে জমিয়ে একটু আড্ডা মেরে আগামী সপ্তাহের জন্য পাড়াতুতো “খোরাক” সংগ্রহ করা যাবে।



অগত্যা গিন্নির তারস্বরে চিৎকারে, শুকনো আদার মত অবশিষ্ট প্রানে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠার আগে ঘুম থেকে উঠাই শ্রেয়। এখানে পুরূষের বয়স ভেদে, চীৎকার এর খোরাক যোগানকারি ব্যাক্তির পরিবর্তন ঘটে। শিশু বয়সে ভোর বেলা মায়ের চিৎকার, উঠ স্কুল কখন যাবি! যুবক বয়সে মায়ের সাথে বাবাও যুক্ত হন। কলেজ লাইফ বা তার পরবর্তী কিন্তু বিবাহ পূর্ব্ববর্তী সময় কালে মায়েরা কোন এক অজানা কারনে শান্ত হয়ে যান, আর বাবা রা দ্বিগুন তৎপরতার সাথে চিৎকার শোনানোর কাজটুকু নিপুন ভাবে অধিগ্রহন করেন। 



যারা দূর্ভাগা তাদের প্রেমিকারা ও অনেক সময় চেঁচামেচির সু অভ্যাস টা প্রেমিক জীবনেও বজায় রাখিয়ে দেন। এক্ষেত্রে একটি জীবনিকালে বাবার এই ভুমিকায় অবতীর্ন হওয়া টা অনেকটা ডেপুটেসনে শিক্ষন নিয়োগের মত। জানেন অল্প দিনের কিন্তু বুঝতে চান না।



এর পর বিবাহ। প্রথম সন্তান অথবা সর্বাধিক ৩ বৎসর, যেটি আগে ঘটবে, সেটির উপর নির্ভর করে স্ত্রীর সর্বেসর্বা হবার শুভরাম্ভটি। যদিও সেই মহেন্দ্রক্ষনের প্রতীক্ষায় খুব বেশী দিন অপেক্ষা করতে হয় না, কারন বিবাহের পর, আকস্মাৎ বাবারা কেমন যেন নেতানো পাঁপড় হয়ে যান, কোন কথা ই আর সামনা সামনি বলেন না, সবটাই মা এর মাধম্যে। এদিকে মায়েরাও একটি, বছর ৫-৭ (কমবেশী) শীতঘুম দিয়ে , নব উদ্যমে বৌমার সহিত সহ- শাষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। নিজেদের মধ্যে ওয়াটার-লু সহ।



বৃদ্ধ বয়সেও এই আজীবন চিৎকার শোনার অভ্যাসের রেওয়াজ টা অক্ষুন্ন থাকে, গিন্নি বেঁচে থাকলে তো কথাই নেই, তিনি একাই যথেষ্ট, যদি কোন কারনে তিনি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে হয় বৌমা বা নিদেনপক্ষে বাড়ির পুরাতন চাকর কে দিয়েই সেই পুরাতন সু অভ্যাস বজায় রাখানো হয়।



এমতাবস্থায়, বাঙালী পুরুষের মনোরঞ্জনের উপায় কি?? ঘরে?? নৈব নৈব চ। যেটুকু মন-চোখ ও মুখের মানে ভাষার আগল খুলে একটু খেয়াল খুশির আমোদ, একটু তাস, বা দাবা খেলা বা ক্যারাম বা নিদেন পক্ষে লুডো, তারই ফাঁকে একটু ফুকুফুকু বা ঢুকুঢুকু। সবটাই তো আড্ডা খানায়। এই তো জীবন... যাক না যেদিকে যেতে চাই প্রান। আর হ্যাঁ এই প্রানের টানেই ক্লাস নাইনের, বছর ষোলোর পটলার সাথে, মধ্যচল্লিসের LIC এর দাদাল পরেশ দা, আর অবসর প্রাপ্ত কেরাণী হরিপদ বাবু, জমিদার বাড়ির বখে যাওয়া বড় খোকা নগেন মানে নগেন্দ্রনারায়ণ সিংহ রায়ের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কলব্রিজ খেলে যেতে পারেন, একটা বিড়ি চারজনে শেয়ারিং করতে করতে। হাজার অমিল হোক, ইনারা জড় ও নন, পর ও নন, এনার আসলে আপনজন।



এখন প্রত্যেকের সাথে থাকে নিজস্ব জগতের যন্ত্রনা। যেমনঃ পর্যানুক্রমে...



“কি যে বলি, শালা মাস্টার গুলোও হয়েছে আজকাল, আরে দু বছর আগেই যদি আমাকে নাইনে পাশ করিয়ে দিতিস , কার এমন ক্ষতি টা হতো শুনি? বলি সরকার থেকে কি মানা ছিল? পর পর ইচ্ছা করে আমাকে ফেল করালো, জানো। আরে আমায় ফেল করিয়ে তদের কি লাভ হলো?? মন্টু মাস্টারের মেয়ে, ওই সে বাসন্তী, যাকে তোমরা ফ্যাসন বাসন্তী বলো গো, ওর সাথে ইন্টু-মিন্টু টা ধরে ফেলাতেই যত্ত কেলো, বাড়িতে জানলো, ইস্কুলে জানলো। বাপটাও যেমন আমার, যেন কাল সাপ, আমার বেলাতেই যেন সব টাকাপয়সা ফুরিয়ে যায়, বলি, একটু তো শুধু বিড়িই খায়, পেলে পাব্বনে একটু মাল, আর তোমাদের সৎসঙ্গে না এসে আমি একা একা কোনোদিন বাবা খেয়েছি? তোমরাই বলো। 



মা টা ও টুকি মানে বোনটা বড় হতেই, আমাকে নিয়ে যেন ভাবা ছেরে দিয়েছে, তবে রাত বিরোতে দরজা টা এখনো উনিই খুলে দেন। একদিন এমন দিন আসবে , যে দেখবে এই প্রহ্লাদ চন্দ্র সেন কে সবাই স্যালুট করবে। অমন চোখ কপালে তোলার কি আছে! আমার ই তো ভালো নাম, লোকে ভালো বেসে পটলা বলে ডাকে আর কি। আমি ব্যাবসাই করবো। চাকরি বাকরি কেউ করে?? ছ্যাঃ... বিয়েটাও তো করতে হবে না কি!! তাছারা ওই হতচ্ছারা মাস্টার গুলোর জন্য কি ডিগ্রি পাবো?? যে চাকরির এপ্লিকেশন করবো!! ছ্যাঃ ছ্যাঃ...



সত্যি বলছি কি জীবনে ঘেন্না ধরে গেল।



ভাবলাম চিটফান্ড বন্ধ হলে, আমাদের একটু সুরাহা হবে, কিন্তু কোথায় কি, সেই... যে কলু সে কলুই। সব ভোগাস, এঁড়ে বাবার সপ্ত জন্তুর, ‘ওই খান কার’ লোম দিয়ে তৈরি, অব্যার্থ মাদুলিও ফেল মেরে গেলো। মাঝ খান থেকে কয়েক হাজার টাকাই পন্ড গেল। আমার ব্যাড লাক টাই খারাপ মনে হয়। ওদিকে ছেলের ৪ টে টিউসুনি, মেয়ের আবার দুকাঠি বাড়া, নাচের ইস্কুল গানের মাস্টার, ফ্যাসাদের কি আর শেষ আগে, মাসে ৩-৪ টে নিমন্ত্রণ লেগেই আছে বাঁ_, তার উপরে গিন্নি, ফরমাইসের শেষ আছে? বাবা মায়ের ওষুধ কি কম টাকার কিনতে হয়? খুকির বিয়ের গয়নার জোগার টাও তো এখন থেকেই করতে হবে, ভাবছি একটা নতুন ব্যাবসা করবো। 



হাত খরচাতেও একটু রাশ টানতেই হবে মনে হচ্ছে। আজ কাল আর একটু বিদেশী টেষ্ট করবো, তার ও আর উপায় নাই। গিন্নির নতুন ঘোড়ারোগ, বেড়াতে যেতে হবে। না হলে নাকি পাড়ায় আর মান থাকছে না। ঘোষজা ছেলে স্বামী নিয়ে গত বছর পূরি গিয়ে বাবার পায়ে প্রেসাদ দিয়ে এসেছেন, এবার আমাদের কমপক্ষে দিঘাও যেতে হবে, না হলেই গৃহযুদ্ধ। আবার নতুন খরচা, টাকা কি আর গাছে ফলে? LIC বড় বাবুদের টানা টার্গেট পূরনের চাপে চাপে জর্জরিত, সারা দিন লোকের সাথে বকবকানি, ঘরে এসে নানান অভাব অভিযোগ। জ্বলে গেলো দাদা, সব জ্বলে গেলো। এই তোমাদের এখানেই একটু যা শান্তি। বাকি টা তো সেই খাড়া-বড়ি-থোর।



সত্যি বলছি কি জীবনে ঘেন্না ধরে গেল।



কদিন থেকেই বড় খোকা কে বলছি, ওর ও আর সময় হচ্ছে না, শেষের দুটো তো আমাকে এখন আর গ্রাহ্যি করে না। চোখের পাওয়ার টা বেড়েছে মনে হচ্ছে। শালা ইস্কাবনের বিবি কে, মোল্লা পাড়ার জরিনা বিবির মত দেখছি। একটু শখ করে যে, আলাদা তোদের সাথে একদিন রাত্র খাসির মাংসের মোচ্ছোব খাবো, দাঁত গুলোর জন্যে সে উপায় ও নেই, শুধু ঝোল খেয়ে আর চেটেই মজা, অবিশ্যি পেনসানের টাকাটা তো ওষুধ খেতেই চলে যায় বুড়োবুড়ির। জমানো টাকা যা আছে, অদিনের জন্য ওটুকু আর হাতছারা করতে সাহষ হয় না। তীর্থ করতে যাওয়ার শখ এখন কে মেটায় দেখি।



 রমলার শ্বশুর মানে বড় জামাই এর বাবা একটা সৎসঙ্গ দলের সাথে কাশী বৃন্দাবন ঘুড়ে এলো, উনি বিপত্নীক ওনার যা সম্ভব , আমাকে তো আর সেটা সাজে না। কমলা বলেছে, যে বাবা ভরষা রাখো আমার উপর, তোমার তিন ছেলে যদি তোমায় তির্থে নাও পাঠায়, তোমার ছোট মেয়ে জামায় পাঠাবেই, এখন এটাই ভরষা। সামনেই অমাবস্যা, গাঁটের ব্যাথাটা আবার বাড়বে। পেসার আর সুগার ঠিক রাখতে গিয়ে লুঙিই ঠিক রাখতে পারি না। আচ্ছা দেখ তো, আমার চামরায় কালো কালো ছোপ পরছে কি রকম। নাহ কলপ করা টা এবার ছেরেই দেবো ভাবছি। এখন এই সারাদিন সময় কাটানো টাই বড় মুসকিল। বাড়ি গেলেই সেই গিন্নি-বৌমাদের কিটকিট, নিউজ চ্যানেল ই বা আর কতক্ষন দেখবো? ভাবছি একটা ছোট খাটো ব্যাবসা ই করবো ভাবছি, তাতে কিছু আমদানি ও হবে, সাথে সময় টা ও কাটবে। শান্তি নেই ভাই শান্তি নেই। এই তোদের সাথেই যা একটু শান্তি পাই...



সত্যি বলছি কি জীবনে ঘেন্না ধরে গেল।



নাহ, এই জন্যই তো দেশ থেকে রাজা জমিদার রা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আরে বাওয়া যুগের হাওয়া কে মনতে হবে না?? ব্যাটা যত গো-মুখ্যের দল। বলি ওই ২০ বিঘে জমির উপর পেল্লাই বাড়ি টা রেখে হবে টা কি?? তার উপরে হাজার ট্যাক্সের বায়ানাক্কা। এই পানিহাটির গঙ্গাপাড়ে এমন একটা জাইগা ভালো প্রোমোটার কে দিলে, এমনিতেই ২-৪ টে ফ্লাট ফ্রিতে পাওয়া যাবে, তার উপরে নগদ টাকার পাহাড়। কিন্তু চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। আরে বাব্বা সেই হাফ প্যান্ট পড়া অবস্থা থেকে রাজনীতি করছি, আমি বুঝি না?? 



কাউন্সিলারের আপন মামাতো ভাই, জগাই দা পর্যন্ত মাঝ রাতে আমার কাছে পরামর্শ নেন, যে নগেন এটা কি করবো বল তো?? আর আমার ফ্যামিলির এই হা-ভাতে কটা কে শুধু বোঝাতে পারলাম না। লজ্জা লজ্জা, আমার নয় এদের, গোটা দেশের। কাল যখন এই নগেন যখন MLA হবে বা নিদেনপক্ষে কাউন্সিলর বা এক্কেবারে ছোট্ট করেও পার্টির কোন পোষ্টে যাবো, সেদিন এরা বুঝবে ,কেন যে আমরা হিরে চিনতে পারিনি! মামলার খরচ জোগাতে গিয়েই তো জমি বিক্রির টাকা গুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে, এবার একটা কিছু না করলেই নয়। ভাবছি একটা ব্যাবসা ই করবো। 



মহান রাজনীতি বিদরা কি আর চাকরি করে বাছা?? ব্যাবসা ব্যাবসা। সব্বাই ব্যাবসা করে। তবে আমি যেদিন ব্যাবসা করবো, সকলের চোখ ধাধিয়ে যাবে। এখন তো বাড়ি গেলেই অশান্তি, আমায় বলে নাকি বুড়ো ভাম, ছোঃ... সবে তো চল্লিশ। মেয়েরা দেখে তো অনেকেই আমাকে কলেজের ছেলে বলে ভুল করে। আমি বিয়েই করবো না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, দেখো এদের। ইনারা কেও বিয়ে করেছেন? বা পুরাতন ইতিহাস?? ক জন বিয়ে করেছিলেন?? এই ঝঞ্ঝাটের জন্যই বাড়ি যেতেই মন চায় না। তোমাদের এই সাথ টুকু ছারা কোঠাও দুদন্ড শান্তি নেই। তোমরাই আমার আপনজন।



সত্যি বলছি কি জীবনে ঘেন্না ধরে গেল।



এর পর পরে থাকে একসাথে সমবেত ভাবে খুশী হবার পালা, কারন আসলি মাজা সাব কে সাথ আতা হ্যায়। শুধু মাত্র IPL ই সব্বাই কে এক স্থানে বসায় না, নির্ভেজাল পরনিন্দা-পরচর্চা আর পাড়াতুতো খোরাক পাড়ার বাঘ আর গরুকেও এক বারকোসে হালুয়া খাওয়ায়। তাহলে চলো আজ কুছ তুফানি করতে হ্যায়। সকলেই ভাবে মেরা নাম্বার কাব আয়েগা বাওয়া। যে যেমন পারে, এ্যামেচার শিল্পী সেজে পারফর্ম করতে শুরু করে দেয়। যেমনঃ-



“বংসীধরের বড় মেয়ে, আরতিটা তো যথেষ্ট সুন্দুরী, তাহলে এই মধ্য তিরিশে ও কেন বিয়ে করছে না? কোথাও কোন গোপন একাউন্ট নেই তো? পলান মিত্রের হাফের টান বলে ফি হপ্তায় যে গড়িয়া যেতেন, ওটা আসলে অর্শ জাতীয় কিছু ছিল। আরে এই বাষট্টি বছর বয়েসে হাপানি তেল না জাপানি তেল, কি যে উনি কেনেন কে জানে!! ব্যাঙ্কের নতুন ম্যানেজার বুলবুল মন্ডল বাবু কোন জেতের লোক? হিঁদু না মোচোরমান, রামরতনের ছোট ছেলে কোলকাতায় অদৌ কি চাকরি করে! না রেলে হকারি করে? আব্বাস মিঞা যতই জ্যান্ত মুরগি ঝুলিয়ে বাড়ি যান না কেন, গরুর মাংস নিশ্চই খান। 



মদু বাঙালের নাতনি কাজলি, কেমন তরতরিয়ে বড় হয়ে গেল বল দেখি। ভবেশ কে দেখেছো? বেটার আঙুল ফুলে কলাগাছ,নিশ্চই বেটার দুনম্বরি ধান্দা আছে। শুনেছো প্রনবেশ নাকি চাকরি পেয়েছে, মাস্টারি, ব্যাটা টুকে পাশ করেও আজ কাল লোকে মাস্টার পোপেসার হচ্ছে। সেটাই বা বলি কেন, দুলে পাড়ার সুশলে মাণ্ডির মেজ ছেলে, সে নাকি আবগাড়ি দপ্তরে চাকরি পেয়েছে, কোটা... কোটা... সব কোটা বাজি আর রাজনীতি। 



দেশের যে কি হবে, যারা ধরবে সব ব্যাটারাই তো চোর, সাথে আছে নেতারা। নাহ, সারাজীবন সততা করে আর কিচ্ছু হলোনা। কষ্ট তো হয় অবিনাষ দার জন্য, অমন চাঁদপানা মুখের মেয়ে, কিন্তু দেখো, যেন লগার আধখানা, বলি অতো লম্বা মেয়ের ছেলে পাবে কোথায়!! মিনু বৌদিকে খেয়াল করেছো? মেয়ে টাকে নিয়ে স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসার সময় খেয়াল করে দেখো, পাছাদুটো যেন কোলা ব্যাঙের তরাক তরাক করে লাফায় (সাথে অট্টহাস্য)। এ পটলা, দুটো কীর্তনের ক্লিপিং দে না, আর কি ই বা আছে জীবনে ...... ইত্যাদি ইত্যাদি”।



এই হল বাঙালী পুরুষ জীবনের মোটামুটি আড্ডা। যুগে যুগে এর বিবর্তন হয়েছে। বটতলা থেকে, চন্ডীমন্ডপ, হয়ে বৈঠক খানায় খানিক বিশ্রাম নিয়ে, পাড়ার রক আর ‘আমরা ক জন’ ক্লাব কে ছুঁয়ে আজ অন্তর্জালে বন্দি হয়েছে। যেহেতু অন্তর্জাল, তাই সীমা ও অনেকটাই বেড়েছে। নানুড় থেকে নন্দীগ্রাম লাটাগুড়ি থেকে হিঙ্গলগঞ্জ, সর্বত্রই এই পটলা-পরেশ দা, হরিপদ বাবুদের সাথে নগেন্দ্র বাবুদের নিত্য ওঠাবসা। এখানেও সেই মডিফায়েড রক কালচার। কিছু ব্যাতিক্রম বাদে।



সক্কলেই তো আসলে আমরা নিজেদের টা বলা হয়ে গেলেই, বাঁচার জন্য খোরাক খুঁজতে থাকি। একটা চোর্ব্য চোষ্য লেহ্য পেয় করে উদরস্থ করার মত খোরাক চাই। আর তার ব্যাবস্থা ও আছে , যুদ্ধবাজ আমেরিকা থেকে নটি আমেরিকা, ভানু সিংহের পদাবলী থেকে সানি লিওনির নামাবলী, সব রেডিমেড ব্যাবস্থা প্রস্তুত। আবার ঘন্টায় ৫০০ টাকা ইনকামের হাতছানির পাশাপাশি ঘন্টায় ৫ লাখ ঊড়ানোর হদিস, সব রেডি। 



শুধু খুঁজে নিলেই কেল্লাফতে। আগে টেবিলে বসে খেলা হত এখন মাউসে বসে জুয়া। সস্তায় এবং সর্টকাটে আখের গুছানো থেকে পরীক্ষা পাসের সহজ উপায়। নিখাদ চুটকুলা ঢামালি হয়ে কথার মায়াজাল। এখানে বোঝা মুশকিল কে মেয়ে আর কে ছেলে। রাবনের পুত্র ইন্দ্রজিত , যিনি মেঘের আড়ালে থেকে যুদ্ধ বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন, এই যুগে জন্মালে যিনি নির্ঘাত ফেল মেরে যেতেন , বর্তমান ফেবু বাবুবিবি দের কেত্তন দেখে।



আসলে নগেন বাবুর মত, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সব্বাই ছুটে চলেছি, কিন্তু মুসকিলটা হয় হরিপদ বাবুদের। একে অবসর জীবন, হাতে তুলনামূলক অনেকটা অতিরিক্ত সময়। অনেকেই অনেক সুন্দর সুন্দর সম্পর্ক তৈ রি করে ফেলেন। তার সাথে তৈরই হয় চাহিদাও। আগেকার দিনে বটতলা বা চন্ডীমন্ডপেও হতো। কিন্তু সেখানে হাঁ- টা খুব বেশী করার সমস্যা ছিল। এটা ইন্দ্রজিতের দেশ, চোখের আড়ালেই সকল কিছু। একটু এক্সট্রা এক্সাইটমেন্টের তারনায়, খোরাক করতে গিয়ে,কখনো কখনো, পুরো গুয়েগোবরে হয়ে গিয়ে নিজেই খোরাক হয়ে যান।



গুজব। নানা কারনে সৃষ্টি হয়। যেকোন আড্ডাখানা একটা সমমনস্ক দের স্থান, সর্বকালে, সর্বদেশে। এখানে কারো কারো ব্যাক্তিগত বিষয়, সমষ্টির পাত্তা পাওয়া আর না পাওয়ার মাঝ খানে গুজব তৈরি বা সৃষ্টি হয়। যিনি সমষ্টির পাত্তা পান না, তিনি আড্ডাখানায় উপস্থিতি কময়ে দেন, আর নানান বিকৃত ভাবনায় সাজানো খোরাকের জন্ম দেন, বাকি লোক গুলো যারা আড্ডা খানায় অবশিষ্ট রয়ে গেলেন, তারাও আলাদা আলাদা ভাবে ঐ সকল পাত্তা না পাওয়া ব্যাক্তি দের সাম্বন্ধে নানান মুখরোচক জল্পনা ফেঁদে, খোরাকের সৃষ্টি করেন। যদিও সকলেই আপনজনের চাদর চড়িয়েই থাকেন।



যে হরিপদ বাবু, বংশীর মেয়ে আরতির জন্য ভেবে আকুল, সেই আরতিকে যদি কখনো কোন দিন নগেন্দ্র বাবু সাথে দেখা যায়, দূর্ঘটনাবসত, বা হয়ত ইচ্ছাকৃত , সমপাড়ার বাসিন্দা হিসাবে কোন নিতান্ত প্রয়োজনে, তাহলে এই হরিপদ বাবুই নৈতিক আরক্ষাবাহিনীর অবৈতনিক কর্মী সেজে পটলা কে এসিস্ট্যান্ট করে গুজব রটাতে শুরু করে দেবেন। আর এটাই বাস্তবে ঘটে থাকে। এখন গুজবের সুত্র টা হয়তো খুব নিরীহ ভাবে উনি শুরু করলেন, কিন্তু পটলা খোরাকের জন্য ওদের মাঝখানে পরেশ দা কে শিখন্ডি করে রেখে আরতিকে গুজব দ্বারাই গর্ভবতী করে দিয়ে আরও চুটুল খোরাকের সৃষ্টি করে দিলো। এক্সট্রা মসলা। এক্সট্রা উত্তেজনা। এক্সট্রা খোরাক।



রসালো ও মুচমুচে খাদ্য বা খোরাক সকল বয়সের সকল শ্রেনির মানুষ দের কাছে প্রিয়, আর যাদের দাঁত নেই, তাদের কাছে তো এটাই একমাত্র সোয়াদিষ্ট খাদ্য। তাতে তিনি রসিক হন বা না হন। অনেকেই নিজে কখনোই খোরাকের অংশিদারিত্ব নিতে চান না। তিনি শুধু শ্রবনে আর দর্শনে উপভোগ করতে চান, মানে নীল ছবি দেখার সুখ আর কি। সামান্য তম পোড়া গন্ধ কানে শুনলেও, বৃহন্নলা বৃত্তি সাধন করে আগে পলায়ন করবেন। এখন সেটা হাস্যকর স্থান পর্যন্ত সহনীয়। 



কিন্তু কখনো কখনো কেউ কেউ, এক্সট্রা রসালো মুচমুচে খোরাকের জন্য, এক্তিয়ার ভুলে, নৌতিকতার দোহায় দিয়ে কাওকে কাওকে যখন চাটনি বানিয়ে ফেলেন, তখন সেই খোরাক পচে গিয়ে মদে পরিণত হয়। যে পরিস্থিতি কারো কারো জীবনে নিঃসঙ্গতা বয়ে নিয়ে আসে। সেই ব্যাক্তিও অনেক সময় এর হাত থেকে নিস্তার পান না।

খোরাকের চোটে যেন কখনোই আড্ডার প্রাসঙ্গিকতা নিয়েই প্রশ্ন না উঠে যায়। তাই উন্মাদীয় আবেদন, খোরাক নিশ্চই থাক, খোরাকের মত করে , কখনোই সেটা যেন খোঁয়াড়ে পরিনত হয়।


সকলে সুস্থ থাকুন।


(প্রাপ্তমনস্কদের জন্য, উন্মাদীয় বানানবিধিতে সজ্জিত একটি সম্পূর্ন উন্মাদীয় ভাবনার ফসল)
_____________________________________________________


তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...