বাংলাভাগ মানছিনা মানবো না। একজন বাঙালি হয়ে এ অপমানের আঁচ যদি আপনার গায়ে না লাগে তাহলে আপনি আপনার বাঙালিয়ানা জন্ম নিয়ে জিন পরিক্ষা করান, কারন অবৈধ বীর্যে গুজরাতিরা শীর্ষে আছে- কে বলতে পারে আপনি সেই বীর্যে বলিয়ান কিনা।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
রাজু বিস্ত ও বাংলা ভাগের প্রস্তাব
গতকাল রাজু বিস্ত সংসদে দাঁড়িয়ে বাংলাকে ভাগ করে গোর্খাল্যান্ড তৈরির দাবি জানায় এবং ঠিক পেছনে বসে বিজেপির জোকার তথা রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষ সহ বাংলার বাকি বিজেপি সাংসদরা টেবিল চাপড়ে সেই দাবিকে সমর্থন জানায়। অবশ্য বিজেপি এটাই পারে, দেশের ও দেশের বাইরে সকল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে গভীর যোগাযোগ রেখে চলে।
এদের হাতে কি আপনারা ২০২১ সালে ক্ষমতা তুলে দেবেন বলে আপনারা অনেকেই বুক বেঁধেছেন, তা বাঁধুন- যা হয় হোক, মুসলমানকে শিক্ষা দিতে হবে। আজ এরা বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করছে, কাল মুসলমান-কমিউনিষ্টদের দোহায় দিয়ে আবার দেশ ভাগ করে আপনাকে হাতে বাটি ধরিয়ে দেবে সেদিনের আগের আপনাদের চোখ ফুটবেনা। কুকুরের বাচ্চারও ৬ দিনে চোখ ফোটে, আপনারা কুত্তারও অধম তাই ৬ বছরেও চোখ ফোটেনি, আগামীতে ফুটবে সে আশঙ্কাও নেই।
তাই সিটবেল্ট কষে নিন, শ্রমিক গেছে, ছোট ব্যবসায়ী মরেছে, চাকরি নেই, এখন কৃষকও সেই পথেরই পথিক। তবে আম্বানী চতুর্থ ধনী হয়েছে। এর পর লক্ষ্য আপনি।
এভাবেই বিজেপি একদিন বাংলাকে ভাগ করবে, তারপর দেশ। সেদিন আবার এমনই কিছু খেদবমি করবো যদিনা মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে আওয়াজ বন্ধ করে দেয়।
তবে দেশ ভাগের আগে দেশের প্রায় যা কিছু বিক্রয়যোগ্য সবই গুজরাতীদের কাছে বেচে দেবে বা দান করে দেবে বা লুঠ করতে সহযোগিতা করবে বিজেপি-RSS সরকার। পরবর্তীতে গুজরাত রাষ্ট্রে তারা স্বমহিমায় ফিরে আসবে।
কারন মোদীকেও যে নোবেল পেতেই হবে।
মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন