বিজেপিকে আঁটকাতে তৃণমূলকে ভোটটি দেবেন, নতুবা "বিজেপি চলে আসবে"। এটাই তিনু নেতাদের ভাষণ- বিজেপিকে আঁটকানোর দায় কেবল মুসলমানেদের, বাকিরা বিজেপিতে যাতায়াত করবে ফুটবল মাঠের উইঙ্গারের মতো।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
তৃণমূলী মুসলমান
এদিকে তৃনমূল সরকার জণগণের ট্যাক্সের টাকায় পুরোহিত ভাতা হোক বা দুর্গাপূজায় ৫০ হাজার দিয়ে RSS তোষণ করে যাবে। অবশ্য তোষণ শব্দটা শুধুই মুসলমানেদের জন্য, বাকিদের জন্য তো খয়রাতি শব্দ ব্যবহৃত হয়। একটা সময় মেলা-খেলা-ক্লাবের নামে টাকা দান করতো, এখন চক্ষুলজ্জার শেষ পটিটা ছিঁড়ে সরাসরি RSS তোষণ।
বিজেপি শাসিত রাজ্যেও এতোটা নির্লজ্জতার সাথে এটা করতে পারেনি- কারন পরকিয়া সম্পর্কের টান অনেক বেশি হয়- যেমনটা তৃণমূল-RSS সম্পর্ক। আজকে যারা বিজেপি, গতকাল তারাই তো তৃণমূল ছিল। আজ পোশাক বদলে বিজেপি হয়েছে, কাল আবার বিপ্লব মিত্রের মতো কেউ কেউ ফিরে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে RSS এর বিজেপিকে প্রয়োজন কোথায়?
মুকুল বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সম্পাদক হয়েছে, কাল হয়তো রাহুল সিনহা তৃণমূলে এসে বড় পদ বাগাবে। এতো হামেসাই ঘটবে। শুধু মুসলমান নামধারী তৃণমূল গুলো উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে রইবে। একটা তৈরি সিদ্দিকুল্লাকে হারিয়ে দেবে, একটা ত্বহা সিদ্দিকী, একটা ইমাম বরকতী, একটা সুলতান আহমেদকে লোভের কাছে বিকিয়ে দেবে। দিনের শেষে মমতাই সংখ্যালঘু মন্ত্রী, RSS এর দুর্গাই মুসলমানেদের ত্রাতা- যে RSS দেশ থেকে মুসলমান তাড়াতে NRC করেছে। প্রসঙ্গত বাংলায় NRC এর প্রথম প্রস্তাব মমতারই ছিল।
আসলে বিজেপি, শিবসেনা, বজরং দল, তৃণমূল এদের বাপ তো একটাই- RSS
আজও এ রাজ্যে বিজেপি বলে আসলে কিছু নেই। কিছু ধান্দাবাজ রঙ পাল্টানো বাম নেতা, সাথে তৃণমূল থেকে লোনে যাওয়া কিছু রাজনৈতিক খেলোয়ার দিয়ে দল সাজিয়েছে RSS, মাথায় বসে আছে দিলীপ ঘোষের মতো গাম্বাট, যে RSS থেকেই এসেছে।
রাজ্যের ১৮টা আসন বিজেপি পেয়েছে এটা খাতায় সত্য, আসল ঘটনাটা আপনি আমি সবাই জানি যে এটা তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের প্রতিফলন। বিজেপি জেতেনি, বরং তৃণমূল হেরেছে। আর এ জন্যই মুসলমানেদের মগজধোলাই চলছে- বিজেপি এসে যাবে জুজু দেখিয়ে। আমার প্রশ্ন- যে রাজ্যে বিজেপি আছে তারা এ রাজ্যের চেয়ে কতটা খারাপ আছে?
তৃণমূল মুসলমানেদের জন্য করেছেটা কি ১০ বছরে? সাচার কমিটির রিপোর্ট তো আমরা জানি বামেরা কি দশা করেছিল তাদের ৩৪ বছরে, তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে তৃনমূলকে আনলেন। কিন্তু তৃনমূলের ১০ বছরের রাজত্বে মুসলমানকে এমন কবরে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে দাবীর আওয়াজ টুকুও তুলতে ভুলে গেছে।
তাই তৃণমূলপন্থী মুসলমান বলদগুলোকে বলি, "সাঁইবাড়ির হত্যাকান্ড, মরিচঝাঁপি, নন্দীগ্রামে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার উপকথা শুনতে শুনতেই" আপনারা সরাসরিই RSS করুন এবারে- শাহনওয়াজ হুসেন বা মুক্তার আব্বাস নকভির মতোন। ঘোমটার আড়ালে খ্যামটা নেচে লাভ কি? সরাসরি RSS করলে আপনাদের ক্লাবেও পূজোর নামে ৫০ হাজার তো আসবে। লম্বা দাড়ি রেখে মাথায় ফেজ পড়ে তৃণমূলের খয়রাতি দুর্গা পুজোতে প্রসাদ খেতে অন্তত ধর্মে বাঁধেনা আপনাদের। সর্বধর্ম সমন্বয়ের ব্রাণ্ডেম্বাসেডর হয়ে যাবেন পাড়ায় পাড়ায়।
চালচোরের দল করে যারা, ১০০ দিনের কাজের হারামের কামাই তে তাদের বংশের মর্যাদা বাড়বে তো বটেই। ভাইপো বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছে ১০ বছরে, সে ব্যাঙ্কক সিঙ্গাপুরে পালাবে। আপনি কি পেয়েছেন? আপনি কোথায় পালাবেন?
তাই গরু খেকো নামধারী মুসলমান সেজে চটি চেঁটে RSS করার পন্থা ছেড়ে সরাসরি গোমুত্র খেয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজের স্ত্রী কণ্যাদের উৎসর্গ করুন উঁচু জাতের নেতাদের প্রতি।
শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে মুক্তি। যাদের চেতনা চটির নীচে, অন্ধকারেই যে তাদের মুক্তি তা বলাই বাহুল্য।
তৃণমূল সেজে যতই RSS করুন, না ঘরের হবেন না ঘাটের। ধোপার কুত্তার মতো অজাত হয়েই রয়ে যাবেন শেষে। NRC হলে আপনিই সবাই আগে বলি হবেন, NIA জঙ্গি নাম দিয়ে যাকে খুশি তুলে নিয়ে গেলে তৃণমূল কিছু বলবেনা, কারন তাদের কিছু যায় আসেনা।
রাজীব কুমারের জন্য ধর্মতলায় ধর্ণা হয়, ভাইদের ছাড়াতে ভবানীপুর থানায় পৌছে যেতে পারেন মমতা ব্যানার্জী। কিন্তু পায়খানার চেম্বারকে সুড়ঙ্গপথ নাম দিয়ে কতগুলো গরীব মুসলমান গ্রেপ্তার হলে মমতা কী দারুন নির্লিপ্ত থাকে। মমতার পোষ্য মুসলমানগুলোও তখন বৌ এর সায়ার তলায় নিজের মুখ লুকায়। আসলে 'মুসলমানের মুরগি পোষা' নামের একটা বাগধারা আছে যেমন, তেমনই তৃণমূলের মুসলমান প্রীতি। ভোটের সময় 'ওগো তুমি আমার' ভোট গেলেই 'দুধেলগাই'।
কোথাও একটা পড়েছিলাম- পাকিস্তান জন্মাবার পর রেলে করে জিন্নাহ একবার করাচি থেকে লাহোর যাচ্ছিলেন, মধ্যের কোনো একটা স্টেশনে উৎসাহী ভক্তের দল জিন্নার দর্শন পেতে নির্দিষ্ট বগির জানালার কাছে এসে হল্লা করছিল। ভীষণ বিরক্ত জিন্না নাকি জানালা না খুলেই বলেছিলেন " বেশ্যার বাচ্চারা একটু ঘুমাতেও দেবেনা?" এই কথা শুনেই উপস্থিত জনতা উল্লাসে ফেটে পরেছিল, যে - হুজুর আমাদেরকে সম্বোধন করেছেন। কি বলে সম্বোধন করেছে সেটা কোনো বিষয়ই নয়, সম্বোধন করেছে সেটাই বড় কথা। বর্তমানে মমতা ব্যানার্জী আর তৃণমুলের মুসলমানদের অবস্থা একই। নাহলে দুধেল গাই বলার পরও কেউ কিভাবে তৃণমূল করতে পারে?
অমুসলিম তৃনমূল নেতা-কাঁথা হলে তাদের জন্য বিজেপির দরজা খোলা, আপনাকে তারা দলে নেবেনা- মনিরুল সাক্ষী। বিজেপির সাবান মাখলেই সব পাপ মাফ, কিন্তু আপনি যখন জেলে বা খুন হয়ে গেছেন তখন- আপনার মেয়ে বৌ এর জন্য ভিক্ষাপাত্রই জুটবে। বেশ্যাখানা অবশ্য খোলা আছে। বেশ্যাখানায় কেউ জাত শুধায়না, এটা একটা ভাল দিক। যে নিজের ভালো বোঝেনা তার জন্য ধ্বংসই একমাত্র ভবিতব্য।
কুত্তার বাচ্চাদেরও ১০ দিনে চোখ ফুটে যায়, চটিপন্থী মুসলমানেদের ১০ বছরেও চোখ ফোটেনি। আপনারা কবে বুঝবেন যে মমতা আসলে আপনাকে RSS বানিয়ে দিয়েছে। আপনার ইমানকে প্রশ্ন করুন- আপনি অদৌ মুসলিম না মুনাফেক?
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন