মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সব দায় সরকারের, শিক্ষকরা ধোয়া তুলসিপাতা?

 


ইস্কুল বিক্রির বিরুদ্ধে লড়াইটা শুধুই 'পিসি' সরকারের বিরুদ্ধে নাকি শিক্ষকদেরও বিরুদ্ধে?
সামনের সপ্তাহেই বেশ কিছু পুরসভায় ভোট। পুরসভা অঞ্চলেই মূলত চাকুরীজীবিরা বসবাস করেন।
ভোটকর্মীদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠরাই হলেন শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মী। এনারা মূলত পোষ্টাল ব্যালটে ভোট দেন, এই পুরসভা ভোটেও তেমনই দেবেন। পোষ্টাল ব্যালটের ভোটে কারচুপির সম্ভাবনা খুবই কম থাকে, ছাপ্পা, জালিয়াতি বা রিগিং করার তেমন সুযোগ থাকেনা বা হয়না এই মাৎসন্যায় এর যুগেও।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে ভার্চুয়ালি বা পথে নেমে, এই RSS পরিচালিত তৃণমূল সরকারের বিরোধিতার কেমন লাইন হবে- সেই সিদ্ধান্ত ঐ - পোস্টাল ব্যলটে প্রদত্ত ভোটের শতাংশ বিচার করেই নেব বা নিতে বলব শুভচিন্তাধর মানুষদের।
কারন বিষয়টা সরাসরি যাদের পেটের সাথে যুক্ত, তারা যদি ফুলের মধুর উপরে বিশ্বাস রাখে আজও বা নপুংসক হয়ে- অন্যের ঔরসে জন্মানো সন্তান সুখে বাৎসল্যের সোহাগ পাবার আশায় দিন গোনে-
আন্দোলনের রূপরেখা বদলাতে হবে বৈকি। কারন তখন আন্দোলনটা এই স্বার্থপর শিক্ষক সমাজের বিরুদ্ধেও হবে। সরকারের পাশাপাশি এই অপদার্থ ধান্দাবাজ (অ)শিক্ষকদের হাত থেকেও প্রজন্মকে সুরক্ষা দিতে হবে।
বাংলা একসময় শিক্ষায় উৎকৃষ্ট ছিল, সেইসময় উচ্চমেধার চাষ ছিল। এখন মধ্যমেধাও অতীত, গোটা সমাজেই নিম্নমেধা ছত্রাকের মতো ছেয়ে গেছে। ফলত আত্মসম্মান বোধটুকু হারিয়ে তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ। শিক্ষকেরাও এর বাইরে নয়- তারা অধিকাংশই ১০টা-৫টার পেশাদার 'টিচার', এনারা শিক্ষক ছিলেন বা আছেন কিনা এটার মূল্যায়ন জরুরী।
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর সেই শিক্ষা প্রদানটা অমেরুদণ্ডী চটিচাঁটা ক্লীবদের দ্বারা হয়না- সিদ্ধান্ত নেব আগামী পুরোভোটের পোস্টাল ব্যালটের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী শতাংশের হিসাব মিলিয়ে- তারা কোন দিকে আছে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...