বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

তেনার শারদীয় চিত্রাঙ্কন

 


একটা ভাবসম্প্রসারন

 

দৃশ্য ১- পিছনে ডাকের সাজ......

দৃশ্য ২- দরজার সামনে শুয়ে থাকা ভাঁটাংশু আজ বক সেজে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারই পিছনে চোর্মানিক (ব্যাক্তিকে নিজেকে খুঁজে নিতে হবে)

দৃশ্য ৩- একটা ধেঁড়ে ছুঁচো খাবারের লোভে এসে ভাঁটাংশুর পশ্চাদ্দেশে মুখ ঢুকিয়ে গোধূমবর্ণা কিছু পেয়ে, সেটাকে মণ্ডা ভেবে মুখে চালান করতেই- ছুঁচোর মুখ ছানা বড়া, পেটে হলুদ জন্ডিস। পেটে এক টুকরো সেই হরিদ্রাবর্ণযুক্ত অংশ- দৃশ্যমান

ওদিকে ছুঁচোর গোঁফ ও সরু মুখ/দাঁতের দ্বারা পায়ুমর্দনের সুখে ভাঁটাংশুর পূর্ণ অর্গাজম দশা উপনীত হয়েছে। চোখ মুখ সব মুদে নিয়ে (যদিও স্থানটা মুদিয়ালী নয়) কুঞ্চিত দশায়, শরীর ছোট্ট এট্টুখানি করে ছুঁচোর কাছে সম্পূর্ণ রূপে ধরা দিয়ে পশ্চাদ দেশ থেকে অর্গাজমের ফলস্বরূপ হলদে-সবুজে মোড়া অর্গাজমীয় উন্নয়নের ধারা ছাগলের নাদির মত ঝরে পরছে

এদিকে ছুঁচোর লেজ ঝুলে পরলেও, তুড়িও উল্লাসে লেজের লোমগুলো ময়ুরের পেখমের মত মেলে ধরেছে। ছুঁচোর নিচে ববির স্যান্ডো গেঞ্জিটা রয়েছে ঋতব্রতর বালিসে জড়ানো অবস্থায়- আসলে ভিতরে লুকিয়ে চোর্মানিক। ছুঁচোর একটা চোখ স্বস্থানে গোল্লাপ্রাপ্তি হলেও, আরেকটা চোখ তখন মুষ্ক প্রদেশের দিকে রওনা করেছে- স্থানের অদল বদলের জন্য

প্রেক্ষাপট ও সিদ্ধান্তঃ এটা কানতলা অস্তয়ন সঙ্ঘের জন্য আঁকা চোরাচার্য দ্য চটির আঁকা একটা মহার্ঘ্য মূর‍্যাল, অপার সংসারের জন্যএখানে ধর্ম আছে- ডাকের সাজের প্রতিরূপ, রাজনীতি আছে- ভাঁটাংশুর শুয়ে থাকা, উন্নয়ন আছে, পশুপ্রেম আছে, ইরোটিক বিষয়টা আছে, মানে সব সব সব আছে।

সাফল্যঃ- সবচেয়ে বড় কথা- তিনোমুলের যে মূল থিম, ‘যত পারো পোঁ* মেরে খাও ধর্মকে পাহাড়াতে রেখে, সেটাকে এর চেয়ে ভালো আর তুলে ধরা যেতোনা। এখানেই শিল্পীর সাফল্য।

 

মরাল অফ দ্য স্টোরি- পেরেচি, পেরেচি, মানে উদ্দার কর্তে পেরেচি......


বিঃদ্রঃ- আমায় জেলে নিয়ে গেলে, জিলাপি সহ দেখা করতে যে তোমরা।

 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইরান যুদ্ধঃ একটা অশ্লীল পোষ্ট

 Disclaimer: অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা লেখা আছে এখানে, প্লিজ কেউ পড়বেন না।  মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যারা ঘৃণা করেন, তারা কিন্তু এটা পড়ল...