শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০

দুর্গাপুজো


ছেঁড়া গেঞ্জিটাকে সেলাই করে, তার ওপর ঢলঢলে ফতুয়া পরে সবাইকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে যাওয়া লোকটাকে- বাবা বলেএক কৌটো গোবিন্দভোগ চাল আর সামান্য ঘি বাঁচিয়ে রেখে পুজোর মধ্যে একদিন পোলাও রান্না করা মহিলাকে- মা বলে

বন্ধুর জন্মদিনে পাওয়া চকোলেট টাকে লুকিয়ে সালোয়ার কামিজের ওড়নায় ভাই এর জন্য বেঁধে আনা মেয়েটাকে দিদি বলেকাঠি আইসক্রিমটা অর্ধেক গলিয়ে ফেলে হাতে নিয়ে দিদির জন্য এক ছুটে মাঠ পেরিয়ে ছুটতে থাকা ছেলেটাকে ভাই বলেফুলে ওঠা নতুন তাঁতের শাড়ি পরে দুটো ছোট ছেলে মেয়ের হাত ধরে বেরোনো বাতে পঙ্গু বৃদ্ধাকে ঠাকুমা বলে

ডিজাইনার পাঞ্জাবি পরে অঞ্জলি দিতে দিতে পাশের বাড়ির নতুন শাড়ি পরা মেয়েটাকে কলেজ পড়ুয়া ছেলেটির আড়চোখে দেখাটাকে ভালোলাগা বলেটরন্টো দুবাই থেকে ফিরে অষ্টমীর রাতে সবাই মিলে একজোট হয়ে হুইস্কির আসরে পাড়ার ইলেকট্রিশিয়ান হাবুকে নিমন্ত্রণ করাকে ছোটবেলার বন্ধুত্ব বলেশিল্পীর হাতে ছমাসের মেহনতে বানানো দুর্গাঠাকুর টিকে নাড়ি ছিন্ন করে বিক্রি করে সেই টাকায় অনাথ অসহায় পথ শিশুদের জন্য  জামাকাপড় কেনাটাকে মানবিকতা বলে

সপ্তমীর সকালে বউছেলে নিয়ে টানা গাড়ি করে গ্রামের বাড়ির পুজোতে হাজির হয়ে কাকা জ্যাঠাদের প্রণাম করে আশির্বাদ নেওয়া মানুষগুলোকে পরিবার বলেপুজোর জন্য ছুটি বাঁচিয়ে রেখেও, ছুটি না পেয়ে বাড়ি ফিরতে না পারা কর্তব্যনিষ্ঠ কর্মরত মানুষ গুলোকে ফৌজী বলেবিশ্বের সবথেকে মনোরম আরামদায়ক জায়গা ছেড়ে এ কদিন বিবাহিত মহিলারা যে বাড়িটাতে স্বর্গ মনে করে সেই বাড়িটাকে বাপের বাড়ি বলে

আর এই চিত্রকল্প গুলোকে একসঙ্গে সাজিয়ে নিলে যেটা তৈরি হয়, বাঙালিরা তাকে এককথায় দুর্গাপুজো বলে

 

 

রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০০৯

বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৮

মোক্ষ

 

লাশকাটা ঘরে শুয়ে

গলাপচা ধর-
খোয়াবেতে মিনা কারী
সহন নিথর।
কাল কাটে অভ্যেসে
ঘন্টা প্রহর-
অনধীন অবাধ্যতা
বিভীষিকা দৌড়।
অতৃপ্ত লোভ ভাবে
কামে সব সুখ
মদে ডোবা মোহ ভোলে
ভরষার বুক।

ইরান যুদ্ধঃ একটা অশ্লীল পোষ্ট

 Disclaimer: অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা লেখা আছে এখানে, প্লিজ কেউ পড়বেন না।  মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যারা ঘৃণা করেন, তারা কিন্তু এটা পড়ল...