মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১৬

মানালি ভ্রমণ

 


গরমে প্রা হাঁসফাঁস, রোদের তেজে চাঁদি টকবগ করে ফুটছে, গায়ে ফোষ্কা পরার জোগাড়। ঘনঘন ঠান্ডা জল পান করার পরেও গলা শুকিয়ে কাঠ। এরপর আছে সবার উপরে ঘাম সত্য তাহার উপরে ডিও। সামনেই স্কুলে স্কুলে গরমের ছুটি, ভোটের ফলাফলও আসন্নপ্রায়। ডান-বাম-রাম যে খুশি আসুক অশান্ত বাংলায় উষ্ণতা যে আরো বাড়বে তাতে আর আশ্চর্যের কি!

কথিত আছে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে, কিন্তু 'থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়' দীপুদার বাইরে তো ওই শুধু গ্যাংটক, আম বাঙালির এটাই ছুটির অতিপরিচিত গন্তব্য। তবে বাঙালী সুযোগ পেলে মাস্কের রকেটে চড়ে মঙ্গলেও যাওয়ার জন্য প্রস্তুত

তাহলে আর দেরি কেন, চলুন দীপুদার বাইরে একটা ভ্রমন সুচী তাহলে বানিয়েই ফেলা যাক- চলুন যাই দেবভূমি

গরমের শান্তি শীতলতায়, আর সেটার জন্য বাতানুকুল যন্ত্র ব্যাতিরেকে একমাত্র শান্তি বরফের দেশে। সেই বরফের দেশে অন্যতম সেরা গন্তব্য কুলু উপত্যাকার মানালি শৈল শহর। শান্ত ছিমছাম, আপেল আর পাম গাছে ঘেরা স্বপ্নের দেশ। স্ট্রবেরির লতার ফাঁকে স্বপ্নরা যেখানে বাসা বাঁধে। দুপাশে খাড়া পাহাড়, মাঝে অতল খাদ, কচি মেঘেদের ইতিউতি ছোটাছুটি, তীব্র মিঠে রোদ্র, মাঝে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, আর মধ্যে পাহাড়ের বুক চিড়ে একপাস দিয়ে ছুটে চলেছে পর্যটকদের যানবাহন। দুপাশে কত শত পাহাড়ি ঝর্ণা, অজানা অচেলা লতা গুল্ম, ফুল, অর্কিড, প্রাথমিকভাবে নেশা ধরিয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট। যদিও হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের গোটাটাই পোষ্টকার্ডের ছবির মত সুন্দর। ভিডিও গ্যামসের কম্পিউটারাইজড দুর্গম রাস্তা গুলো এখানে জ্যান্ত হয়ে উঠে, দিনের বেলায় এই পথে সাওয়ারি করলে তবেই পথের মজাটা উপভোগ করা যা

মানালি, কথিত আছে, সনাতন ধর্মের আদি পুরুষ মনুর বাসভুমি ছিল এই মানালি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৭০০ ফুট উচ্চতায়, খরস্রোতা বিপাসা নদের তীরে অবস্থিত এই শৈলশহর। মনু আলয়া কথাটি থেকেই হয়ত মানালি শব্দটার উৎপত্তি। অসংখ্য মুনি ঋষিবরেরা পুরাকালে এই সকল অঞ্চলেই নাকি ধ্যন সাধনায় বসতেন। মহাভারতের পান্ডবদের বনবাস পর্ব ও নাকি এখানেই হয়েছিল। এই কারনেই মানালিকে দেবভূমি রূপে চিহ্নিত করা হয় মুলত পর্যটন এখানকার মুল রুটিরুজি, তাই স্থানীয় মানুষেরা অত্যন্ত পর্যটক সচেতন। এদের দ্বিতীয় আয় আসে আপেল থেকে, তাই আপেল বিলাসী বাঙালীদের সেরা গন্তব্য মানালি। আপেলের সাদা ফুলে দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় দুঃখ-কষ্ট, চাওয়া-পাওয়াকে ভুলে থাকতে, কটাদিন মানালিতে নিশ্চিন্ত যাপন করতেই পারেন।

কিভাবে যাবেন? ট্রেনে হাওড়া বা শিয়ালদা স্টেশন থেকে সোজা দিল্লি বা চন্ডীগড়। কালকা মেলে ডাইরেক্ট কালকা পর্যন্তও যেতে পারেন। ট্রেন ভেদে ১৭ থেকে ২৬ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। দিল্লি পর্যন্ত ভাড়া স্লিপার ক্লাসে ৬০০-৭০০ টাকা, 3AC তে ১৫০০ থেকে ২১০০ টাকা পর্যন্তরেস্ত বেশি থাকলে বিমানে কোলকাতা থেকে দিল্লি, চন্ডিগড় বা মানালির সবচেয়ে নিকটবর্তী ভুন্তার বিমানপোত অবতরন করতে পারেন। ভুন্তারকে মিনি ইজরায়েল বলা হয়ে থাকে।

বাসে/মোটোর গাড়িতে ৮ থেকে ১১ ঘন্টার জার্নি। দিল্লি চন্ডিগড় থেকে বৈকাল চারটে থেকে, প্রতি আধাঘন্টায় ২/২ পুশব্যাক ভলভো বাস পেয়ে যাবেন। দিল্লির আজমিরী গেট, পাহাড়গঞ্জ, মজনু কা টিলা ইত্যাদি বাসস্টপ থেকে বাস পেয়ে যাবেন। তবে অগ্রিম অনলাইন বুকিং করে নেওয়া ভালো, RED BUS, yatra.com, makemytrip ইত্যাদি সাইট গুলো থেকে বাস বুকিং করা যায়। সিজেন ভেদে AC তে সিট প্রতি ভাড়া ৯০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত।

কমপক্ষে জনের গ্রুপ তথা ২-৩ টে পরিবার একসাথে থাকলে, সেক্ষেত্রে Tempo Traveler ভাড়া করে নেওয়া অত্যন্ত সাশ্রয়ী। ৯, ১২, ১৫, ও ১৮ সিটারের পর্যন্ত টেম্পো পাওয়া যায়। ৩ রাত-৪ দিন, ৫ রাত-৬ দিন, ৬রাত-৭ দিন হিসাবে ভাড়া পেতে পারেন। মোটামুটি ২০০০০/- টাকা থেকে ৫০০০০/- টাকা পর্যন্ত ভাড়া পরে

সকালে রোদের সাথে চোখ খুললেই ভেসে উঠবে কবির কল্পনায় উঠে আশা সকল দৃশ্যপট, যেন কোন শিল্পীর লাইভ চিত্র প্রদর্শনী দেখছেন। পাহাড়ের আড়ালে হঠাৎ করে উদয় হওয়া দিগন্ত বিস্তৃত চোখ জুড়ানো সবুজের প্রান্তে বরফের মুকুট পরে হিমালয় আপনাকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত। আরেকটু সময় এগোলেই যখন সুর্যের প্রথম কিরন ওই বরফে প্রতিফলিত হবে, সেই রূপ কল্পনারও অতীত। যেন হিরকের দ্যুতি।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভিরে শহরের সৌন্দর্য খুজতে গেলে একটু কষ্টই পাবেন। অন্যান্য শৈল শহরগুলোর মতই মানালির মূল শহরতলীরাস্তার দুধারে হোটেল, রেস্তোরা, ট্রাভেল এজেন্টদের অফিস, আর পর্যটকদের যানবাহনের ভিড়। পরিচ্ছন্নতায় মানালি শহর মধ্যম মানের, অনেক স্থানেই নর্দমার জল সোজা নদীতে গিয়েই পড়ছে। গাড়ির কালো ধোঁয়াতে বরফ পর্যন্ত কালো কয়লার মতন দেখতে লাগে সোলাং ভ্যালির ওই দিকটাতে। এগুলোকে অবশ্যই ভাবনার মধ্যে রাখতে হবে।

কোথায় থাকবেন? এক রাত্রি ট্রেন জার্নির পরদিন সারারা বাসে বা গাড়িতে এসে যখন পৌছাবেন, ইচ্ছা তো করবে যেখানে খুশি শুয়ে পরতে। কুলকুল শব্দে বয়ে চলা নদী তীরই হোক বা সবুজ ঘাসের গালিচা কিম্বা আপেল বাগান, যেখানে শোবেন সেখানেই ঘুম আসতে বাধ্য, অন্তত মানালিতে।

সরাই খানা বা মুসাফিরখানা থেকে এক্কেবারে সাততারা বিশিষ্ট হোটেল মজুদ রয়েছে মানালিতে। সস্তার ডর্মেটরিও পেয়ে যেতেই পারেন খুঁজলে। যদি ট্যাঁকের জোর থাকে সেক্ষেত্রে নদীর এক্কেবারে তটে বা বরফের চাদরের উপরে টেন্ট হাউস নিতেও পারেন, যা এক কথায় অনবদ্য। তবে বাচ্চা বা বয়স্কদের জন্য সম্পূর্ন নিরাপদ নয়। হোটেল এড়িয়ে সবচেয়ে ভালো বিভিন্ন জাতের হলিডে হোম, বাংলো, কটেজ, হোমস্টে ইত্যাদি, এখানে মান অনুযায়ী রেস্তটা খসবে। মোটামুটি ৫০০ টাকা প্রতি রাত থেকে ২০০০০/- টাকা প্রতি রাত পর্যন্ত বাজেটের পাওয়া যায়। হানিমুন কাপলদের জন্য সর্বত্র বিশেষ প্যাকেজ বা সুবিধা থাকে, এখানেও তার ব্যতিক্রম নেই। অবিশ্যি মনের মাঝে প্রেম জ্যান্ত থাকলে যে কোন কাপলই হানিমুন করতেই পারেন। তাতে বয়স ১৮ হোক বা ৮১, মনটা যুবক থাকলেই হল। তবে কটেজে থাকার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে অনন্য, নিজেরা থেকে এই রিভিউ দিচ্ছি। গ্রুপ ট্যুর বা ফ্যামিলি ট্যুরে ৩-৪ বেডরুম বিশিষ্ট একটা গোটা কটেজ বুক করতে পারলে আপনি সত্যিই জিতে যাবেনগোটা বিল্ডিং এ নিজেদের লোক ছাড়া কোন ঝঞ্ঝাট নেই, মোবাইলটা সাইলেন্ট মোডে রেখে দিলেই- শান্ত নিস্তব্ধ নিরুপদ্রব জীবনযাপন। যদিও এখানে সর্বত্র মোবাইলের সিগন্যাল পাওয়া যায়না, তা সত্বেও অন্তর্জাল দুনিয়া থেকে এই সময়টুকু দূরে থাকায় শ্রেয়।

সকল পাহাড়ি জায়গার মতন এখানেও খাবারের দাম সমতলের তুলনায় অনেকটায় বেশী, তবে নাগালের বাইরে নয়। অবশ্য ঘুতে গিয়ে খাবারের পিছনে পরে থাকা অর্থহীন বোকামি! দিনপ্রতি মাথাপিছু ২৫০-৪০০ টাকার মানসম্মত ব্রেকফাষ্ট থেকে ডিনার করা সম্ভব। জাঙ্কফুড বা বিরিয়ানি পোলাও এর মত ভারী খাবার না খাওয়াই ভাল। জলটা সকল সময় পাউচ বা সিল প্যাকড বোতল কিনে খাবার চেষ্টা করবেন। পাহাড়ি জল খেয়ে অনেক সময় পেটের সমস্যা তৈরি হয়।

কোথায় ঘুরবেন? গোটা হিমাচল প্রদেশটার প্রতিটা অংশই বোধহয় ভ্রমনপিপাসুদের স্বর্গ। তার মধ্যেও বিশেষ কিছু কিছু স্থানে গেলে কেকের উপরে চেরির কাজ করবে। পাহাড়ি খরস্রোতা বিপাসা নদটিকেই দেখার মতন, যদি কষ্টকরে এই প্রানবন্ত বরফ শীতল জলে সাহ করে পৌছাতে পারেন, তাহলে তার সুখানুভুতি অতীতের অনেক সুখকে ম্লান করে দেবার ক্ষমতা রাখে। লক্ষ কোটি নুড়ি পাথরের বাঁধাকে টপকে সমতলের উদ্দেশ্যে ছুটে চলা নদীতে- দুই তীরের অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে দেখতে র‍্যাফটিং অন্যতম আকর্ষন।

মহাভারতের একটা বড় অংশ এখানকার স্থানীয় ঘটনা। যেমন মহাবলী ভীমে ও রাক্ষসী হিড়িম্বার পরিনয়, তাদের পুত্র ঘটোৎকচের জন্ম। সুতরাং ধর্মে বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক, সুন্দর বনানীতে ঘেরা কাঠের কারুকার্য খচিত প্যাগোডা ধাঁচের হিড়িম্বা মন্দিরটি মানালির অন্যতম আকর্ষন।

সোলাং ভ্যালি। একে আপনি বাংলায় বলতেই পারেন সিনেমায় যেমনটি হয়। আসলেও তাই। শীতকালে পুরু বরফের চাদরে মোড়া, মাথার উপরে রোপওয়ে সাথে স্কি সহ নানা আইস গেম। বরফ না থাকলে, যেন একটুকরো সুইজারল্যান্ড, সব পেয়েছির দেশ। প্যারাগ্লাইডিং অন্যতম আকর্ষন। বহু বলিউডি বা বাংলা সিনেমায় দেখা দৃশ্য হঠাৎ নিজের চোখে আবিষ্কার করলে চমকানোর কিছু নেই। আসলে আপনিও ঠিক সেই খানেই আছেন, যেখানে আপনার স্বপ্নের নায়ক নায়িকারা বিচর করেছিল

ইয়ে ইস্ক হায়... শাহিদ কাপুর আর করিনা কাপুর অভিনিত জাব উই মেট সিনেমাটার দৃশ্যটা একবার জাষ্ট চোখবুজে কল্পনা করে নিন। ঠিক ধরেছেন, অন্তত ১৫-২০ ফুট বরফ গভীর ভাবে কেটে রাস্তা বানিয়ে নায়ক নায়িকা জিপ গাড়ি করে গান গেয়ে চলেছেন, দুপাশে বরফের দেওয়াল। রোটাং পাস হল সেই জাইগা। এখানে এলে মনে হবে পৃথিবিতে অদৌ মাটি আছে! নাকি সবটাই বরফ? আসলে এখানে যতদুর চোখ যাবে সবটাই বর বরফ আর বরফ। এমন নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পাবেন রোটাং পাসে। যেটা কেবল মাত্র গ্রীষ্মকালেই উপলব্ধ, কারন গ্রীষ্মে যেখানে এতো বরফ, শীতে যে সেই রাস্তা যান চলাচলের অযোগ্য, তা বলাই বাহুল্য।

নাজ্ঞার ক্যাসেল, যেখানে নাজ্ঞা রাজাদের স্থাপত্য আপনাকে এক লহমায় পাঁচ সাতশো বছর পিছনে নিয়ে যাবেই। মণিকরণ উষ্ণ প্রসবন, সে এক অপরুপ দৃশ্য। নিজের চোখে না দেখলে এই স্থানের বর্ননা করা মুসকিলএছারা বিপাসা কুন্ড, ভৃগু কুন্ড, যোগিনী প্রপাত, ভ্যানবিহার, কলা মিউজিয়াম, গুলাবা, মনু মন্দির, ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান

রক ক্লাইম্বিং, ট্রেকিং প্যারাগ্লাইডিং, জাম্পিং, সহ বাইক ট্যুর আপনি করতেই পারেন। এখানে প্রতি দিন হিসাবে মোটর বাইক ভাড়া পাওয়া যায়। সুতরাং শখ থাকলে একবার ট্রায় করতেই পারেন। খরচ নাগালের মধ্যেই।

কুলু উপত্যাকা, ফুলের সমারোহ। বহু এ্যালোপ্যাথি ওষুধের কারখানা বা রসায়নাগার এখানেই তাদের কারখানা খুলে বসেছে। মানালী শীত প্রধান অঞ্চল, তাই এখানে বাহারী শাল- সোয়েটার টুপি মাফলার অত্যন্ত সস্তাতে পাওয়া যায়, নক্সাদার শীত বস্ত্রের নিজশ্ব ঠিকানা।

দৈনিক অর্ধ দিবস ও পূর্ন দিবসের ভিত্তিতে লোকাল সাইট সিয়িং এর জন্য গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। ১২০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা দৈনিক ভাড়া। অল্টো থেকে ইনোভা যা খুশি আপনি ভাড়া করতে পারেন। এছারাও অনেক ছোট ছোট স্থান পথে পরবে , যা আপনাকে বিমোহিত করার জন্য যথেষ্ট।

এবার ফেরাফেরার রাস্তাটা যদি মানালি থেকে ভায়া সিমলা হয়ে করতে পারেন এবং সেটা দিনের বেলায়, তাহলে পয়শা উশুল ট্রিপ হতেই হবে। এক্কেবারে সোনায় সোহাগা। পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর দুর্গমতম সুন্দর রাস্তার শিরোপা পেয়েছে এই রাস্তাটি। সুতরাং সুযোগ হাতছারা না করাই ভাল। এর পরে সম্ভব হলে আধাবেলা চন্ডীগড় মার্কেটটা ঘুরে দেখুন, আপনার ভাল লাগতে বাধ্য।

অবশ্য করনীয়শীত পোষাক অবশ্যই সাথে রাখতে হবে, বিশেষ করে বাচ্চা আর বয়ষ্কদের জনা। পরিচয় পত্র, জলের বোতল বা ক্যান, রোদ চসমা, সানক্রিম, স্পোর্টস স্যু, এটিএম কার্ড আর যতটা সম্ভব কম লাগেজ। চার রাত পাঁচদিনের ট্যুরে কমপক্ষে মাথাপিছু ১৬- থেকে কুড়ি হাজারের মত খরচ হবে সর্বমোট।

ব্যাস আর কি তাহলে ব্যাগ প্যাক করে রওনা হওয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু করা যাকআর হ্যাঁ, আমি আবার সপরিবারে যাচ্ছি মানালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে আরো একবার নিজেকে হারিয়ে ফেলতে। আমাদের রওনা ২৩শে মেচলেই আসুন, হয়তো একসাথেই এঞ্জয় করা যাবে

 

১০/০৫/২০১৬

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...