অদ্বুধুরে
বিষয়ঃ সমকাল
‘কি করে তোকে বলব, তুই যে চামার’। না পেশাদার চসমখোর না হলে দুম করে কাওকে চামার বলা যায় না। তবে গলায়
গলায় বন্ধু হলে অবশ্য সবটাই সম্ভব। অবিশ্যি আজকাল গলায় গলায় বন্ধুত্ব আর হয় কোথায়, সবটাই জালি বন্ধুত্ব, মানে অন্তর্জালের মায়া। তার পরেও যদি বন্ধুত্বটা গলাতে কফের মত এসে আটকে
যায়,
তাহলে নির্ঘাত আপনি রামধনু পতাকার নিশ্চিন্ত
ছায়াতলে।
রামধনুর কথা উঠলে বঙ্গ
রাজনীতির কথা আর চাপা থাকে কি করে! অম্বলের চোয়া ঢেকুরের মত ঠিক টাকরার কাছে
জ্বালা করবেই। জোট ঘ্যোট রামধনু এই শব্দগুলো সারদা নারদা উড়ালপুলের মতই
প্রাসঙ্গিক। তাই, মমতাহীন সূর্যের
তাপে রাজনীতির মানসপুত্র পাবলিক, অধীর আগ্রহে
চাতকের মত ফলের প্রতিক্ষায় অমিতবিক্রম দেখানোর জন্য প্রস্তুত। অনু, পরমানুবোমা নিয়ে
ভেরীকাঘাতের জন্য প্রস্তুত। বিমান বাহিনী থেকে অর্জুনাশিষ্য সক্কলেই সব্যসাচী
স্বরুপ পঞ্চহস্তে প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত। গণতন্ত্রের ভোটোৎসব, বঙ্গদেশে যেখানে চোদ্দতম পার্বন রুপে অত্যান্ত ভক্তিভরে ও সমারোহে পালিত
তথা পূজিত, এবং আরাধ্য দেব-দেবীরাও অত্যন্ত
জাগ্রত,
সেখানে বিনা রক্তপাতে পূজাচার সম্পন্ন হবে, সেটা ভাবার মত ম্লেচ্ছতর কর্ম আর দ্বিতীয়টি নাই।
রক্তের কথায় মনে পরে, প্রথম দৃশ্যঃ- কোলকাতায় মাথার উপরে, বিরোধীদের ভাষায় উন্নয়ন ভেঙ্গে পড়ল, বাম –ডান –রাম সকলেই ছুটিয়া চলেছে নিজের নিজের ইস্টাইলে। শাষক গোটা
মহাকরণটিকেই ঘন্টা দুয়েকের জন্য ভাঙ্গা ব্রিজের তলে স্থানান্তরিত করে ফেল্লো, তো আবার বাম মানিকতলায় রক্তারক্তি কান্ড ঘটাচ্ছে, আর ‘রাম’ মাঝ রাতের কিছু আগে সুসজ্জিত হইয়া একবার আবশ্যিক হাজিরা দিয়ে মুখ
রক্ষা করল। সমগ্র বঙ্গবাসীর সে কী আকুল হায় হায় রব। এমনকি
তাসলিমা নাসরিনও ফেসবুকে একটা গোটা প্রবন্ধ লিখে ফেল্লো। সমবেত দীর্ঘশ্বাসের গরম হাওয়াতেই যাবতীয় ঘা- ফুসকুরির
উপরে পুরু মামরি জমে গেল।
এবার দৃশ্য দুইঃ শান্তিপুর। আবার ঘটল নৌকাডুবি। না, এ মোটেই কাব্যের নৌকাডুবি নয়, তাই অন্যের বউ লাভের সৌভাগ্য ঘটে নাই। যেটা ঘটেছিল তা হল
শুধু হাহাকার। স্থানের নাম কাল-না হলে কি হবে, কালবিলম্বের অন্য তম সাক্ষী এই নৌকাডুবি এবং কালনা মহকুমা হাসপাতাল।
চুরান্ত প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আমাদের বিদায়ী (জানিনা পরবর্তী তে
আসবেন কিনা তাই) মুখ্যমন্ত্রীর দর্শনে “ ওটা তো গ্রামের ঘটনা”, বলিয়া উনি হয়ত আসেন নাই। যেহেতু ওখানে শাসক নেই, তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই মানুষের মহাজোটও নেই। লম্বা দাড়ির জমিয়েত নেই, হাফপ্যান্টের গলার শির ফোলানো দেশপ্রেমিকের দলও নেই।
তবে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থীর মারের চোটে লাল হয়ে ফুলে যাওয়া লোমশ
পৃষ্ঠদেশ যতটা ফুটেজ পেয়েছে, মূল নৌকাডুবি
কিছুক্ষনের জন্য TRP হারিয়েছিল।
আসলে এমনিতেই বিরাট কোহলির ফর্ম সপ্তমে, তাই আইপিএল আর ভোটের ফলের পূর্বাভাস দেওয়া হাফ জ্যোতিষী হবার মত গরম রগরগে টপিক ছেড়ে
কে ওই ঘোলা জলে যায় বলুন তো?
আরে বাবা কটা হিন্দু মরলো, কটাই বা নেড়ে
পাপীষ্ঠ, কতগুলো
দেশদ্রোহী, গুন্তি করার
জন্য কেউ নেই। দাড়ি হয়ত ভাবল , আরে ও কটা তো হিঁদু, মরুকগে। টিকির দল ভাবল , এ হল ইশ্বরের আশীর্বাদ, সরাসরী গঙ্গাপ্রাপ্তি। এ বড়ই সৌভাগ্যের, তাই ভগবানের কর্মে কাঠি না করায় শ্রেয়। পাবলিক কিন্তু ভাবিয়াছে। তাদের
যাবতীয় ক্ষোভ সহ সলিলসমাধি হওয়া মানুষ গুলোর আত্মার তর্পনের উদ্দেশ্যে কয়েকটা নৌকা
ট্রলার পুড়িয়ে শ্রাদ্ধ শান্তি দায়িত্ব সহকারে করেছেন। মাঝখান থেকে ভবাপাগলা মুচকি
হেসে এককুড়ি লাশের তর্পন অত্যন্ত প্রসন্ন চিত্তে গ্রহন করিয়া নিজেকে জাগ্রত প্রমান
করিলেন।
দুঃখের কথাটা অন্য স্থানে। নির্বাচন কমিশনকে ভোটে লড়তে হয়না, তাই তাদের মৃত পরিবারকে ক্ষতিপূরন দেবারও দায় নেই।
ঘটনাক্রমে রাজ্যটা এখন তাদেরই অধীনে। দিদি বা দাদা কেউই পরবর্তী উৎপীড়ক পদের জন্য ঠিকঠাক আত্মবিশ্বাসী নয়, তাই কেও জলে ঝাঁপিয়ে পড়েনি। ২০ টা লাশ মিলুক বা নিখোঁজ, এখন সেটা ৪০ হলেও কী আসে যায় তাতে, কারন জল বা জলপথ কোনটাই যে ইঞ্চিতে মাপা সম্ভব নয়।
ধর্ষণ এখন, বোরোলীনের বিজ্ঞাপনের মতই “বঙ্গ জীবনের অঙ্গ”। আজকাল
বৈদুত্যিন মিডিয়ার কল্যানে জাপানী তৈল আর রকেটে ক্যাপসুলের দরাজ উপস্থিতিই চোখের
তথাকথিত পটিকে উল্টিয়ে দিয়েছে। তাই দুই হস্ত ও পদযুগল ব্যাতিরেকেও পুরুষলিঙ্গ এক্ষেত্রে পঞ্চম হস্ত স্বরূপ। রাগ হলে ধর্ষণ করা যায়, একাকিত্ব কাটাতে ধর্ষণের জুড়ি নেই, হর্ষ ও উল্লাসের
আধুনিকতম মূর্ত প্রতীক হল এই ধর্ষণ। ক্লাবে, রকে, ঠেকে, কোর্টে, সংবাদপত্রে, আইনসভা থেকে মাচা সর্বত্র ধর্ষণ সম্বন্ধীয় গূঢ় আলোচোনায়
নিমগ্ন। মুড়ি আর আলু শুনেছিলাম সব কিছুতেই চলে, ধর্ষণটা নবতম সংযোজন। এর পর জন্মদিন বা শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের মেনুতে হয়ত একটা
ধর্ষণের পদ রাখা হবে। কারন বৈবাহিলক
সম্পর্কে ইতিমধ্যেই ধর্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
অনেকেই সুখ পেতে চায়, কারো সুখ ত্যাগে- তো কারো ভোগে।
ঠিক তেমনই কেউ কেউ যন্ত্রণা চায়।
কারন তারা একঘেয়ে সুখের জীবনে আর বৈচিত্র পাচ্ছেনা, তাই যন্ত্রনাই চাই, যাতে সুখকে আবার খুঁজে পাওয়া
যায়। আজকাল দেশের হত্তাকর্তারা চারিদিকে মৌলবাদী মেরুকরনকে এলাকোষীর মত, চুলকানির কারক হিসাবে ছিটিয়ে , দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি ও দুর্নীতির রাম চিমটি কেটে , পাবলিককে বলছে “একটু হাসুন”। বলি কাকা, আফনেরা যা কত্তিচেন, তাতে ঘোড়াতেও হাসতিসে, আমি তো কোন ছাড়।
দোলে দোদুল দোলে দোলোনা... কি করে আর দোদুল দুলবে! আন- দোলনের চোটে ত্রাহী
ত্রাহী রব বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর গুলোয়। বিশেষ করে যেখানে লাল ঝান্ডার রাজত্ব।
ঐতিহাসিক ভাবে সত্য এটাই যে, চুরান্ত
ধান্দাবাজ ছাড়া কোন শিক্ষিত চিন্তাশীল রুচীবান মানুষ উগ্র মতাদর্শবাদী কোন দল বা
সংগঠনের সাথে নিজেকে জড়াবেন না। তার পরেও যদি কেউ জড়িয়ে যান, সেটা নিশ্চই তার
সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। আর এ রোগ বড় ছোঁয়াচে। বিগত শতাব্দীর হাম, যক্ষা বা কলেরার থেকেও মহামারী। সমগ্র বিশ্বে নানা বেশে, নানা রঙে রাঙানো এদের পতাকা। নাম আর অবস্থান ভেদে এদের
মৌলিক চরিত্রের কোন পার্থক্য নেই। আমাদের দেশের সমস্যাটা হল, এরাই দেশপ্রেমের সার্ভিস সেন্টার খুলে বসেছে। হয় এদের
রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নাও, নইলেই চাপাতি।
ধুতে বাছতেই সাবার, তো পাগলা খাবি
কি!
মধ্যবিত্তের অবশ্য কোন কিছুতেই কোন হোলদোল নেই। মেনকা বৌদির সাথে ঘেমো
সম্ভোগে বরং বেশি কসরৎ করতে হয়, আর তা না থাকলে
মোবাইলের মায়াবী স্ক্রীনে সানি মামনি।
স্খলনের রেডিমেড পন্থা। ওই টুকুই তো রোমান্স, দেড় থেকে বড় জোর ১০ মিনিট, বাকি তো সেই
এবিপি আনন্দ নাহলে সাবটিভির জ্যেঠালাল। সকালে উঠে ইলিশের দাম দড় করে চুনো মাছ কিনে বাড়ি এসে, একটা ‘উইন উইন’ ভাব তৈরি করা। অফিসে... গরমে দুদন্ড শান্তি নাই। গরমকাল এমনিতেই “ফলে
ফলে ঢলে ঢলে... , আম জাম কাঠাল তো
আছেই সাথে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক
জয়েন্ট,
আর এবছর তো কুম্ভযোগ। বিধানসভার ফল। আর তার
জন্য কী রোমান্টিক দীর্ঘ প্রতিক্ষা।
প্রতিযোগীদের জন্য অবশ্য কমোডে বসে কোষ্ঠকাঠিন্যের
সুখানুভূতি।
একটা দল যদি মনোজদের অদ্ভুতবাড়ি হয়, তাহলে আরেকটি নিশ্চিত হযবরল। নরেন খুড়ো মাঝে মাঝে তারিণী খুড়ো স্টাইলে
আষাঢ়ে গপ্পো শুনিয়ে যাচ্ছেন, সে পর্যন্তও
মানা যেতেই পারে, বাস্তবিক
মানছিও। কিন্তু এরা টম জেরির স্টাইলে মারামারিটা করতে পারেনা। মারবে কিন্তু মরবে
না। কথায় কথায় বাপ-মা তুলে উদোম খিস্তি। বলি সাগর ঘোষ বেনে বা বানিয়ে কি লাভ! আদপে
তো সব্বাই সেই হৃদয়।
দেশ যে দ্রুত হারে উন্নয়ন করছে তা আমাদের শাষক দলের নেতাদের দেখলেই বোঝা যায়।
দেখুন কেউ তো আর দাতা কর্ন নয়, যে সব ভুলে পরোপকার্থে ঝাঁপিয়ে পরবেন। আরে বাবা ঝাঁপানোর জন্য দেহে বল
প্রয়োজন, তার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন নিজের
উন্নতি,
স্ব-উন্নয়ন চুরান্ত সীমা অতক্রম করে নিশ্চিত
উপচে পরবে, আর আগামীতে তারা ক্ষমতায় এসে এই
উপচে পরা উন্নয়নের বন্যায় দেশবাসীকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। বিরোধী আসনে বসলে শক্তিশালী বিরোধী হবেন যে তাতে সন্দেহ
নাই।
বিপ্লব স্তিমিত নেই, কোথাও প্রেমের
তো কোথাও যৌনতার। বিপ্লব এখন রিলে রেস হিসাবে চলছে। আজ রোহিত ভেমুলা তো কাল কানাইয়া কুমার। অবশ্যই মাননীয়
শঙ্কু স্যার প্রবাদপ্রতিম। মাঝে ঘোষ বাবুও লাইমলাইটে আসার কম চেষ্টা চালাচ্ছেন না।
কিন্তু লাইম মানে চুন, আর পরিমান না
জেনে খেলে গাল পুড়বে, হচ্ছেও তাই। ইথারের দুনিয়া বিপ্লবের পরিসরকে বাড়িয়ে দিয়েছে সন্দেহ
নাই। কিন্তু সমাজটা তো মধ্যবিত্তের। যারা সেফ খেলতেই পছন্দ করেন। এনারা
অন্তর্জালের সম্রাট, নিতান্তই ভাতের
থালায় লাথ না পরলে পথে নামেন না, তাও সেলফি
তুলতেই অর্ধেক সময় কেটে যায়। এর পর আছে ঠিকিঠাক
প্রফস নির্বাচন। বায়ু আর ইশ্বরের মতই তৃতীয় সত্য হচ্ছে মিডিয়া, জলে স্থলে অন্তরিক্ষ সহ এরা সকল স্থানেই হাজির। কিছু কিছু মানুষের
মনেও। বিপ্লবের শীঘ্রপতন। বাটিকা স্বরুপ যে সকল জরিবুটির
আমদানি হচ্ছে তাতে স্ট্যান্ড আপ কমেডিকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে- বিপ্লব বাবু। যেন, চুমু- ন্যাপকিন বা ব্রা-প্যান্টি।
চটির স্বর্ণযুগ কখনও লেখা হলে, তা নিশ্চত এই সময়কালটাই যে হবে তাতে কারো সন্দেহ নাই। নবান্নে হোক বা
সাংবাদিক বৈঠকে- বক্তাকে লক্ষ্য করে ছুড়ে, আবার বটতলার চটির অনলাইন সংস্করণের একনিষ্ঠ পাঠক হয়ে, চটিকে আমরা অমরত্ব প্রদান করেছি।
বিগত পাঁচ বছরে ভাগ্যিস আর কোন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি, নাহলে সমাজে ক্লীব লিঙ্গের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেত
আদমশুমারিতে। শিক্ষক প্রজাতি এক বিশেষ ধরনের অজানা ভাইরাসের প্রভাবে অভিযোজিত হয়ে এই পর্যায়ে উপনীত। এরা সময়ে বেতন পান না, কাজের ঠিক নেই, অনেক শিক্ষক আছেন যাদের ছাত্রদের পড়ানো ছাড়া বাকি সকল কিছুই করতে হয়। এনারা
নিজেদের প্রাচীন যুগের দাস হিসাবে ভাবতে পছন্দ করেন। প্রতিবাদ কী জিনিস এনারা জানেননা, কেও কেও তো এই শব্দটার নামই শোনেননি, কেও ভুলক্রমে শুনে ফেললে এটা নিষিদ্ধতালিকায় ফেলে ব্লক
করে দিয়েছেন। নিতান্ত হাতেগোনা ব্যাতিক্রম ছাড়া কেউ শত অপমানেও মুখে রা কাটেন না, কিন্তু ফেসবুকে নীতিকথায় ফোয়ারা ছোটান। মোটকথা সমাজের সবচেয়ে ভীরু প্রজাতি
হল শিক্ষক সমাজ।
উদয়ন পন্ডিতেরা আজ রাজার আস্তিনের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। এবিপিতেও এক উদয়ন
আছে বটে। বাকি যারা ছিলেন তাদের জন্য যন্তরমন্তর ঘরের মগজধোলাই। ব্যাস, বৃত্ত সম্পূর্ন। তাই কেউ বলার নেই ‘দড়ি ধরে মারো টান”... তবে হ্যাঁ, আধুনিক শিক্ষকেরা ফেসবুকটা করেন মন দিয়ে, সাথে এঁড়ে তর্ক।
আমার চেনা পরিচিত এমন কয়েকজন আছেন, আগামিতে বিএড করার পাশাপাশি ফেসবুকের এক্টিভিটিও যেন মার্কসে যোগ হবে এই ভেবে ফেসবুক করেন ও করতে
উৎসাহ দেন। আসলে পেটের গন্ধবায়ু পায়ুদেশ দিয়ে নির্গমন হবার যেমন রাস্তা, বর্তমানে ফেসবুকও শিক্ষকদের গন্ধবায়ু নির্গমনের স্থান। যাবতীয় না পাওয়ার ক্ষোভগুলো ফেবুতে এসে বমি করেন।
শিক্ষকদের জাতীয় মুখ যদি বিজন সরকার হয়, তাহলে বলতে হবে এটাই হওয়ার ছিল। আমার লেখায় যাদের যাদের গাত্রদাহ শুরু হল, তাদের বলি একটু নবরত্ন ঠান্ডা কুল পাওডার মেখে উলটো কাতে
শুয়ে পরুন। কারন ওর বেশি কিছু করতে মন চাইলেও মুরোদ নেই।
সুতরাং, নিঃবংশের নাতি মরে আগে, সেই অমোঘ সুত্র মেনেই সকলের আগে, এককালে কথিত সমাজের মেরুদন্ড স্বরুপ শিক্ষক জাতটার
মেরুদন্ডই ঘুন পোকায় ঝনঝনে হয়ে গেছে। বাঁচাবে কে আমাদের? নিন্মমেধার বা অশিক্ষিত রাষ্ট্রনায়কদের দাপাদাপি তাই
তলিয়ে যাওয়া সমাজের প্রকৃষ্ট বিজ্ঞাপন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন