উপন্যাস
রাজনীতিতে নাম লেখাতে, সবাই আশ্চর্য হল তখন।
সুন্দরী বিদুষী, উপরি পাওনা কলেজের টপার-
পুরুষের প্রাণে ঢেউ তুলে সে, করত যে ছারখার।
চোখ তুলে সে চাইলে পরে বর্ষা যেত ছুটে-
মন খারাপে, মেঘের দল জমত এসে ছুটে।
অমিত গুণের সমন্বয়ে, বিদুষী লগ্নজিতা-
ছাত্রনেতা দেবুর প্রেমে পড়ল সুচরিতা।
আকাশ বাতাস তুফান তুলে, করে দিয়ে আশ্চর্য;
গ্রুপ স্টাডিতে পড়ার বাহানা, আসলেতে সহচর্য।
দিন যায়, ঘনিষ্টতা বাড়ে। ওদের বন্ধু সুদীপ,
আরেক বন্ধু দত্তার পাড়ে, ভিড়িয়ে নিজের ছিপ।
অপেক্ষাতে ছিলনা যে তার, বর্ষা শীত বা গর্মি-
গ্রাম্য আসাদ শান্ত ভীষণ, নিপাট সখী উর্মি।
লাইব্রেরি পাঠ সিদ্ধ করে, কফি হাউজের ঠেকে-
গ্রন্থমেলায় আরো কাছাকাছি, জীবন যে যায় ডেকে।
রাজনীতিতে অশান্ত দেশ, বন্ধু বৃত্তে ঝড়
প্রশ্ন যখন আদর্শের, তখন- কে আপন কে পর!
বহুমাত্রিক জ্ঞান বিনিময়, ঋদ্ধ সকল জনে,
বিধাতার খেলা বোঝা বড় দায়, কী ছিল তার মনে।
দুটি প্রাণ বেয়ে ফল্গু নদী, কত স্রোতে অভিলাষা
কত অভিযান, আগামী নকশা- কল্পলোকে ভাসা।
পনেরো মাসের প্রণয় শেষে, ব্যত্যয় বিরহময়,
জেনে রেখো উপন্যাসে সে- ‘প্রবঞ্চক্ষণে প্রণয়’।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন