দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান রীতিমতো সুইসাইড রেজিমেন্ট তৈরি করেছিল। যে রেজিমেন্টের পোষাকি নাম ছিল "কামিকাজে", যার বাংলা অর্থ স্বর্গীয় বাতাস। সুইসাইড বিমান, সুইসাইড ডুবুরি, সুইসাইড ট্যাঙ্ক ডেস্ট্রয়ার, সুইসাইড বম্বার ইত্যাদি। ইতিহাস সাক্ষী কোনোটাই জাপানের জন্য সফলতা আনেনি। খাতায় কলমে বিরাট বীর ছিলো এরা, যাদের মহিমাকীর্তন হতো বিশ্বজুড়ে। তথ্য বলছে এরা কামাকাজিরা জাপানেরই বেশী ক্ষতি করেছিল। নৈতিক এবং অর্থনৈতিক- দুই ভাবেই জাপানের নিকৃষ্ট রুপ বিশ্বের সামনে উপস্থাপিত হয়েছিল। আজও আমেরিকার পোষ্য ভৃত্ত হিয়ে সে পাপের মূল্য চোকাচ্ছে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
কামিকাজে
বাংলাতে একটা দল রয়েছে, এরাও একদল "কামিকাজে" তৈরি করেছে বা পুষেছে। লোকজন এদের বাম সমর্থক, ডানপন্থীরা মাকু, আর নিজেরা নিজেদের "সুশীল" বলে ডাকে।
এদের বৈজ্ঞানিক নাম "মাকাল", যা কোনো কাজের নয়। বাড়ির পাশের পার্টিঅফিসটা কোথায় না জানলেও, গলার শিরা ফুলিয়ে লাতিনের চে থেকে ইষ্ট ব্লকের রামধনু- গে, সর্ববিষয়ে জ্ঞান ধরে। ভোটের ময়িদানে এদের কেউ কখনও না দেখলেও বাৎসরিক ব্রিগেডে উৎসব করতে আসে। মারের ভয়ে নিজ পাড়ার সুবোধ সেজে, সোস্যালমিডিয়াতে সেই মানের বীর সাজে।
এরা জঙ্গিদের ধর্মে খুঁজে পায়, গিটার বাজিয়ে বিপ্লবের ভায়ের ভাই এর বাপ হয়, বছরে ৪টে সেলফি দেয় মিছিলে হাঁটার, ডেপুটেশনে গিয়ে শীতে গা গরম করে, কাব্য লিখে সরকারের খুঁটি নড়িয়ে দেয়। বাইচান্স কেউ সরকারী তোলা বাহিনী বা খুনে পুলিশ বাহিনীর হাতে ধরা পরে গেলে- বাকিরা তাদের চিনতে প্রত্যাখ্যান করে, সেক্রেটারির বয়ান না আসা অবধি। ইয়ে, সেক্রেটারির মূল কাজ নিন্দা করে বিবৃতি দেওয়া আর নির্দিষ্ট সময় অন্তর সর্বস্তরে সম্মেলনের সংস্কৃতি ও তার উত্তরাধিকারকে বাঁচিয়ে রেখে- যাতে আগামীতে আরো আরো কামিকাজি তৈরি করা যায়।
সত্যিই এরা "কামিকাজে।" না কামে আসে, না কাজে লাগে। না ডাইনে, না বামে। না মানুষ, না মুনিষ। টিভিতে দেবাংশু আর ফেসবুকে কুণাল মেরে বাঘমারি পালোয়ান সাজে, বোঝেনা যে- দেবাংশু তাদের সবাইকে নিজেদের মানে নামিয়ে আসতে সফল হয়েছে। বাকি অবসরে উপরতলার ঝিমুনি দাদাদের ঝুলন্ত ইয়েতে সুড়সুড়ি আর অর্গাজম দিয়ে, একদময় নিজেই কামিকাজি বানাবার শিক্ষক হয়ে উঠে….
এটা একটা চক্রাকার ও চিরন্ত্রণ প্রক্রিয়া। এর বেশী বললে, ওই- আত্মঘাতী বিষ্ফোরণে আপনার ইজের ফাটিয়ে দেবে। হ্যাঁ, ইজের অবধিই দৌড়
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন