ফেসবুকের বিজ্ঞাপন থেকে আয় 3600% বেড়েছে 2010 সালের নিরিখে, কিন্তু ব্যবহারকারী সংখ্যা কেবল 310% বৃদ্ধি পেয়েছে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
ফেসবুকের ফুলেফেঁপে উঠা
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
গোয়ার্তুমি
বহু সময় আমাদের সৎ প্রচেষ্টা থাকে গোয়ার্তুমি ছেড়ে দেওয়ার, কিন্ত গোয়ার্তুমি আমাদের ছেড়ে যায়না- যখন তা চরিত্রের সমার্থক হয়ে যায়। কোনো কিছুর মুল্যেই যখন চরিত্রে বদল আসেনা তখনই এগুলো হয়।
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
ছেলেবেলা থেকেই মেয়ে প্রোগ্রামার হয় যেন...
ভাবছেন হঠাৎ সুমনের গানের লাইনটা পাল্টে লিখলাম কেন? কারণ, কিছুদিন ধরেই আশেপাশে দেখছি - বাবামায়েদের নতুন অ্যাসপিরেশন - ছেলেমেয়ে যেন অল্পবয়স থেকেই ভালোভাবে কোডিং (বা প্রোগ্রামিং) শিখে নেয়। শুধু বাবামা নয়, আমাদের স্কুলশিক্ষা দপ্তরও মনে করে ভবিষ্যতে প্রতিটা বাচ্চাই প্রোগ্রামার হবে, নইলে জীবন চলবে না, অতএব স্কুলে মানুষ হয়ে ওঠা শেখার চেয়ে সি, পাইথন, জাভা শেখা বেশি দরকারি।এইটা নিয়েই দুচারটে কথা বলার ছিলো।একেবারে অনভিজ্ঞ নই। আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ বছরের বেশি আছি, কোডিং ইত্যাদি ভালোই পারি। বহুদিন নানা টেকনোলজি নিয়ে গবেষণার ফলে খান সত্তর পাব্লিকেশন আর খান কুড়ি গ্রান্টেড পেটেন্টও রয়েছে। একদম ক অক্ষর গোমাংস নই কো বাবুমশাইরা।মানে বলে রাখলাম আর কী...যদি একটু মন দিয়ে পড়েন আর ভাবেন।আমার একটা ছোট মেয়ে আছে, ক্লাস এইটে পড়ে। ক্লাস সেভেন অবধি এদের ICT বলে একটা সাবজেক্ট ছিলো - Information and Communication Technology, লক্ষ্য কম্পিউটারের ব্যবহারিক দিকগুলো সম্পর্কে ছেলেমেয়েদের ওয়াকিবহাল করা। আপাতদৃষ্টিতে ঠিকই আছে। হ্যাঁ, ডিজিটাল ডিভাইডের জন্য আমার আপনার ছেলেমেয়েদের স্কুলেই এসব পড়ানো হয়, এরা বাড়িতে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ পেয়ে হাত মকশো করতেও পারে। নইলে বাদবাকি ক'টা স্কুলের ছেলেমেয়েরা এসব সুযোগ পায় বলুন...তা সেই প্রিভিলেজের গল্প না হয় আপাতত থাক। যেটা নিয়ে বলছিলাম - এই মেয়ের ক্লাস এইটেও ICT পড়ানো হয়, আর এতদিন যে শুধুমাত্র ব্যবহারিক দিকগুলো ছিলো - মানে ওই বাক্সটার মধ্যে কী থাকে, জিনিসটা চলে কী করে, ডকুমেন্ট বানায় কী করে, স্লাইড বানায় কী করে...ইত্যাদি... - এর বাইরেও জানলাম আরো অনেক কিছু আছে। মেয়ে একদিন বললো - BlueJ ইনস্টল করে দাও। আমি অবাক হওয়াতে জানালো এই ক্লাস এইটে নাকি জাভা প্রোগ্রামিং আর অবজেক্ট ওরিয়েন্টেশন শেখাবে! ক্লাস এইটে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেশন? আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম সিবিএসই বোর্ডে ক্লাস নাইনে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের কোর্স রয়েছে, তাতে নিউরাল নেটওয়ার্কও রয়েছে। ক্লাস নাইনে নিউরাল নেটওয়ার্ক! যার ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে ম্যাট্রিক্স অ্যালজেব্রা আর ডিফারেনশিয়াল ইকুয়েশনের ওপর!ক্লাস এইট, নাইনে এইসব কীভাবে পড়ানো সম্ভব, যখন এই কনসেপ্টগুলো যে সমস্ত বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে তার কিছুই এই বয়সে পড়ানো হয় না?এরপর খেয়াল করে দেখতে শুরু করলাম - ফেসবুক বা গুগলের নতুন বিজ্ঞাপণগুলো - যেমন WhiteHat Junior, বা Vedantu - এইসব বেসরকারি অনলাইন টিউশন স্টার্টাপগুলোর। এরা স্কুলের বাচ্চাদের অনলাইনে কোডিং শেখায়। অবশ্যই বিনা পয়সায় নয়। একটা উদাহরণ যেমন ৪৮টা ক্লাসের প্যাকেজের দাম ৩৫,০০০ টাকা। কেন শেখায়? বরং, বলা ভালো কেন এই প্যাকেজগুলো বিক্রি হয়? কারণ, এরা আমার আপনার মধ্যে একটা সংশয় তৈরী করে দিতে পেরেছে - যে ভবিষ্যতে আমার আপনার ছেলেমেয়েগুলো ইন্ডাস্ট্রিতে করে খেতে পারবে তো? তাছাড়া, ভবিষ্যতে সবকিছুই যদি কম্পিইউটারাইজড হয়ে যায়, সফটওয়্যারের ওপরেই চলে, তাহলে নিজের ছেলেমেয়েকে সেসব কীভাবে বানায় সেইটা শেখানোই কি ঠিক রাস্তা নয়?আর এখনকার সামাজিক অর্থনৈতিক রাজনৈতিক অবস্থা এই সংশয়কে আরো বাড়িয়েছে...যেমন জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এর "স্কিলনির্ভর শিক্ষা" - যেখানে স্পষ্টই ক্লাস সিক্সের পর কোডিং বা প্রোগ্রামিং শেখানোর সুপারিশ করা হয়েছে। আপনাকে বাধ্য করা হচ্ছে ওরা যেভাবে চায় সেইভাবে ভাবতে।আপনি শুধু একটু চেষ্টা করুন বাস্তবটাকে চিনতে।(১) কোডিং অবশ্যই বিরাট হাতিঘোড়া কিছু বস্তু নয়। বেসিক লজিক বুঝতে পারলে একটা অ্যালগরিদম বোঝা কঠিন নয়। আর আমাদের শিক্ষার স্ট্যান্ডার্ড কারিকুলাম এই লজিকের ভিত তৈরী করার জন্য যথেষ্ট পোক্ত। ধরুন, আপনি আপনার বাচ্চাকে শেখালেন কীভাবে চা বানাতে হয় - তার পরপর কিছু ধাপ আছে - পাত্রে জল নাও, গ্যাস জ্বালাও, পাত্রটাকে গ্যাসে বসিয়ে জল ফুটতে দাও...ইত্যাদি। সেই ধাপগুলো লিখে ফেলে সে কিন্তু তার বন্ধুদেরও একই কাজ শেখাতে পারবে। সাথে, আপনি তাকে এক্সপেরিমেন্ট করে দেখতে বললেন যে ধাপগুলোকে উল্টোপাল্টা করে দিলে কী হয়...কোডিং বাস্তবে এরকমই অ্যালগরিদমগুলোকে কম্পিউটারের পক্ষে বোঝা সম্ভব এমন ভাষায় - মানে সি, জাভা, পাইথন ইত্যাদিতে লিখে ফেলা। স্কুল লেভেলে আমরা যদি লজিকালি ভাবতে শেখাতে পারি, তাহলেই কিন্তু অনেকটা কাজ এগিয়ে যায়।(২) কিন্তু ঠিক যেমন বেসিক অঙ্ক না শিখে অ্যালজেব্রার ইকুয়েশন সলভ করা যায় না, বলা ভালো বোঝা যায় না, ঠিক যেমন নিউটোনিয়ান মোশন বা মেকানিক্স না শিখে কোয়ান্টাম মেকানিক্স শেখা যায় না, একইভাবে কিছু গাণিতিক প্রিন্সিপল না শিখে ভালো প্রোগ্রামার হওয়া যায় না। হ্যাঁ, কিছুটা প্যাটার্ন চিনে ফেলে সেইটা দিয়ে গরুর রচনা লেখা যায় অবশ্যই, কিন্তু তাই দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি চলে না। উল্টে যেটা হয় (আর এটা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলা) সেটা হল এর পরে, কলেজ-ইউনিভার্সিটি বা কর্মক্ষেত্রে, এই শেখাকে ভুলিয়ে নতুন করে আবার সবটা শেখাতে হয়। ভেবে দেখুন - ছয় বছর বা আরো বেশি সময় ধরে আধাখ্যাঁচড়া ব্যাটিং শেখার পর আপনাকে যদি ওয়াসিম আক্রমের সামনে ফেলে দেওয়া হয়...(৩) খেলাচ্ছলে প্রোগ্রামিং অবশ্যই কিছুটা শেখা যায়। এমআইটি মিডিয়া ল্যাবের তৈরী স্ক্র্যাচ দিয়ে গ্রাফিকালি লেগো ব্লক জোড়ার মত ব্লক জুড়ে জুড়ে ছোটোখাটো গেমও বানিয়ে ফেলা যায়। বা, এমআইটিরই অ্যাপ ইনভেন্টর দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপও বানিয়ে ফেলা যায় - আর এগুলো ইস্কুলের বাচ্চাদের জন্যেই তৈরী। কিন্তু এগুলো সবই ওই বেসিক কনসেপ্ট বা খেলাধুলোর জন্য। কেউ আগ্রহ পেলে আরো ভিতরে গিয়ে শিখতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে স্কুলে কোডিং বাধ্যতামূলক করতে হবে। তাছাড়া, প্রোগ্রামিং এর বেসিক কনসেপ্ট, আর অঙ্কের যে নিয়মের কথা আগে বলেছি, সেগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে এখানেও সমস্যা হয়ই।(৪) প্রত্যেকটা বাচ্চার ভবিষ্যতই কি কোডার হওয়া? পৃথিবীতে আর কোনো কাজ থাকবে না, বা অন্য কোনোকিছু চলবে না? বরং, এত যে অটোমেশনের কথা হচ্ছে চারদিকে, তাতে তো বরং এই প্রোগ্রামারদের ভবিষ্যত বরং বেশি আশঙ্কার। গার্ডিয়ান পত্রিকায় GPT-3 নিয়ে একটা আর্টিকল বেরিয়েছিলো অল্প কয়েকদিন আগে (https://www.theguardian.com/.../robot-wrote-this-article...) - আর্টিকলটা লেখা একটি এআই সফটওয়্যার দিয়ে। তাহলে কোনো গ্যারান্টি আছে যে প্রোগ্রামের কন্ডিশনাল স্টেটমেন্টগুলো - অন্ততঃ খুব রিপিটেটিভ স্টেপ যেসব কোডে আছে সেগুলো আরেকটা এআই সফটওয়্যার লিখতে পারবে না? (এই নিয়ে একটা গাণিতিক তর্ক আছে, সেটা আপাতত থাক)আর সবচেয়ে রূঢ় বাস্তবটা কী জানেন? খুব কম সংখ্যক ছেলেমেয়ের বাবামায়েরাই বাড়িতে এই প্রোগ্রামিং এর ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবেন। আমি বা আপনি হয়তো পারবো, বাকি ক'জন পারবে? সেখানেই এই হোয়াইটহ্যাট জুনিয়রদের খেলা। এরা ক্রমাগতঃ আপনার কানের কাছে বলে যাবে - প্রোগ্রামিং প্রোগ্রামিং প্রোগ্রামিং, আপনার বাচ্চার ভবিষ্যত শুধু এর ওপরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে - আর আপনিও ছেলেমেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ৪৮টা ক্লাসের জন্যে কড়কড়ে ৩৫,০০০ টাকা দিয়ে ফেলবেন...আফটার অল, যদি আপনার সন্তান কম্পিটিশনে পিছিয়ে পড়ে, যদি হেরে যায়...মায়ের ভীষণ ইচ্ছে মেয়ে আঁকার স্কুলেও যাক,বাবার দাবী তারই সঙ্গে কত্থকটাও থাক...লেখকঃ অরিজিৎ মুখার্জী
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০
রাত জাগানিয়াঃ একটি সুখের ডাকনাম
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
মরলে চাষা খাবি কি
#Say_No_to_farm_bill
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
ব্ল্যাকআউটের ভ্রূকুটি
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
কৃষি বিল প্রত্যাহার
কৃষি বিল প্রত্যাহারের প্রতিবাদ, অজয় সিং বিস্তের অন্ধকার-রাজ্যে দলিত কন্যা ধর্ষণ-মৃত্যু ও প্রমান লোপের জন্য প্রতিবাদ, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রসহন ও হাস্যকর রায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজের পাশাপাশি যে আওয়াজটা সরকার চেপে দিতে চেইবে সেটার দিকেও একটু নজর দিন। আম্বাদানির দালাল মাঙ্কি-বাত ও পোষ্য মিডিয়া দিয়ে পাব্লিককে লোমের গল্প শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টার ত্রুটি রাখবেনা, কিন্তু দেশের অর্থনীতির সাথে আমাদের প্রত্যেকের রুটিরুজি, দেশের অখন্ডতা ও বাকি সকল কিছু নির্ভরশীল।
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
