বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০

কৃষি বিল প্রত্যাহার



কৃষি বিল প্রত্যাহারের প্রতিবাদ, অজয় সিং বিস্তের অন্ধকার-রাজ্যে দলিত কন্যা ধর্ষণ-মৃত্যু ও প্রমান লোপের জন্য প্রতিবাদ, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রসহন ও হাস্যকর রায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজের পাশাপাশি যে আওয়াজটা সরকার চেপে দিতে চেইবে সেটার দিকেও একটু নজর দিন। আম্বাদানির দালাল মাঙ্কি-বাত ও পোষ্য মিডিয়া দিয়ে পাব্লিককে লোমের গল্প শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টার ত্রুটি রাখবেনা, কিন্তু দেশের অর্থনীতির সাথে আমাদের প্রত্যেকের রুটিরুজি, দেশের অখন্ডতা ও বাকি সকল কিছু নির্ভরশীল।


শেষ ছ'মাসে কেন্দ্রীয় রাজকোষ ঘাটতি পৌঁছেছে বাজেটের ১০৯% তে। CAG এর একটি রিপোর্টে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ষাণ্মাসিক হিসাব এটা। এই সময়ে সরকারের ব্যায় হয়েছে ১২.৪৮ লক্ষ কোটি টাকা, কিন্তু আমদানি হয়েছে মাত্র ৩.৭১ লক্ষ কোটি টাকা। আয় ও ব্যায়ের মাঝে এই মুহুর্তে ফারাক হচ্ছে ৮ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি। অপ্রত্যক্ষ কর আদায় কমেছে ২৪% আর প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে এই ঘাটতি ৮৬% প্রায়। কর্পোরেট ট্যাক্স কমেছে ৪২% হারে। বাজারের যা গতি তাতে এই পতনের ধারা অব্যহতই থাকবে বলে আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞেরা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্টে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি কর মোদী দরকার আদায় করছে, লিটারে ৩২ টাকারও বেশি। এটাই কংগ্রেসের আমলে ছিল পেট্রোলে ১০ টাকা ও ডিজেলে ৪ টাকার একটু বেশি। তাতেও দেশের GDP ১০% এর আশেপাশেই ছিল। গোসন্তানদের সরকারের হাতে দেশের গনধর্ষন এমন হারে হয়েছে যে নিরব মোদী-বিজয় মালিয়ার মতো ফেকু মোদী-অমিত শাহ জুটি না শেষে বিদেশে পালিয়ে যায়- আম্বাদানিকে দেশের সরকার বেচে দিয়ে।

অপরিকল্পিত লকডাউনে ধর্মের জিগিরে বাঁচা, মূর্খ মিথ্যুকের হাতে দেশের শাসন ভার থাকলে যা হওয়ার ছিল, সেটাই হয়েছে। আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত এই নিম্নমুখীতা কোথায় গিয়ে পৌছাবে তা কেবল ভগবানই জানে, কারন এটাও Act of God হিসাবেই বিবৃতি আসবে মোদী-সীতা জুটির থেকে।

আপনাকে আড়াই গ্রাম গাঁজার জন্য এরেস্ট হওয়া অসফল নায়িকার গল্পে বুঁদ করে রাখা তো এই জন্যই, সফট পর্ণ নায়িকাকে Y+ সিকিউরিটি দিয়ে রোজ চ্যাঁটের গল্প ফেঁদে আপনাকে আমাকে ওদের প্রতিই আঁটকে রেখে দেবে স্ক্রিপ্টেড যাত্রাপালায়। শিঘ্রই সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারের GDP রিপোর্টও আসবে, যা শেষ জুনের হিসাবে ২৩.৯% মাইনাসে ছিল, তা যে আরো ডুববে সেটা বলাই বাহুল্য। কতো ডুববে এখন সেটাই দেখার।

এর মাঝে ভক্তদের জন্য আনন্দের খবর হচ্ছে, ঠিক শেষ ছ'মাসে আম্বানির সম্পত্তি বেড়েছে ঘন্টায় ৯০ কোটি টাকা হিসাবে মোট সম্পদের ৭৩%। বর্তমানে আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত। দেশের ঋণ বেড়েছে প্রায় ৯ লক্ষ কোটি।

আচ্ছে দিনের বিকাশের এটাই গণিত।

বাঁচতে চাইলে বাস্তিল দূর্গের পতন যেভাবে হয়েছিল, আগামীতে নাগপুরের গোয়ালের অবস্থা তার চেয়েও সঙ্গীন না করতে পারলে ভবিষ্যৎকে আমরা সুরক্ষিত করতে পারবোনা। বাংলাদেশে জামাতি-রাজাকারদের যেভাবে ধরে ধরে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল বিচারের প্রক্রিয়ায়- মোদী গ্যাং এরও প্রত্যেকের জন্য তেমনই কিছু তোলা রয়েছে হয়তো দেশ বিক্রির ঘৃণ্য অপরাধে- যেটা Act of God এর আওতাতেই গণ্য হবে ইতিহাসে।

নতুবা, আমরা তো এদের সয়ে নিচ্ছি, কিন্তু এর পর?

ছবিটা নেট থেকে ডাউনলোড করা, শুধুমাত্র আপনার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য। লেখার সাথে ছবির সামান্যতম যোগ নেই

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...